ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩

খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্বের কারণেই বাংলাদেশ দাঁড়িয়ে আছে: আমির খসরু

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ আগস্ট ২০২৬, ০৪:০৫ পিএম
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্বের কারণেই বাংলাদেশ দাঁড়িয়ে আছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

শনিবার (১৫ আগস্ট) ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘গণতন্ত্রের মা’ সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, সর্বস্তরের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক অধিকারের লড়াইয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে নেতৃত্ব দিতে হয়েছে।

আমির খসরু বলেন, রাজনীতিতে কঠিন সময় আসে। যারা সেই কঠিন সময় পার হতে পারেন, চাপ সহ্য করতে পারেন এবং নিপীড়ন-নির্যাতনের মধ্যেও টিকে থাকতে পারেন, তারাই বাংলাদেশের মানুষের সত্যিকারের হৃদয়ের নেতা। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের মানুষের সত্যিকারের হৃদয়ের নেতা।

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া কেন ‘আপসহীন নেত্রী’র স্থান পেয়েছেন, তার কারণ তার আপসহীন অবস্থান। তার জীবনে বিভিন্ন সময়ে অনেক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। সেই চাপে অনেকেই ভেঙে পড়েছেন এবং নতি স্বীকার করেছেন। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া কোনো চাপের মুখে নতি স্বীকার করেননি। ‘উনার নতি স্বীকার না করার কারণে আমরা শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে পেরেছিলাম। উনি যদি নতি স্বীকার করতেন, আমরা তো দাঁড়াতে পারতাম না।

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার শক্ত ও আপসহীন অবস্থান বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার আন্দোলন-সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়েছে। দীর্ঘ সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের রাজনীতির পেছনে তিনি চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে গেছেন।

আমির খসরু বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে ধ্বংস ও জীবননাশের জন্য সব ধরনের প্রচেষ্টা চালানো হলেও তিনি সবকিছু অতিক্রম করে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী হিসেবে টিকে ছিলেন। মৃত্যুর আগে ও পরে বাংলাদেশের মানুষ তাকে যে স্বীকৃতি দিয়েছে, সেই স্বীকৃতির মাধ্যমে তিনি বিদায় নিয়েছেন।

তিনি বলেন, দল ক্ষমতায় আসছে বলে সবকিছু সহজ হয়ে গেছে-এমনটা মনে করার কোনো কারণ নেই। অতীতের আন্দোলন-সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের বিষয়টি মনে রাখতে এবং ধারণ করতে হবে।

আরও পড়ুন

তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা এনে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা সবাই মিলে বাস্তবায়ন করতে পারলে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জীবন ও তার আত্মত্যাগ সার্থক হবে।

বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সঞ্চালনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রপতি পদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী এবং দলের সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ড. আব্দুল মঈন খান।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জামায়াত নেতার কথা শুনে ব্যথিত হয়েছি: ইশরাক
সদ্য পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়া প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেছেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর একজন নেতার মুখ থেকে একটা উক্তি শুনে আমি ব্যথিত হয়েছি। রাজনৈতিক দল থেকে ষড়যন্ত্রের শিকার হইনি।’
জামায়াত নেতার কথা শুনে ব্যথিত হয়েছি: ইশরাক
ইশরাক ভাইয়ের মতলব ভালো ছিল: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
এনসিপির এই নেতা বলেন, সমস্যাটা তো হলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। গুলি কেন খেলেন ইশরাক ভাই? অর্থাৎ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দোষ করে। আরেকজন এই পাপে ভোগেন। এটা আসলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতা। মাঝখান দিয়ে ইশরাক ভাই ফাঁদে পড়ে গেলেন।
ইশরাক ভাইয়ের মতলব ভালো ছিল: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
জামায়াতের আমিরের সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
জামায়াতের আমিরের সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
গাড়ি থেকে নিজেই সরকারি লোগো খুলে ফেললেন ইশরাক
গাড়ি থেকে নিজ হাতে সরকারি লোগো খুলে ফেলেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
গাড়ি থেকে নিজেই সরকারি লোগো খুলে ফেললেন ইশরাক
উৎসব কোনো সামাজিক সীমানায় আবদ্ধ নয়: রিজভী
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘উৎসব কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় বা সামাজিক সীমানায় আবদ্ধ নয়; এর সর্বজনীন আহ্বান সব সম্প্রদায়ের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে এবং ভ্রাতৃত্ববোধ নিয়ে একসঙ্গে বসবাসের অনুপ্রেরণা জোগায়। সমাজে অসত্য ও অশুভ শক্তির বিনাশ করে সত্য, ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠাই দুর্গাপূজার মূল মর্মবাণী। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। রিজভী বলেন, শত শত বছর ধরে এ দেশের মানুষ একই ভাষা ও লোকজ সংস্কৃতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে মিলেমিশে বসবাস করছে। দেশের অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্য বিনষ্ট করতে দেশি-বিদেশি নানা ষড়যন্ত্র হতে পারে। তবে ধর্মপ্রাণ ও অসাম্প্রদায়িক মানুষ তা কখনও সফল হতে দেবে না। তিনি বলেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ এমন একটি বাগান, যেখানে বিভিন্ন রঙের ও জাতের ফুল একসঙ্গে ফোটে এবং প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব স্থান সংরক্ষিত রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় বিশ্বাস যার যার ব্যক্তিগত বিষয় হলেও রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার সমান। প্রত্যেকে যাতে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। হিন্দু সম্প্রদায়ের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দুর্গাপূজার ছুটি বৃদ্ধি, পূজামণ্ডপে বরাদ্দ বাড়ানো এবং পুরোহিত ও সেবায়েতদের সম্মানী দেওয়ার বিষয়টি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।  অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দেবাশীষ পাল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি ডা. জাহিদুর রহমান, ছাত্রদলের সহসভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়ালসহ হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এমএইচজে
উৎসব কোনো সামাজিক সীমানায় আবদ্ধ নয়: রিজভী
আরও পড়ুন
বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্দা উঠল ‘বেগম খালেদা জিয়া’ আইএইচএফ নেশনস ট্রফির
খালেদা জিয়াকে নিয়ে চাকসু ভিপির ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও, তদন্ত চায় ছাত্রদল
বেগম খালেদা জিয়া জবি প্রতিষ্ঠা করেছেন বলেই পদে পদে বঞ্চিত হয়েছি: জবি উপাচার্য
ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী