ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

সব সমাধান মোবাইল অ্যাপে

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর ২০১৬, ০৮:৫৯ পিএম

একটা সময় ছিলো যখন মোবাইল ফোন সবাই ব্যবহার করতো কথা বলার জন্য। অবশ্য তখন মোবাইল ফোন সেটের ব্যবহার এর বাইরে ছিলো না। এর সফটওয়্যার কিছু নির্ধারিত কাজের জন্য তৈরি। দিন দিন আপডেট হতে থাকে মোবাইল ফোন সেট। বাড়ে তার কর্ম পরিধি। মোবাইল ফোন সেটের আপডেট ভার্সন এখন স্মার্টফোন হিসেবে পরিচিত। দিন যত যাচ্ছে ততই এটি সহজ লভ্য হচ্ছে। আর এ ফোন দিয়ে শুধু কথা বলাই নয়, বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে এটি। একইসঙ্গে এটি দিয়ে সেরে নিচ্ছি অনেক দরকারি কাজও।

স্মার্টফোনের সঙ্গে ব্যবহার বাড়ছে মোবাইল অ্যাপ’র। কী এই মোবাইল অ্যাপ? কেন আমরা ঝুঁকছি অ্যাপ ব্যবহারের দিকে?

বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার ব্যবহার শুরু হলো ডেস্কটপ পিসি দিয়ে। টেবিলে একটি টেলিভিশনের মতো মনিটর, সঙ্গে একটি বাক্স যেটির নাম সিপিইউ, কি-বোর্ড, মাউস, স্পিকার- এসব নিয়েই ডেস্কটপ কম্পিউটার। এরপর এলো ল্যাপটপ কম্পিউটার। আমাদের পরিচিত কম্পিউটার আকারে হয়ে গেলো ছোট, দরকারে এটি কাঁধের ব্যাগে নিয়ে চলাফেরাও করা যায় সব জায়গায়। ইন্টারনেট এরইমধ্যে অনেকটা সজহলভ্য হতে শুরু করেছে। প্রযুক্তির প্রসারে বাংলাদেশও হচ্ছে ডিজিটাল।

ল্যাপটপের ব্যবহার বাড়ার পাশাপাশি বদলেছে মোবাইলের ধরণ, পরিচিত কথা বলার কিপ্যাডওয়ালা মোবাইল পাল্টে গেলো টাচস্ক্রিনওয়ালা স্মার্টফোনে। আর এখন যতোই বাড়ছে স্মার্টফোনের ব্যবহার, ততোই দ্রুত ডিজিটালের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশও।

ডেস্কটপ-ল্যাপটপে যে সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামগুলো আমরা ব্যবহার করি, সেগুলো চালাতে দরকার হয় ভালো মানের বা গতিসম্পন্ন কম্পিউটার। স্মার্টফোনের ব্যবহার যখন বাড়লো তখন কম্পিউটারের সেসব সফটওয়্যার ব্যবহার করার চাহিদা মানুষ অনুভব করলো হাতের ছোট স্মার্টফোনে। আর এ চাহিদা থেকেই মোবাইলে ব্যবহার করা শুরু হলো অনেক রকম অ্যাপ। অ্যাপ’র পুরো মানে হচ্ছে অ্যাপ্লিকেশন, এটিও এক ধরনের সফটওয়্যার।

অ্যাপ চালানোর জন্য খুব ভালো মানের কম্পিউটার দরকার হয় না, সাধারণ মানের একটি স্মার্টফোনই যথেষ্ট। অ্যাপ এমন একটা সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন, যেটা মানুষ চলতে ফিরতে কিংবা বাসা-অফিসে বসে যে কোনো সময় ব্যবহার করতে পারে। বাসায় কিংবা অফিসে বসে যে কাজটা করতে হতো, এমন অনেক কাজই মানুষ এখন অ্যাপে সেরে নিচ্ছে যে কোনো জায়গায়।

