ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

পা দিয়ে জায়নামাজ সোজা করলে কি গুনাহ হয়, জেনে নিন ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৪৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

আল্লাহ ও তার রাসুল (সা.) এর প্রতি ঈমান আনার পর ইসলামে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো নামাজ। প্রাপ্তবয়স্ক প্রত্যেক মুসলমানের ওপর দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে যথাযথভাবে নামাজ আদায়ের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, তোমরা ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো। আর নিশ্চয় তা বিনয়ীরা ছাড়া অন্যদের ওপর কঠিন। (সুরা আল-বাকারা: ৪৫)

অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, তোমরা নামাজ কায়েম করো, জাকাত আদায় করো এবং রুকুকারীদের সঙ্গে রুকু করো। (সুরা আল-বাকারা: ৪৩)

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি বিষয়ের ওপর প্রতিষ্ঠিত আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর রাসুল এ সাক্ষ্য দেওয়া, নামাজ কায়েম করা, জাকাত আদায় করা, হজ পালন করা এবং রমজানের রোজা রাখা। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৮)

এ ছাড়া কেয়ামতের দিন সর্বপ্রথম নামাজের হিসাব নেওয়া হবে বলেও হাদিসে উল্লেখ রয়েছে, যা ইসলামে নামাজের গুরুত্বকে আরও স্পষ্ট করে।

পা দিয়ে জায়নামাজ সোজা করলে কি গুনাহ হবে?

নামাজের আগে অনেকেই পা দিয়ে জায়নামাজ বা নামাজের বিছানা সোজা করে নেন। এ নিয়ে অনেকের মধ্যে ধারণা রয়েছে যে, পা দিয়ে জায়নামাজ ঠিক করলে গুনাহ হয়। তবে ইসলামী শরিয়তে এমন কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।

আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, জায়নামাজ মূলত একটি কাপড় বা কার্পেটের টুকরা। এটি শুধু হাত দিয়েই সোজা করতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা ইসলামে নেই। তাই পা দিয়ে জায়নামাজ সোজা করা বা মেলে নেওয়ায় গুনাহ হয় না।

তবে যদি জায়নামাজে কাবা শরিফ, মসজিদ বা ইসলামের কোনো পবিত্র প্রতীক অঙ্কিত থাকে, তাহলে সম্মান প্রদর্শনের স্বার্থে পা দিয়ে সেটি নাড়াচাড়া না করাই উত্তম।

ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে পা দিয়ে জায়নামাজ সোজা করলে গুনাহ হয় না। তবে ধর্মীয় প্রতীক বা পবিত্র চিত্রযুক্ত জায়নামাজের ক্ষেত্রে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা উচিত। ইসলামে মূল বিষয় হলো আল্লাহর প্রতি আন্তরিকতা, নামাজে একাগ্রতা এবং ইবাদতের আদব রক্ষা করা।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্ত্রীকে ‘বোন’ বা স্বামীকে ‘ভাই’ ডাকলে কি বিয়ে ভেঙে যায়?
স্বামী স্ত্রীকে ‘বোন’ কিংবা স্ত্রী স্বামীকে ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করলে কি বৈবাহিক সম্পর্কের অবসান ঘটে? এমন প্রশ্ন অনেকের মনেই রয়েছে।
স্ত্রীকে ‘বোন’ বা স্বামীকে ‘ভাই’ ডাকলে কি বিয়ে ভেঙে যায়?
আজকের নামাজের সময়সূচি
ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম একটি হলো নামাজ। পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে এটি দ্বিতীয়। সে কারণে নামাজ নির্দিষ্ট সময়ে আদায় করা জরুরি।
আজকের নামাজের সময়সূচি
কন্যাসন্তান নিয়ে কোরআন যা বলেছে
কন্যাসন্তানের জন্মকে অপমান নয়, সুসংবাদ হিসেবে উল্লেখ করেছে কোরআন। মেয়ের প্রতি অবহেলা, উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করা এবং বিয়েতে মতামত উপেক্ষা করার বিষয়ে রয়েছে ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশনা।
কন্যাসন্তান নিয়ে কোরআন যা বলেছে
যেভাবে এলো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ
কালেমার পর ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ হলো নামাজ। নামাজ আদায়ের ব্যাপারে পবিত্র কোরআনে ৮২ বার বলা হয়েছে। তাই দৈনিক  পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ওয়াক্তমতো আদায় করা প্রাপ্তবয়স্ক, বুদ্ধি-জ্ঞানসম্পন্ন নারী ও পুরুষের ফরজ করা হয়েছে। কিন্তু পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কীভাবে এলো সে বিষয়ে জানবো।
যেভাবে এলো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ
মানুষের চোখে ছোট, আল্লাহর কাছে বড় ৭ আমল
মানুষের চোখে সাধারণ মনে হলেও আল্লাহর কাছে মূল্যবান হতে পারে ছোট ছোট কিছু নেক আমল। হাসিমুখে কথা বলা, রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে দেওয়া কিংবা গোপনে কারও জন্য দোয়া করার মতো কাজও হতে পারে সওয়াব অর্জনের মাধ্যম।
মানুষের চোখে ছোট, আল্লাহর কাছে বড় ৭ আমল
আরও পড়ুন
কুমিল্লায় জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর
নিরাপদ অভিবাসন ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
শিক্ষার্থী ও তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
১৪ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্রে চরমোনাই পীর