ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

মানিকগঞ্জ-২: লড়াই হবে বিএনপি-জাতীয় পার্টির

জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস, মানিকগঞ্জ

প্রকাশ : ০৭ ডিসেম্বর ২০১৭, ০৬:৫২ পিএম

হরিরামপুর, সিঙ্গাইর ও মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন নিয়ে মানিকগঞ্জ-২ আসন ও জাতীয় সংসদের ১৭৩ নম্বর আসনটি গঠিত।

১ম থেকে ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত মানিকগঞ্জে আসন ছিল চারটি। ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আসন পুনর্বিন্যাস করে মানিকগঞ্জ-৪ আসনটি ভেঙে মানিকগঞ্জ-২ আসনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ফলে মানিকগঞ্জের আসন সংখ্যা ৪টি থেকে কমে ৩টি হয়।

মানিকগঞ্জ-২ আসনে হরিরামপুর উপজেলার সঙ্গে মানিকগঞ্জ-৪ আসনের নির্বাচনী এলাকা, সিঙ্গাইর উপজেলা ও মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ৩টি ইউনিয়নকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং শিবালয় উপজেলাকে বাদ দিয়ে মানিকগঞ্জ-১ আসনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

১ম ও দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনটি ছিল ঢাকা-২ ও ঢাকা-৪ আসন। ১৯৮৪ সালে মহকুমা থেকে জেলায় উন্নীত হলে আসনটি মানিকগঞ্জ-২ ও মানিকগঞ্জ-৪ হয়। যা জাতীয় সংসদের ১৭৩ ও ১৭৫ নম্বর আসন।

১৯৭৩ সালে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই দুটি আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে সংসদ সদস্য হন যথাক্রমে মোসলেম উদ্দিন খান হাবু মিয়া ও মীর আবুল খায়ের ঘটু।

১৯৭৯ সালে দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হন বিএনপির প্রার্থী ক্যাপ্টেন (অব.) আব্দুল হালিম চৌধুরী ও শামসুল ইসলাম খান নয়া মিয়া।

১৯৮৬ সালে তৃতীয় সংসদ ও ১৯৮৮ সালে ৪র্থ সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাতীয় পার্টির নেতা ডা. লুৎফর রহমান ও গোলাম ছরোয়ার মিলন।

১৯৯১ সালে পঞ্চম, ১৯৯৬ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে ষষ্ঠ ও ১৯৯৬ সালের জুন মাসে সপ্তম ও ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হন প্রয়াত বিএনপি নেতা হারুণার রশিদ খান মুন্নু ও শামসুল ইসলাম খান নয়া মিয়া।

অর্থাৎ এই আসনে নয়া মিয়া মোট পাঁচবার এবং মুন্নু মিয়া মোট চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। নয়া মিয়া সরকারের শিল্পমন্ত্রী ও মুন্নু দপ্তরবিহীন মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

নয়া মিয়ার মৃত্যুর পর তার আসনে উপ-নির্বাচনে বিএনপি দলীয় মনোনয়ন নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তার ছেলে ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খান শান্ত। ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের নির্বাচনে নবগঠিত সংসদীয় এলাকায় বিএনপি দলীয় প্রার্থী হন মুন্নুর মেয়ে আফরোজা খান রিতা।

তাকে পরাজিত করে ৯ম সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হন ১৪ দলীয় জোট সরকারের প্রার্থী জাতীয় পার্টির নেতা এস এম আব্দুল মান্নান।

২০১৪ সালে ১০ম সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন দেয়া হয় কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগমকে।
এই নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ না করায় মমতাজ বেগম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনেও দলের মনোনয়ন চাইবেন তিনি। তবে তার দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন জোট সরকারের অন্যতম শরিক দল জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও এই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এস এম আব্দুল মান্নান।

জাতীয় পার্টির সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী গোলাম ছারোয়ার মিলনও এই আসনে নির্বাচন করতে চাচ্ছেন বলে জানা যায়।

এছাড়াও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান শফিউল আরেফীন টুটুল, মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য ইঞ্জিনিয়ার সালাম চৌধুরী, হাটিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনির হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. আলী জ্বিলকদ আহমেদও জনসংযোগ করে যাচ্ছেন।

তবে এই আসনে মমতাজ বেগমের পরিবর্তে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য এস এম আব্দুল মান্নানকে ১৪ দলীয় জোট থেকে মনোনয়ন দেয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়।

