ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার ও দেশকে অস্থিতিশীল করতে ছড়ানো হচ্ছে পরিকল্পিত প্রোপাগান্ডা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের মেয়াদ সবেমাত্র পাঁচ মাস অতিক্রম করেছে। এই স্বল্প সময়ের মধ্যেই দেশে নজিরবিহীন সব ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হয়েছে, যা বিগত কোনো সরকারের আমলেই কল্পনা করা যায়নি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তারেক রহমান একের পর এক জনগুরুত্বপূর্ণ ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন এবং নজিরবিহীন নানা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সরকারের এসব কর্মকাণ্ড দেশ-বিদেশে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। তবে এতে ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক গোষ্ঠী ভিন্ন কৌশলে মাঠে নেমেছে।

অন্য দিকে আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন পতিত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা। একই সাথে আওয়ামী লীগের কোন কোন নেতা তার সাথে দেশে ফিরবেন, তার একটি তালিকাসহ ‘ডিসেম্বর টু মার্চ’ রূপরেখা বা রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। শেখ হাসিনার নির্দেশে তার দেশে ফেরার অনুকূল প্রেক্ষাপট তৈরি করতে ও দেশকে অস্থিতিশীল করার মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছে তার দোসররা। বর্তমান সরকারকে দুর্বল ও দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে তারা পরিকল্পিতভাবে নানামুখী প্রোপাগান্ডা বা অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।

দুর্ভাগ্যজনকভাবে, ষড়যন্ত্রকারীদের এই চক্রান্তের ফাঁদে পা দিচ্ছেন বিএনপির কিছু অসাধু ও সুবিধাবঞ্চিত ব্যক্তি। সরকারের মধ্যে কাক্সিক্ষত সুবিধা করতে না পারা কিছু বিতর্কিত ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রীর অত্যন্ত বিশ্বস্ত মানুষদের টার্গেট করে ‘পেইড’ প্রোপাগান্ডায় মেতে উঠেছেন।

সংশ্লিষ্ট একটি দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মাধ্যমে পরিচালিত এই পেইড প্রোপাগান্ডার পেছনে বর্তমান সরকারেরই এক মন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিবের (এপিএস) প্রত্যক্ষ হাত রয়েছে। তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান ‘রিউমার স্ক্যানার’-এর এক জরিপের তথ্যানুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে ৩৫১টি এবং প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে ৫০টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন গুজব ছড়ানো হয়েছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিনিয়ত প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংসহ তার আস্থাভাজন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। সাম্প্রতিক এসব পরিকল্পিত অপপ্রচারের অন্যতম শিকারে পরিণত হয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলম এবং শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন। মূলত সরকারকে রাজনৈতিকভাবে বিতর্কের মুখে ফেলতে ও অসন্তোষ সৃষ্টি করতে এই দুই প্রভাবশালী মন্ত্রীকে টার্গেট করে একের পর এক মনগড়া ইস্যু তৈরির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

উল্লেখ্য, বিগত ১৭ বছর ধরে দেশের প্রশাসনিক কাঠামো ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সর্বস্তরে দলীয় বিবেচনায় নিজস্ব লোক নিয়োগ দিয়েছিল বিদায়ী আওয়ামী লীগ সরকার। তৎকালীন সরকারকে বেআইনিভাবে টিকিয়ে রাখা, ভোটচুরি থেকে শুরু করে যাবতীয় অপকর্মে তারাই মূল ভূমিকা পালন করেছিল। বিগত সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত সেসব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বড় একটি অংশ এখনো প্রশাসনের নানা স্তরে বহাল রয়েছেন। তারা মূলত এই সরকারকে চরম বেকায়দায় ফেলে এবং বর্তমান প্রশাসনকে সরিয়ে শেখ হাসিনাকে পুনরায় ক্ষমতায় বসাতে প্রচ্ছন্ন চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে তাদের বিগত দিনের দুর্নীতি ও লুটপাটের সাম্রাজ্য পুনর্বাসিত হয়।

শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ নির্দেশে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে তারা ভেতরে ভেতরে বিএনপির মন্ত্রী ও এমপিদের বিতর্কিত করার মিশন অব্যাহত রেখেছে। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলম এবং শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন মূলত এই প্রশাসনিক চক্রান্তের শিকার হচ্ছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সাম্প্রতিক সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত বা পুনর্বিন্যাসকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা আন্দোলনটি এই ষড়যন্ত্রেরই একটি সুস্পষ্ট উদাহরণ। এই আন্দোলনকে পেছন থেকে উসকে দিয়ে ফায়দা লোটার চেষ্টা করে চক্রান্তকারী মহল। তারা যখন সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন সৃষ্টি করে, তখন দেখা গেছে সেখানে সাধারণ শিক্ষার্থীদের চেয়ে অছাত্র, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিই ছিল সবচেয়ে বেশি।

জানা গেছে, শুরু থেকেই চক্রান্তকারীদের প্রধান টার্গেট ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলম। তিনি দায়িত্ব নেয়ার পরপরই কিছু আমলার বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেন। এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে একটি আমলাতান্ত্রিক চক্র। এর পাশাপাশি বিএনপির ভেতরের একটি অংশও মীর শাহ আলমের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়ে। ফলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে তাকে বিতর্কিত ও অসৎ হিসেবে উপস্থাপন করতে একটি মহল মরিয়া হয়ে ওঠে। এদের সাথে হাত মেলায় সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় ‘পেইড প্রোপাগান্ডা গ্রুপ’ এবং আওয়ামী লীগসহ বিরোধী রাজনৈতিক পক্ষের নেতারা।

মীর শাহ আলম তার পরিবারের কারো নামে কোনো প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনা না করার জন্য লিখিত নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠানো সত্ত্বেও, সেই নির্দেশনা উপেক্ষা করে তাকে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিকভাবে বেকায়দায় ফেলতে তার পরিবারের সদস্যের নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণের প্রস্তাব পাঠানো হয়। পরে সেই ভুল ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্যটিকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে তাকে ব্যাপকভাবে ট্রোল ও অপপ্রচারের শিকার করা হয়। না বুঝে এবং প্রকৃত তথ্য না জেনে বিএনপির কিছু নেতাকর্মীও সেই অপপ্রচারে গা ভাসিয়ে সমালোচনা শুরু করেন। শুধু দেশে নয়, বিদেশ বসেও কিছু ব্লগার অর্থের বিনিময়ে প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এই প্রোপাগান্ডা চালিয়ে যাচ্ছেন, যার পেছনে সরকারের এক মন্ত্রীর এপিএসের নাম বারবার উঠে আসছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বড় কোনো বৃক্ষকে উপড়ে ফেলতে হলে আগে তার ডালপালা ছাঁটাই করতে হয়। পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তার দোসররা বর্তমান সরকারকে দুর্বল করার জন্য এই একই কৌশল অবলম্বন করছে। সেজন্যই তারা প্রধানমন্ত্রীর চার পাশের বিশ্বস্ত মানুষদের টার্গেট করে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে, যাতে সার্বিকভাবে সরকারের ওপর থেকে জনআস্থা চির ধরে।

কারণ প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ মানুষের বিরুদ্ধে কোনো অপপ্রচার চালানো হলে সাধারণ মানুষ তা সহজেই বিশ্বাস করে ফেলে। প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক শক্তি এই দুর্বলতার সুযোগটিকেই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে।

সার্বিক বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘আমি মনে করি এটা এক ধরনের গভীর ষড়যন্ত্র। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গুজব ও অপপ্রচার ছড়ানো অত্যন্ত নিন্দনীয় কাজ। যারা এসব অপকর্মে লিপ্ত, তারা মানসিক দিক থেকে খুবই হীনমন্য এবং পরশ্রীকাতর। সরকারের উচিত অবিলম্বে এসব প্রোপাগান্ডাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা।’

বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও বক্তা মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব এ বিষয়ে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে বলেন, তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া যেকোনো অপপ্রচার ছড়িয়ে দেয়া সমাজে বিভ্রান্তি, ফিতনা ও পারস্পরিক সম্পর্কের অবনতি ঘটায়। ইসলামে এ ধরনের কাজকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গুজব ছড়ানোকে অশ্লীলতা ও ফিতনার শামিল মনে করা হয়।

