ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

১৬ লাখ টাকা আয় কীভাবে হলো, ব্যাখ্যা করলেন নাহিদ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:৪৭ পিএম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। ফাইল ছবি

নির্বাচনি হলফনামায় নিজের বাৎসরিক আয় ১৬ লাখ টাকা দেখিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। হলফনামার এ তথ্য সামনে আসার পর থেকেই তার এই আয় ও সম্পদ সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ অভিযোগ করেন নাহিদ ইসলাম। একইসঙ্গে ওই পোস্টে ‘অপপ্রচারের’ জবাবও দিয়েছেন তিনি।

ফেসবুকের ওই এডমিন পোস্টে বলা হয়েছে, নির্বাচনি হলফনামায় নাহিদ ইসলামের আয় ও সম্পদ সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এই অপপ্রচার সত্য উদঘাটনের চেয়ে বরং একজন স্বচ্ছ রাজনীতিবিদকে সন্দেহের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর একটি রাজনৈতিক প্রয়াস।

এতে বলা হয়, প্রথমত, বাৎসরিক আয় নিয়ে যে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভুল ধারণার ওপর দাঁড়িয়ে আছে। হলফনামায় যে ১৬ লক্ষ টাকার বাৎসরিক আয় উল্লেখ করা হয়েছে, তা কোনো নির্দিষ্ট চাকরি ছাড়ার পর হঠাৎ করে অর্জিত অর্থ নয়; এটি ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরের (১ জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত) মোট আয়ের হিসাব। এই অর্থবছরের বড় একটি সময় (সাত মাস) নাহিদ ইসলাম অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সেই দায়িত্বের বিপরীতে রাষ্ট্রীয়ভাবে নির্ধারিত বেতন–ভাতা পেয়েছেন।

বাস্তবতা হলো, এই ১৬ লক্ষ টাকার মধ্যে প্রায় ১১ লক্ষ টাকাই উপদেষ্টা হিসেবে প্রাপ্ত বেতন-ভাতা, যা ব্যাংক চ্যানেলের মাধ্যমে পরিশোধিত, আয়করযোগ্য এবং সম্পূর্ণভাবে নথিভুক্ত। বাকি অংশ এসেছে উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগের পর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কনসালটেন্ট (পরামর্শক) হিসেবে বৈধ পেশাগত কাজের সম্মানী থেকে, যারও সুস্পষ্ট কর হিসাব রয়েছে।

মোট সম্পদ সংক্রান্ত তথ্যের বিষয়ে ওই ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, নাহিদ ইসলামের মোট সম্পদ ৩২ লক্ষ টাকা। মোট সম্পদ কোনো এক বছরের আয় নয়, এটি একজন মানুষের পুরো জীবনের সঞ্চয়ের সমষ্টি।

নাহিদ ইসলামের ক্ষেত্রে এই সম্পদ তার প্রায় ২৭ বছরের জীবনের জমাকৃত সঞ্চয়। এর মধ্যে রয়েছে উপদেষ্টা পদের বিপরীতে প্রাপ্ত বেতন থেকে সেভিংস, পূর্ববর্তী সেভিংস, পারিবারিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে পাওয়া উপহার, স্বর্ণালংকারের মূল্য, ফার্নিচার এবং ইলেকট্রনিক পণ্যের মূল্যের সমষ্টি। পাশাপাশি উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগের পর আয়কর পরিশোধিত ইনকামও এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। এখানে মোট সম্পদ যেটা একেবারেই সত্য ও একুরেট সেই তথ্যই দেওয়া হয়েছে।

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ঘিরে যে অপপ্রচার চলছে, সেটিও তথ্যের অপব্যবহার ছাড়া কিছু নয়।

আরও পড়ুন

উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগের সময় নাহিদ ইসলামের ব্যাংক একাউন্টে যে প্রায় ১০ হাজার টাকা ছিল, সেটি ছিল উপদেষ্টা পদে থাকাকালীন মোট আয়ের পর অবশিষ্ট নগদ অর্থ—তার মোট সম্পদের প্রতিফলন নয়। পরবর্তীতে সরকারিভাবে মন্ত্রীদের আসবাবপত্র ক্রয়ের জন্য বরাদ্দ অর্থ একই অ্যাকাউন্টে জমা হওয়ায় ব্যালেন্স বৃদ্ধি পায়, যা হলফনামায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। বর্তমানে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট মাত্র দুটি—একটি সোনালী ব্যাংকে এবং আরেকটি নির্বাচনি ব্যয় নির্বাহের জন্য ২৮ ডিসেম্বর সিটি ব্যাংকে খোলা। এর বাইরে তার আর কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই। একই সঙ্গে এটিও পরিষ্কার যে উপদেষ্টা পদে থাকা অবস্থায় যেমন তার কোনো জমি, ফ্ল্যাট বা গাড়ি ছিল না, পদত্যাগের পরেও তা হয়নি—এই তথ্য হলফনামায় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে।

পেশা সংক্রান্ত বিষয়ে বলা হয়েছে, পেশা সংক্রান্ত বিভ্রান্তিও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। হলফনামার কোথাও নাহিদ ইসলামের পেশা হিসেবে শিক্ষকতা উল্লেখ করা হয়নি। তার পূর্ববর্তী পেশা সরকারের উপদেষ্টা এবং বর্তমান পেশা হিসেবে কনসালট্যান্সি উল্লেখ আছে, যা একটি স্বীকৃত ও বৈধ পেশা। তিনি একটি টেক ফার্মে স্ট্র্যাটেজিক ও পলিসি সিদ্ধান্তে পরামর্শ দেন—যে প্রতিষ্ঠানের নাম ইলেকশন কমিশনে দাখিল করা নথিতেই উল্লেখ রয়েছে। ওই প্রতিষ্ঠান কোনো সরকারি প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত নয় এবং নাহিদ ইসলামের যুক্ত থাকার কারণে প্রতিষ্ঠানটি কখনোই কোনো সরকারি সুবিধা পায়নি। তার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই তিনি এই পেশাগত দায়িত্ব পালন করছেন—এতে অস্বাভাবিক বা গোপন কিছু নেই।

