ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

দর সমন্বয়ের নামে দাম বাড়ানো দুঃখজনক: জামায়াত আমির

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৭ এএম
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্যেও বাংলাদেশে নতুন করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। সরকারের এই পদক্ষেপকে সাধারণ মানুষের জন্য ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন তিনি।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। রোববার থেকে কার্যকর হতে যাওয়া জ্বালানি তেলের নতুন মূল্যতালিকা নিয়ে দেশজুড়ে চলমান আলোচনার প্রেক্ষিতে তার এই মন্তব্যটি আসে।

আরও পড়ুন

ফেসবুক পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিশ্ববাজারে যেখানে জ্বালানি তেলের দাম ক্রমান্বয়ে কমছে, সেখানে বাংলাদেশে দর সমন্বয়ের অজুহাতে রোববার (১৯ এপ্রিল) থেকে তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত দুঃখজনক।

নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এমনিতেই জীবনযাত্রার বাড়তি ব্যয় সামলাতে মানুষ হিমশিম খাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের এই মূল্যবৃদ্ধি জনজীবনে চরম সংকট তৈরি করবে।

এর আগে শনিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১১৫ টাকা এবং কেরোসিনের দাম ১৩০ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা এবং পেট্রোল ১১৬ টাকা। নতুন এ মূল্য রোববার (১৯ এপ্রিল) থেকে সারাদেশে কার্যকর হবে। এর আগে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ছিল ১০০ টাকা, কেরোসিন ১১২ টাকা।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে দেশের বাজারেও এ মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

