ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

বাজারে ‘হেসেখেলে’ বেড়াচ্ছে পলিথিন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৯ পিএম
পলিথিন হাতে একজন ক্রেতা। পুরোনো ছবি

বাজারে ফের দেখা যাচ্ছে অপচনশীল নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার। পলিথিন ও প্লাস্টিক বর্জ্যের অনিয়ন্ত্রিত বিস্তার ঠেকাতে দেশব্যাপী নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপাদন, পরিবহন, বিপণন ও ব্যবহার বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান জোরদার ও কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

পলিথিন ও প্লাস্টিকের বিস্তার ঠেকাতে উৎপাদনকারী অবৈধ কারখানাগুলো বন্ধ করা এবং কাঁচাবাজারে পলিথিনের ব্যবহার শূন্যে নামিয়ে আনতে নিয়মিত নজরদারি করা হচ্ছে। এ ছাড়া পানিতে ভেসে আসা প্লাস্টিক বর্জ্য সমুদ্রের তলদেশ ও উপকূলে জমা হওয়ার কারণে মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের প্রবাল প্রাচীর। এ সংকট নিরসনে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এ প্রসঙ্গে পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সাবরিন সুলতানা বলেন, দেশব্যাপী নিষিদ্ধ পলিথিনের উৎপাদন, পরিবহন, বিপণন ও ব্যবহার বন্ধ করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা জোরদার ও কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। পরিবেশ রক্ষায় এটি জোরালোভাবে অব্যাহত থাকবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞার পরেও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন হাট-বাজারে নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার বাড়ছে। মুদি দোকান, কাঁচাবাজার, মাছের আড়ৎ ও ফলের দোকানে পলিথিন ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব বিভাগ ও সংস্থাকে তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের জন্য কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পলিথিন ও প্লাস্টিক বর্জ্য অপরিকল্পিতভাবে যত্রতত্র ফেলে দেওয়ায় মাটি ও পানির গুণাগুণ নষ্টের পাশাপাশি শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। প্লাস্টিক ভেঙে তৈরি হওয়া অতিক্ষুদ্র কণা মাছ এবং কৃষিজাত খাদ্যের মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে মারাত্মক রোগব্যাধি সৃষ্টি করছে। পলিথিন বন্ধে ব্যবসায়ী, ক্রেতা এবং সর্বস্তরের জনসাধারণের সচেতনতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন তারা।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. তানভীর আহমেদ বলেন, পরিবেশ সুরক্ষায় পলিথিনের উৎপাদন বন্ধ করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তরের জোরালো ভূমিকা রাখা দরকার। এ ছাড়া স্থানীয় সরকারের অধীনে থাকা সংস্থাগুলো পলিথিন ও প্লাস্টিক বর্জ্য যথাযথভাবে সংগ্রহ করলে পরিবেশের জন্য সুফল বয়ে আনবে।

তিনি বলেন, পলিথিন ও প্লাস্টিকের বোতল নদী, খাল, পুকুর ও মাটিতে জমে দূষণ সৃষ্টি করে। এগুলো ভেঙে ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণায় পরিণত হতে পারে, যা মাটি ও পানিতে দীর্ঘদিন থেকে যায়।

ড. তানভীর আরও বলেন, গরু, ছাগল, কচ্ছপ, মাছ ও সামুদ্রিক পাখি প্লাস্টিক খেতে পারে। এতে তাদের অপুষ্টি, এমনকি মৃত্যুও হতে পারে। বায়ুদূষণ ও জলবায়ুর ওপর এসবের প্রভাব পড়ে। এছাড়াও পলিথিন ও প্লাস্টিক পোড়ানোর ধোঁয়ায় ক্ষতিকর গ্যাস ও কণা থাকতে পারে। এই ধোঁয়া শ্বাসনালিতে জ্বালা, কাশি এবং শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি করতে পারে। প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে ক্ষুদ্র কণা ও কিছু রাসায়নিক পরিবেশে ছড়িয়ে খাদ্যশৃঙ্খলে প্রবেশ করতে পারে। পলিথিন ও প্লাস্টিক বর্জ্যে পরিবেশদূষণ, নালা-নর্দমা বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতা, মাটি ও পানির গুণগত মান নষ্ট হওয়া এবং জলজ প্রাণীর ক্ষতির আশঙ্কা বাড়ছে।

