ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

জুমার দিনে বেশি দরুদ পড়লে মিলবে বিশেষ রহমত

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৪৯ এএম
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর দরুদ পড়া ইসলামের অন্যতম ইবাদত । ছবি: সংগৃহীত

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর দরুদ পাঠ করা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। মহান আল্লাহ তাআলা নিজে নবীজি (সা.)-এর প্রতি রহমত ও প্রশংসা করেন এবং ফেরেশতারাও তাঁর জন্য বরকতের দোয়া করেন। তাই মুমিনদেরও নবীজি (সা.)-এর ওপর বেশি বেশি দরুদ ও সালাম পাঠের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাআলা বলেন—

إِنَّ اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ ۚ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا

অর্থ: “নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর প্রতি দরুদ পাঠ করেন। হে মুমিনগণ, তোমরাও তাঁর প্রতি দরুদ পাঠ করো এবং যথাযথভাবে সালাম পাঠ করো।”
(সুরা আল-আহজাব, আয়াত: ৫৬)

হাদিসে দরুদ পাঠের বড় ফজিলতের কথা এসেছে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি তাঁর ওপর একবার দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ তাআলা তার ওপর ১০টি রহমত বর্ষণ করবেন।
(সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ৪৮৫)

আরও পড়ুন

তবে জুমার দিনে দরুদ পাঠের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আওস ইবন আওস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, জুমার দিন মানুষের দিনগুলোর মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ দিন। তাই এ দিনে তাঁর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করতে বলেছেন তিনি। কারণ, মুমিনদের পাঠ করা দরুদ রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে পেশ করা হয়।

সাহাবিরা প্রশ্ন করেছিলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ইন্তেকালের পর কীভাবে দরুদ তাঁর কাছে পৌঁছাবে? উত্তরে তিনি বলেন, মহান আল্লাহ তাআলা মাটির জন্য নবী-রাসুলদের দেহ ভক্ষণ করা হারাম করেছেন।
(সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১০৪৭)

অন্য এক হাদিসে আনাস ইবন মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, জুমার দিন ও জুমার রাতে তাঁর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করতে। কারণ, যে ব্যক্তি একবার দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার ওপর ১০টি রহমত নাজিল করবেন।
(সহিহুল জামে, হাদিস: ১২০৯)

তাই জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ আমলের মধ্যে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ। মুমিনরা এ দিন নামাজ, দোয়া ও অন্যান্য ইবাদতের পাশাপাশি বেশি বেশি দরুদ পাঠ করে আল্লাহর রহমত লাভের চেষ্টা করতে পারেন।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্ত্রীকে ‘বোন’ বা স্বামীকে ‘ভাই’ ডাকলে কি বিয়ে ভেঙে যায়?
স্বামী স্ত্রীকে ‘বোন’ কিংবা স্ত্রী স্বামীকে ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করলে কি বৈবাহিক সম্পর্কের অবসান ঘটে? এমন প্রশ্ন অনেকের মনেই রয়েছে।
স্ত্রীকে ‘বোন’ বা স্বামীকে ‘ভাই’ ডাকলে কি বিয়ে ভেঙে যায়?
আজকের নামাজের সময়সূচি
ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম একটি হলো নামাজ। পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে এটি দ্বিতীয়। সে কারণে নামাজ নির্দিষ্ট সময়ে আদায় করা জরুরি।
আজকের নামাজের সময়সূচি
কন্যাসন্তান নিয়ে কোরআন যা বলেছে
কন্যাসন্তানের জন্মকে অপমান নয়, সুসংবাদ হিসেবে উল্লেখ করেছে কোরআন। মেয়ের প্রতি অবহেলা, উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করা এবং বিয়েতে মতামত উপেক্ষা করার বিষয়ে রয়েছে ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশনা।
কন্যাসন্তান নিয়ে কোরআন যা বলেছে
যেভাবে এলো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ
কালেমার পর ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ হলো নামাজ। নামাজ আদায়ের ব্যাপারে পবিত্র কোরআনে ৮২ বার বলা হয়েছে। তাই দৈনিক  পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ওয়াক্তমতো আদায় করা প্রাপ্তবয়স্ক, বুদ্ধি-জ্ঞানসম্পন্ন নারী ও পুরুষের ফরজ করা হয়েছে। কিন্তু পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কীভাবে এলো সে বিষয়ে জানবো।
যেভাবে এলো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ
মানুষের চোখে ছোট, আল্লাহর কাছে বড় ৭ আমল
মানুষের চোখে সাধারণ মনে হলেও আল্লাহর কাছে মূল্যবান হতে পারে ছোট ছোট কিছু নেক আমল। হাসিমুখে কথা বলা, রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে দেওয়া কিংবা গোপনে কারও জন্য দোয়া করার মতো কাজও হতে পারে সওয়াব অর্জনের মাধ্যম।
মানুষের চোখে ছোট, আল্লাহর কাছে বড় ৭ আমল
আরও পড়ুন
জুমার দিনে বেশি বেশি দরুদ পাঠে মিলবে অশেষ রহমত
জুমার দিনে দোয়া কবুলের আসল সময় কখন?