আরও পড়ুন

‘গুজব ও প্রোপাগান্ডা থেকে বেঁচে থাকার বিষয়ে ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশনা হলো- যেকোনো সংবাদ সত্য কি না তা ভালোভাবে যাচাই করা, সত্য ছাড়া মিথ্যা কিছু না বলা, অন্যের সম্মান রক্ষা করা এবং অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে বিরত থাকা। মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা: স্পষ্ট বাণী দিয়েছেন “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন ভালো কথা বলে অথবা চুপ থাকে”। সুতরাং আমাদের সবার উচিত এ ধরনের বিভ্রান্তিকর প্রোপাগান্ডা থেকে নিজেদের মুক্ত রাখা’, যোগ করেন তিনি।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পলাতক ফ্যাসিস্টরা দেশকে অশান্তের চেষ্টা করছে, এতে বাতাস দিচ্ছে গুপ্তরা: রিজভী
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, পলাতক ফ্যাসিস্টরা বাইরে থেকে দেশকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে, আর এতে বাতাস দিচ্ছে দেশের ভেতরে থাকা গুপ্ত ও সুপ্তরা। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। রিজভী বলেন, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে দাবি করে সড়কে নেমেছে একটি পক্ষ। কিন্তু পৃথিবীর অনেক দেশেই সংকট চলছে। বিরোধীদলের যারা বড় বড় কথা বলছেন, তাদের খবরের কাগজ পড়া উচিত। বিরোধী দল এখন যেভাবে নির্বিঘ্নে কথা বলছে, এটা ১৭ বছর করা যায়নি। জামায়াত এক হাজার গাড়ি নিয়ে লং মার্চ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‌এত জ্বালানি অপচয় না করলে রাষ্ট্রের সাশ্রয় হতো। জনগণ এসব বোঝে।  রিজভী বলেন, এত সংকটের পরেও সরকার জনগণকে সর্বোচ্চ দিচ্ছে। তারেক রহমানের সরকার অর্থনীতির উন্নতির দিকে যাচ্ছে। বর্তমান সরকার সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের চেষ্টা করছে।  আরটিভি/এসআর  
পলাতক ফ্যাসিস্টরা দেশকে অশান্তের চেষ্টা করছে, এতে বাতাস দিচ্ছে গুপ্তরা: রিজভী
‘ভিডিও ভাইরালের’ হুমকি দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না সেই এনসিপি নেতার 
বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কলেজছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গাজীপুরের কালীগঞ্জে জাহিদ মুন্সি (২৬) নামে এক এনসিপি নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) কালীগঞ্জ থানা পুলিশ এই সংবাদ নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তার কালীগঞ্জ পৌরসভার মুনসেফপুর গ্রামের জাকির মিস্ত্রির ছেলে। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব ছিলেন। মামলা হওয়ার পর দল থেকে তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। মামলা সূত্রে জানা গেছে, চার মাস আগে কালীগঞ্জ পৌরসভার মুনসেফপুর গ্রামের জাকির মিস্ত্রির ছেলে জাহিদ মুন্সির দোকানে ঘড়ি কিনতে গিয়ে জাহিদের সঙ্গে পরিচয় হয় ভুক্তভোগী নারীর। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে একটি গেস্ট হাউসে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন জাহিদ। এসময় ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিওধারণ করে রাখেন তিনি। পরে ওই ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তাকে মিরের বাজারের একটি গেস্ট হাউস, বিভিন্ন হোটেল, রিসোর্ট ও সরকারি শ্রমিক কলেজের পেছনে রেলওয়ে স্টেশনের পরিত্যক্ত স্টাফ কোয়ার্টারসহ অন্যান্য স্থানে নিয়ে গিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এরপর ওই কলেজছাত্রী জাহিদকে বারবার বিয়ের জন্য চাপ দিলে তাকে মারধর করেন