স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেট এ দু’টি যখন মানুষের পকেটে সহজলভ্য হলো তখন থেকেই বেড়েছে মোবাইল ফোনে অ্যাপের চাহিদা। ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে অনলাইন অ্যাপ, আর না থাকলে অফলাইন অ্যাপ- থেমে নেই অ্যাপ’র ব্যবহার।

সময় কাটাতে গেম খেলতে চান, আছে গেম খেলার অ্যাপ। দেশে-বিদেশে অনলাইন পত্রিকাগুলোর আপডেট পেতে চাইলে স্মার্টফোনে ইনস্টল করে নিতে পারেন সেসব পত্রিকার অ্যাপ। তখন অ্যাপই আপনাকে জানিয়ে দেতে সবশেষ আপডেট সংবাদ।

দেশে-বিদেশে কারো সঙ্গে কথা বলবেন, আছে স্কাইপি, ভাইবার, হোয়াটস আপ, ইমো, ট্যাঙ্গো। এ অ্যাপগুলো দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করেই কথা বলা যায়, লাগে না কোনো অপারেটরের মোবাইল নম্বর। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে একজন মা পাশের বাড়ির কারো স্মার্টফোন দিয়ে বিদেশে থাকা ছেলের সঙ্গে বেশিক্ষণ কথা বলতে পারছেন এসব অ্যাপ দিয়ে। ফোন নম্বরে কথা বলতে খরচ হতো বেশি কথা হতো কম। আর এখন মা-ছেলে নিজেদের মোবাইল স্ক্রিণে নিজেদের দেখে কথা বলতে পারছে খুবই কম খরচে।

বর্তমানে জনপ্রিয় একটি জিনিস হচ্ছে সেলফি। স্মার্টফোনে সেলফি তোলার পর দরকার হয় সেটি এডিট করে একটু সুন্দর কিংবা রংবদল করার। সেজন্য সেলফির সঙ্গে বেড়েছে ছবি এডিট করার অ্যাপ’র চাহিদা।

ইন্টারনেটে বহুল ব্যবহৃত তথ্যকোষ উইকিপিডিয়া। এটির অ্যাপ সংস্করণ মোবাইল ফোনে ইনস্টল করে নিলে ইন্টারনেটে না থাকলেও দরকারে জানা যাবে অনেক তথ্য। অনুবাদের জন্য অনেকেই ইন্টারনেটে ব্যবহার করেন গুগল ট্রান্সলেটর। এটিরও অ্যাপ ইনস্টল করা থাকলে কাজ করা যাবে ইন্টারনেট না থাকলেও।

বিরক্তিকর কল ব্লক করতে, ভাইরাস থেকে মোবাইল নিরাপদ রাখতে, মোবাইলের দরকারি নম্বর-মেসেজ ব্যাকআপ রাখতে, বাংলা লিখতে আমরা ব্যবহার করছি বিভিন্ন অ্যাপ।

উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলেয়ে বেড়েছে বাংলাদেশেও প্রযুক্তির ব্যবহার। উন্নত দেশ গড়তে সরকার জোর দিয়েছে তথ্যপ্রযুক্তিতে। সারাদেশকে এর আওতায় আনা হচ্ছে।

জনগণের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সম্পৃক্ততা বাড়াতে গেলো অক্টোবরে ‘বিডি পুলিশ হেল্প লাইন’অ্যাপ উদ্বোধন করে বাংলাদেশ পুলিশ। এ অ্যাপ ব্যবহার করে পুলিশের কাছে যে কেউ অপরাধ এবং অপরাধী সংক্রান্ত তথ্য জানাতে পারবেন, যে কোনো থানার ওসির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগও করতে পারবেন।

সরকারি কর্মকর্তাদের নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ও ফাইল আদান-প্রদানের জন্য গেলো সেপ্টেম্বরে চালু করা হয় মেসেজিং অ্যাপ ‘আলাপন’। এটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিছুটা ভাইবারের মতো এই অ্যাপের মাধ্যমে সরকারের কোনো কর্মকর্তা যে কোনো জায়গা থেকে চ্যাটিং, ভয়েস ও ভিডিও কল, গ্রুপ কনফারেন্স ছাড়াও নথি আদান-প্রদান করতে পারবেন। অ্যাপের অ্যাডভান্সড সার্চ অপশনে গিয়ে যে কোনো মন্ত্রণালয় ও বিভাগের আওতাধীন যে কোনো কর্মকর্তার মোবাইল নম্বরও সংগ্রহ করা যাবে। আলাপন অ্যাপ ব্যবহারে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়া অন্য কোনো খরচ হবে না।

