ঢাকা রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৪ পিএম
দূতাবাসের সামনে প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তোজাসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। ছবি: সংগৃহীত

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য তুলে ধরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, আলোচনা সভা ও দোয়ার মাধ্যমে ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির সূচনা করেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম।

পরে সকাল ১০টায় দূতাবাস মিলনায়তনে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে এক প্রাণবন্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতে রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন প্রথম সচিব মো. আবেদুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন দ্বিতীয় সচিব মো. আরিফুর রহমান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কাউন্সিলর ও হেড অব চ্যান্সারি (এইচওসি) প্রভাষ লামারং।

আলোচনা সভায় রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন ও দূরদর্শী দিকনির্দেশনামূলক নেতৃত্ব একটি সংকটময় মুহূর্তে বাংলাদেশকে সঠিক পথ দেখিয়েছিল। ৭ নভেম্বর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি থেকে শৃঙ্খলায় ফিরে আসে। তাই বাংলাদেশের ইতিহাসে ৭ নভেম্বর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন।’

অনুষ্ঠানে ঐতিহাসিক ঘটনার বিবরণ তুলে ধরে দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তোজা বলেন, ‘বিগত সময়ে ছড়িয়ে দেওয়া অসত্য ন্যারেটিভের বিপরীতে সঠিক তথ্য প্রকাশ করা জরুরি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যেসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত ছিলেন না, বহু বছর ধরে সেসব দায় তার ওপর চাপানোর অপচেষ্টা করা হয়েছে।’

ঐতিহাসিক তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ ক্যু সম্পন্ন করে তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দী করেন। সেই রাতেই জেলখানায় জাতীয় চার নেতাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এ ছাড়া ৪, ৫ ও ৬ নভেম্বর সেনা কর্মকর্তাদের যখন হত্যা করা হয়, তখন জিয়াউর রহমান সম্পূর্ণ বন্দী অবস্থায় ছিলেন। এসব হত্যাকাণ্ডের দায় খালেদ মোশাররফ ও কর্নেল তাহেরের ওপর বর্তালেও অন্যায়ভাবে জিয়াউর রহমানকে অভিযুক্ত করার চেষ্টা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শেখ মুজিবের হত্যাকারীদের বিদেশে পাঠানোর সুযোগ করে দিয়েছিলেন খালেদ মোশাররফ। এ ছাড়া কর্নেল তাহের জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করেছিলেন- এই দাবিটি ইতিহাসের অন্যতম বড় মিথ্যাচার। প্রকৃত সত্য হলো সাধারণ সিপাহীরাই তাকে মুক্ত করেছিলেন। কর্নেল তাহের তাকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু দূরদর্শী জিয়াউর রহমান ব্যবহৃত হননি।

আলোচনা সভা শেষে ৭ নভেম্বরের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশের সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালন
দিবসের কর্মসূচির শুরুতে শনিবার (৭ নভেম্বর) দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালন
সৌদিতে ৭ বাংলাদেশির মৃত্যুর জন্য দায়ী এক পাকিস্তানি, গাড়ি চালাচ্ছিলেন বেপরোয়া গতিতে
স্থানীয় সময় শ‌নিবার (৭ ন‌ভেম্বর) রা‌তে জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
সৌদিতে ৭ বাংলাদেশির মৃত্যুর জন্য দায়ী এক পাকিস্তানি, গাড়ি চালাচ্ছিলেন বেপরোয়া গতিতে
সৌদির সড়কে প্রাণ হারানো ৭ বাংলাদেশির পরিচয় জানা গে‌ল
গত ৭ অক্টোবর দিবাগত রাত ২টার দিকে মদিনা থেকে জেদ্দায় ফেরার পথে আল-হিমনা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে মোট ১৩ জন বাংলাদেশি হতাহত হন।
সৌদির সড়কে প্রাণ হারানো ৭ বাংলাদেশির পরিচয় জানা গে‌ল
বাহরাইনে বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ফেন্সিং ফেডারেশনের প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ
বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ারের (এনডিসি) সঙ্গে আজ শনিবার বাংলাদেশ দূতাবাস মানামায় এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন বাংলাদেশ ফেন্সিং ফেডারেশনের জাতীয় রেফারি ও নবগঠিত এডহক কমিটির নির্বাহী সদস্য সৈয়দ রিয়াদ হোসেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ফেন্সিং খেলার সার্বিক অগ্রগতি, সম্ভাবনা এবং পেশাদারিত্ব বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে ফলপ্রসূ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের এই উদীয়মান খেলাটির প্রসারে ফেডারেশনের উদ্যোগ ও কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সাথে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ফেন্সারদের ধারাবাহিক সফলতা কামনা করে দেশের ফেন্সিংয়ের সুদূরপ্রসারী ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানান। বৈঠকে সৈয়দ রিয়াদ হোসেন ফেন্সিং খেলাকে তৃণমূল থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির গৃহীত বিভিন্ন মেয়াদি পরিকল্পনা সম্পর্কে রাষ্ট্রদূতকে বিস্তারিত অবহিত করেন।  বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে খেলাধুলার আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ও প্রবাসী ক্রীড়ানুরাগীদের সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা হয়। ‎ আরটিভি/এসআর  
বাহরাইনে বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ফেন্সিং ফেডারেশনের প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন
যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। হাইকমিশনের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত, বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ এবং জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এরপর দিবসটির তাৎপর্যের ওপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী, মালয়েশিয়া বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার বাদলুর রহমান খান, মালয়েশিয়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন এবং সিনিয়র সহসভাপতি  মাহবুব আলম শাহ। বক্তারা বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং দিনটিকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন। বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ভূমিকা স্মরণ করেন এবং  পরবর্তী সময়ে তাঁর নেতৃত্ব বাংলাদেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রযাত্রায় বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন । হাইকমিশনার তার বক্তব্যে বাংলাদেশের ইতিহাস ও জাতীয় জীবনে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রযাত্রা, বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, মুক্তবাজার অর্থনীতির প্রসার, তৈরি পোশাকশিল্পের ভিত্তি স্থাপন, বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং কৃষি বিপ্লব ও খাল খনন কর্মসূচির ওপর আলোকপাত করেন । আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তী সময়ে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, মালয়েশিয়া বিএনপির নেতাকর্মী, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।  ‎ আরটিভি/এসআর  
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন
আরও পড়ুন
রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালন
৭ নভেম্বর বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি রচিত হয়
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ইবি ইউট্যাবের শ্রদ্ধা নিবেদন
৭ নভেম্বরের চেতনা স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার মূল প্রেরণা: মীর হেলাল