ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

পণ্যের দাম নিয়ে নাহিদের স্ট্যাটাস, দায়ী করলেন সিন্ডিকেটকে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৪ পিএম
ছবি: আরটিভি গ্রাফিকস

মাল্টা, পোলাওয়ের চাল, ডিমসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়া নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

দ্রব্যমূল্য বাড়ার জন্য অসাধু সিন্ডিকেটকে দায়ী করেছেন তিনি। অভিযোগ করেছেন, আবারও অসাধু সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে নাহিদ ইসলাম এ কথা জানান।

নাহিদ ইসলাম পোস্টে লেখেন, দুই মাস ধরে প্রতি কেজি মাল্টা ৫৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অথচ আমদানির নথি অনুযায়ী, প্রতি কেজি মাল্টার ক্রয়মূল্য ৮৭ টাকা। আমদানি শুল্ক, পরিবহন খরচ ও মুনাফা যোগ করেও প্রতি কেজির সর্বোচ্চ খরচ ২১০ টাকা হওয়ার কথা। সে হিসাবে খুচরা বাজারে মাল্টার দাম ২৫০ টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়।

মাল্টার দাম বাড়ার কারণ হিসেবে সরবরাহ–সংকটের কথা বলা হলেও আমদানির তথ্য তা সমর্থন করে না, লেখেন নাহিদ ইসলাম। তার দেওয়া হিসাবে, গত বছরের জুলাই–সেপ্টেম্বরের তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে অন্তত ২২ শতাংশ বেশি মাল্টা আমদানি হয়েছে। এরপরও দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ায় গত দুই মাসে জনগণের কাছ থেকে অসাধু সিন্ডিকেট কয়েক শ কোটি টাকা নিয়েছে বলে অভিযোগ করেন নাহিদ।

নাহিদ ইসলাম পোস্টে আরও লিখেছেন, ১২০ টাকার পোলাওয়ের চাল বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকায়। শুধু পোলাওয়ের চাল থেকেই গত তিন মাসে আনুমানিক দেড় হাজার কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন নাহিদ।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রতি ডজন ডিমের গড় দাম ছিল ১২০ টাকা, এখন তা ১৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে বলে পোস্টে লেখেন নাহিদ। তাঁর মতে, মুরগির খাবারের দাম বাড়ার যুক্তি দেখানো হলেও সেই বৃদ্ধির প্রভাব বিবেচনায় প্রতিটি ডিমের দাম প্রায় এক টাকা বাড়ার কথা। বেড়েছে পাঁচ টাকা।

১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম কয়েক দফা বাড়ানোর পরও বাজারে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অন্তত এক হাজার টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে জানান এনসিপির এই নেতা। আমদানি পর্যাপ্ত। তাহলে প্রতিদিন অতিরিক্ত কোটি কোটি টাকা কাদের পকেটে যাচ্ছে—এ প্রশ্ন তোলেন নাহিদ ইসলাম।