সম্প্রতি ভারতে নিষিদ্ধ করা হয় ৫০০ ও ১০০০ রুপির নোট। ভারতের সাধারণ মানুষ নোট নিয়ে কী ভাবছেন, সেটা জানতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাহায্য নিয়েছেন নিজের মোবাইল অ্যাপের। ‘নরেন্দ্র মোদি’অ্যাপ চালু করা হয়েছিলো গেলো বছর, সেখানেই এ জরিপে ১০টি প্রশ্ন রাখা হয়েছে।

আমরা যে স্মার্টফোনগুলো ব্যবহার করছি, সেখানে ৩ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। আইফোনের জন্য আইওএস, অ্যান্ড্রয়েড ফোনের জন্য অ্যান্ড্রয়েড ওএস এবং উইন্ডোজ ফোনের জন্য উইন্ডোজ ওএস। আর ৩ ধরনের ফোনের ব্যবহারকারীদের জন্যই রয়েছে আলাদা আলাদা অ্যাপ। আইওএস ব্যবহারকারীরা অ্যাপল আইটিউনস, অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা গুগল প্লে স্টোর এবং উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরা উইন্ডোজ স্টোর থেকে নিজেদের পছন্দ ও চাহিদা অনুযায়ী অ্যাপ ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

যতোই সময় এগোচ্ছে, বাড়ছে প্রযুক্তির ব্যবহার। আর প্রযুক্তির নানামুখি ব্যবহারে আমাদের সুযোগ করে দিচ্ছে এসব মোবাইল অ্যাপ। সেজন্যই সাধারণ মানুষ থেকে প্রধানমন্ত্রী- সবার কাছেই দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে মোবাইল অ্যাপ।

