ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

বাংলাদেশি তরুণ পংকজ তালুকদার এখন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ আগস্ট ২০২৬, ০৯:১৯ পিএম
বাংলাদেশি তরুণ পংকজ তালুকদার। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলের তরুণ পংকজ তালুকদার কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ শেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি মার্কিন সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার কোরে কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার এই অর্জনের গল্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বন্ধু, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ ও অভিনন্দন।

পংকজ সিলেটের হাতিম আলী উচ্চবিদ্যালয় ও এমসি কলেজে পড়াশোনা শেষ করে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যান। পরে নিউইয়র্কের সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্ক থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেন। সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার আগে তিনি কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার পরিবারের মূল বাড়ি সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে পংকজ জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার পথটি মোটেও সহজ ছিল না। শারীরিক প্রশিক্ষণ, মানসিক প্রস্তুতি এবং বিশেষায়িত সামরিক প্রশিক্ষণের প্রতিটি ধাপেই তাকে কঠোর পরিশ্রম ও শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে।

তার বর্ণনা অনুযায়ী, অনেক দিন ভোর ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে দিনের প্রশিক্ষণ শুরু হতো এবং শেষ হতো রাত ৮টা থেকে ৯টার দিকে। দীর্ঘ সময় ঘুম ও বিশ্রামের সুযোগ সীমিত থাকলেও প্রতিদিনই শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক দৃঢ়তা ও সহনশীলতার পরীক্ষা দিতে হয়েছে।

মাঠপর্যায়ের প্রশিক্ষণও ছিল অত্যন্ত কঠিন। প্রায় ১১০ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রায় টানা চার দিন জঙ্গলে অবস্থান করতে হয়েছে তাকে। প্রচণ্ড গরম, সাপ, পোকামাকড় ও শারীরিক ক্লান্তির মধ্যেও প্রশিক্ষণ চালিয়ে যেতে হয়েছে।

প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে এম৪ রাইফেল দিয়ে গুলি চালানোর অনুশীলন, জীবন্ত গ্রেনেড নিক্ষেপ, মাইন শনাক্তকরণ এবং বিভিন্ন ধরনের দুর্গম বাধা অতিক্রমের প্রশিক্ষণও সম্পন্ন করেছেন পংকজ। প্রায় পাঁচ মাসের কঠোর প্রশিক্ষণে তার ওজন কমেছে ২৬ পাউন্ড। পাশাপাশি প্রায় প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ কিলোমিটার দৌড়াতে হয়েছে।

সবচেয়ে কঠিন অভিজ্ঞতাগুলোর একটি ছিল কাঁধে প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ পাউন্ড ওজনের ভারী ব্যাগ নিয়ে টানা ১০ মাইল হাঁটা। কখনো মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যেও এই প্রশিক্ষণ চালিয়ে যেতে হয়েছে। শরীর ভিজে গেলেও থেমে যাওয়ার সুযোগ ছিল না বলে জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন

পংকজ বলেন, অনেক সময় শরীর মনে করত আর পারছে না, আবার মন চাইত একটু বিশ্রাম নিতে। কিন্তু থেমে যাওয়ার সুযোগ ছিল না। তখন নিজেকেই বারবার সাহস দিয়ে আরও একবার চেষ্টা করার মানসিকতা ধরে রাখতে হয়েছে।

শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি পরিবার ও পরিচিত পরিবেশ থেকে দীর্ঘ সময় দূরে থাকাও ছিল বড় মানসিক পরীক্ষা। প্রশিক্ষণের সময় মুঠোফোন ব্যবহারের সুযোগ ছিল সীমিত। কখনো মাত্র ৩০ মিনিটের জন্য ফোন হাতে পাওয়ার সুযোগ মিলত। সেই অল্প সময়টুকুতেই পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হতো।

দীর্ঘ প্রশিক্ষণ শেষে এখন তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সদস্য। নিজের এই যাত্রার দিকে ফিরে তাকিয়ে পংকজ মনে করেন, নির্ঘুম রাত, কঠোর পরিশ্রম, ঘাম ও শারীরিক কষ্টই তাকে আজকের অবস্থানে পৌঁছাতে সাহায্য করেছে। এই পুরো সময়ে যারা তাকে সাহস ও মানসিক শক্তি দিয়েছেন, তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে পংকজ বলেন, বেসামরিক জীবন থেকে যে যাত্রা শুরু করেছিলেন, তার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শেষ করে এখন তিনি গর্বের সঙ্গে বলতে পারেন, ‘আমি যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর একজন সদস্য।’

