ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

কুমিল্লার ঘটনায় মুখ খুলল হেফাজত

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর ২০২১, ০৮:২৪ পিএম

সম্প্রতি কুমিল্লায় ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব অপরাধীকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। একই সঙ্গে জনগণকে সাম্প্রদায়িক ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর খিলগাঁওয়ে অবস্থিত হেফাজত মহাসচিবের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ দাবি জানান হেফাজতে ইসলাম।

এ সময় হেফাজত নেতারা বলেন, কুমিল্লার ঘটনার প্রতি আমরা গভীরভাবে নজর রাখছি। আমরা ইতোমধ্যে জানতে পেরেছি কুমিল্লার ঘটনায় অভিযুক্ত কয়েকজন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

হেফাজত নেতারা আরও বলেন, দেশের সব ইসলামপ্রিয় তৌহিদী জনতা, হেফাজতের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও কওমি মাদ্রাসাগুলোর আলেম-ওলামা ও শিক্ষার্থীদের প্রতি আমাদের বিশেষ আহবান থাকবে, কারও উসকানিতে কোনোরকম সিদ্ধান্ত নেবেন না।

কুমিল্লার ঘটনার বিষয়ে হেফাজতের নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরী আরটিভি নিউজকে বলেন, এ ধরনের ঘটনাকে হেফাজত কখনও সমর্থন করে না।যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায় ও উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়, তারাই এসব ঘটনা ঘটাচ্ছে।তারা দেশ, ইসলাম ও মুসলমানদের শত্রু বলেও জানান হেফাজতের নায়েবে আমির।

এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবার শাস্তির দাবি জানান তিনি।এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আগামীকাল শুক্রবার (১৫ অক্টোবর) আপাতত হেফাজতের কোনো কর্মসূচি নেই বলেও জানান অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান।

হেফাজত নেতারা বলেন, আমরা পরিস্থিতির দিকে গভীর নজর রাখছি। প্রয়োজনে ঐক্যবদ্ধভাবে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে, ইনশাআল্লাহ।

তৌহিদী জনতার আন্দোলনকে পুঁজি করে অতীতের মতো কেউ যেন স্বার্থ উদ্ধার করতে না পারে, সে বিষয়েও সবসময় সতর্ক থাকার আহ্বান জানান হেফাজত নেতারা।

আল্লামা আতাউল্লাহ হাফেজ্জীর সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, মহাসচিব আল্লামা নুরুল ইসলাম, অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরী, মাওলানা মুহিব্বুল হক গাছবাড়ি, মাওলানা আবদুল আওয়াল, মাওলানা মহিউদ্দিন রাব্বানী, মাওলানা আবদুল কাইয়ুম সুবহানী, মাওলানা জহুরুল ইসলাম প্রমুখ।