এম / জেএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রথম নারী সাধারণ সম্পাদক পেলো জাতীয় প্রেসক্লাব
অবশেষে প্রথম নারী সাধারণ সম্পাদক পেলো জাতীয় প্রেসক্লাব। ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত সংগঠনটির নবনির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক হলেন সাংবাদিক ফরিদা ইয়াসমিন। শনিবারের নির্বাচনে তিনি ৪৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। বাংলাদেশ নারী নেতৃত্বে এরই মধ্যে প্রশংসা কুড়িয়ে বিশ্বব্যাপী। যা অনেক দেশের জন্য এখন অনুসরণীয়। ফরিদা ইয়াসমিনের জয়ের মধ্য দিয়ে সে অর্জন আরেকধাপ এগিয়ে গেলো বলে মনে করছেন সাংবাদিকরা। সাংবাদিক ফরিদা ইয়াসমিন জাতীয় প্রেস ক্লাবের টানা তিনবারের নির্বাচিত সদস্য। শেষবার তিনি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করা এ নারী পড়াশোনা অবস্থাতেই সাংবাদিকতা শুরু করেন। দৈনিক বাংলার বাণী হয়ে তিনি দৈনিক মুক্তকণ্ঠ ও যুগান্তরে কাজ করেছেন। প্রায় দু’দশক ধরে আছেন দৈনিক ইত্তেফাকে। ফরিদা ইয়াসমিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অ্যালামনাই এসোসিয়েশনেরও ভাইস প্রেসিডেন্ট।  জাতীয় প্রেসক্লাব সভাপতি শফিক , সাধারণ সম্পাদক ফরিদা এসজে/ জেএইচ
প্রথম নারী সাধারণ সম্পাদক পেলো জাতীয় প্রেসক্লাব
অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে অ্যাম্বুলেন্স সমিতি
শনিবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে ৬ দফা দাবিতে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ডেকেছে ঢাকা মহানগর অ্যাম্বুলেন্স সমবায় সমিতি। অন্যান্য অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতি এই ধর্মঘটে একাত্মতা ঘোষণা করেছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে তাদের দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চালিয়ে যাবার ঘোষণা দিয়েছে সমিতি কর্তৃপক্ষ। সমিতির নেতাদের অভিযোগ, বিআরটিএ থেকে অ্যাম্বুলেন্সকে রুট পারমিট দেয়া হয় না, তবু রাস্তায় বের হলেই পুলিশ সার্জেন্টরা রুট পারমিট দেখতে চান। এ নিয়ে বিআরটিএ’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মামলা দেয়- অ্যাম্বুলেন্স কেন সিএনজি করা হয়েছে। তারা আরো অভিযোগ করেন, রাস্তায় বের হলেই ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকার পর্যন্ত মামলা করা হয়। এছাড়া পুলিশ সার্জেন্টদের দুর্ব্যবহার, নগদ টাকার কারবারসহ অন্যান্য হয়রানি নিয়েও তারা ক্ষুব্ধ।   এসজে/ জেএইচ
অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে অ্যাম্বুলেন্স সমিতি
জাতীয় প্রেসক্লাব সভাপতি শফিক, সাধারণ সম্পাদক ফরিদা
জাতীয় প্রেসক্লাব ব্যবস্থাপনা কমিটির (২০১৭-১৮) নির্বাচনে সভাপতি পদে নির্বাচিত হলেন মুহাম্মদ শফিকুর রহমান। সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছেন ফরিদা ইয়াসমিন। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে ভোটের ফল ঘোষণা করা হয়। এবারের নির্বাচনে ১ হাজার ২১৮ জন ভোটারের মধ্যে ১ হাজার ১৮০ জন ভোটা দেন। বর্তমান সভাপতি মুহাম্মদ শফিকুর রহমান এ পদে টানা দু’মেয়াদে নির্বাচিত হলেন। আর ফরিদা ইয়াসমিন হলেন জাতীয় প্রেসক্লাবের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নারী সাধারণ সম্পাদক। নির্বাচনে শফিক-ফরিদা প্যানেল ১৭টি পদের মধ্যে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ১৪ টি পদে জয় পেয়েছে। এদিকে, এমএ আজিজ ও কাদের গণি পরিষদ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকসহ দু’টি পদে জয়লাভ করে। এই দু’প্যানেলের বাইরে স্বতন্ত্র সদস্য পদে একজন নির্বাচিত হয়েছেন। বর্তমান সভাপতি শফিকুর রহমান ৬৭২ ভোট পেয়ে ফের নির্বাচিত হলেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এম এ আজিজ পেয়েছেন ২৮৯ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে ফরিদা