তিনি আরও বলেন, এই পথ সহজ ছিল না। কিন্তু প্রতিটি কষ্ট সার্থক হয়েছে। কষ্ট ছিল সাময়িক, গর্ব থাকবে চিরদিন।

সিলেট থেকে যুক্তরাষ্ট্রে এসে প্রযুক্তি খাতে পেশাজীবন শুরু করার পর কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ পেরিয়ে মার্কিন সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার কোরে কর্মকর্তা হিসেবে পংকজের এই যাত্রা এখন তার পরিচিতজনদের কাছে পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও অধ্যবসায়ের অনুপ্রেরণার গল্প হয়ে উঠেছে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সরকারের জরুরি বার্তা
সোমবার (২ নভেম্বর) নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে সৌদি প্রবাসীদের জন্য বিস্তারিত দিকনির্দেশনা সংবলিত জরুরি বার্তা প্রকাশ করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সরকারের জরুরি বার্তা
আমিরাতের সড়কে প্রাণ হারালেন ২ বাংলাদেশি
বর্তমানে দুজনের মরদেহ স্থানীয় হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। পুলিশি আনুষ্ঠানিকতা ও দূতাবাসের প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দুটি দেশে পাঠানো হবে। 
আমিরাতের সড়কে প্রাণ হারালেন ২ বাংলাদেশি
বাংলাদেশি গবেষক ইরফানের মৃত্যু নিয়ে মার্কিন গণমাধ্যমে চাঞ্চল্যকর তথ্য 
গত ৩১ অক্টোবর দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রকাশিত এই প্রতিবেদনের শিরোনাম, ‘দ্য সাডেন ডেথ অব অ্যান এনভিডিয়া এআই প্রডিজি লিভস বিহাইন্ড বিটার অ্যাকিউজেশনস’। প্রতিবেদনটি লিখেছেন সাংবাদিক জুশা এলিনসন।
বাংলাদেশি গবেষক ইরফানের মৃত্যু নিয়ে মার্কিন গণমাধ্যমে চাঞ্চল্যকর তথ্য 
মিশিগানে আবৃত্তিকার সাইফুল আজম সিদ্দিকীর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘মনের গহীনে বাংলা’ 
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে বাংলা কবিতা, গান ও নৃত্যের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আবৃত্তিকার সাইফুল আজম সিদ্দিকীর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘মনের গহীনে বাংলা’। রোববার (১ নভেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে ৬ টা পর্যন্ত ফার্মিংটন হিলসের দ্য হক ফার্মিংটন হিলস কমিউনিটি সেন্টারে এ অনুষ্ঠান হবার কথা রয়েছে। ‘মনের গহীনে বাংলা’ নামের এই আয়োজনের মূল উপজীব্য দেশ, মা, মাটি, প্রেম, মাতৃভাষা এবং বাঙালির শিকড়ের প্রতি ভালোবাসা। প্রবাসে বসবাস করেও বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে হৃদয়ে ধারণ করার যে নিরন্তর প্রয়াস, কবিতা ও আবৃত্তির মধ্য দিয়ে সেটিই দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হবে। অনুষ্ঠানের শিরোনামের মধ্যেও রয়েছে বাংলার প্রতি গভীর আবেগ ও আত্মিক টানের প্রকাশ। অনুষ্ঠান সম্পর্কে সাইফুল আজম সিদ্দিকী বলেন, এখানে কবিতায় দেশের কথা বলব, প্রেমের কথা বলব, বাংলার কথা বলব।  তিনি জানান, দেশ, মা ও মাটির কথা মাথায় রেখেই অনুষ্ঠানের কবিতাগুলো নির্বাচন করা হয়েছে। বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন সময়ের শক্তিমান কবিদের রচনার পাশাপাশি সমকালীন ও প্রবাসী কবিদের কবিতাও আয়োজনে স্থান পাবে। অনুষ্ঠানে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার পাশাপাশি নির্মলেন্দু গুণ, হেলাল হাফিজ, রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ, সৈয়দ শামসুল হক এবং মহাদেব সাহার নির্বাচিত কবিতা আবৃত্তি করা হবে। বাংলা কবিতার বিভিন্ন সময়, ধারা ও অনুভূতিকে এক মঞ্চে তুলে ধরার চেষ্টা থাকবে পুরো আয়োজনে। এটি সাইফুল আজম সিদ্দিকীর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান হলেও মিশিগানের কয়েকজন কবি ও জনপ্রিয় আবৃত্তিকার অতিথি হিসেবে অংশ নেবেন। তাঁরা নিজেদের নির্বাচিত কবিতা পাঠ ও আবৃত্তির মাধ্যমে অনুষ্ঠানকে আরও বৈচিত্র্যময় করে তুলবেন। ফলে একক আবৃত্তির পাশাপাশি এটি প্রবাসী বাঙালি কবি, আবৃত্তিশিল্পী ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের একটি