তিনি। পরে ওই নারী বড় বোনকে সঙ্গে নিয়ে জাহিদ মুন্সির বাড়িতে গিয়ে জানতে পারেন জাহিদ একাধিক বিয়ে করেছেন এবং তার একটি সন্তানও রয়েছে। পরে ভুক্তভোগীর বড় বোন বাদী হয়ে ১২ সেপ্টেম্বর কালীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ বিষয়ে জানতে জাহিদের সঙ্গে মোবাইলে ও বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি। জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির গাজীপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক এম এম শোয়াইব বলেন, এনসিপির গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার যুগ্ম সদস্যসচিব জাহিদ মুন্সির (২৬) বিরুদ্ধে দলীয় নীতি, আদর্শ ও নৈতিকতার পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের গুরুতর অভিযোগ পাওয়ায় তাকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব সাংগঠনিক দায়িত্ব ও পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, আসামি জাহিদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আরটিভি/এসএস
‘ভিডিও ভাইরালের’ হুমকি দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না সেই এনসিপি নেতার 
জামায়াত-শিবিরের লাগাম টেনে না ধরলে হাসিনার থেকেও ভয়ংকর হবে: রাশেদ খাঁন
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, ছাত্রলীগের ভয়ে যারা একসময় গুপ্ত ছিল, কেউ কেউ ছাত্রলীগ হয়ে বেঁচে ছিল, তারা কীভাবে ছাত্রদলকে কুত্তার মতো পিটিয়ে রাজশাহী ছাড়া করতে চায়-এ প্রশ্নের জবাব দিতে হবে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি। পোস্টে তিনি বলেন, ছাত্রদল রাজপথে না থাকলে তো ছাত্রলীগ জামায়াত-শিবিরকে পিটিয়ে আবারও গুপ্ত বানিয়ে দিবে, এই বাস্তবতা কেন এরা বুঝতে চায় না? রাশেদ খাঁন আরও বলেন, এরা বিরোধীদল হয়েই কুত্তার মতো পিটিয়ে সরকারি দলের লোকজনকে এলাকা ছাড়া করতে চায়, ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে কি করবে, তা নিশ্চয়ই অননুমেয় না? জামায়াত-শিবির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিরোধীদল হয়েই জামায়াত-শিবির মজলুম থেকে জালিম হয়ে গেছে। সুতরাং জামায়াত জালিমের পরিণতি আওয়ামী জালিমের মতোই হবে! তিনি আরও বলেন, বাস্তবিক অর্থে, এদেরকে কাঁচুমাচু করে দেশ পরিচালনার সুযোগ নেই। এরা শেখ হাসিনার পথ ধরেছে। শেখ হাসিনা যেমন বলেছিলো, বিএনপিকে ১ দিনও শান্তিতে দেশ চালাতে দিবে না। এরাও সেই পথ অনুসরণ করছে। রাশেদ খাঁন বলেন, সুতরাং জামায়াত-শিবিরের লাগাম টেনে না ধরলে এরা শেখ হাসিনার থেকেও ভয়ংকর হয়ে উঠবে। আরটিভি/এসকে
জামায়াত-শিবিরের লাগাম টেনে না ধরলে হাসিনার থেকেও ভয়ংকর হবে: রাশেদ খাঁন
ছাত্রদলকে ‘কুত্তার মতো পেটানোর’ হুমকি শিবির নেতার
ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেলে ছাত্রদলের প্রত্যেক নেতা–কর্মীকে ‘কুত্তার মতো পিটিয়ে’ রাজশাহী ছাড়া করার হুমকি দিয়েছেন মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইমরান নাজির।
ছাত্রদলকে ‘কুত্তার মতো পেটানোর’ হুমকি শিবির নেতার
বেপরোয়া ছাত্রশিবিরকে মুখে ও হাতে লাগাম লাগানোর পরামর্শ দিচ্ছি: নাছির
বেপরোয়া ছাত্রশিবিরকে মুখে ও হাতে লাগাম লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির।
405363
আরও পড়ুন
সরকারি সব কমিটি পুনর্গঠনের উদ্যোগ, সরানো হচ্ছে আওয়ামীপন্থীদের
নবীনদের পদচারণায় মুখর বদরুন্নেসা কলেজ
৭৭ কোটি টাকার মসুর ডাল কিনবে সরকার
‘চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন ও চা শিল্পকে লাভজনক করতে কাজ করছে সরকার’