ইয়াসমিন ৪৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাদের গনি চৌধুরী পেয়েছেন ৩৫১ ভোট। সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে সাইফুল আলম (৮০৭), সহ-সভাপতি পদে আজিজুল ইসলাম ভুঁইয়া (৫৭০) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দু’টি পদে শাহেদ চৌধুরী (৬২৭) ও ইলিয়াস খান (৪৫২) নির্বাচিত হয়েছেন। কোষাধ্যক্ষ পদে বর্তমান কোষাধ্যক্ষ কার্তিক চ্যাটার্জী ৪৭৮ ভোট পেয়ে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। সদস্য পদে নির্বাচিত হন- শ্যামল দত্ত (৫৭৪), কুদ্দুস আফ্রাদ (৫৩৫), মাঈনুল আলম ( ৫১১), রেজোয়ানুল হক রাজা (৪৮৮), মোল্লা জালাল (৪৫৯), শামসুদ্দিন আহমেদ চারু ( ৪৫২),  হাসান হাফিজ ( ৪২৩), শাহনাজ বেগম (৩৯৯), কল্যাণ সাহা (৩৭৮) ও হাসান আরেফিন (৩০৪)। জেএইচ
জাতীয় প্রেসক্লাব সভাপতি শফিক, সাধারণ সম্পাদক ফরিদা
বছর শেষেও টিআরপিতে শীর্ষে আরটিভি
বছরের শেষ সপ্তাহেও দর্শক জনপ্রিয়তায় শীর্ষে রয়েছে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভি।  আরটিভি কর্তৃপক্ষের আশা, ২০১৭ সালেও দর্শকের ভালোবাসা এবং আকর্ষণীয় সব অনুষ্ঠানমালা নিয়ে আরটিভি সবার পছন্দের তালিকায় শীর্ষে থাকবে। আরটিভির সঙ্গে থাকার জন্য সব দর্শক ও শুভানুধ্যায়ীদের ধন্যবাদও জানান কর্তৃপক্ষ। ২০১৪ সাল থেকে তথ্য বিনোদন মানদণ্ডে টানা শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে আরটিভি। আরটিভির ফেসবুক পেজই বলে দেয়, মানুষের মাঝে কেমন সাড়া ফেলেছে এ চ্যানেল।এখন এর ফেসবুক লাইক সংখ্যা ৯০ লাখ, যা নিঃসন্দেহে ঈর্ষনীয়। সত্যিইতো, কী নেই আরটিভিতে? সব বয়সী, সব শ্রেণি-পেশার মানুষেরই দরকার মিটিয়ে চলেছে আরটিভি। আর এ সংক্রান্ত ভাবনা-চিন্তা পরিকল্পনার পেছনে রয়েছে সুদক্ষ কাণ্ডারি-কর্তৃপক্ষ এবং সৃজনশীল-উদ্যমী এক ঝাঁক তারুণ্যের আন্তরিক প্রয়াস। আর এটাতো সত্য, তারুণ্যদীপ্ত নেতৃত্বের হাত দিয়েই সম্ভব, অসম্ভবকে সম্ভব করা। সংবাদ পরিবেশনায় সত্যনিষ্ঠতা আরেক বড় শক্তি আরটিভির। সমাজ-প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনেও থাকছে সাহস ও মুন্সিয়ানার পরিচয়। দরকারি নানা বিষয়ে টক-শো দারুণ জনপ্রিয়। আর দিক নির্দেশনা ও বহুমতের প্রতিফলন থাকায় এগুলো হয়ে উঠেছে দর্শকপ্রিয়। সর্বোপরি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে  আরটিভির এ পথচলা গঠনমূলক ভূমিকা রেখে চলেছে আপন ভাষা-সংস্কৃতি-ইতিহাস-ঐতিহ্যকে জিইয়ে রাখতে। আর এসবের মধ্য দিয়ে নবীন প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ-উজ্জীবিত রাখতে অনবদ্য ভূমিকা বরাবরই থাকছে এ চ্যানেলের। ডিএইচ/জেএইচ
বছর শেষেও টিআরপিতে শীর্ষে আরটিভি
ইমরান এইচ সরকারের বিয়ে
গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার শুভ কাজটি সারলেন বছরের একেবারে শেষ প্রান্তে এসে। ঢাকা বিশ্ববিদ‌্যালয় শিক্ষক নাদিয়া নন্দিতা ইসলাম তিন্নির সঙ্গে তিনি বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ‌্যায় ঘরোয়াভাবে তাদের হলুদের আনুষ্ঠানিকতা হয়। শনিবার পারিবারিকভাবেই তাদের বিয়ে হচ্ছে। জানা গেছে, শুক্রবারের পারিবারিক আয়োজনে কনের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন আত্মীয় ও গণজাগরণ মঞ্চের কয়েকজন ছিলেন। বেশ কিছুদিন ধরেই পারিবারিকভাবে ইমরানের সঙ্গে তার বিয়ের কথা চলছিল। ইমরান নিজেও ফেসবুক স্ট্যাটাসে এর পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। তিন্নি শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের মেয়ে। তিনি ভাষাতত্ত্ব বিভাগের সহকারি অধ্যাপক। ইমরান এইচ সরকার রংপুর মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করেন। ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবিতে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন শুরু হলে তিনি মুখপাত্র নির্বাচিত হন। এসজে/এসজেড
ইমরান এইচ সরকারের বিয়ে