ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

‘চিলিংহ্যাম দুর্গে আতঙ্ক’ বইয়ের রিভিউ প্রতিযোগিতার পুরস্কার প্রদান

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ২০ নভেম্বর ২০১৯, ১১:০৫ এএম

পরন্ত বিকেল ঘনিয়ে হেমন্তের মঙ্গলসন্ধ্যা নেমেছে কুয়াশার চাদরে মোড়া ধুলায় ধূসরিত হয়ে। তার ফাঁক গলে (১৯ নভেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার) প্রবেশ শাহবাগস্থ কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির ভিআইপি সেমিনার কক্ষে। ভিন্নমাত্রিক আয়োজনে নতুনত্বের ছাপ স্পষ্ট। পেছনের ব্যানারে লেখা বুক রিভিউ প্রতিযোগিতা। ব্যানারের মধ্যেই বইয়ের প্রচ্ছদ বলে দিচ্ছে কী বই এবং কার লেখা।

ততক্ষণে মাইক্রোফোন চলে গেছে উপস্থাপকের হাতে। সঞ্চালকের কথা মতো মঞ্চ আলো করে শূন্য আসন পূরণ করলেন অনুষ্ঠানটির সভাপতি, বরেণ্য শিশুসাহিত্যিক আলী ইমাম, খন্দকার মাহমুদুল হাসান, রম্য লেখক সুমন্ত আসলাম, প্রকাশক কামরুল হাসান শায়ক ও শান্তা তাওহীদা। আর তাদের মাঝে আসন নিলেন ডিটেকটিভ চরিত্র অলকেশ রয়ের স্রষ্টা কথাসাহিত্যিক অরুণ কুমার বিশ্বাস।

মূলত আজকের এই আয়োজন অলকেশ রয়ের স্রষ্টা অরুণ কুমার বিশ্বাসের ‘চিলিংহ্যাম দুর্গে আতঙ্ক’ বইয়ের রিভিউ প্রতিযোগিতার পুরস্কারকে কেন্দ্র করে। তথ্য-প্রযুক্তির উৎকর্ষতার সঙ্গে সঙ্গে সাহিত্যের বাজার কী করে গতিপথ বদলায় কিংবা সময়ের প্রয়োজনে বদলাতে হয়, তারই উজ্জ্বল নমুনা এই অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে রিভিউ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ১০ জনকে আয়োজক প্রতিষ্ঠান বই বাজার.কমের পক্ষ থেকে পুরস্কার প্রদান করা হয়। লেখকসহ অতিথিরা তাদের হাতে পুরস্কার ও বই তুলে দেন। এমনকি উপস্থিত সকল দর্শক-শ্রোতাকেও লেখকের বই উপহার দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানটি নিয়ে সভাপতি আলী ইমাম বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠানটি একটি ভিন্নমাত্রিক আয়োজন। এর কারণ অরুণ কুমার বিশ্বাস শুধু লিখেই তার দায়িত্ব শেষ করেন না। তিনি পাঠকদের কাছে বই পৌছে দেওয়ার কৌশল জানেন, সেটি আজকের এই সময়ে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সরকারের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে যেমন সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন তেমনি সাহিত্যজগতেও তিনি সরব পদচারণা করছেন। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের শিশুসাহিত্যকে তিনি নেতৃত্ব দেবেন বলে আমার বিশ্বাস।

আলী ইমামেম কথার সূত্র ধরে খন্দকার মাহমুদুল হাসান বলেন, আমরা যারা লেখালেখি করি তারা নিজের জন্য লিখি। কিন্তু আমাদের সবার সব লেখা যেমন আলোচিত হয় না তেমনি সব লেখকও আলোচিত হন না। এই সময়ে কম বয়সী লেখকদের মধ্যে আমি বলবো অরুণ কুমার বিশ্বাস নিজেকে আলোচনায় আনতে সক্ষম হয়েছেন। এজন্যে তাকে সাধুবাদ জানাই।

রম্য লেখক সুমন্ত আসলাম বলেন, অরুণ কুমার বিশ্বাস যেভাবে দুই হাতে লিখতে পারেন, আমি সেভাবে পারি না। তার লেখার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।

