ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

কুরবানির গোশতে বিয়ের অতিথি খাওয়ানো যাবে কি?

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ০৮:২৬ পিএম
প্রতীকী ছবি

ঈদুল আজহায় পশু কোরবানি করা মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ইবাদত। এটি নিছক কোনো সামাজিক রীতি নয়; বরং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে এক অনন্য আত্মত্যাগের প্রতীক। সমাজে একটি প্রশ্ন প্রায়ই শোনা যায়— কুরবানির গোশত দিয়ে কি বিয়ের মেহমানদারি করা যাবে? আবার অনেকে কুরবানির পশু কেনার সময় বলেন— ‘বড় গরু কিনতে হবে, সামনে অনুষ্ঠান আছে।’

এ অবস্থায় জানা জরুরি— ইসলাম কি এ ধরনের আয়োজনকে বৈধ বলেছে? কুরবানির গোশত দিয়ে বিয়ে বা অন্য অনুষ্ঠানে দাওয়াত খাওয়ানো জায়েজ কি না? আর অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে কুরবানি করলে তার বিধান কি?

কুরবানির গোশত দিয়ে বিয়ের দাওয়াত খাওয়ানো কি জায়েজ?

কুরবানি শুধু মহান আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির জন্য আদায় করতে হয়। তবে, কুরবানি সম্পন্ন হওয়ার পর সেই গোশত দিয়ে বিয়েসহ মুসলমানদের যেকোনো বৈধ অনুষ্ঠানে মেহমান আপ্যায়ন করা সম্পূর্ণ জায়েজ। এতে কুরবানির কোনো ক্ষতি হয় না।

তবে এখানে গুরুত্বপূর্ণ একটি শর্ত রয়েছে— অনুষ্ঠান আয়োজনের উদ্দেশ্যে কুরবানি করা যাবে না। অর্থাৎ, যদি কেউ আল্লাহর সন্তুষ্টির পরিবর্তে বিয়ে, ভোজ বা সামাজিক মর্যাদা প্রদর্শনের নিয়তে কুরবানি করে, তাহলে সেই কুরবানি শরিয়তের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য হবে না।

কুরআনের ভাষায় কুরবানির আসল উদ্দেশ্য

মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেন—

لَن يَنَالَ اللَّهَ لُحُومُهَا وَلَا دِمَاؤُهَا وَلَٰكِن يَنَالُهُ التَّقْوَىٰ مِنكُمْ

‘আল্লাহর কাছে পৌঁছে না কুরবানির পশুর গোশত কিংবা রক্ত; বরং পৌঁছে তোমাদের তাকওয়া।’ (সুরা আল-হজ: আয়াত ৩৭)

আয়াতের পরবর্তী অংশে আল্লাহ তাআলা বলেন—

كَذَٰلِكَ سَخَّرَهَا لَكُمْ لِتُكَبِّرُوا اللَّهَ عَلَىٰ مَا هَدَاكُمْ ۗ وَبَشِّرِ الْمُحْسِنِينَ

‘এভাবেই তিনি এসব পশুকে তোমাদের অধীন করে দিয়েছেন, যাতে তোমরা আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা কর এজন্য যে, তিনি তোমাদের হেদায়াত দিয়েছেন। আর সৎকর্মপরায়ণদের সুসংবাদ দিন।’ (সুরা আল-হজ: আয়াত ৩৭)

এই আয়াত স্পষ্ট করে দেয়, কুরবানির মূল বিষয় হলো— আন্তরিকতা, তাকওয়া ও আল্লাহর সন্তুষ্টি।

কুরবানির গোশত খাওয়া ও অন্যকে খাওয়ানোর বিধান

আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কুরবানি করা পশুর গোশত নিজে খাওয়া যেমন বৈধ, তেমনি আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী, বন্ধু-বান্ধব কিংবা মেহমানদের দাওয়াত করেও খাওয়ানো যাবে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন—

فَكُلُوا مِنْهَا وَأَطْعِمُوا الْبَائِسَ الْفَقِيرَ

‘তোমরা তা থেকে খাও এবং অভাবগ্রস্ত দরিদ্রদেরও খাওয়াও।’ (সুরা আল-হজ: আয়াত ২৮)

এ আয়াত থেকে বোঝা যায়, কুরবানির গোশত শুধু নিজের জন্য নয়; বরং অন্যকে খাওয়ানো ও সমাজে আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়াও এর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

অনুষ্ঠান উপলক্ষে কুরবানি করলে কি তা সহিহ হবে?

যদি কেউ বিয়ে, ওয়ালিমা, সামাজিক অনুষ্ঠান বা লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে কুরবানি করে, তাহলে তা শরিয়তের দৃষ্টিতে সহিহ হবে না। কারণ কুরবানি একটি ইবাদত, আর সব ইবাদতের ভিত্তি হলো নিয়ত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

إِنَّمَا الأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ، وَإِنَّمَا لِكُلِّ امْرِئٍ مَا نَوَى، فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى دُنْيَا يُصِيبُهَا أَوْ إِلَى امْرَأَةٍ يَنْكِحُهَا فَهِجْرَتُهُ إِلَى مَا هَاجَرَ إِلَيْهِ

‘নিশ্চয়ই সব আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। আর মানুষ তার নিয়্যাত অনুযায়ী প্রতিফল পাবে। তাই যার হিজরত হবে ইহকাল লাভের অথবা কোন নারীকে বিবাহ করার উদ্দেশে- তবে তার হিজরত সে উদ্দেশেই হবে, যে জন্যে, সে হিজরত করেছে।’ (বুখারি ১)

অতএব, কুরবানির নিয়ত হতে হবে একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।

হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর কুরবানি আমাদের কী শিক্ষা দেয়?

হজরত ইবরাহিম (আ.) আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের প্রাণপ্রিয় পুত্র হজরত ইসমাইলকে (আ.) কুরবানি করতে প্রস্তুত হয়েছিলেন। সেই আত্মত্যাগ ও আনুগত্যের স্মৃতিই আজকের কুরবানি। পবিত্র কুরআনে এসেছে—

قُلْ إِنَّ صَلَاتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ۝ لَا شَرِيكَ لَهُ

‘বলুন, নিশ্চয়ই আমার নামাজ, আমার কুরবানি, আমার জীবন ও আমার মৃত্যু— সবই আল্লাহর জন্য, যিনি বিশ্বজগতের প্রতিপালক। তার কোনো শরিক নেই।’ (সুরা আল-আনআম: আয়াত ১৬২-১৬৩)

এই আয়াত একজন মুমিনকে শেখায়— ইবাদতের প্রতিটি কাজ হতে হবে নিখাদভাবে আল্লাহর জন্য।

মনে রাখবেন

কুরবানির গোশত দিয়ে বিয়ে, ওয়ালিমা কিংবা যে কোনো বৈধ অনুষ্ঠানে মেহমানদারি করা জায়েজ। কিন্তু অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বা লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে কুরবানি করা বৈধ নয়। কুরবানির প্রকৃত সৌন্দর্য তখনই ফুটে ওঠে, যখন এর মাধ্যমে গরিব-অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটে, আত্মীয়তার বন্ধন দৃঢ় হয় এবং মানুষের অন্তরে আল্লাহভীতি বৃদ্ধি পায়।

