ঢাকা রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

সৌদির সড়কে প্রাণ হারানো ৭ বাংলাদেশির পরিচয় জানা গে‌ল

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০৮ এএম
সৌদি আরবে মদিনা থেকে জেদ্দা যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে একসঙ্গে প্রাণ হারিয়েছেন ৭ বাংলাদেশি। ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবে মদিনা থেকে জেদ্দা যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে একসঙ্গে প্রাণ হারিয়েছেন ৭ বাংলাদেশি। তারা তিনটি পরিবারের সদস্য। একই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ছয়জন। নিহত ও আহতদের সবার গ্রামের বাড়ি কক্সবাজার জেলায়।

স্থানীয় সময় শ‌নিবার (৭ ন‌ভেম্বর) রা‌তে জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট এ তথ‌্য জা‌নি‌য়ে‌ছে।

কনস্যুলেট জানায়, গত ৭ ন‌ভেম্বর দিবাগত রাত ২টার দিকে মদিনা থেকে জেদ্দায় ফেরার পথে আল-হিমনা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে মোট ১৩ জন বাংলাদেশি হতাহত হন।

দুর্ঘটনায় নিহতরা মোট তিনটি পরিবারের সদস্য। এরমধ্যে জিয়াউর রহমানের পরিবারের চারজন, আলম শাহের পরিবারের দুজন এবং ইলিয়াসের পরিবারের একজন নিহত হয়েছেন।

জিয়াউর রহমানের পরিবারের চারজন হলেন- জিয়াউর রহমান, তার মেয়ে বুশরা এবং দুই ছেলে ইয়াসির ও ইয়াযান। তাদের মরদেহ আল-হিমনা জেনারেল হাসপাতালে রাখা হয়েছে।

এ পরিবারের আহত দুজন হলেন- জিয়াউর রহমানের স্ত্রী শাকিরা ও মেয়ে ইউসরা।

শাকিরা খোলাইস জেনারেল হাসপাতালে এবং ইউসরা জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

আলম শাহের পরিবারের দুজন নিহত হয়েছেন। তারা হলেন-তার স্ত্রী সানজিদা ও মেয়ে ফারিয়া। তাদের মরদেহ যথাক্রমে আল-হিমনা ও খোলাইস জেনারেল হাসপাতালে রাখা হয়েছে।

এ পরিবারের আহত দুজনের মধ্যে- আলম শাহ প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। তার ছেলে ফায়সাল ইস্ট জেদ্দা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ইলিয়াসের পরিবারের একজন নিহত হয়েছেন। কয়েকদিন আগে ওমরাহ করতে সৌদি আরবে আসা তার স্ত্রী আফসানা বিবি দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। তার মরদেহ খোলাইস জেনারেল হাসপাতালে রাখা হয়েছে। আহত ইলিয়াস প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

এছাড়া, আহত আরেক বাংলাদেশি গফুর আলম খোলাইস জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি চালাচ্ছিলেন একজন পাকিস্তানি নাগরিক। দুর্ঘটনার সময় গাড়িটির গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৬০ কিলোমিটার। ট্রাফিক অফিসের প্রাথমিক ধারণা, অতিরিক্ত গতির কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি উল্টে যায়। তবে চালকের দাবি, টায়ার ফেটে যাওয়ায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

জানা গেছে, দুর্ঘটনাকবলিত যাত্রীদের মধ্যে চারজন আল-আবির কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। কোম্পানির মক্কা শাখার ম্যানেজার সালমানের তথ্য অনুযায়ী, গাড়িতে ওই চার কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা ছিলেন। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। কনস্যুলেটের কাউন্সেলর (শ্রম) একজন আইন সহকারীসহ খোলাইস ট্রাফিক অফিসে যান এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।