আরটিভি/এমআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সার সংকটে ১১ দলীয় জোটের এমপিদের হাত থাকতে পারে: মীর শাহে আলম
স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, যেসব এলাকায় বিএনপির সংসদ সদস্য (এমপি) রয়েছেন, সেখানে সারসংকট বা এ-সংক্রান্ত কোনো সমস্যা হয়নি। যেসব জেলায় সার নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে, সেসব জেলার এমপিরা ১১-দলীয় জোটের। সরকারকে বিভ্রান্ত করতে তারা দলীয় লোকজনের মাধ্যমে এই সংকট তৈরি করে থাকতে পারেন। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বেলা ৩টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ঘোড়াইঘাট এলাকায় গড়াই নদীর ওপর প্রস্তাবিত শহীদ আবরার ফাহাদ সেতুর স্থান পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, উত্তরাধিকারসূত্রে তারা যেসব সার ডিলার পেয়েছেন, তাদের স্বৈরাচারী সরকারের আমলে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তাদের অসহযোগিতার কারণে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। বর্তমান সরকারের আমলে সার ডিলার নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে। এর আগে প্রতিমন্ত্রী উপজেলার রায়ডাঙ্গায় শহীদ আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত করেন। কবর জিয়ারত শেষে গাড়িতে ওঠার সময় সেখানে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে প্রতিমন্ত্রী সেতু নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত দুটি স্থান ঘুরে দেখেন। এ সময় জেলার বর্তমান ও সাবেক বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্যরা এবং শহীদ আবরার ফাহাদের বাবা মো. বরকত উল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
সার সংকটে ১১ দলীয় জোটের এমপিদের হাত থাকতে পারে: মীর শাহে আলম
‘হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য সরকার ও বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে’
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে হিন্দু ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দ মতবিনিময় করেছেন।  বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর ২৯ মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজার প্রাক্কালে আয়োজিত এ সভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের অধিকার, নিরাপত্তা, বিভিন্ন সমস্যা ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য জনাব মোবারক হোসাইন ও ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ প্রমুখ।  মতবিনিময় সভা শেষে এক সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের বিষয়বস্তু তুলে ধরে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ আমাদের সবার প্রিয় জন্মভূমি। এদেশে আমরা কেউ সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু নই। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও ক্ষুদ্র-নৃ-গোষ্ঠী আমরা সবাই বাংলাদেশি এবং এ দেশের গর্বিত নাগরিক। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা আমাদের সবার পবত্রি দায়িত্ব। দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য হাতে হাত রেখে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অধিকার, নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় সরকার ও বিরোধীদলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।  জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুষ্ঠান, পূজামণ্ডপ ও মন্দিরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা যে সহযোগিতা ও ভূমিকা রেখেছেন, তা হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ প্রশংসা করেছেন। তাদের বিভিন্ন সমস্যা, বৈষম্য, বঞ্চনা ও অসুবিধার কথা সভায় তুলে ধরা হয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে সরকার ও বিরোধী দল সম্মিলিতভাবে কাজ করবে বলে বিরোধীদলীয় নেতা তাদের আশ্বস্ত করেছেন। মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের বক্তব্য ও সমস্যাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। তাদের সঙ্গে ভবিষ্যতেও মতবিনিময় অব্যাহত থাকবে এবং তাদের পাশে থেকে দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করা হবে।  হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের সভাপতি এডভোকেট দীনুবন্ধু রায়, মহাসচিব এড. গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক, প্রেসিডিয়াম সদস্য নারায়ণ চন্দ্র সরকার, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পার্থ সারথী ঘোষ এবং যুগ্ম মহাসচিব অমল চৌধুরী সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি এড. সুব্রত চৌধুরী ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ পূজা উপদাপন পরিষদের সভাপতি সাংবাদিক বাসুদেব ধর ও সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সন্তোষ শর্মাসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি অর্পনা রায় ও সাধারণ সম্পাদক মিন্টন বৈদ্যসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি গোপাল চন্দ্র দেবনাথ ও সাধারণ সম্পাদক শুভাশীষ কুমার বিশ্বাস সাধনসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সভাপতি তপন চন্দ্র মজুমদারসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘের সভাপতি সত্যরঞ্জন বাড়ৈ ও সাধারণ সম্পাদক চারু চন্দ্র দাশ ব্রহ্মচারীসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের (প্রভাষ-পলাশ) সভাপতি ড. প্রভাস চন্দ্র রায় ও নির্বাহী মহাসচিব পলাশ কান্তি দে সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ ঋষি পঞ্চায়েত ফোরামের সভাপতি রামানন্দ দাস ও সাধারণ সম্পাদক রাজ কুমার দাস সহ অন্যান্যা প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ সনাতন পার্টির সভাপতি আশিষ রঞ্জন দাস ও সাধারণ সম্পাদক এড. সুমন কুমার রায়সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ রবিদাস ফোরামের সভাপতি চাঁদমোহন রবিদাস ও সাধারণ সম্পাদক শিপন রবিদাস প্রাণকৃষ্ণসহ অন্যান্য প্রতিনধিগণ, ভোলানন্দগিরি আশ্রম ট্রাস্টের সভাপতি এড. সুব্রত চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক ননী গোপাল মজুমদারসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ রবিদাস উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি দিলীপ রবিদাস ও সাধারণ সম্পাদক ফুল চাঁদ রবিদাসসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সভাপতি মি. জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ও সাধারণ সম্পাদক মি. সঞ্জিব দ্রং সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ হরিজন ঐক্য পরিষদের সভাপতি কৃষ্ণলাল ও সাধারণ সম্পাদক নির্মল দাশ সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু সমাজ সংস্কার সমিতির সভাপতি অধ্যাপক হীরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক সোমনাথ দে সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।  এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী সুব্রত চৌধুরীসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সভায় অংশ নেন। মতবিনিময় সভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষে বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী। তিনি শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রাক্কালে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতাকে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ ও দলমত নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করতে হবে। পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে জামায়াতে ইসলামী এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে শুধু বক্তব্যে নয়, বাস্তবেও সব নাগরিকের সমান অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। তারা তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও বঞ্চনার বিষয় তুলে ধরে এসব সমাধানে সরকার ও বিরোধী দলকে সম্মিলিতভাবে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান। মতবিনিময় সভায় উভয় পক্ষ পারস্পরিক যোগাযোগ, সহযোগিতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আরটিভি/এসএস
‘হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য সরকার ও বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে’
ভারতে জেন-জি আন্দোলনের পথ দেখিয়েছে বাংলাদেশ: নেহা বোরা
নেহা বোরা বলেন, আশা করি, আপনারা ও আমরা মিলে একটি ভালো দক্ষিণ এশিয়া গড়তে পারবো।
ভারতে জেন-জি আন্দোলনের পথ দেখিয়েছে বাংলাদেশ: নেহা বোরা
সরকারকে চাপে ফেলতে দেশ-বিদেশে ষড়যন্ত্র চলছে: রিজভী
বর্তমান সরকারকে অস্থিতিশীল করতে এবং এর উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে বাধা সৃষ্টি করতে দেশ-বিদেশে নানা ষড়যন্ত্র চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
সরকারকে চাপে ফেলতে দেশ-বিদেশে ষড়যন্ত্র চলছে: রিজভী
কোনো ফ্যাসিস্ট শক্তি বাংলাদেশে সফল হতে পারবে না: আমানউল্লাহ আমান
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য আমানউল্লাহ আমান বলেছেন, অতীতে যেভাবে কোনো স্বৈরাচার এ দেশে টিকতে পারেনি, ভবিষ্যতেও কোনো ফ্যাসিস্ট শক্তি বাংলাদেশে সফল হতে পারবে না।
কোনো ফ্যাসিস্ট শক্তি বাংলাদেশে সফল হতে পারবে না: আমানউল্লাহ আমান
আরও পড়ুন
বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
জ্বালানি তেলের দাম কমে স্থিতিশীল হলে সমন্বয়ের কথা ভাববে সরকার: জাহেদ উর রহমান
চীনের জ্বালানি তেল রপ্তানি বন্ধ, এশিয়ায় বড় সংকটের শঙ্কা
নৌপথের ভাড়া বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি