
বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়ের মধ্যে অন্যতম নারীর ক্ষমতায়ন। নারী উন্নয়ন, নারীর অধিকার, নারীর মর্যাদা, নারীর প্রতি সহিংসতার পরিপ্রেক্ষিতে নারীর ক্ষমতায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নারীর ক্ষমতায়ন তখনই সম্ভব, যখন কোনও বাধা বা সীমাবদ্ধতা ছাড়াই নারী শিক্ষা, কর্মজীবন এবং নিজেদের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনতে পারবে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের পথপ্রদর্শক। ১৯৬৯ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি মহিলা লীগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু নারীদের মূলধারার রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করার সুযোগ করে দেন। নারী উন্নয়নের লক্ষ্যে তাঁদের সার্বিক উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধুর প্রত্যক্ষ নির্দেশনা পরিলক্ষিত হয়।
১৯৭২ সালেই সরকারি চাকরিক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু নারী উন্নয়নে ১০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণ করেন। মুক্তিযুদ্ধে যেসব নারী পাকিস্তানি সৈন্যদের দ্বারা সম্ভ্রম হারিয়েছেন, বঙ্গবন্ধু তাঁদের ‘বীরাঙ্গনা’ খেতাবে ভূষিত করেছেন। জাতির পিতার নির্দেশনায় ১৯৭২ সালে বীরাঙ্গনাদের জন্য পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপিত হয়।
নারী পুনর্বাসন বোর্ড গঠন করে তাঁদের পারিবারিক ও সামাজিকভাবে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। অপরিমেয় দেশপ্রেম, আত্মত্যাগ ও সাহস নিয়ে যিনি বঙ্গবন্ধুকে নিরলসভাবে প্রেরণা দিয়েছিলেন, তিনি হলেন জাতির পিতার সহধর্মিণী, বাংলার ইতিহাসে চিরস্মরণীয় মহীয়সী নারী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব। নারীর উন্নয়ন, মর্যাদা ও ক্ষমতায়নের পারিবারিক শিক্ষার যে বীজ বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা বপন করেছিলেন, তা জননেত্রী শেখ হাসিনার কর্মেও প্রতিনিয়ত প্রতীয়মান হচ্ছে।
শেখ হাসিনার সরকার নারীর যথার্থ মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় অর্থনৈতিক, সামাজিক, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে নারীর সিদ্ধান্ত গ্রহণ, নারী শিক্ষার বিস্তার, কর্ম, চিকিৎসা, নিরাপত্তা ও নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ সব ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে ব্যাপক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে এগিয়ে যাচ্ছে। এসব ক্ষেত্রে শক্ত অবস্থান তৈরির ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনন্য অবদান আমরা দেখতে পাই।
জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে প্রণয়ন করেন “জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১”। জাতীয় সংসদের স্পিকার পদে একজন নারীকে নির্বাচিত করেন। শেখ হাসিনাই তাঁর মন্ত্রিসভায় প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে নারীকে দায়িত্ব দেন। সংসদ উপনেতাও হন একজন নারী।
তখন সুশীল সমাজের কেউ কেউ বলতে শুরু করেছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা, সংসদ উপনেতা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী নারী হলেই কি নারীর ক্ষমতায়ন হয়ে যাবে? হয়তো তা বলা যাবে না। তবে এ কথা অনস্বীকার্য যে, এত গুরুত্বপূর্ণ পদে নারীর পদায়নের ফলে তাঁদের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে এবং অন্যদেরকে উৎসাহিত করছে। ফলে নারীর ক্ষমতায়ন দীর্ঘস্থায়ী ও সুদূরপ্রসারী হচ্ছে।
উপজেলা পরিষদে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদ সৃষ্টি ও ইউনিয়ন পরিষদে তিনজন নারী সদস্য নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নির্বাচিত হওয়ার বিধান নিশ্চিত করেছে বর্তমান সরকার। বাংলাদেশের নারী এখন শুধু বিচারক, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার নন; নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এবং রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছেন দক্ষতার সঙ্গে।
শিক্ষা, চিকিৎসা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, কূটনৈতিক দক্ষতা, খেলাধুলা, পর্বতারোহণ, নাসায় কাজ করাসহ সব চ্যালেঞ্জিং পেশায় তাঁরা সাফল্যের চিহ্ন রাখছেন।
বর্তমানে কৃষি মন্ত্রণালয়সহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সচিব বা সমমর্যাদার পদে অসংখ্য নারী কর্মকর্তা আছেন, যা ইতোপূর্বে ছিল না। শেখ হাসিনার সরকারই প্রথম উচ্চ আদালতের বিচারপতি, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, সেনাবাহিনীতে মেজর জেনারেল পদে নারীকে পদায়িত করেছে।