জাপা নেতা মান্নান এরইমধ্যে তার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের নির্বাচনী কাজ পরিচালনার দায়িত্ব কার ওপর দেয়া যেতে পারে তা যাচাই-বাছাই শুরু করেছেন। কিছু কিছু এলাকায় তিনি দায়িত্ব দিয়ে দিয়েছেন। সেই অনুযায়ী তারা কাজও করছেন। কারণ মান্নানকে জোট থেকে মনোনয়ন না দেয়া হলেও তিনি নির্বাচন করবেন বলে ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে, আসন্ন সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের ব্যাপারে দলীয় সিদ্ধান্ত না থাকলেও বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের নির্বাচনী এলাকায় দলীয় কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সামাজিক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগদানের মধ্য দিয়ে নির্বাচনে তাদের প্রার্থিতার কথা জানান দিচ্ছেন।

এই আসনে সাবেক শিল্পমন্ত্রী শামসুল ইসলাম খান নয়া মিয়ার ছেলে ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খান শান্ত, সিঙ্গাইর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবিদুর রহমান খান রোমান মনোনয়ন চাইবেন বলে জানা গেছে।

এই আসনে ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছিল সাবেক মন্ত্রী হারুণার রশীদ খান মুন্নুর বড় মেয়ে ও জেলা বিএনপির সভাপতি আফরোজা খান রিতাকে। তবে রিতাকে মানিকগঞ্জ-৩ আসনে মনোনয়ন দেয়া হলে এই আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খান শান্তর মনোনয়ন প্রায় নিশ্চিত।

তাই এই আসনে বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও জাপা নেতা এস এম আব্দুল মান্নানের মধ্যে ত্রিমুখী লড়াই হবার সম্ভাবনা আছে। তবে এক্ষেত্রে অনেকটা এগিয়ে থাকবে বিএনপির প্রার্থী।