মিলনমেলায় পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কেবল আবৃত্তির মধ্যে অনুষ্ঠানটি সীমাবদ্ধ থাকবে না। কবিতার সঙ্গে গান ও নৃত্যের সমন্বয়ে বিশেষ পরিবেশনার আয়োজন রাখা হয়েছে। রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলসংগীত এবং আবদুল করিমের গানসহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় গানের অংশবিশেষ পরিবেশিত হবে। কোনো কোনো পরিবেশনায় কবিতা ও গান মিলিয়ে তৈরি হবে বিশেষ ফিউশন। এ ছাড়া প্রবাসে বেড়ে ওঠা কয়েকজন তরুণ-তরুণী বাংলা কবিতার সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করবেন। কবিতা, কণ্ঠ, সুর ও নৃত্যের এই সমন্বয় অনুষ্ঠানটিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আয়োজকেরা মনে করছেন। দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে প্রবাসে বসবাস করছেন সাইফুল আজম সিদ্দিকী। তিনি একাধারে সাংবাদিক, কলামিস্ট, আবৃত্তিকার এবং প্রবাসী ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠক। ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পর বর্তমানে বহুজাতিক গাড়ি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান স্টেলান্টিসে প্রকৌশল ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। অনুষ্ঠানটি যথাসময়ে শুরু করার জন্য শিল্পী ও অংশগ্রহণকারীদের বিকেল ২টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘মনের গহীনে বাংলা’ মিশিগানের প্রবাসী বাঙালিদের কাছে কবিতা, গান ও নৃত্যের একটি স্মরণীয় বিকেল হয়ে থাকবে। অনুষ্ঠানস্থলের ঠিকানা: The Hawk–Farmington Hills Community Center, 29995 W. 12 Mile Road, Farmington Hills, MI 48334। আরটিভি/টিআর
মিশিগানে আবৃত্তিকার সাইফুল আজম সিদ্দিকীর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘মনের গহীনে বাংলা’ 
আমিরাতের দুই বাংলাদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির সাফল্য
সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে সাফল্য দেখিয়েছে দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ২০২৬ সালের পরীক্ষায় রাস আল খাইমাহর বাংলাদেশ ইংলিশ প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ। অন্যদিকে, আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার শতভাগ। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, রাস আল খাইমাহর বাংলাদেশ ইংলিশ প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবার ১৮ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৬ জন। অকৃতকার্য হয়েছে দুজন। প্রতিষ্ঠানটির ছয়জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। বিভাগভিত্তিক ফলাফলে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে তিনজন এবং বিজ্ঞান বিভাগ থেকে তিনজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ পেয়েছে। অন্যদিকে, আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ১০০ শতাংশ। গ্রেডভিত্তিক ফলাফলে প্রতিষ্ঠানটির ১১ জন শিক্ষার্থী ‘এ’, তিনজন ‘এ-’ এবং একজন ‘বি’ গ্রেড অর্জন করেছে। দুই প্রতিষ্ঠানের মোট ৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩১ জন। সম্মিলিত পাসের হার ৯৩ দশমিক ৯৪ শতাংশ। দুই প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ছয়জন শিক্ষার্থী। সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলা মাধ্যমের শিক্ষাব্যবস্থা পরিচালনা করছে এসব প্রতিষ্ঠান। দেশ থেকে দূরে থেকেও বাংলাদেশের শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের এই ফলাফল প্রবাসে বাংলাদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষাকার্যক্রমের অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেছে। আরটিভি/টিআর
আমিরাতের দুই বাংলাদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির সাফল্য
আরও পড়ুন
ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি তরুণের মৃত্যু, মরদেহ দেশে আনতে সরকারের সহযোগিতা চায় পরিবার