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম কর্তৃক প্রণীত বৈশ্বিক জেন্ডার গ্যাপ সূচকে বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে। গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ- ২০২৩ মতে, বিশ্বের ১৪৬ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৫৯তম, যা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ। যেখানে ভারত ১২৭তম ও পাকিস্তান ১৪২তম।
২০২২ সালের বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৭১তম। নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ বিশ্বে সপ্তম অবস্থানে রয়েছে। বর্তমানে সংরক্ষিত আসন ও নির্বাচিত ২২ জনসহ ৭২ জন নারী সংসদ সদস্য রয়েছেন। স্থানীয় পর্যায়ে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত নারী প্রতিনিধিও আছেন ১২ হাজারেরও অধিক।
অর্থনীতিতে নারীর অংশগ্রহণের দিক দিয়ে বাংলাদেশ গতবারের ১৪৭তম অবস্থান থেকে ছয় ধাপ এগিয়ে ১৪১তম অবস্থানে উঠে এসেছে। এ দেশের অর্থনীতিতে এখন নারীদের অবদান মোট জিডিপির ২০ শতাংশের বেশি। সর্বশেষ শ্রমশক্তি জরিপ-২০২২ অনুযায়ী নারীদের শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণের হার ২০০৬ সালের ২৯ শতাংশ এবং ২০১৭ সালের ৩৬.৩ শতাংশ থেকে এখন ৪৩ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে। অথচ ভারতে এই হার মাত্র ২০ শতাংশ আর পাকিস্তানে তা ২২ শতাংশ।
আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম উৎস তৈরি পোশাক খাতের যে ৪০ লাখের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে তার ৮০ শতাংশের বেশি হলো নারী। এছাড়াও সারাদেশে ৫ হাজারের বেশি ডিজিটাল সেন্টার স্থাপিত হয়েছে, যেখানে অর্ধেকেরও বেশি সংখ্যক নারী কর্মী কাজ করছেন। বর্তমান সরকার নারীর কল্যাণে কর্ম সম্পাদন ও নারীর অধিকার সুরক্ষায়, ২০০৯-১০ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো জেন্ডার বাজেট উপস্থাপন করেন।
বর্তমান ২০২৩-২৪ অর্থবছরের মোট বাজেটে জেন্ডার সম্পৃক্ত বরাদ্দের পরিমাণ ২,৬১,৭৮৭ কোটি টাকা যা মোট বাজেটের ৩৪.৩৭ শতাংশ এবং জিডিপি ৫.২৩ শতাংশ। স্বাস্থ্য সেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। ২০২১ সালের ১৩৪ থেকে উঠে এসে বর্তমানে বাংলাদেশের অবস্থান ১২৯তম স্থানে। স্বাস্থ্যসেবায় সংশ্লিষ্ট কর্মীদের প্রায় ৭০ শতাংশ নারী।
মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শিক্ষা খাতেও অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। ফলে শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্যে বর্তমানে বাংলাদেশের অবস্থান ১২৩তম। সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের বিনা বেতনে শিক্ষার ব্যবস্থাও করেন শেখ হাসিনা। যে কারণে দেশে নারীশিক্ষার হার অনেক বেড়েছে। শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করে প্রাথমিক থেকে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত নারীদের শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে।
প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ৬০ শতাংশ নারী শিক্ষক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ফলে প্রাথমিকে ছাত্রীসংখ্যা ১০৪-এর বিপরীতে ছাত্রসংখ্যা ১০০ এবং মাধ্যমিকে ১১৪ ছাত্রীসংখ্যার বিপরীতে ছাত্র ১০০। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নারী শিক্ষকের অনুপাত সরকারি ক্ষেত্রে ৬৪.৪১ শতাংশ এবং বেসরকারি ক্ষেত্রে ৬৬.০৩ শতাংশ।
২০২২ সালে উচ্চশিক্ষায় (টারশিয়ারি) নারীদের ভর্তির হার ১৭.১৯ শতাংশ এবং উচ্চশিক্ষার (ডিগ্রি/মাস্টার্স/পোস্ট- গ্র্যাজুয়েট/অন্যান্য) ক্ষেত্রে ছাত্রীদের ভর্তির হার ৪৫.০৩ শতাংশ। বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নে নারীশিক্ষার প্রসারই বড় ভূমিকা রেখেছে। বাল্যবিয়ে ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে কঠোর আইন করেছে শেখ হাসিনা সরকার, ফলে মাতৃমৃত্যুহার দুই-তৃতীয়াংশ কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে।
পাশাপাশি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও পরিবার পরিকল্পনায় সরকার জোর দিয়েছে বলে জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের হার ১৯৭৬ সালের ৮ শতাংশ থেকে বর্তমানে তা ৬৩ শতাংশে চলে এসেছে। সন্তান জন্মের পর আগে অভিভাবকের জায়গায় শুধু পিতার নাম লেখা হতো; এখন মায়ের নামও লেখা হয়। জননেত্রীর এই বিশেষ উদ্যোগের কারণে সমাজে মায়ের অধিকার এবং আত্মসম্মান কাগজ-কলমেও স্বীকৃতি পেয়েছে।
নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে কোনও জামানত ছাড়াই সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা এসএমই ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা করেছে এই সরকার। এছাড়া নারী উদ্যোক্তারা বাংলাদেশ ব্যাংক ও এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক থেকে ১০ শতাংশ সুদে ঋণও নিতে পারছেন। নারীর প্রতি সব ধরনের সহিসংতা রোধে প্রণয়ন করা হয় পারিবারিক সহিংসতা দমন ও নিরাপত্তা আইন-২০১২।
নারীদের সুরক্ষা নিশ্চিতে প্রণয়ন করা হয় মানবপাচার প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১২, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১১ এবং বাল্যবিয়ে নিরোধ আইন-২০১৭ প্রণয়ন করা হয়েছে। এছাড়া মেয়েশিশুদের নিরাপত্তায় শিশু আইন-২০১৩ প্রণীত হয়েছে শেখ হাসিনা সরকারের আমলেই। হিন্দু নারীদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষার্থে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন-২০১২ প্রণয়ন করা হয়েছে।
নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে এবং ৭টি বিভাগে “ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার” খোলা হয়েছে। ধর্ষণের আলামত সংগ্রহে ও পরীক্ষায় কিছু দিন আগেও “টু ফিংগার টেস্ট” করা হতো, যা ধর্ষিতা নারীর প্রতি ছিল বৈষ্যমূলক ও অবমাননাকর। যা শেখ হাসিনা সরকারের আমলেই বাতিল করা হয়েছে।
এছাড়াও তৃণমূল পর্যায়ে নারীদের স্বীকৃতি ও অনুপ্রেরণাদানের জন্য ‘জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ’ কর্মসূচির মাধ্যমে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে উপজেলা, জেলা এবং বিভাগীয় পর্যায়ে নির্বাচিত নারীকে সম্মাননা দেয়া হচ্ছে। স্বল্প ব্যয়ে আবাসন সুবিধা প্রদানে কর্মজীবী নারীদের জন্য ঢাকা শহরে চারটি, রাজশাহী, খুলনা, যশোর এবং চট্টগ্রামে একটি করে মোট ৮টি ১৬০৬ আসনবিশিষ্ট কর্মজীবী মহিলা হোস্টেল পরিচালিত হচ্ছে। শুধুমাত্র গার্মেন্টসে কর্মরত নারীদের স্বল্প ব্যয়ে আবাসন সুবিধা প্রদানের জন্য আশুলিয়া, সাভার ও ঢাকায় ৭৪৪ আসনের ১২ তলা হোস্টেল নির্মাণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিশুদের জন্য ডে-কেয়ার সুবিধা রয়েছে।
কর্মজীবী মায়ের সন্তানদের জন্য ঢাকা শহরে ২৫টি, বিভাগীয় শহরে ৫টি, জেলা শহরে ১৩টিসহ মোট ৪৩টি ডে-কেয়ার সেন্টার চালু রয়েছে। শুধুমাত্র গার্মেন্টসে কর্মরত নারীদের সন্তানের জন্য ঢাকা, চট্টগ্রাম, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের প্রতিটিতে ৩০ আসনের ১৫টি ডে-কেয়ার সেন্টার চালু রয়েছে। নারীর উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে এ পর্যন্ত ৩৩ লাখ ৪৩ হাজারেরও অধিক নারীকে বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ দিয়েছে বর্তমান সরকার।
বদলে যাওয়া এই বাংলাদেশে নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন ঘটেছে প্রশ্নাতীতভাবে। কয়েক দশক আগেও বলতে গেলে ঘরবন্দি নারী এখন অর্থনীতি-রাজনীতির বলিষ্ঠ নিয়ন্ত্রক। বাংলাদেশে যে অভাবনীয় আর্থিক সমৃদ্ধি, উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হয়েছে, তা মূলত নারীর ক্ষমতায়ন ও অগ্রগতির জন্যই, আর এক্ষেত্রে যার অবদান অনস্বীকার্য, তিনি সফল রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা এবং তার দৃঢ় নেতৃত্ব, সুদূরপ্রসারী চিন্তা ও সুনিপুণ প্রজ্ঞা।
নারী শিক্ষা ও উদ্যোক্তা, উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে তার অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লাইফটাইম কন্ট্রিবিউশন ফর উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট অ্যাওয়ার্ড, উইমেন ইন পার্লামেন্ট (ডব্লিউআইপি) ও ইউনেস্কো ডব্লিউআইপি গ্লোবাল ফোরাম অ্যাওয়ার্ড, গ্লোবাল উইমেন্স লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড, প্ল্যানেট ফিফটি-ফিফটি চ্যাম্পিয়ন, ট্রি অব পিস, এজেন্ট অব চেঞ্জসহ নানাবিধ সম্মাননা অর্জন করেছেন। তার সব অর্জন বাংলাদেশের নারীদের যেমন গর্বিত করে তেমনি উৎসাহিত করে। তাই বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের নারীর সাফল্য আজ অনুকরণীয় ও অনুসরণীয় যার রূপকার হচ্ছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।
লেখক : প্রক্টর, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট




