ঢাকা সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৫ কার্তিক ১৪৩৩

জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ছাড়ল খেলাফত মজলিস

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে দলের মজলিসে শূরা সদস্যদের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

দলের নেতারা জানান, ১১ দলীয় ঐক্য ছিল মূলত একটি নির্বাচনী সমঝোতা। নির্বাচন শেষ হয়ে যাওয়ার মাধ্যমে এ ঐক্যের কার্যকারিতা বস্তুত শেষ হয়ে যায়। তবুও নির্বাচন শেষ হওয়ার পর ১১ দলীয় কিছু কর্মসূচিতে খেলাফত মজলিস অংশ নিয়েছিল। তবে এখন থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের যাবতীয় কর্মসূচি থেকে খেলাফত মজলিস বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ভবিষ্যতে দেশ, জাতি ও ইসলামের প্রয়োজনে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার প্রয়াস ও প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে জানান দলটির নেতারা। একই সঙ্গে জাতীয় সংসদে খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্য মুফতি আবুল হাসান বিরোধী দলীয় ভূমিকা পালন করবেন বলে জানানো হয়।

দলের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের সঞ্চালনায় মজলিসে শূরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে আরও উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, অধ্যাপক আবদুল্লাহ ফরিদ, অধ্যাপক সিরাজুল হক, মাওলানা সাইয়্যেদ ফেরদাউস বিন ইসহাক, মুফতি আবদুল হামিদ; যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, এবিএম সিরাজুল মামুন, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, অধ্যাপক মো. আবদুল জলিল; সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান, মুফতি আবুল হাসানসহ অন্য নেতারা।

সরকারের সমালোচনা করে নেতারা বলেন, জুলাই সনদ ও গণভোটের পূর্ণাঙ্গ রায়কে পাশ কাটিয়ে সরকার সংবিধান সংশোধনের বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। তারা গণরায়কে উপেক্ষা করে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় সংবিধান সংশোধন করতে চায়। অথচ জনগণ বিদ্যমান সংবিধানের এমন সংস্কার চায়, যার দ্বারা স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ পুনঃপ্রতিষ্ঠার সব পথ চিরতরে রুদ্ধ হয়ে যাবে। জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন অত্যন্ত জরুরি।

আরও পড়ুন

গণভোটের রায়কে পাশ কাটানোর চেষ্টা করলে সরকার বিপদে পড়বে মন্তব্য করে তারা বলেন, সরকারকে জনরায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সংসদে অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন ও জুলাই সনদ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে জুলাই ও শাপলা গণহত্যাসহ ফ্যাসিবাদী অপশক্তির বিচার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ চীন বিএনপি, শেনজেনে আলোচনা সভা 
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে চীনের শেনজেন শহরে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চীন শাখা। 
৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ চীন বিএনপি, শেনজেনে আলোচনা সভা 
৯৬-এর মতো আ.লীগ-জামায়াত দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে: রাশেদ খাঁন
৯৬-এর মতো আওয়ামী লীগ এবং জামায়াতে ইসলামী দেশের বিরুদ্ধে, সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে, স্বাধীনতার বিরুদ্ধে চক্রান্ত শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেলে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভা ও র‍্যালি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ মন্তব্য বলেন তিনি। রাশেদ খাঁন বলেন, অতীতে যারা জনগণের ওপর গুম, খুন ও ক্রসফায়ারের মতো নির্যাতন চালিয়েছে, তাদের রাজনৈতিক শক্তিগুলো এখন এক জায়গায় আসছে। ১৯৯৬ সালের রাজনৈতিক সমীকরণের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করে তিনি বলেন, ৯৬-এর মতো আওয়ামী লীগ এবং জামায়াতে ইসলামী দেশের বিরুদ্ধে, সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে, স্বাধীনতার বিরুদ্ধে চক্রান্ত শুরু করেছে।  রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী যখন দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছেন, তখন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। তার দাবি, ভারতে অবস্থান করে শেখ হাসিনা এই ষড়যন্ত্রের সূচনা করেছেন এবং বাংলাদেশে বসে এই চক্রান্তের সাথে যুক্ত হয়েছে সেই স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি জামায়াত ইসলাম। সুতরাং প্রধানমন্ত্রীর যে স্বপ্ন, তিনি যে পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমাদের সবাইকে তার পাশে থেকে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, একাত্তর ও চব্বিশের অপশক্তি এক হয়েছে। একাত্তরের রাজাকার ও চব্বিশের রাজাকারদের রুখে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএনপির বিকল্প নেই।  তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশপন্থীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। নভেম্বর, ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাস পর্যন্ত বিএনপি, যুবদলসহ বাংলাদেশপন্থীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বানও জানান রাশেদ খাঁন। এর আগে বিকেলে কালীগঞ্জ উপজেলা শহরের মোবারক আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দেন তিনি। পরে সেখান থেকে বের হওয়া র‍্যালির নেতৃত্ব দেন রাশেদ খাঁন। এ সময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
৯৬-এর মতো আ.লীগ-জামায়াত দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে: রাশেদ খাঁন
সমবায়ই পারে গ্রামীণ দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখতে: রিজভী
গ্রামীণ দারিদ্র্য বিমোচন, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরি ও নারীর অর্থনৈতিক উন্নয়নে সমবায়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রোববার (৮ নভেম্বর) সকালে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার কালব রিসোর্টের হলরুমে জাতীয় সমবায় দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। রুহুল কবির রিজভী বলেন, সমবায় সম্পূর্ণভাবে মানুষের নিজস্ব উদ্যোগ ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিষয়। এখানে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা কিংবা এলাকার কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তির সহযোগিতার প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন শুধু কয়েকজন মানুষের সদিচ্ছা, আন্তরিকতা ও একসঙ্গে কাজ করার মানসিকতা। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্বার্থে কিছু মানুষ স্বেচ্ছায় একত্র হয়ে কাজ করাই সমবায়ের মূল লক্ষ্য। সমবায়ের মাধ্যমে গ্রামীণ দারিদ্র্য কমানো, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পুঁজি গঠন এবং নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। এ ছাড়া কৃষক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যবর্তী দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমাতেও সমবায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুল হক মিলন ও গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নুরুল করিম ভূঁইয়া। এ সময় সমবায় অধিদপ্তরের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় সমবায়ী সংগঠনের প্রতিনিধি ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
সমবায়ই পারে গ্রামীণ দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখতে: রিজভী
এ জীবনে হাসিনা কোনো দিন ফিরবেন না: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেছেন, হাসিনা বলেছিলেন, ‘শেখের মেয়ে পালায় না।’ বাংলাদেশের রাজনীতিতে একজনই পালিয়েছেন, তিনি হলেন শেখের মেয়ে হাসিনা। এ জীবনে হাসিনা কোনো দিন ফিরবেন না। রোববার (৮ নভেম্বর) টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা ডাকবাংলো চত্বরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। সখীপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপি এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। মন্ত্রী বলেন, এখন আবার শুনছি, তিনি ডিসেম্বরে আসবেন, তার নেতা-কর্মীরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ওইসব নেতা-কর্মীকে বলব, আপনারা দিবাস্বপ্ন দেখবেন না। আপনাদের বিপদে ফেলতে হাসিনা মাঝেমধ্যে এ ধরনের কথা বলে থাকেন। এটা তার চরিত্র। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা তো চাই, হাসিনা ফিরে আসুক। তিনি তো এখন ফাঁসির আসামি। হাসিনা ফিরে এসে আদালতে যাক, কারাগারে যাক। ফাঁসির দড়ি ঝুলবে তার গলায়। অসংখ্য গণহত্যা করেছেন তিনি। কিন্তু তিনি ফিরবেন না। উসকানি দিয়ে দেশটাকে অস্থিতিশীল করবেন এবং আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের নাশকতার কাজে লাগাবেন। কিন্তু পরিষ্কার করে বলছি, বাংলাদেশে নাশকতার আর জায়গা নেই। আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের পোশাকশিল্পকে ধ্বংস করার জন্য পতিত ফ্যাসিস্টরা কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে তাদের বাহিনীকে মাঠে নামিয়েছিল। তারা আদৌ গার্মেন্টসশ্রমিক নয়। হ্যাঁ, কিছু গার্মেন্টসশ্রমিক বিভ্রান্ত হয়েছিলেন। তারা দুদিনের মাথায় গার্মেন্টসে ফিরে গেছেন। আমরা জেনেছি, সখীপুরেরও পতিত ফ্যাসিস্টদের ১০০ থেকে ২০০ জন নেতা তারা ভাঙচুরের জন্য পাঠিয়েছিল। তাদের তালিকা করা হচ্ছে। এটি জনগণের বাংলাদেশ। এখানে নাশকতার কোনো সুযোগ নেই। বিরোধী দলের সমালোচনা করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী দেশটাকে নতুন করে গড়ে তোলার জন্য যখন বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু করেছেন, ঠিক তখনই আমাদের বিরোধী দল নানা রকমের বিষোদ্গারে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। তারা এখনই ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য অস্থির হয়ে পড়েছেন। তারা দুদিন পরপর লংমার্চ করেন। আমরা যখন দেখি দেশে তেলের অভাব, তখন আমাদের বিরোধী দল হাজার হাজার গাড়ি নিয়ে লংমার্চ করছে—এটা কি তাদের দেশপ্রেম? তারা নানা ধরনের হুমকি-ধমকি ও আলটিমেটাম দিচ্ছেন—এটা কি তাদের দেশপ্রেম? এ সময় বিরোধী দলের নেতাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, জনগণ বিএনপিকে পাঁচ বছরের জন্য ভোট দিয়েছে। পাঁচটা বছর অপেক্ষা করুন। পাঁচ বছর পর আবারও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে। বাংলাদেশে আর কখনো দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না, দিনের ভোট রাতে হবে না। জনগণ ভোট দেবে। অতএব, আপনারা পাঁচ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। আর যদি অস্থির হন, অযথা হুমকি-ধমকি দেন, জনগণের উন্নয়ন ব্যাহত হয়, তাহলে জনগণই আপনাদের মোকাবিলা করবে। আলোচনা সভায় উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম, সহসভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ ও আকবর হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম সবুর রেজা, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মুহম্মদ কবির হাসান, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মীর আবুল হাশেম আল আজাদসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং দলটির অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
এ জীবনে হাসিনা কোনো দিন ফিরবেন না: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী
ঢাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের আরও এক নেতা ধরা
রোববার (৮ নভেম্বর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানীর গুলশান থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঢাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের আরও এক নেতা ধরা
আরও পড়ুন
হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতার ভুল তথ্য, যা বললেন মাহবুবা হাকিম
খেলাফত মজলিসের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
ইরানে খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন এনসিপি-জামায়াত-খেলাফত মজলিসের প্রতিনিধিদল
৫ বছরে আগে রিসোর্টে নিজের ‘মুতা বিয়ে’ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন মামুনুল হক