নাহিসের ওই ফেসবুক পোস্টে আরও বলা হয়েছে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নাহিদ ইসলামের আয় ও সম্পদ সংক্রান্ত প্রতিটি তথ্য আয়কর রিটার্ন ও নির্বাচনি হলফনামার মাধ্যমে আইনগতভাবে যাচাইযোগ্য। তিনি উপদেষ্টা পদে থাকাকালীন আয়, পদত্যাগের পর পেশাগত আয় এবং জীবনের সামগ্রিক সম্পদ—সবকিছু আলাদা করে, স্বচ্ছভাবে ঘোষণা করেছেন। অথচ এই স্পষ্ট ও পৃথক ক্যাটাগরিগুলোকে ইচ্ছাকৃতভাবে গুলিয়ে দিয়ে একটি অসৎ রাজনৈতিক বয়ান তৈরি করার চেষ্টা চলছে। বাস্তবে, সীমিত সম্পদ ও স্বচ্ছ আয়ের ঘোষণা এই কথাই প্রমাণ করে যে নাহিদ ইসলাম ক্ষমতার অপব্যবহার বা অবৈধ সম্পদ সঞ্চয়ের রাজনীতির বাইরে থেকেই দায়িত্ব পালন করেছেন—আর সেটিই এই অপপ্রচারের মূল অস্বস্তির জায়গা। দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, এই দেশে সত্য বলা অনেক সময় অপরাধে পরিণত হয়। যত বেশি স্বচ্ছতা দেখানো হয়, তত বেশি কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়। অথচ যেসব রাজনীতিবিদ বছরের পর বছর দেশে-বিদেশে বিলাসবহুল জীবন যাপন করেন, যাদের হলফনামার তথ্য বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না—তাদের ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা প্রায় অনুপস্থিত। কারণ ক্ষমতার সঙ্গে আপস করা থাকলে প্রশ্ন ওঠে না।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পলাতক ফ্যাসিস্টরা দেশকে অশান্তের চেষ্টা করছে, এতে বাতাস দিচ্ছে গুপ্তরা: রিজভী
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, পলাতক ফ্যাসিস্টরা বাইরে থেকে দেশকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে, আর এতে বাতাস দিচ্ছে দেশের ভেতরে থাকা গুপ্ত ও সুপ্তরা। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। রিজভী বলেন, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে দাবি করে সড়কে নেমেছে একটি পক্ষ। কিন্তু পৃথিবীর অনেক দেশেই সংকট চলছে। বিরোধীদলের যারা বড় বড় কথা বলছেন, তাদের খবরের কাগজ পড়া উচিত। বিরোধী দল এখন যেভাবে নির্বিঘ্নে কথা বলছে, এটা ১৭ বছর করা যায়নি। জামায়াত এক হাজার গাড়ি নিয়ে লং মার্চ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‌এত জ্বালানি অপচয় না করলে রাষ্ট্রের সাশ্রয় হতো। জনগণ এসব বোঝে।  রিজভী বলেন, এত সংকটের পরেও সরকার জনগণকে সর্বোচ্চ দিচ্ছে। তারেক রহমানের সরকার অর্থনীতির উন্নতির দিকে যাচ্ছে। বর্তমান সরকার সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের চেষ্টা করছে।  আরটিভি/এসআর  
পলাতক ফ্যাসিস্টরা দেশকে অশান্তের চেষ্টা করছে, এতে বাতাস দিচ্ছে গুপ্তরা: রিজভী
‘ভিডিও ভাইরালের’ হুমকি দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না সেই এনসিপি নেতার 
বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কলেজছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গাজীপুরের কালীগঞ্জে জাহিদ মুন্সি (২৬) নামে এক এনসিপি নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) কালীগঞ্জ থানা পুলিশ এই সংবাদ নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তার কালীগঞ্জ পৌরসভার মুনসেফপুর গ্রামের জাকির মিস্ত্রির ছেলে। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব ছিলেন। মামলা হওয়ার পর দল থেকে তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। মামলা সূত্রে জানা গেছে, চার মাস আগে কালীগঞ্জ পৌরসভার মুনসেফপুর গ্রামের জাকির মিস্ত্রির ছেলে জাহিদ মুন্সির দোকানে ঘড়ি কিনতে গিয়ে জাহিদের সঙ্গে পরিচয় হয় ভুক্তভোগী নারীর। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে একটি গেস্ট হাউসে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন জাহিদ। এসময় ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিওধারণ করে রাখেন তিনি। পরে ওই ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তাকে মিরের বাজারের একটি গেস্ট হাউস, বিভিন্ন হোটেল, রিসোর্ট ও সরকারি শ্রমিক কলেজের পেছনে রেলওয়ে স্টেশনের পরিত্যক্ত স্টাফ কোয়ার্টারসহ অন্যান্য স্থানে নিয়ে গিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এরপর ওই কলেজছাত্রী জাহিদকে বারবার বিয়ের জন্য চাপ দিলে তাকে মারধর করেন তিনি। পরে ওই নারী বড় বোনকে সঙ্গে নিয়ে জাহিদ মুন্সির বাড়িতে গিয়ে জানতে পারেন জাহিদ একাধিক বিয়ে করেছেন এবং তার একটি সন্তানও রয়েছে। পরে ভুক্তভোগীর বড় বোন বাদী হয়ে ১২ সেপ্টেম্বর কালীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ বিষয়ে জানতে জাহিদের সঙ্গে মোবাইলে ও বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি। জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির গাজীপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক এম এম শোয়াইব বলেন, এনসিপির গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার যুগ্ম সদস্যসচিব জাহিদ মুন্সির (২৬) বিরুদ্ধে দলীয় নীতি, আদর্শ ও নৈতিকতার পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের গুরুতর অভিযোগ পাওয়ায় তাকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব সাংগঠনিক দায়িত্ব ও পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, আসামি জাহিদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আরটিভি/এসএস
‘ভিডিও ভাইরালের’ হুমকি দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না সেই এনসিপি নেতার 
জামায়াত-শিবিরের লাগাম টেনে না ধরলে হাসিনার থেকেও ভয়ংকর হবে: রাশেদ খাঁন
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, ছাত্রলীগের ভয়ে যারা একসময় গুপ্ত ছিল, কেউ কেউ ছাত্রলীগ হয়ে বেঁচে ছিল, তারা কীভাবে ছাত্রদলকে কুত্তার মতো পিটিয়ে রাজশাহী ছাড়া করতে চায়-এ প্রশ্নের জবাব দিতে হবে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি। পোস্টে তিনি বলেন, ছাত্রদল রাজপথে না থাকলে তো ছাত্রলীগ জামায়াত-শিবিরকে পিটিয়ে আবারও গুপ্ত বানিয়ে দিবে, এই বাস্তবতা কেন এরা বুঝতে চায় না? রাশেদ খাঁন আরও বলেন, এরা বিরোধীদল হয়েই কুত্তার মতো পিটিয়ে সরকারি দলের লোকজনকে এলাকা ছাড়া করতে চায়, ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে কি করবে, তা নিশ্চয়ই অননুমেয় না? জামায়াত-শিবির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিরোধীদল হয়েই জামায়াত-শিবির মজলুম থেকে জালিম হয়ে গেছে। সুতরাং জামায়াত জালিমের পরিণতি আওয়ামী জালিমের মতোই হবে! তিনি আরও বলেন, বাস্তবিক অর্থে, এদেরকে কাঁচুমাচু করে দেশ পরিচালনার সুযোগ নেই। এরা শেখ হাসিনার পথ ধরেছে। শেখ হাসিনা যেমন বলেছিলো, বিএনপিকে ১ দিনও শান্তিতে দেশ চালাতে দিবে না। এরাও সেই পথ অনুসরণ করছে। রাশেদ খাঁন বলেন, সুতরাং জামায়াত-শিবিরের লাগাম টেনে না ধরলে এরা শেখ হাসিনার থেকেও ভয়ংকর হয়ে উঠবে। আরটিভি/এসকে
জামায়াত-শিবিরের লাগাম টেনে না ধরলে হাসিনার থেকেও ভয়ংকর হবে: রাশেদ খাঁন
ছাত্রদলকে ‘কুত্তার মতো পেটানোর’ হুমকি শিবির নেতার
ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেলে ছাত্রদলের প্রত্যেক নেতা–কর্মীকে ‘কুত্তার মতো পিটিয়ে’ রাজশাহী ছাড়া করার হুমকি দিয়েছেন মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইমরান নাজির।
ছাত্রদলকে ‘কুত্তার মতো পেটানোর’ হুমকি শিবির নেতার
বেপরোয়া ছাত্রশিবিরকে মুখে ও হাতে লাগাম লাগানোর পরামর্শ দিচ্ছি: নাছির
বেপরোয়া ছাত্রশিবিরকে মুখে ও হাতে লাগাম লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির।
405363
আরও পড়ুন
হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতার ভুল তথ্য, যা বললেন মাহবুবা হাকিম
হলফনামায় তথ্য গোপন: হান্নান মাসউদের এমপি পদ বাতিল চেয়ে রিট
স্বৈরাচার বিদায় হয়েছে, এবার রাষ্ট্র গড়ার দায়িত্ব আমাদের: নাহিদ ইসলাম
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পথে হাঁটছে না সরকার: নাহিদ ইসলাম