জেবি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নিবন্ধন চায় ৭৬টি দল
নির্বাচন কমিশনে(ইসি) নিবন্ধনের জন্য ৭৬টি রাজনৈতিক দল নতুন করে আবেদন করেছে। এছাড়া আবেদন জমা দেয়ার সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছে ১৫টি দল। জানালেন ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। রোববার সন্ধ্যায় আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি। আজ ছিল আবেদন জমা দেয়ার শেষ দিন। হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, আবেদনের সময় বাড়ানো হবে না। ইতোমধ্যে আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা যাচাই-বাছাই করে দেখবেন আবেদনকারী দলগুলো নিবন্ধন শর্ত পূরণ করেছে কিনা। প্রয়োজনে মাঠপর্যায়ে তদন্ত করা হবে। তিনি বলেন, যাচাই-বাছাইয়ে যাদের আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে, তাদের নাম কমিশনে সুপারিশ করা হবে। কমিশন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। যারা নিবন্ধিত হবেন তারা সামনের সব নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। সচিব বলেন, নিবন্ধিত ৪০ দল শর্ত পূরণ করছে কিনা তারও খোঁজ-খবর নেয়া হবে। যারা শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হবে তাদের নিবন্ধন বাতিল করা হবে। ইসি সূত্রে জানা গেছে নিবন্ধনের জন্য আবেদনকারী দলগুলো হলো- ঐক্য ন্যাপ, মাহমুদুর রহমান মান্নার নাগরিক ঐক্য, শরীফ নুরুল আম্বিয়ার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, জোনায়েদ সাকীর গণসংহতি আন্দোলন, নাকফুল বাংলাদেশ, বাংলাদেশ নিউ সংসদ লীগ, ঘুষ নির্মূল পার্টি, মঙ্গল পার্টি, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ(বাকশাল), কর্মসংস্থান আন্দোলন, বাংলাদেশ সমাধান ঐক্য পার্টি(বসবাস), সোনার বাংলা উন্নয়ন লীগ, সত্যব্রত আন্দোলন, সততা দল, জাতীয় পরিবার কল্যাণ পার্টি, শান্তির দল, জনতার কথা বলে, মৌলিক বাংলা, জনস্বার্থে বাংলাদেশ, সুশীল সামাজিক আন্দোলন, আলোকিত পার্টি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ ইসলামিক গাজী, জালালী পার্টি, ইনসানিয়া বিপ্লব, ইউনাইটেড ইসলামী পার্টি, ইসলামিক পার্টি, ফরায়েজি আন্দোলন, বাংলাদেশ রামকৃষ্ণ পার্টি, বাংলাদেশ হিন্দুলীগ, মাইনরিটি জনতা পার্টি, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি, জনতা পার্টি, রিপাবলিকান পার্টি, সমাজ উন্নয়ন পার্টি, জাতীয় লীগ, পরিবহন লেবার পার্টি, তৃণমূল ন্যাশনাল পার্টি, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি, মানবাধিকার আন্দোলন, ন্যাশনাল কংগ্রেস বাংলাদেশ, গণতান্ত্রিক ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, গণশক্তি দল, বেঙ্গল জাতীয় কংগ্রেস(বিজেসি), কৃষক শ্রমিক পার্টি, লিবারেল পার্টি, মুক্ত রাজনৈতিক আন্দোলন, জাতীয় দল, নতুন ধারা বাংলাদেশ, সাধারণ জনতা পার্টি, বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি(ডিপিএলডিপি), মুক্তিযোদ্ধা কমিউনিজম ডেমোক্রেটিক পার্টি, গণ আজাদী লীগ, লেবার পার্টি, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক পার্টি, তৃণমূল লীগ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি, ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কংগ্রেস, বাংলাদেশ আওয়ামী পার্টি(ভাসানী ন্যাপ)। কে/এসএস
নিবন্ধন চায় ৭৬টি দল
‘বিএনপি মিথ্যা কথা বলে আর উত্তর দিতে হয় আমাদের’
পদত্যাগ করা প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিরুদ্ধে ১১টি অভিযোগ থাকায় অন্য বিচারপতিরা তার সঙ্গে বসতে চাননি বলে তিনি পদত্যাগ করেছেন। এটা নিয়ে কথা বলছে বিএনপি। তারা প্রমাণ করুক আমরা তাকে জোর করে পদত্যাগ করিয়েছি। বিএনপি মিথ্যা কথা বলে আর উত্তর দিতে হয় আমাদের। বললেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।   রোববার ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা উপজেলায় বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন উপলক্ষে পৌর এলাকায় তালতলা গ্রামে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কসবা পৌরসভা ও চারটি ইউনিয়নে দুই কোটি ৪৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ১২ কিলোমিটার এলাকায় ১৩টি গ্রামে এ বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করা হয়। জনসভায় পদত্যাগ করা সাবেক প্রধান বিচার এস কে সিনহা প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতির কারণে সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা পদত্যাগ করেছেন। প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে ১১টি অভিযোগ থাকায় অন্য বিচারপতিরা তার সঙ্গে বসতে চাননি। এসব কারণেই তিনি পদত্যাগ করেছেন। আইনমন্ত্রী আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন মর্যাদার আসনে বসেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট যখন জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী ঘোষণা দেন, তখন এর প্রতিবাদ করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এখন উন্নয়নের রেলে উঠে গেছে। তিনি বলেন, আগামী বছরের ডিসেম্বরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কেউ নির্বাচন ব্যাহত করার চেষ্টা করলে শুধু ভোট নয়, আইনের মাধ্যমেও জবাব দেয়া হবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে আগামী দিনে আমরা আবার ক্ষমতায় আসব। কসবার পৌরসভা মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কসবা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এম. জি হাক্কানি, যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী আজহারুল ইসলাম, রুহল আমিন ভূইয়া, মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী অ্যাডভোকেট রাশেদুল কায়সার জীবন। এসএস 