‘চিলিংহ্যাম দুর্গে আতঙ্ক’ বইটির প্রকাশক পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স এর কর্ণধার কামরুল হাসান শায়ক বলেন, বর্তমানে আমাদের সমাজে কিশোর-তরুণরা যেভাবে মাদকে আক্রান্ত, সেখান থেকে পরিত্রাণের পথ খুলে দেবে অরুণ কুমার বিশ্বাসের এই বই। তরুণদের বইমুখী করতে এমন বই খুব দরকার।

শান্তা তাওহীদা ‘চিলিংহ্যাম দুর্গে আতঙ্ক’ বইটির নানা দিক নিয়ে বিশ্নেষণধর্মী আলোচনা করেন।

কথাসাহিত্যিক অরুণ কুমার বিশ্বাস বইটি নিয়ে নিজের আত্মসমালোচনা করে বলেন, আমার এই বইটি লেখা প্রায় ১০ বছর আগে লন্ডনে বসে। তখন লেখক হিসেবে আমি আজকের মতো পরিণত ছিলাম না। তারপরও বলছি লন্ডনে বসে লেখা হলেও রহস্যোপন্যাস হিসেবে বইটি কিশোর তরুণদের তো বটেই সকল বয়সী মানুষদের ভালো লাগবে।

পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জিপিএ-৫ না পেয়ে জেএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা
বরিশাল নগরীতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় জিপিএ-৫ না পাওয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে সারিয়া আক্তার (১৪) নামের এক পরীক্ষার্থী। আজ মঙ্গলবার পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার পরে দুপুরে নিজ বাড়িতে সে  আত্মহত্যা করে। আত্মহননকারী সারিয়া আক্তার নগরীর কাউনিয়া এলাকার বাসিন্দা বরিশাল কলেজের সাবেক ভিপি শাহীন হাওলাদারের মেয়ে। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে দায়িত্বে থাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাজমুল ইসলাম আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জিপিএ-৫ না পেয়ে নিজ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। নিহত স্কুল ছাত্রীর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালের লাশ সংরক্ষণ কক্ষে রাখা হয়েছে। এজে
জিপিএ-৫ না পেয়ে জেএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা
জেএসসিতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৮.৮০ শতাংশ
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের জেএসসি পরীক্ষায় এবার পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ বছর ২ লাখ ৭০ হাজার ৯৭৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ১৩১ জন। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, এ বছর বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ বোর্ডে এবার ফলাফলে ছেলেরা এগিয়ে রয়েছে। ছেলেদের পাসের হার ৮৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং মেয়েদের পাসের হার ৮৮ দশমিক ৪১ শতাংশ। এ বছর এক হাজার ৯২৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৩৯টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাসের কৃতিত্ব অর্জন করেছে। তিনি আরও জানান, কুমিল্লা বোর্ডের ৬টি জেলার মধ্যে কুমিল্লা জেলার ৯০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাশ করেছে যা বোর্ডের মধ্যে সেরা। এজে
জেএসসিতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৮.৮০ শতাংশ
এই প্রথম ফল প্রকাশ করলো ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড
নবগঠিত ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত জেএসসি পরীক্ষার প্রথম ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে পাশের হার ৮৭ দশমিক ২১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন হাজার ৯০৩ জন শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের হাতে ফলাফল তুলে দেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শামসুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের সচিব প্রফেসর কিরীট কুমার দত্ত, কলেজ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান, উপ-সচিব মশিউল আলম, মনিরুজ্জামান ও সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহসিনা বেগম। ময়মনসিংহ বোর্ডে ২০১৯ সালে জেএসসি পরীক্ষায় এক হাজার ৪৮৪ টি স্কুলের এক লাখ ৬১ হাজার ৩৫৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে এক লাখ ৪০ হাজার ৭১৭ জন পাস করেছে।  বিভাগের মধ্যে পাসের হার শেরপুর জেলায় ৯০ দশমিক ০৫ শতাংশ, জামালপুরে ৮৯ দশমিক ৫২ শতাংশ, ময়মনসিংহে ৮৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ ও নেত্রকোনায় ৮৫ দশমিক ৭১ শতাংশ। পরীক্ষার ফলাফলে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। একটি স্কুল থেকে তিনজন পরীক্ষার্থী ছিল তাদের কেউ পাশ করেনি।  জেবি