এ বিষয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, পলিথিন ও প্লাস্টিক বর্জ্যরে বিস্তার ঠেকাতে এটি ব্যবহারের পরিবর্তে বিকল্প ব্যাগ তৈরি করা প্রয়োজন। এ ছাড়া পলিথিন ও প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। পলিথিন বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান আরও জোরদার ও কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন।

তিনি বলেন, পলিথিনের পরিবর্তে কাপড়, পাট বা বারবার ব্যবহারযোগ্য ব্যাগ ব্যবহার করা প্রয়োজন। প্লাস্টিকের বোতলের পরিবর্তে নিরাপদ ও পরিষ্কার কাচ বা স্টেইনলেস স্টিলের বোতল ব্যবহার করা উচিত। একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের বোতল বারবার ব্যবহার না করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ছোট-বড় সব ধরনের পণ্য বিক্রি হচ্ছে পলিথিন ব্যাগে। এ বিষয়ে সবজি বিক্রেতা মো. মনির বলেন, পলিথিন ছাড়া পণ্য বিক্রি করা সম্ভব নয়, কারণ অন্য কোনো ব্যাগ নেই। আর অনেক ক্রেতাই মালামাল নেওয়ার জন্য সঙ্গে করে ব্যাগ আনেন না।

জাকির হোসেন নামে এক ক্রেতা বলেন, পলিথিনের দাম কম, তাছাড়া বিভিন্ন প্রকারের পণ্য পলিথিনে রেখে সেগুলো বড় ব্যাগে রাখতে সুবিধা। বাজারে বিকল্প ব্যাগ না থাকায় পলিথিনের ব্যবহার চলছে।

২০০২ সালের ১ মার্চ থেকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট সরকার আইন করে সারাদেশে পরিবেশ সুরক্ষায় পলিথিনের উৎপাদন, বিপণন ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ করে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, নাফ নদীর মোহনা ও টেকনাফ এবং আশপাশের দেশের উপকূলীয় এলাকা থেকে বর্জ্য আসছে। মাছ ধরার নৌকা, জাহাজ ও সমুদ্রে ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক স্রোতে ভেসে দ্বীপে পৌঁছাচ্ছে। পর্যটক, স্থানীয় বাসিন্দা ও মাছ ধরতে ব্যবহারের প্লাস্টিকও সমুদ্র সৈকতে জমা হচ্ছে।

তারা বলেন, সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। সেখানে প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিন, খাবারের প্যাকেট ও অন্যান্য বর্জ্য জমে থাকা সামুদ্রিক পরিবেশের জন্য গুরুতর হুমকি। এসব বর্জ্য সমুদ্রের ঢেউ ও স্রোতের মাধ্যমে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছড়াচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সংকট নিরসনে সেন্টমার্টিন দ্বীপের পরিবেশ-প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কাজ করছে সরকার। পর্যটন নিয়ন্ত্রণে কঠোর নির্দেশনা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সরকারের পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে সমুদ্র সৈকতে রাতে আলো জ্বালানো, উচ্চ শব্দে গান বাজানো, বারবিকিউ পার্টি করা, কেয়া বনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ বা সামুদ্রিক প্রাণী কচ্ছপ, পাখি, প্রবাল, তারা মাছ ক্ষতি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