‘বিএনপি মিথ্যা কথা বলে আর উত্তর দিতে হয় আমাদের’
সরকার বাধ্য হবে নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে: মওদুদ
নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে, তেমনি আন্দোলনও চালিয়ে যেতে হবে। আন্দোলনের মুখে সরকার বাধ্য হবে নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে। বাংলাদেশে আর কোনো দিন ২০১৪ সালের মতো নির্বাচন করতে দেয়া হবে না। রোববার বিকেল তিনটায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের নিজ বাসভবনে কবিরহাট উপজেলা ও পৌরসভার বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের এক কর্মীসভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক আইনমন্ত্রী মওদুদ আহমদ এসব কথা বলেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন কবিরহাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি চেয়ারম্যান আবদুর রহিম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুল হুদা চৌধুরী লিটন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বাহার, কবিরহাট পৌর বিএনপির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মঞ্জু, বিএনপির নেতা মো. শাহাব উদ্দিন, চেয়ারম্যান জিয়াউল হক জিয়া, জাকির হোসেন সেলিম, আলতাফ হোসেন দুলাল। কে/এসএস
সরকার বাধ্য হবে নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে: মওদুদ
তিন দিনের রিমান্ডে বিএনপি নেতা সাদাত
চার মাসেরও বেশি সময় ধরে নিখোঁজ থাকা ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা সৈয়দ সাদাত আহমেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার তাকে নাশকতার মামলায় আদালতে হাজির করে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই সাইফুল ইসলাম। এসময় তার আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। ঢাকা মহানগর হাকিম প্রণব কুমার হুই জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তিন দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন। ২০১৫ সালের ৮ জানুয়ারি রমনা থানায় দায়ের করা নাশকতার এক মামলায় সাদাত আহমেদকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ডিবি দক্ষিণের উপ-কমিশনার শহিদুল্লাহ হক জানিয়েছেন, গেলো শনিবার রাত ১০টার দিকে রামপুরা ব্রিজ এলাকায় তার সন্ধান পায় ডিবি পুলিশ। তার সঙ্গে ব্যাগ, ল্যাপটপ, চার্জার ও কিছু কাগজপত্র ছিল। এর আগে চলতি বছরের ২২ আগস্ট বিকেলে বনানী ওভারপাসের নিচে নিজ গাড়ি থেকে নামিয়ে সাদাতকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নেয় অপহরণকারীরা। গাড়িতে থাকা সাদাতের ছেলেকে অপহরণকারীরা জানায়, সাদাত ১৫ মিনিট পর ফিরে আসবেন। পরে তাকে না পেয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন তার স্ত্রী। সাদাত এবিএন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য। কে/এসএস
তিন দিনের রিমান্ডে বিএনপি নেতা সাদাত
দেশবাসীকে খালেদার শুভেচ্ছা
ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে দেশ ও বিশ্ববাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, খৃস্টীয় নববর্ষ উপলক্ষে আমি দেশবাসী এবং বিশ্ববাসী সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। কামনা করি সকলের অব্যাহত সুখ, স্বাচ্ছন্দ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। শুভ নববর্ষ। খৃস্টীয় নববর্ষ উপলক্ষে রোববার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেন, নতুন বছরটি সবার জীবনে বয়ে আনুক বিজয়, অনাবিল সুখ ও শান্তি, বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে প্রবাহিত হোক শান্তির অমিয় ধারা, দূর হয়ে যাক সব অন্যায়-উৎপীড়ন, নির্যাতন। বন্ধ হোক হত্যা, গুম, খুন, যুদ্ধ বিগ্রহ ও অমানবিকতাসহ সব ধরনের দমনমূলক নৃশংসতা-নববর্ষের শুরুতে আমি এ কামনা করছি। তিনি বলেন, বাংলাদেশে অজস্র রক্তঋণে অর্জিত গণতন্ত্র অপহৃত হয়েছে। গণবিরোধী শক্তি জনগণের সকল অধিকারকে বন্দী করে রেখেছে। এমতাবস্থায় সকল গণতান্ত্রিক শক্তির মিলিত সংগ্রামে বহুদলীয় গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে হবে। বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, ১ জানুয়ারি প্রতিবছর নতুন বার্তা নিয়ে আমাদের দ্বারে উপস্থিত হয়। পুরনো বছরের ব্যর্থতা, গ্লানি, হতাশাকে ঝেড়ে ফেলে নবউদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা যোগায় নববর্ষ। পাশাপাশি অতীতের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সুন্দর ভবিষ্যত বিনির্মাণে তৎপর হতে পারলে নতুন বছরটি হয়ে উঠতে পারে সাফল্যময়। তিনি বলেন, গেল বছরটি এখন আমাদের মনে স্মৃতি হয়ে থাকবে। গত বছরের বেশকিছু তিক্ত অভিজ্ঞতা, সজন হারানোর বেদনা এবং অধিকার হারানোর যন্ত্রণা আগামী বছরে আমাদের একদিকে যমন বেদনার্ত করবে আবার অন্যদিকে নুতন উদ্যোমে অধিকার ফিরে পেতে তাগিদ সৃষ্টি করবে। খালেদা জিয়া বলেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বময় সংঘাত আর অশান্তির ঘটনা প্রবাহে নতুন বছরটিকে গণতন্ত্র, শান্তি ও অগ্রগতির বছরে পরিণত করতে আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। এসজে
দেশবাসীকে খালেদার শুভেচ্ছা
আরও পড়ুন
৩৮তম বিসিএস পরীক্ষার আসন বিন্যাস
সিলেট-১ আসন যার সরকার হয় তার!
নওয়াজের আসনে স্ত্রী কুলসুমের জয়
ভোটের মাঠের জটিল সমীকরণ বন্দরনগরীর কোতোয়ালিতে