ফ্যাসিবাদী আমলের মতো দেশ আবার সিন্ডিকেটের কবলে পড়েছে বলে অভিযোগ করেন নাহিদ ইসলাম। সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘হকার ও অটোরিকশা চালকদের আন্দোলনে উসকানি দেয় জামায়াত-এনসিপি’
গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ অভিযোগ করেছেন হকার ও অটোরিকশা চালকদের আন্দোলনে পেছন থেকে উসকানি দেয় জামায়াত ও এনসিপি।
‘হকার ও অটোরিকশা চালকদের আন্দোলনে উসকানি দেয় জামায়াত-এনসিপি’
জনস্বার্থে সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি
এতদ্বারা সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আরটিভির নোয়াখালী জেলার সাবেক প্রতিনিধি মনির হোসেন বাবু (পিতা- আব্দুর রব মিয়া, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর- ৭৫২০৭০৪৪৮৩২৫৭, ঠিকানা- সোহেল স্টোর, দক্ষিণ হাজীপুর, ব্যাংক রোড, চৌমুহনী, নোয়াখালী)-কে গত ৮ মার্চ ২০২৬ তারিখ থেকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
জনস্বার্থে সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি
‘পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’
প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণকে যৌক্তিক দাবি করে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসাইনের করা মন্তব্যের একটি বিতর্কিত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
‘পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’
একাধিক দেশের নেতার সাথে ট্রাম্পের ছবি প্রায় একইরকম কেন?
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ছবি প্রকাশের পর সেটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি- স্যোশাল মিডিয়ায় এমন দাবি ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিতে ট্রাম্পের দাঁড়ানোর ভঙ্গি ও ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি উঁচিয়ে রাখার ধরন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অনেকে।  তবে বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের একই ধরনের ছবিগুলো যাচাই করে ভিন্ন চিত্র পেয়েছে দ্য ডিসেন্ট। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, একাধিক এআই শনাক্তকারী টুলে এসব ছবিতে কৃত্রিমভাবে তৈরি বা সম্পাদনার নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। একই অনুষ্ঠানে নির্দিষ্ট জায়গায় দাঁড়িয়ে ছবি তোলার কারণেই ট্রাম্পের ছবিগুলোতে এতটা মিল দেখা যেতে পারে বলে উঠে এসেছে তাদের বিশ্লেষণে। দ্য ডিসেন্ট এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার (৩ অক্টোবর) নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ট্রাম্পের সঙ্গে ছবিটি প্রকাশ করেন। পোস্টের বিবরণে তিনি জানান, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে আসা বিশ্বনেতা ও তাদের সহধর্মিণীদের সম্মানে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দেওয়া সংবর্ধনায় তিনি ও ডা. জুবাইদা রহমান অংশ নিয়েছেন। ছবিটির উৎস হিসেবে হোয়াইট হাউসের নামও উল্লেখ করা হয়। ছবিটি প্রকাশের পর স্যোশাল মিডিয়ায় এর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ‘ইনফো বাংলা’ নামের একটি ফেসবুক পেজ ছবিটি প্রকাশ করে দাবি করে, প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পের ‘ফটো কাটআউটের’ সঙ্গে ছবি তুলেছেন। একই ধরনের দাবি করা হয় আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্ট ও পেজ থেকে। অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াও বিষয়টি নিয়ে পোস্ট করেন। স্যোশাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তির কথা উল্লেখ করে তিনি ছবিটি কেউ যাচাই করেছেন কি না এবং ফ্যাক্টচেকারদের অবস্থান কী- তা জানতে চান। অন্যদিকে, মীর জাহান নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটিকে সম্পূর্ণ এআই দিয়ে তৈরি বলে দাবি করা হয়। ছবিটি অনুষ্ঠান হওয়ার কয়েকদিন পর প্রকাশের বিষয়টিকেও সন্দেহের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। একই রকম পোজ কেন? শুধু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তোলা ছবিতেই নয়, কসোভো, আলবেনিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া ও রোমানিয়ার নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের ছবিতেও প্রায় একই ধরনের ভঙ্গি দেখা যায়। কোথাও ট্রাম্পকে হাসিমুখে দাঁড়িয়ে ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি উঁচিয়ে রাখতে দেখা গেছে। কসোভোর ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান হিব্রিড ডট ইনফোর পর্যবেক্ষণেও এসব ছবিতে ট্রাম্পের অবস্থান ও অঙ্গভঙ্গিতে উল্লেখযোগ্য মিলের কথা উঠে এসেছে। কসোভোর সংবাদমাধ্যম কোহার এক প্রতিবেদনে এর ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ট্রাম্প নির্দিষ্ট একটি জায়গায় দাঁড়িয়ে ছিলেন এবং বিভিন্ন দেশের নেতারা একে একে তার পাশে এসে আনুষ্ঠানিক ছবি তোলেন। একই পটভূমি, ক্যামেরার অবস্থান এবং ট্রাম্পের নির্দিষ্ট জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকার কারণে ছবিগুলোতে তার পোজ প্রায় একই রকম দেখা যায়। কোহা আরও জানিয়েছে, অনুষ্ঠানে হোয়াইট হাউসের নির্দিষ্ট আলোকচিত্র ছাড়া অন্য কারও ছবি তোলার