এই প্রথম ফল প্রকাশ করলো ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড
জেএস‌সি‌তে রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৯৪.১০ শতাংশ
রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে এবছর জেএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ৯৪.১০ শতাংশ। এর মধ্যে মেয়েদের পাশের হার ৯৪.৮৭ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৩.৩০ শতাংশ। আজ মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১২টায় রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। গত বছর জেএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ছিল ৯৪.৫৭ শতাংশ। ২০১৭ সালে ছিল ৯৫.৫৪ শতাংশ। এবারে পাশের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৯৪.১০ শতাংশ। এবছর মোট জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৪৭৮ জন। এর মধ্যে ৭ হাজার ২৭৮ জন ছেলে এবং ৯ হাজার ২০০ জন মেয়ে শিক্ষার্থী। শুধুমাত্র রাজশাহী জেলায় মোট ২ হাজার ৬৪৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এবারের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো ২ লাখ ৬৩ হাজার ৬৮৩ জন। এদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ২ লাখ ৫৮ হাজার ১৮৬ জন। এজে
জেএস‌সি‌তে রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৯৪.১০ শতাংশ
প্রাথমিকে পাস ৯৫.৫০ শতাংশ, ইবতেদায়িতে ৯৫.৯৬ (ভিডিও)
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ি (পিইসি) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এবার প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ আর ইবতেদায়িতে ৯৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এসব তথ্য তুলে ধরে বলেন, প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ আর ইবতেদায়িতে ৯৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন লাখ ২৬ হাজার ৮৮ জন, ইবতেদায়িতে ১১ হাজার ৮৭৭ জন। এবার সমাপনীতে মোট ২৪ লাখ ৫৪ হাজার ১৫১ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে ২৩ লাখ ৪৩ হাজার ৭৪৩ জন পাস করেছে। উত্তীর্ণদের মধ্যে ১০ লাখ ৭২ হাজার ১৫৪ জন ছাত্র ও ১২ লাখ ৭১ ৫৮৯ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন লাখ ২৬ হাজার ৮৮ জন। এদের মধ্যে ছাত্র এক লাখ ৪১ হাজার ৪৫১ ও ছাত্রী এক লাখ ৮৪ ৬৩৭ জন। অন্যদিকে ইবতেদায়িতে এবার তিন লাখ চার হাজার ১৭৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে পাস করেছে এক লাখ ৫৭ হাজার ৯৩৬ জন। এদের মধ্যে ছাত্র সংখ্যা এক লাখ ৫০ হাজার ৮৩৫ জন ও ছাত্রী এক লাখ ৪১ হাজার ৪০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ হাজার ৮৭৭ জন। জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৫৬৮৫ জন ও এক হাজার ১৯২ জন ছাত্রী। ফল বিশ্লেষণ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, এবার ইবতেদায়ি পরীক্ষায় ছাত্রদের সংখ্যা বেশি হলেও গড় পাসের দিক থেকে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। সর্বোচ্চ পাসের হার বিবেচনায় ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় দেশের আট বিভাগের মধ্যে রাজশাহী বিভাগ শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। এ বিভাগে পাসের হার ৯৭ দশমিক ৮১ শতাংশ। নওগাঁ জেলায় পাসের হার শতভাগ। তিনি আরও বলেন, এবার সারাদেশে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ২৪০ জন এবং ডিআরভুক্ত হয়ে ২১৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। তার মধ্যে ১৯৭ জন পাস করেছে। তার মধ্যে ছাত্র ১১৪ জন এবং ছাত্রী ৮৩ জন। এ স্তরে পাসের হার ৯২ দশমিক ০৬ শতাংশ। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এফ এম মনজুর কাদির, মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা। পি
প্রাথমিকে পাস ৯৫.৫০ শতাংশ, ইবতেদায়িতে ৯৫.৯৬ (ভিডিও)
আরও পড়ুন
চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হবে মানুষের জন্য: প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় পুরস্কারের অর্থের পরিমাণ বাড়ল
কৌতুক অভিনেতা হিসেবে পুরস্কার গ্রহণ করবেন না মোশাররফ করিম
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের তালিকায় ভারতীয় নাগরিক