কুরবানি কেবল পশু জবাইয়ের নাম নয়; এটি ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসার শিক্ষা। তাই কুরবানির প্রতিটি কাজে নিয়তের বিশুদ্ধতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যেন কুরবানিকে সামাজিক প্রতিযোগিতা বা আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে এর প্রকৃত শিক্ষা হৃদয়ে ধারণ করি। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে একমাত্র তার সন্তুষ্টির জন্য কুরবানি আদায় করার তৌফিক দান করুন, গরিব-অসহায়দের হক আদায় করার তৌফিক দিন এবং কুরবানির মাধ্যমে তাঁর নৈকট্য লাভের সৌভাগ্য দান করুন। আমিন।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বাংলাদেশে আসছেন মাওলানা হানিফ জালান্ধরি
রাজধানীর দক্ষিণখান কেন্দ্রীয় কবরস্থান সংলগ্ন মধুবাগে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এক বৃহৎ ‘ঈসালে সওয়াব মাহফিল’। আগামী ২২ নভেম্বর (রোববার) এই মাহফিলে প্রধান আলোচক হিসেবে বয়ান করবেন পাকিস্তানের বিখ্যাত আলেম মাওলানা মুহাম্মদ হানিফ জালান্ধরি। মাহফিল পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার দক্ষিণখান কেন্দ্রীয় কবরস্থান (ওয়ার্ড-৪৮, মধুবাগ, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০) প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী এই মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।  উক্ত অনুষ্ঠানে মাগরিব নামাজের পর প্রধান আলোচক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান করবেন মাওলানা কারি মুহাম্মদ হানিফ জালান্ধরি। এছাড়া মাহফিলে বিশেষ আলোচক হিসেবে বাদ আছর বয়ান করবেন জাগ্রত কবি মাওলানা মুহিব খান। সকাল ১০টা থেকেই দেশবরেণ্য ওলামায়ে কেরামের দ্বীনি আলোচনা শুরু হবে।    আয়োজকদের পক্ষ থেকে মুফতি বখতিয়ার হোসাইন সরদার সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মাহফিলে উপস্থিত হয়ে আখিরাতের সওয়াব হাসিল এবং মৃত স্বজনদের ঈসালে সওয়াবের উদ্দেশে কুরআন শরিফ ও কালিমার খতম পাঠ করে দোয়ায় অংশ নেয়ার আহ্বান জানান।  আরটিভি/এসআর  
বাংলাদেশে আসছেন মাওলানা হানিফ জালান্ধরি
আজকের নামাজের সময়সূচি
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ-
আজকের নামাজের সময়সূচি
রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গবেষণা সংস্থাগুলোর হিসাব-নিকাশ অনুযায়ী ২০২৭ সালের পবিত্র রমজান মাস শুরু এবং ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য সময়সূচির তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে (Astronomical calculations Ramadan start date 2027)। 
রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
আজকের নামাজের সময়সূচি
সোমবার (২ নভেম্বর) ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ- 
আজকের নামাজের সময়সূচি
বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি আরব
সৌদি আরবে ২০২৬ সালের হজ মৌসুমে ৩৪০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের কথা উল্লেখ করে আটকে রাখা ৩০ লাখ ৯১ হাজার ২৪৩ সৌদি রিয়াল ফেরত পেয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১০ কোটি ২৩ লাখ টাকা। রোববার (১ নভেম্বর) হজযাত্রীদের ইন্স্যুরেন্স-বহির্ভূত চিকিৎসা ব্যয় থেকে সৌদি সরকারের অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়ে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ। সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী বলেন, পবিত্র হজযাত্রীদের আর্থিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ ও আনন্দের সংবাদ আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি। ২০২৬ সালের হজ মৌসুমে ৩৪০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর ইন্স্যুরেন্স কাভারেজের বাইরে চিকিৎসা ব্যয়ের কথা উল্লেখ করে সৌদি কর্তৃপক্ষ যে অর্থ কেটে রেখেছিল, তা সফলভাবে ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, হজযাত্রীদের আর্থিক স্বার্থ রক্ষা এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে এটি একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। ফেরত পাওয়া ৩০ লাখ ৯১ হাজার ২৪৩ সৌদি রিয়াল বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ১০ কোটি ২৩ লাখ টাকা। সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী বলেন, পবিত্র হজযাত্রীদের আর্থিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ ও আনন্দের সংবাদ আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি। ২০২৬ সালের হজ মৌসুমে ৩৪০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর ইন্স্যুরেন্স কাভারেজের বাইরে চিকিৎসা ব্যয়ের কথা উল্লেখ করে সৌদি কর্তৃপক্ষ যে অর্থ কেটে রেখেছিল, তা সফলভাবে ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, হজযাত্রীদের আর্থিক স্বার্থ রক্ষা এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে এটি একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। ফেরত পাওয়া ৩০ লাখ ৯১ হাজার ২৪৩ সৌদি রিয়াল বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ১০ কোটি ২৩ লাখ টাকা। ২০২৬ সালের হজ মৌসুমে মোট ৩৪০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সৌদি কর্তৃপক্ষ সর্বমোট ৩০ লাখ ৯১ হাজার ২৪৩ সৌদি রিয়াল কেটে সংরক্ষণ করেছিল। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়া ৩১০ জন হজযাত্রীর বিপরীতে ২৯ লাখ ৭৬ হাজার ১৫১ সৌদি রিয়াল এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাওয়া ৩০ জন হজযাত্রীর বিপরীতে ১ লাখ ১৫ হাজার ৯২ সৌদি রিয়াল কেটে রাখা হয়েছিল। বিষয়টি জানার পর ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ হজ অফিস, জেদ্দা অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ শুরু করে। সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ, তথ্য যাচাই, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন এবং গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে অর্থ ফেরত পাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয় বলেও জানান শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন। ধর্মমন্ত্রী বলেন, পূর্ববর্তী হজ মৌসুমগুলোতে এ ধরনের অর্থ কর্তনের কোনো নজির ছিল না। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে যথাযথ তথ্য ও যুক্তিসহ তুলে ধরা হয়। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ হজ অফিস, জেদ্দার আন্তরিক প্রচেষ্টা, দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কূটনৈতিক সমন্বয় ও পারস্পরিক সহযোগিতার ফলে শেষ পর্যন্ত এই অর্থ ফেরত পাওয়া সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, গত ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশ হজ অফিস, জেদ্দার নুসুক সিস্টেমে সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত জমা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, হজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে ২০২৬ সালের পবিত্র হজের উদ্বৃত্ত অর্থ থেকে ৪ হাজার ৩৪১ জন হজযাত্রীকে মোট ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। আরটিভি/টিআর
বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি আরব
আরও পড়ুন
ক্যালিফোর্নিয়ার ছুটির তালিকায় ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা
যে কাজ করলে ‍৪০ দিন নামাজ কবুল হয় না
ইবাদতে মশগুল থেকে দিনটি পালনের পরামর্শ
ঈদের ছুটিতে প্রতিদিন দেড় লাখ যাত্রী পরিবহন করেছে মেট্রোরেল