
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে চীনের শেনজেন শহরে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চীন শাখা।
শনিবার (৭ নভেম্বর) স্থানীয় সময় শেনজেনের কারি হোটেলে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে চীন বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। এ ছাড়া চীনের বিভিন্ন স্থানে অবস্থানরত সংগঠনের নেতাকর্মীদের অনেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে সভায় যুক্ত হন।
সাবেক ছাত্রনেতা মো. ওয়ালী উল্লাহর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জনাব সাখাওয়াত হোসাইন কানন।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন চীন বিএনপির সিনিয়র নেতা শেখ মাহবুবুর রশীদ, মো. মনিরুল ইসলাম কবির, হাসমত আলী মৃধা জেমস, মোহাম্মদ রোমান, শাফিউল্লাহ, আব্দুস সালাম, সিয়াম আহমেদ, আকিদুল ইসলাম, আবির আহমেদ, মো. রাসেল আহমেদ, রেদওয়ান আহমেদ, আব্দুর রহিম ও রাশিদুল ইসলাম ফোজায়েলসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এ ছাড়া এস এম আল আমিন, সাহেল আহম্মেদ সাহিল ও হিমেল হিমুসহ আরও অনেকে ভার্চুয়ালি আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরকে বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করেন। তারা বলেন, ৭ নভেম্বরের চেতনা ধারণ করে জাতীয় ঐক্য, সংহতি ও পারস্পরিক সম্প্রীতির ভিত্তিতে একটি সুখী, সমৃদ্ধ, উদার, গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
বক্তারা জাতীয় জীবনে ঐক্য, সংহতি ও পারস্পরিক সম্প্রীতির গুরুত্ব তুলে ধরে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাদের মতে, জাতীয় ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
আলোচনা সভায় চীনে অবস্থানরত বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, সৌহার্দ্য ও সাংগঠনিক ঐক্য জোরদারের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দিনটিকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালন করে থাকে। দিবসটি উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও চীন বিএনপির উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
আরটিভি/ এসকেডি