এমএন/টিআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাওয়া ছাড়া বিকল্প নেই’
দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাওয়া ছাড়া বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন।   আজ মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সংলাপ শেষে এ কথা জানান তিনি।  স্বাধীন, নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করছেন রাষ্ট্রপতি। সংলাপের পঞ্চম দিনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনা শেষে রাশেদ খান মেনন বলেন, প্রয়োজনে একদিনেও আইন প্রণয়ন করা যায়। ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইন তো আমরা একদিনেই করেছি। আইন প্রণয়নের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো ঐকমত্য আছে এখন সেটা করার উদ্যোগ নেওয়া দরকার। মেনন বলেন, নতুন বছরে শুরুর অধিবেশনে আইন প্রণয়ন করা যেতে পারে। আইন করতে হবে, প্রয়োজনে একদিনেও আইন প্রণয়ন করা যায়। সার্চ কমিটি গঠনের বিষয়ে তিনি বলেন, সার্চ কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে কার্যকরী কমিটির পরামর্শ দিয়েছি। দুইজন নারী সদস্য রাখার প্রস্তাব দিয়েছি। গণতন্ত্রে সংলাপ খুব গুরুত্বপূর্ণ জানিয়ে তিনি বলেন, সংলাপ নিয়ে যারা সমালোচনা করছে তাদের জনমত গঠন করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাই। এর আগে বিকেল চারটায় বঙ্গভবনে এ সংলাপ শুরু হয়। এতে দলের সভাপতি রাশেদ খান মেননসহ সাত সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশ নেন। এসএস/এসকে
‘দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাওয়া ছাড়া বিকল্প নেই’
ভাঙচুর মামলায় জামায়াত নেতা শাহজাহানসহ ১৮ জনের বিচার শুরু 
মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায়ের পর চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানার চরতি ইউনিয়নে বৌদ্ধ বিহার ভাঙচুর ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় চট্টগ্রামের শীর্ষ জামায়াতে নেতা ও সাবেক এমপি শাহজাহান চৌধুরীসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত।  সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন্নাহার রুমির আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। আদালত আগামী ৩০ মার্চ সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন বলে জানিয়েছেন আদালতের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা।  এদিন অভিযোগ গঠনের শুনানিতে জামায়াতের দলীয় সাবেক সাংসদ শাহজাহান চৌধুরী আদালতে হাজির ছিলেন। শাহজাহানকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। ১৮ জন আসামির মধ্যে ১৩ জন পলাতক রয়েছে। এই মামলায় শাহজাহান চৌধুরী জামিনে রয়েছে।   আদালত সূত্রে জানা যায়, জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায়ের পর সাতকানিয়া থানার চরতি ইউনিয়নে বৌদ্ধ বিহার ভাঙচুর ঘটনায় সাতকানিয়া থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি মামলা করা হয়। মামলার তদন্ত শেষে চট্টগ্রামের শীর্ষ জামায়াত নেতা ও সাবেক এমপি শাহজাহান চৌধুরীসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেন। এ মামলায় শাহজাহান চৌধুরীসহ ১৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আগামী ৩০ মার্চ থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে। মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ছিলেন। ২০১০ সালের ২ আগস্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।  ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য সাঈদীর ফাঁসির রায় দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ফাঁসির রায়ের পর ঢাকা-চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক এবং সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালী, সীতাকুণ্ডসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় সহিংস তাণ্ডব শুরু করে জামায়াত ইসলামীর নেতা-কর্মীরা।  এমএন/এসকে
ভাঙচুর মামলায় জামায়াত নেতা শাহজাহানসহ ১৮ জনের বিচার শুরু 
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে তরিকত ফেডারেশন (ভিডিও)
নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের আমন্ত্রণে আজ সংলাপে অংশ নিয়েছে তরিকত ফেডারেশন। সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকেলে বঙ্গভবনে প্রথমে তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারির নেতৃত্ব ৭ সদস্যের প্রতিনিধিদল। আইন প্রয়োগের ওপর জোর দিয়ে চার দফা প্রস্তাবনা জানিয়েছে তরিকত ফেডারেশন। সময় সাপেক্ষে আলোচনায় তা করা হতে পারে বলে মত দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। তবে এবার সংলাপে রাজনৈতিক দলের বাইরে সুশীল সমাজের সঙ্গে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করে তরিকত। বিতর্কিত ব্যক্তি নয়, সার্চ কমিটিতে কারা থাকতে পারে, তারও প্রস্তাবও দেওয়া হয় বলে জানান চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি।  এদিন সন্ধ্যায় অংশ নেবে খেলাফত মজলিস। এর আগে ২০ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া সংলাপে অংশ নেয় জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ), ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)। আগামীকাল (মঙ্গলবার) বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি, ২৯ ডিসেম্বর বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) এবং একই দিন সন্ধ্যা ৬টায় ইসলামী ঐক্যজোট রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেবে।    এ ছাড়া ২ জানুয়ারি গণফোরাম ও বিকল্পধারা এবং ৩ জানুয়ারি গণতান্ত্রিক পার্টি ও বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি সংলাপে অংশ নেবে। কেএম নুরুল হুদার নেতৃত্বে বর্তমান ইসির মেয়াদ ১৪ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে। সংবিধান অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যেই রাষ্ট্রপতি নতুন কমিশন গঠন করবেন। ওই কমিশনের অধীনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এনএইচ/এসকে
