
সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজের আগামী শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয়বার অংশগ্রহণকারীদের জন্য দুঃসংবাদ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
রোববার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সাংবাদিকদের জানান, এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় যেসব শিক্ষার্থী দ্বিতীয়বার অংশ নেবেন, তাদের নৈর্ব্যক্তিকে ১০ নম্বর কাটা হবে।
পরীক্ষায় পাস নম্বর ৫০ করা ও দ্বিতীয়বার অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে নৈর্ব্যক্তিক নম্বর ১০ নম্বর কাটার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত এসেছে কি না; প্রশ্নে তিনি বলেন, সিদ্ধান্ত এতটুকুই যে ভর্তি ফি বাড়ানো হয়নি, পাস নম্বরও বাড়ানো হয়নি। ৪০ যেটা ছিল, সেটাই ঠিক আছে।
মন্ত্রী বলেন, যারা দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দেবে, তাদের ক্ষেত্রে ১০ নম্বর কাটার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটা আগে ছিল আট নম্বর, এখন দুই বাড়িয়ে ১০ করা হয়েছে। এটা সমতা আনার জন্য। যাতে নতুন পরীক্ষার্থীরা অসুবিধায় না পড়েন, বঞ্চিত না হন।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে জাহিদ মালেক বলেন, প্রশ্নফাঁস হওয়ার সুযোগ নেই। গত পাঁচ বছরে মেডিকেল পরীক্ষার বিষয়ে কারও কোনো অভিযোগ ছিল না। প্রশ্নফাঁস নিয়ন্ত্রণে সবকিছু ডিজিটাল ও অত্যাধুনিক করা হয়েছে।
এ ছাড়াও তিনি বলেন, আমাদের দেশে এখনও অনেক চিকিৎসকের ঘাটতি রয়েছে। অন্তত এক লাখ চিকিৎসক কম রয়েছেন। দুই থেকে আড়াই লাখ চিকিৎসক দরকার। অর্থাৎ দ্বিগুণেরও বেশি দরকার।
ডাক্তার ও নার্সদের ঘাটতি মেটাতে কজা চলছে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, চিকিৎসকদের মান উন্নয়ন করা হচ্ছে, তবে রাতারাতি কিছু হয় না। তারপরেও যারা মান বজায় রাখতে পারছেন না, তাদের সাজা দেওয়া হচ্ছে।




