
উচ্চ আদালতের নির্দেশের পরও প্রতীক না পেয়ে আন্দোলনে নেমেছিলেন সিলেট-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিশ্বনাথ পৌরসভার মেয়র মুহিবুর রহমান।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অবস্থান নিয়ে মানববন্ধন করেন তিনি। পরে নিজ নির্বাচনী এলাকায়ও একাধিক কর্মসূচি পালন করেন। পরে রাতে তাকে পছন্দের প্রতীকই বরাদ্দ দেয় নির্বাচন কমিশন।
বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে তাকে পছন্দের প্রতীক ট্রাক দেওয়া হয়। নির্বাচন কমিশনের কাছে মুহিব এই প্রতীকই চেয়েছিলেন।
মুহিবকে প্রতীক বরাদ্দের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সার্বিক সমন্বয়ক ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইমরুল হাসান।
জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, বিশ্বনাথ পৌরসভার মেয়রপদ থেকে পদত্যাগ না করে সিলেট-২ আসনে প্রার্থী হওয়ায় মুহিবুর রহমানের মনোনয়ন বাতিল করেন জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা।
পরে গত ১০ ডিসেম্বর প্রার্থিতা ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন তিনি। তবে তার আপিল খারিজ করা হয়। এরপর প্রার্থিতা ফিরে পেতে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেন তিনি। গত ২৪ ডিসেম্বর বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথ ও ইকবাল করিমের যৌথ বেঞ্চ রিটের শুনানি শেষে আদেশ দেন।
আদেশে তাকে নির্বাচনে সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেন নৌকার প্রার্থী শফিকুর রহমান চৌধুরী। ফলে আটকে যায় প্রতীক বরাদ্দ।
এদিকে প্রতীক বরাদ্দ না পাওয়ায় বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে নেতাকর্মীদের নিয়ে জড়ো হন মুহিবুর রহমান। পরে সেখানে অবস্থান নেন তারা।
সেখানে তারা মানববন্ধন শুরু করলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের সরে যেতে বলা হয়। এরপর তারা জেলা প্রশাসনের কার্যালয় থেকে বের হয়ে প্রধান ফটকের বিপরীতে রাস্তার পাশে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। পরে সেখান থেকে নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে একাধিক প্রতিবাদী কর্মসূচি পালন করেন মুহিবুর রহমানের অনুসারীরা।




