
সামাজিক বাধা ও পারিবারিক জটিলতা দূর হওয়ার পাশাপাশি উপযুক্ত জীবনসঙ্গী পাওয়ার আশায় আল্লাহর কাছে দোয়া করতে পারেন মুসলিম নারী-পুরুষ। বিয়েতে দেরি হলে ধৈর্য ধারণ, আল্লাহর ওপর ভরসা এবং বৈধ উপায়ে জীবনসঙ্গী খোঁজার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
অনেক তরুণ-তরুণী পছন্দমতো জীবনসঙ্গী না পাওয়া, পারিবারিক জটিলতা কিংবা নানা সামাজিক কারণে সময়মতো বিয়ে করতে পারেন না। এতে কেউ কেউ মানসিক দুশ্চিন্তা ও হতাশায় ভোগেন। এমন পরিস্থিতিতে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়ার পাশাপাশি বাস্তবসম্মত উদ্যোগ নেওয়াও জরুরি।
পবিত্র কোরআনে একটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া রয়েছে, যেখানে স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততিকে চোখের প্রশান্তি হিসেবে পাওয়ার এবং মুত্তাকিদের আদর্শ হওয়ার প্রার্থনা করা হয়েছে।
দোয়াটি হলো, উচ্চারণ: রব্বানা হাব লানা মিন আজওয়াজিনা ওয়া জুররিয়্যাতিনা কুররাতা আ‘ইউন, ওয়া জাআলনা লিল মুত্তাকিনা ইমামা।
অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদের স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততিকে আমাদের চোখের প্রশান্তি দান করুন এবং আমাদের মুত্তাকিদের জন্য আদর্শ বানিয়ে দিন।(সুরা ফুরকান: ৭৪)
এই আয়াতে মূলত পরিবারকে চোখের প্রশান্তি হিসেবে পাওয়ার এবং আল্লাহভীরু মানুষের আদর্শ হওয়ার প্রার্থনা করা হয়েছে। তাই উত্তম জীবনসঙ্গী ও কল্যাণময় পরিবার লাভের আশায় দোয়াটি পড়া যেতে পারে।
এ ছাড়া প্রয়োজনের সময় নফল নামাজ আদায় করে আল্লাহর কাছে নিজের প্রয়োজনের কথা তুলে ধরা যেতে পারে। তবে নির্দিষ্ট কোনো দোয়া পড়লেই দ্রুত বিয়ে হবে এমন নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না। দোয়ার পাশাপাশি পরিবার ও বিশ্বস্ত ব্যক্তিদের সহযোগিতা নেওয়া, উপযুক্ত জীবনসঙ্গী খোঁজা এবং ইসলামের বিধান মেনে চলা গুরুত্বপূর্ণ।
আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে ধৈর্য ধারণ এবং আন্তরিকভাবে দোয়া করার মাধ্যমে একজন মানুষ নিজের কাঙ্ক্ষিত কল্যাণের জন্য প্রার্থনা করতে পারেন।
আরটিভি/এসকে