অনুমতি ছিল না। ফলে একই ফটোগ্রাফি প্রক্রিয়ায় একাধিক নেতার ছবি তোলা হয়। তবে ছবিগুলোতে ট্রাম্পের অবস্থান পুরোপুরি অভিন্ন নয়। বিভিন্ন ছবিতে তার বাঁ হাতের অবস্থান, মুখের অভিব্যক্তি ও হাসিতে ছোটখাটো পার্থক্য রয়েছে। সব ছবিতে কি একই পোজ? অনুষ্ঠানের অন্য ছবিগুলোতেও ট্রাম্পকে ভিন্ন ভঙ্গিতে দেখা গেছে। কসোভোর ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান হিব্রিড ডট ইনফো জর্জিয়ার প্রধানমন্ত্রী ইরাকলি কোবাখিদজে এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে তোলা ছবির উদাহরণ দিয়েছে। শাহবাজ শরিফের সঙ্গে একটি ছবিতে ট্রাম্পকে বৃদ্ধাঙ্গুলি উঁচিয়ে রাখতে দেখা গেলেও অন্য একটি ছবিতে তাকে করমর্দন করতে দেখা যায়। অর্থাৎ অনুষ্ঠানজুড়ে ট্রাম্পের অঙ্গভঙ্গি একেবারে অপরিবর্তিত ছিল না। হিব্রিড ডট ইনফোর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, হাইভ মডারেশন ব্যবহার করে পরীক্ষায় আলোচিত বলকান নেতাদের ছবিগুলোকে এআই-নির্মিত হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। এ ছাড়া দ্য ডিসেন্ট বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম থেকে এসব নেতার ছবি সংগ্রহ করে একাধিক এআই যাচাইয়ের মাধ্যমে পরীক্ষা করে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, ছবিগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ট্রাম্পের সঙ্গে রোমানিয়ার প্রেসিডেন্ট নিকুশোর দানের একটি ছবিকে ঘিরেও একই ধরনের সন্দেহ তৈরি হয়েছিল। ২ অক্টোবর ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের ও তার সঙ্গী মিরাবেলা গ্রাদিনারুর ছবি প্রকাশ করার পর ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি—এমন দাবি ছড়িয়ে পড়ে। পরে রোমানিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানায়, ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি নয়। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানে শুধু হোয়াইট হাউসের অফিসিয়াল আলোকচিত্রীর প্রবেশাধিকার ছিল এবং ছবি প্রক্রিয়াকরণের পর অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর প্রতিনিধিদলের কাছে একসঙ্গে পাঠানো হয়। এ কারণে অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার কয়েক দিন পর বিভিন্ন দেশের নেতাদের ছবি প্রায় একই সময়ে প্রকাশিত হয়েছে বলে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। একই ধরনের ছবি তোলার নজির আগেও বিশ্বনেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের আনুষ্ঠানিক ছবিতে একই ধরনের ভঙ্গি নতুন নয়। ২০১৯ সালেও ট্রাম্পের আয়োজিত বিশ্বনেতাদের একটি সংবর্ধনায় তাকে একই ধরনের ভঙ্গিতে ছবি তুলতে দেখা গিয়েছিল। ট্রাম্পের কূটনৈতিক অনুষ্ঠানের ছবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ও ব্যঙ্গের ঘটনাও নতুন নয়। ২০১৭ সালে পোপ ফ্রান্সিসের সঙ্গে ট্রাম্পের একটি ছবি প্রকাশের পর পোপের গম্ভীর মুখভঙ্গি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা মন্তব্য ও তুলনা ছড়িয়ে পড়েছিল। তাহলে বাংলাদেশের আলোচিত ছবিটি? বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়া ট্রাম্পের ‘কার্ডবোর্ড কাটআউট’-এর ছবিটি অবশ্য আলাদা বিষয়। ফেসবুকে ওই ছবি শেয়ার করে দাবি করা হয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ট্রাম্পের প্রতিকৃতির সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছেন। আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াও ছবিটি শেয়ার করে এর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তবে যাচাইয়ে দেখা যায়, ছবিটি মূল ছবি নয়; এটি ওপেনএআই ব্যবহার করে তৈরি করা একটি কৃত্রিম ছবি। অর্থাৎ, ট্রাম্পের সঙ্গে তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের আসল ছবিতে ট্রাম্পের পোজ অন্য কয়েকটি দেশের নেতার সঙ্গে তোলা ছবির সঙ্গে মিল থাকলেও, শুধু এই মিলকে ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি হওয়ার প্রমাণ হিসেবে দেখানো যায় না। বরং একই অনুষ্ঠানে নির্দিষ্ট জায়গায় দাঁড়িয়ে একই ফটোগ্রাফারের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ছবি তোলার কারণেই একাধিক ছবিতে ট্রাম্পকে প্রায় একই ভঙ্গিতে দেখা যাওয়ার ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে। আরটিভি/এসআর
একাধিক দেশের নেতার সাথে ট্রাম্পের ছবি প্রায় একইরকম কেন?
মমতাজ আওয়ামী লীগেও একটা ছিল, এখন জামায়াতেও একটা আসছে: রফিকুল ইসলাম
জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান কার্যক্রম ও পশ্চিমের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টার তীব্র সমালোচনা করে ফেসবুকে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন ইসলামিক বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী।
মমতাজ আওয়ামী লীগেও একটা ছিল, এখন জামায়াতেও একটা আসছে: রফিকুল ইসলাম
আরও পড়ুন
‘হকার ও অটোরিকশা চালকদের আন্দোলনে উসকানি দেয় জামায়াত-এনসিপি’
এনসিপির ৫ নেতাকে রেখে জুলাই যোদ্ধা সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা
রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় এনসিপির নিন্দা
ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল, এনসিপি নেতা বহিষ্কার