নিহতদের মরদেহ দেশে পাঠানো এবং আহতদের চিকিৎসার বিষয়ে কনস্যুলেট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানানো হয়।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সৌদিতে ৭ বাংলাদেশির মৃত্যুর জন্য দায়ী এক পাকিস্তানি, গাড়ি চালাচ্ছিলেন বেপরোয়া গতিতে
স্থানীয় সময় শ‌নিবার (৭ ন‌ভেম্বর) রা‌তে জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
সৌদিতে ৭ বাংলাদেশির মৃত্যুর জন্য দায়ী এক পাকিস্তানি, গাড়ি চালাচ্ছিলেন বেপরোয়া গতিতে
বাহরাইনে বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ফেন্সিং ফেডারেশনের প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ
বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ারের (এনডিসি) সঙ্গে আজ শনিবার বাংলাদেশ দূতাবাস মানামায় এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন বাংলাদেশ ফেন্সিং ফেডারেশনের জাতীয় রেফারি ও নবগঠিত এডহক কমিটির নির্বাহী সদস্য সৈয়দ রিয়াদ হোসেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ফেন্সিং খেলার সার্বিক অগ্রগতি, সম্ভাবনা এবং পেশাদারিত্ব বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে ফলপ্রসূ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের এই উদীয়মান খেলাটির প্রসারে ফেডারেশনের উদ্যোগ ও কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সাথে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ফেন্সারদের ধারাবাহিক সফলতা কামনা করে দেশের ফেন্সিংয়ের সুদূরপ্রসারী ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানান। বৈঠকে সৈয়দ রিয়াদ হোসেন ফেন্সিং খেলাকে তৃণমূল থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির গৃহীত বিভিন্ন মেয়াদি পরিকল্পনা সম্পর্কে রাষ্ট্রদূতকে বিস্তারিত অবহিত করেন।  বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে খেলাধুলার আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ও প্রবাসী ক্রীড়ানুরাগীদের সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা হয়। ‎ আরটিভি/এসআর  
বাহরাইনে বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ফেন্সিং ফেডারেশনের প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন
যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। হাইকমিশনের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত, বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ এবং জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এরপর দিবসটির তাৎপর্যের ওপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী, মালয়েশিয়া বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার বাদলুর রহমান খান, মালয়েশিয়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন এবং সিনিয়র সহসভাপতি  মাহবুব আলম শাহ। বক্তারা বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং দিনটিকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন। বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ভূমিকা স্মরণ করেন এবং  পরবর্তী সময়ে তাঁর নেতৃত্ব বাংলাদেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রযাত্রায় বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন । হাইকমিশনার তার বক্তব্যে বাংলাদেশের ইতিহাস ও জাতীয় জীবনে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রযাত্রা, বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, মুক্তবাজার অর্থনীতির প্রসার, তৈরি পোশাকশিল্পের ভিত্তি স্থাপন, বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং কৃষি বিপ্লব ও খাল খনন কর্মসূচির ওপর আলোকপাত করেন । আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তী সময়ে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, মালয়েশিয়া বিএনপির নেতাকর্মী, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।  ‎ আরটিভি/এসআর  
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন
নেপালস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন
কাঠমান্ডুস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস আজ দূতাবাস প্রাঙ্গণে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করেছে। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক মুহুর্ত  এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে এ দিবসের তাৎপর্য স্মরণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শনিবার (৭ নভেম্বর) অনুষ্ঠানের শুরুতে দূতাবাস প্রাঙ্গণে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশির উপস্থিতিতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরবর্তীতে দূতাবাসের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও নেপালের জাতীয় সংগীত পরিবেশন, আলোচনা পর্ব এবং শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা এবং দেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।  দিবসটি উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়। এ ছাড়া দিবসটির ঐতিহাসিক পটভূমি ও তাৎপর্য তুলে ধরে দুটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। আলোচনা পর্বে বক্তারা ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক তাৎপর্য, জাতি গঠন প্রক্রিয়ায় এর অবদান এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এ দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা বহুদলীয় গণতন্ত্র, বাক্‌স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।  একই সঙ্গে দেশের জাতীয় ঐক্য, সার্বভৌমত্ব এবং স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা সুরক্ষায় জনগণের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষা ধারণ ও সংরক্ষণে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা তুলে ধরেন।  সমাপনী বক্তব্যে নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শফিকুর রহমান বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের গুরুত্ব ও প্রাসঙ্গিকতার ওপর আলোকপাত করেন। তিনি এ ঘটনাকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এদিন সৈনিক ও সাধারণ জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় স্বাধীনতার ঘোষক, বীর উত্তম শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন এবং পরবর্তীতে গভীর সংকট থেকে দেশকে উত্তরণের দায়িত্ব তাঁর ওপর অর্পিত হয়।  রাষ্ট্রদূত বলেন, জাতীয় নেতা হিসেবে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আবির্ভাব, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও সুরক্ষা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করে।  রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, বাংলাদেশে উৎপাদনমুখী রাজনীতির পথিকৃৎ হিসেবে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ও তার সুদূরপ্রসারী অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রচারসর্বস্ব রাজনীতির পরিবর্তে উৎপাদনমুখী রাজনীতির প্রবর্তন, জাতীয় নীতিনির্ধারণে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের অন্তর্ভুক্তি এবং বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও বিষয়াবলিকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরার মাধ্যমে তিনি ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির ভিত্তি স্থাপন করেন।  জাতীয় ঐক্য, সংহতি ও দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রদূত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জাতীয় প্রতিষ্ঠানসমূহকে শক্তিশালী করা, অবকাঠামো নির্মাণ, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সর্বোপরি জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতির লক্ষ্যে সরকারের প্রচেষ্টায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের সাবেক রাষ্ট্রদূতগণ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, নেপালের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সার্ক, ICIMODসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং নেপালে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিসহ প্রায় ১০০ জন অতিথি উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর  
নেপালস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন
ইসলামাবাদে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন পাকিস্তানে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।
ইসলামাবাদে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন
আরও পড়ুন
সৌদিতে ৭ বাংলাদেশির মৃত্যুর জন্য দায়ী এক পাকিস্তানি, গাড়ি চালাচ্ছিলেন বেপরোয়া গতিতে
ইয়েমেনে সৌদি আরবের বিমান হামলায় নিহত ৩৩, আহত ৩৯
পোল্যান্ডে বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলি, নিহত ৬
কুড়িগ্রামে পৌর কর্মচারী হত্যায় ব্যবহৃত কাঁচি উদ্ধার, মাদক সেবনে বাধা দেওয়াই কাল হয় মনসুর আলীর!