এছাড়াও সৈকতে মোটরসাইকেল ও সি-বাইকের মতো মোটরচালিত যানবাহন পুরোপুরি নিষিদ্ধ। পলিথিন বহন এবং ওয়ান-টাইম প্লাস্টিক, চিপসের প্যাকেট, প্লাস্টিকের চামচ, স্ট্র, শ্যাম্পু ও সাবানের ছোট প্যাকেট এবং ৫০০ মিলি ও ১ লিটারের পানির বোতল ব্যবহার নিষেধ করা হয়েছে। প্রয়োজনে পুনর্ব্যবহারযোগ্য ফ্লাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

পরিবেশবিদ ও স্থানীয়রা বলেন, দ্বীপসহ উপকূলের বিভিন্ন এলাকায় পড়ে থাকা বোতল ও অনেক প্যাকেটের গায়ে মিলেছে মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের প্রতিষ্ঠানের লোগো ও বিদেশি ভাষার লেখা। সমুদ্রস্রোত ও বাতাসে ভেসেই এসব বর্জ্য প্রতিবেশী দেশগুলোর উপকূল থেকে সেন্টমার্টিনে এসে জমা হচ্ছে বলে তারা ধারণা করছেন।

এ অবস্থায় দূষণ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আন্তঃসীমান্ত সামুদ্রিক দূষণ মোকাবিলাও জরুরি হয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন তারা। সূত্র: বাসস

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নদী-খাল দখল বন্ধে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
রাজশাহীতে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, নদী, খাল বা জলাশয় খননের পর আবার নতুন করে দখল ও ভরাট যেন না হয় সে দিকে দৃষ্টি রেখে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। টাস্কফোর্সের সদস্যরা প্রতি ১৫ দিন পরপর প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দেবেন। আমাদের প্রতি মাসে এ সংক্রান্ত সার্বিক প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়।
নদী-খাল দখল বন্ধে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
বিএনপি নেতা আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) এক শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
বিএনপি নেতা আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ-চীন
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে দুই দেশ। দুই দেশের মধ্যে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশ চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিসিআই) উদ্যোগে চীনের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তারা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং ঢাকায় চীনা দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ড. লিউ ইউইন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকার চীনা দূতাবাস এ তথ্য জানায়। অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, গত ৭৭ বছরে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে চীনের অর্জন উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য মূল্যবান শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা। চীনের সঙ্গে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা আরও জোরদার এবং বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিতে বাংলাদেশের দৃঢ় প্রত্যাশা রয়েছে। ড. লিউ ইউইন বলেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের কৌশলগত নির্দেশনায় চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক নতুন মাত্রায় উন্নীত হয়েছে। ‘নতুন যুগে অভিন্ন ভবিষ্যতের বাংলাদেশ-চীন সম্প্রদায়’ গঠনের যৌথ উদ্যোগ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে গতি সঞ্চার করেছে। তিনি আরও বলেন, চীন বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে পাশে রয়েছে। বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা গভীর করার পাশাপাশি দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চীন বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। আরটিভি/এমএ  
অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ-চীন
৪৫তম বিসিএস / বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ পেলেন ১৭০২ জন
৪৫তম বিসিএসে এক হাজার ৭০২ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দিয়ে আদেশ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশের ১০ মাস পর এ নিয়োগ দেওয়া হলো।
বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ পেলেন ১৭০২ জন
‘বিএনপির অতীতের সাফল্য রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নতুন উদ্যোগের অনুপ্রেরণা’
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে নতুন করে কূটনৈতিক উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে অতীতে বিএনপি সরকারের আমলে সফলভাবে প্রত্যাবাসনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এ উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
‘বিএনপির অতীতের সাফল্য রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নতুন উদ্যোগের অনুপ্রেরণা’
আরও পড়ুন
তুলা উৎপাদন নিয়ে সরকারের ‘বড় পরিকল্পনা’
সরকারি খরচে আইনি সহায়তা পেলেন ১৬ লাখ ৬৩ হাজার ৬২০ জন
‘সাত মাসে ২ কোটি শিশুকে টিকা দিয়েছে সরকার’
প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ নিয়ে ‘বড় পরিকল্পনা’ সরকারের