ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

রাগ না করা উত্তম চরিত্রের বৈশিষ্ট্য

আরটিভি অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০১৯, ০৯:০০ পিএম
আপডেট : ১১ জানুয়ারি ২০১৯, ০৯:১৮ পিএম

রাগ মানব চরিত্রের এক দুর্বল দিক। ইসলামে রাগ প্রসঙ্গে রয়েছে কার্যকর নির্দেশনা।

কুরআনে মুমিনদের বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করার সময় বলা হয়েছে, ‘যারা রাগকে নিয়ন্ত্রণ করে, মানুষকে ক্ষমা করে।’ -সূরা আলে ইমরান: ১৩৪

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমি হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে উপদেশ দিন। তিনি বললেন, রাগ করো না। তিনি কয়েকবার পুনরাবৃত্তি করলেন। রাসূল (সা.) বললেন, রাগ করো না।’ –সহিহ বোখারি শরিফ।

বর্ণিত হাদিসে আলোকে এতে বুঝা যায়- রাগ নয়, বরং ক্ষমা করার মাহাত্ম্যই হলো- ইসলাম।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের টানা দশ বছরের খাদেম হজরত আনাস (রা.) স্বীকৃতি দিয়েছেন, ‘তিনি (নবী করিম) কখনও না করা কাজের ব্যাপারে বলেননি- এটা কেন করোনি। আর করা কাজের ব্যাপারে কখনও বলেননি- এটা কেন করেছো!’ –সুনানে তিরমিজি।

এ আলোচনা দ্বারা খুব সহজেই বলা যায়- রাগ না করা উত্তম চরিত্রের এক অনন্য বৈশিষ্ট্য।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, ‘আমরা একবার তকদির সম্পর্কে পরস্পরে আলোচনা করছিলাম, সে সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কামরা থেকে বের হলেন। তার চেহারা এমন রক্তাক্ত হয়েছিলো, যেন ডালিমের দানা নিংড়ে দেওয়া হয়েছে। রাগান্বিত স্বরে বললেন, তোমাদের আদিষ্ট বিষয় কি এটা? নাকি এ নিয়ে আমি প্রেরিত হয়েছি? তোমাদের পূর্ববর্তীরা এ নিয়ে মতভেদের কারণে ধ্বংস হয়েছে। আমি তোমাদের দৃঢ়ভাবে বলছি- দ্বন্দ্বে লিপ্ত হবে না।’ –তিরমিজি।

হাদিসসমূহ থেকে বুঝা যায়, মানবতা ও দ্বীনের স্বার্থে রাগান্বিত হওয়া ঈমানের অংশবিশেষ। অন্যায় ও দ্বীনহীনতা দেখেও যে রাগান্বিত হয় না, সে রাসূলের আদর্শের ওপর নেই।

তবে শিক্ষণীয় বিষয় হলো, রাগের সময়ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি এমন কথাই বলেছেন, যা সুন্দর পথের নির্দেশনা দেয়। তেমনি আমাদেরও রাগের ক্ষেত্রে এই সীমারেখা টেনে দেওয়া দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রাগ কখনোই ভালো কিছু বয়ে আনে না।

আরো পড়ুন:

এমকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জিপিএ-৫ না পেয়ে জেএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা
বরিশাল নগরীতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় জিপিএ-৫ না পাওয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে সারিয়া আক্তার (১৪) নামের এক পরীক্ষার্থী। আজ মঙ্গলবার পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার পরে দুপুরে নিজ বাড়িতে সে  আত্মহত্যা করে। আত্মহননকারী সারিয়া আক্তার নগরীর কাউনিয়া এলাকার বাসিন্দা বরিশাল কলেজের সাবেক ভিপি শাহীন হাওলাদারের মেয়ে। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে দায়িত্বে থাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাজমুল ইসলাম আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জিপিএ-৫ না পেয়ে নিজ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। নিহত স্কুল ছাত্রীর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালের লাশ সংরক্ষণ কক্ষে রাখা হয়েছে। এজে
জিপিএ-৫ না পেয়ে জেএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা
জেএসসিতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৮.৮০ শতাংশ
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের জেএসসি পরীক্ষায় এবার পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ বছর ২ লাখ ৭০ হাজার ৯৭৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ১৩১ জন। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, এ বছর বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ বোর্ডে এবার ফলাফলে ছেলেরা এগিয়ে রয়েছে। ছেলেদের পাসের হার ৮৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং মেয়েদের পাসের হার ৮৮ দশমিক ৪১ শতাংশ। এ বছর এক হাজার ৯২৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৩৯টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাসের কৃতিত্ব অর্জন করেছে। তিনি আরও জানান, কুমিল্লা বোর্ডের ৬টি জেলার মধ্যে কুমিল্লা জেলার ৯০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাশ করেছে যা বোর্ডের মধ্যে সেরা। এজে
জেএসসিতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৮.৮০ শতাংশ
এই প্রথম ফল প্রকাশ করলো ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড
নবগঠিত ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত জেএসসি পরীক্ষার প্রথম ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে পাশের হার ৮৭ দশমিক ২১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন হাজার ৯০৩ জন শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের হাতে ফলাফল তুলে দেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শামসুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের সচিব প্রফেসর কিরীট কুমার দত্ত, কলেজ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান, উপ-সচিব মশিউল আলম, মনিরুজ্জামান ও সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহসিনা বেগম। ময়মনসিংহ বোর্ডে ২০১৯ সালে জেএসসি পরীক্ষায় এক হাজার ৪৮৪ টি স্কুলের এক লাখ ৬১ হাজার ৩৫৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে এক লাখ ৪০ হাজার ৭১৭ জন পাস করেছে।  বিভাগের মধ্যে পাসের হার শেরপুর জেলায় ৯০ দশমিক ০৫ শতাংশ, জামালপুরে ৮৯ দশমিক ৫২ শতাংশ, ময়মনসিংহে ৮৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ ও নেত্রকোনায় ৮৫ দশমিক ৭১ শতাংশ। পরীক্ষার ফলাফলে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। একটি স্কুল থেকে তিনজন পরীক্ষার্থী ছিল তাদের কেউ পাশ করেনি।  জেবি
এই প্রথম ফল প্রকাশ করলো ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড
জেএস‌সি‌তে রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৯৪.১০ শতাংশ
রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে এবছর জেএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ৯৪.১০ শতাংশ। এর মধ্যে মেয়েদের পাশের হার ৯৪.৮৭ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৩.৩০ শতাংশ। আজ মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১২টায় রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। গত বছর জেএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ছিল ৯৪.৫৭ শতাংশ। ২০১৭ সালে ছিল ৯৫.৫৪ শতাংশ। এবারে পাশের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৯৪.১০ শতাংশ। এবছর মোট জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৪৭৮ জন। এর মধ্যে ৭ হাজার ২৭৮ জন ছেলে এবং ৯ হাজার ২০০ জন মেয়ে শিক্ষার্থী। শুধুমাত্র রাজশাহী জেলায় মোট ২ হাজার ৬৪৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এবারের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো ২ লাখ ৬৩ হাজার ৬৮৩ জন। এদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ২ লাখ ৫৮ হাজার ১৮৬ জন। এজে
জেএস‌সি‌তে রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৯৪.১০ শতাংশ
প্রাথমিকে পাস ৯৫.৫০ শতাংশ, ইবতেদায়িতে ৯৫.৯৬ (ভিডিও)
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ি (পিইসি) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এবার প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ আর ইবতেদায়িতে ৯৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এসব তথ্য তুলে ধরে বলেন, প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ আর ইবতেদায়িতে ৯৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন লাখ ২৬ হাজার ৮৮ জন, ইবতেদায়িতে ১১ হাজার ৮৭৭ জন। এবার সমাপনীতে মোট ২৪ লাখ ৫৪ হাজার ১৫১ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে ২৩ লাখ ৪৩ হাজার ৭৪৩ জন পাস করেছে। উত্তীর্ণদের মধ্যে ১০ লাখ ৭২ হাজার ১৫৪ জন ছাত্র ও ১২ লাখ ৭১ ৫৮৯ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন লাখ ২৬ হাজার ৮৮ জন। এদের মধ্যে ছাত্র এক লাখ ৪১ হাজার ৪৫১ ও ছাত্রী এক লাখ ৮৪ ৬৩৭ জন। অন্যদিকে ইবতেদায়িতে এবার তিন লাখ চার হাজার ১৭৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে পাস করেছে এক লাখ ৫৭ হাজার ৯৩৬ জন। এদের মধ্যে ছাত্র সংখ্যা এক লাখ ৫০ হাজার ৮৩৫ জন ও ছাত্রী এক লাখ ৪১ হাজার ৪০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ হাজার ৮৭৭ জন। জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৫৬৮৫ জন ও এক হাজার ১৯২ জন ছাত্রী। ফল বিশ্লেষণ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, এবার ইবতেদায়ি পরীক্ষায় ছাত্রদের সংখ্যা বেশি হলেও গড় পাসের দিক থেকে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। সর্বোচ্চ পাসের হার বিবেচনায় ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় দেশের আট বিভাগের মধ্যে রাজশাহী বিভাগ শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। এ বিভাগে পাসের হার ৯৭ দশমিক ৮১ শতাংশ। নওগাঁ জেলায় পাসের হার শতভাগ। তিনি আরও বলেন, এবার সারাদেশে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ২৪০ জন এবং ডিআরভুক্ত হয়ে ২১৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। তার মধ্যে ১৯৭ জন পাস করেছে। তার মধ্যে ছাত্র ১১৪ জন এবং ছাত্রী ৮৩ জন। এ স্তরে পাসের হার ৯২ দশমিক ০৬ শতাংশ। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এফ এম মনজুর কাদির, মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা। পি
প্রাথমিকে পাস ৯৫.৫০ শতাংশ, ইবতেদায়িতে ৯৫.৯৬ (ভিডিও)
আরও পড়ুন
খাঁচায় পাখি ও অ্যাকুরিয়ামে মাছ পালন কী জায়েজ?