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে তরিকত ফেডারেশন (ভিডিও)
যে কারণে সংলাপে যায়নি বাসদ
নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে বসেনি বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রি দল-বাসদ। রোববার (২৬ ডিসেম্বর) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে অনুষ্ঠিত সংলাপে সন্ধ্যা ৬টায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল বাসদের। কিন্তু তারা এই সংলাপে অংশ নেয়নি। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে অংশ না নেওয়া বিষয়ে বাসদের সাধারণ সম্পাদক কমরেড খালেকুজ্জামান বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে এর আগে দু’বার সংলাপে অংশ নিয়েছি। সেই সংলাপে দলের পক্ষ থেকে বেশকিছু প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো এখনও প্রাসঙ্গিক। এখন ফের সংলাপে গিয়ে কী লাভ? এদিকে আজ রোববার আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে অংশ নেয়।  ন্যাপের সঙ্গে সংলাপ শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন জানান, সংলাপে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি স্বাধীন, কার্যকরী গ্রহণযোগ্য ইসি গঠনের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে সাত দফা দাবি পেশ করেন। প্রস্তাবগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য একটি আইন প্রণয়ন করা। ইসি গঠনের ক্ষেত্রে যোগ্য, দক্ষ, নির্মোহ, সৎ ও জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের নিয়োগ দেওয়া। জবাবদিহিমূলক নির্বাচন কমিশন গঠন করা। স্বাধীনতার চেতনাবিরোধী ব্যক্তি ও রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা। বিকাল ৪টায় বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন ন্যাপের প্রতিনিধি দল। এ সময় রাষ্ট্রপতি তাদেরকে স্বাগত জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠন একটি সাংবিধানিক দায়িত্ব এবং একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠনই সংলাপের আলোচনার মূল লক্ষ্য। রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন পর্যায়ক্রমে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে একটি দক্ষ, শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন করা সম্ভব হবে। তিনি এ সময় ইসি গঠনে সব রাজনৈতিক দলগুলোর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। প্রসঙ্গত, গত ২০ ডিসেম্বর সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সঙ্গে সংলাপ করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।  ২২ ডিসেম্বর জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের সঙ্গে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।  এফএ/এসকে
যে কারণে সংলাপে যায়নি বাসদ
রাষ্ট্রপতিকে ন্যাপের ৭ প্রস্তাব 
নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে চলমান সংলাপের তৃতীয় দিনে সাত প্রস্তাবনা দিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)। রোববার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত সংলাপে এসব প্রস্তাব দেন ন্যাপের নেতারা। ন্যাপের দায়িত্বপ্রাপ্ত কার্যকরী সভাপতি আইভি আহমেদের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সংলাপে অংশ নেন। সংলাপ শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন জানান, সংলাপে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি স্বাধীন, কার্যকরী অগ্রহণযোগ্য ইসি গঠনের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে সাত দফা দাবি পেশ করেন। প্রস্তাবগুলোর উল্লেখযোগ্য হলো- সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য একটি আইন প্রণয়ন করা, ইসি গঠনে ক্ষেত্রে যোগ্য, দক্ষ, নির্মোহ, সৎ ও জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের নিয়োগ দেওয়া, জবাবদিহিমূলক নির্বাচন কমিশন গঠন করা এবং স্বাধীনতার  চেতনা বিরোধী ব্যক্তি ও রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা। প্রেস সচিব জানান, রাষ্ট্রপতি  বঙ্গভবনে ন্যাপের প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান। রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠন একটি সাংবিধানিক দায়িত্ব এবং একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠনই সংলাপের আলোচনার মূল লক্ষ্য। তিনি আশা প্রকাশ করেন পর্যায়ক্রমে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনার ভিত্তিতে একটি দক্ষ, শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন করা সম্ভব হবে। রাষ্ট্রপ্রধান দেশের ইসি গঠনে সকল রাজনৈতিক দলগুলোর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। সংলাপে অংশ নেওয়া ন্যাপের প্রতিনিধিরা হলেন-সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট আবদুর রহমান, কাজী সিদ্দিকুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আহমেদ খান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক পার্থসারথি চক্রবর্তী ও সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য অনিল চক্রবর্তী রাষ্ট্রপতির সাথে আলোচনায় অংশ নেন। সূত্র: বাসস এনএইচ 
রাষ্ট্রপতিকে ন্যাপের ৭ প্রস্তাব 
আরও পড়ুন
হেফাজতের সিনিয়র নায়েবে আমির হাসপাতালে ভর্তি
তাবলীগের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের সিদ্ধান্ত : হেফাজতের প্রতিবাদ
চিরনিদ্রায় শায়িত হেফাজতের মহাসচিব
কুমিল্লার ঘটনায় ১৭ জনের রিমান্ড মঞ্জুর