ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

সিটিজেনশিপের শর্ত শিথিল, ৩ বছরে ১০ লাখ শ্রমিক নেবে কানাডা

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি ২০১৯, ০৯:৪০ এএম

আগের তুলনায় অনেক সহজ করা হয়েছে কানাডায় স্থায়ীভাবে বসবাসের প্রক্রিয়া। ২০২০ সাল পর্যন্ত ৩ বছরে ১০ লাখ দক্ষ শ্রমিক নেবে দেশটি। এতে সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস, কাজ করার অনুমতি ও নাগরিকত্ব পাবেন তারা। সম্প্রতি কানাডার ইমিগ্রেশন মন্ত্রী আহমেদ হুসেন এসব তথ্য জানিয়েছেন।

হাই স্কিল্ড, ফ্যামিলি মাইগ্রেশন, ট্রেড স্কিল্ডসহ অন্যান্য ক্যাটাগরিতে ৬০ ধরণের প্রোগ্রামের আওতায় এই সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। সিআরএস (Comprehensive Ranking System) পয়েন্টের নিম্নমুখী স্কোরের প্রবণতা দেখে ধারণা করা হচ্ছে, চলতি বছর সবচেয়ে কম পয়েন্ট দিয়েও কানাডায় আবেদনের সুযোগ পাওয়া যাবে।

২০১৮, ২০১৯ ও ২০২০ সালে অর্থাৎ তিন বছরে কানাডার বিভিন্ন প্রদেশে পর্যায়ক্রমে ১০ লাখের বেশি পেশাজীবী বিভিন্ন খাতে নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেশটির সরকার। ২০১৭ সালে ২ লাখ ৮৬ হাজার অভিবাসীকে স্থায়ীভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে তারা।

এজন্য পৃথিবীর অন্য দেশের মতো বাংলাদেশের অভিজ্ঞ পেশাজীবীরাও ১০ পদের যেকোনও এক পদে আবেদন করতে পারবেন। সাধারণত এক্সপ্রেস এন্ট্রি ও পিএনপি এই দুই ধরনের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে বেশি আবেদন করা হয়।

যে ১০ পদে আবেদনের মাধ্যমে দ্রুত যাওয়া যাবে সেগুলো হলো- সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ, অ্যাকাউন্ট্যান্ট, ইঞ্জিনিয়ারিং প্রজেক্ট ম্যানেজার, বিজনেস এনালিস্ট, কাস্টমার সার্ভিস রিপ্রেজেন্টেটিভ, আইটি প্রজেক্ট ম্যানেজার, সিনিয়র অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ও ম্যানুফ্যাকচারিংয়ে দক্ষ। এছাড়া অন্যান্য দক্ষ পেশাজীবীরাও আবেদন করতে পারবেন।

এ ব্যাপারে কানাডায় নাগরিকত্ব পাবার প্রয়োজনীয় যোগ্যতা নিজের আছে কীনা তা জানতে বিজ্ঞ আইনজীবীদের পরামর্শ নেয়া যেতে পারে।

উল্লেখ্য, কানাডা সবসময়ই ‘আগে আসলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে অভিবাসন কার্যক্রম পরিচালনা করে। বিল সি-৬ (Bill C-6) অনুযায়ী কানাডার সিটিজেনশিপের আবেদন করতে ৫ বছরের মধ্যে অন্তত ৩ বছর বসবাস করতে হবে। এর আগে ছিল ৬ বছরের মধ্যে ৪ বছর। এছাড়া কানাডায় যারা অস্থায়ী মর্যাদায় তথা ওয়ার্ক অথবা স্টাডি পারমিটে ছিলেন, তারাও তাদের কানাডায় বসবাসের সময়টুকু ৩ বছর মেয়াদের একটি অংশ হিসেবে গণনা করতে সক্ষম হবেন।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, কানাডায় অভিবাসনের আবেদন করতে সাধারণত একটি পূর্ণাঙ্গ বায়োডাটা, পরিবারের তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে ডিপ্লোমা বা ডিগ্রি পাস , আইইএলটিএস, ইসিএ সার্টিফিকেট, কমপক্ষে দুই বছরের চাকুরীর অভিজ্ঞতার প্রমাণপত্র, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, মেডিকেল রিপোর্ট, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ইত্যাদি লাগে।

অনলাইনেই আবেদন করা যায়। তবে জব অফার ছাড়া আবেদন করে লাভ নেই। আবেদনের জন্য যোগ্য কীনা-তা নিরূপণ করার পরই প্রোফাইল তৈরি করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করে লটারি ড্র-এর জন্য অপেক্ষা করতে হয়। তবে সবকিছুর আগে চাকরির অফারের প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ কানাডায় পদার্পণের পরই যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি পাবেন-এমন নিশ্চয়তা থাকতে হবে।

কানাডায় ইমিগ্রেশন সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে আগ্রহী যে কেউ যোগাযোগ করতে পারেন আন্তর্জাতিক অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদের সাথে।

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, মূলত যেকোনও ডিপ্লোমাধারী অথবা ডিগ্রি পাসধারী দক্ষ ও অভিজ্ঞ পেশাজীবীরা সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেন। বাংলাদেশিরা যদি প্রথম থেকেই দ্রুত ও দক্ষতার সাথে ফাইল প্রসেস করে, তবে স্বল্প সময়ে এই ভিসা পাওয়া নিশ্চিত।

কানাডার অভিবাসন আইন নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ অ্যাডভোকেট শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদের। তিনি বলেন, প্রকৃতপক্ষে যারা যোগ্যতা রাখেন, তাদের আর দেরি করা ঠিক হবে না। সেইসঙ্গে অযোগ্য ব্যক্তিরা যেন অযথা আবেদন করে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট না করেন সেই অনুরোধও করেন এই আইনজীবী।

এ বিষয়ে ফ্রি অ্যাসেসমেন্টের জন্য আগ্রহীরা ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত পাঠানো যাবে [email protected] ই-মেইল ঠিকানায়। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করা যাবে www.wwbmc.com ওয়েবসাইটে।

ডি/

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখল বাংলাদেশ
১৭২ বছর পর আবার আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) সকালে ৯টা ৪ মিনিটে ঢাকা থেকে বছরের শেষ বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখল বাংলাদেশ। বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন ‘রিং অব ফায়ার’। বছরের শেষ সূর্যগ্রহণ সকাল ৯টা ৪ মিনিট থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১২টা ৬ মিনিটে পর্যন্ত আড়াই ঘণ্টা ধরে চলে। বিশ্ববাসীরা এমন এক সূর্যগ্রহণ শেষবার মানুষ দেখেছিল ১৭২ বছর আগে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঢাকার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ আংশিক দেখা গেলেও ভারতের দক্ষিণাংশ ছাড়াও শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, সৌদি আরব, ইউএই, ওমান থেকেও এই সূর্যগ্রহণ দেখা যাওয়ার কথা রয়েছে।  মহাকাশ বিজ্ঞানীরা জানান, আড়াই ঘণ্টা ধরে চলা এ মহাজাগতিক দৃশ্যকে খালি চোখে সূর্যের দিকে তাকাতে নিষেধ করেছিলেন। যা স্বাস্থ্যের ভালো নয়।  জ্যোতির্বিজ্ঞানী এফ আর সরকার বলেছেন, ২০২০ সালের ২১ জুন আবার এ ধরনের সূর্যগ্রহণ হবে। প্রতিবছর না হলে এক বছর পর পর এই গ্রহণ হয়। তবে সূর্যগ্রহণ দেখার ক্ষেত্রে সরাসরি খালি চোখে না তাকানোর পরামর্শ দেন তিনি। এদিকে এই সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করতে ক্যাম্পের আয়োজন করেছে আগারগাঁওয়ের জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর কর্তৃপক্ষ।  বাংলাদেশ বিজ্ঞান জাদুঘরের মহাপরিচালক মুনীর চৌধুরী বলেন, সূর্য পৃথিবীর সব শক্তির আঁধার। সূর্যগ্রহণের সময় সূর্য ও পৃথিবীর মাঝামাঝি চলে আসে চাঁদ। যে কারণে সূর্য ঢেকে যায়। এটি একটি বিরল ঘটনা। সূর্যগ্রহণের সময় বিভিন্ন কুসংস্কার সম্বন্ধে তিনি বলেন, সূর্যগ্রহণের সময় কিছু খাওয়া যাবেনাসহ আরও অনেক কুসংস্কার আমাদের সমাজে প্রচলিত রয়েছে। এসব কুসংস্কারের কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তবে সূর্যগ্রহণের সময় খালি চোখে সূর্য দেখা যাবে না, এটাই সবচেয়ে বড় কথা। বিজ্ঞান জাদুঘর বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ ক্যাম্পের আয়োজন করেছে। টেলিস্কোপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করতে দেখা যায়। এস/এসএস
বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখল বাংলাদেশ
অধ্যাপক অজয় রায়ের মরদেহ দেওয়া হবে বারডেমে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক অজয় রায়ের শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তার মরদেহ গবেষণার জন্য রাজধানীর বারডেম হাসপাতালকে দান করা হবে। অজয় রায়ের ছোট ছেলে অনুজিৎ রায় বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বাবার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী, চিকিৎসাবিজ্ঞানে গবেষণার জন্য তার মরদেহ বারডেম হাসপাতালে দান করা হবে। আনুষ্ঠানিকতা শেষে মঙ্গলবার বিকেলে মরদেহটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে। রাজধানীর বারডেম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দুপুরে মারা যান অজয় রায়। শিক্ষা আন্দোলনের অগ্রপথিক অজয় রায়ের বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। জ্বর, শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন অসুস্থতায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৫ নভেম্বর বারডেম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। অধ্যাপক অজয় রায়ের জন্ম ১৯৩৫ সালের ১ মার্চ দিনাজপুরে। ১৯৫৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসসি পাস করে যোগ দেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে। এরপর কলেজের চাকরি বাদ দিয়ে ১৯৫৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যা বিভাগে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডের লিডস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৬৭ সালে সেখানেই করেন পোস্ট ডক্টরেট। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে তিনি পালিয়ে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানেও তিনি ছিলেন সামনের কাতারে। ২০০০ সালে অবসর নেওয়ার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েই ইউজিসি অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তার দুটি গবেষণা প্রবন্ধ নোবেল কমিটিতে ব্যাপক আলোচিত হয়। পদার্থবিজ্ঞানে অধ্যাপক অজয় রায় ২০১২ সালে একুশে পদক পান। দেশি-বিদেশি বহু জার্নালে তার নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। স্বাধীনতার পর তিনি বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির জেনারেল সেক্রেটারি, সম্প্র্রীতি মঞ্চের সভাপতি, বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট, এশিয়াটিক সোসাইটির বিজ্ঞান বিভাগের সম্পাদক, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যের দায়িত্ব পালন করেন। অজয় রায়ের বড় ছেলে বিজ্ঞান লেখক অভিজিৎ রায়কে ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি কুপিয়ে হত্যা করে উগ্রবাদীরা। অমর একুশে গ্রন্থমেলা থেকে ফেরার পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সামনে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। সেদিন হামলার শিকার হয়ে হাতের আঙুল হারান অভিজিতের স্ত্রী ব্লগার রাফিদা আহমেদ বন্যাও। পি
অধ্যাপক অজয় রায়ের মরদেহ দেওয়া হবে বারডেমে
পেঁয়াজের বিকল্প মসলা আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের (ভিডিও)
সারা দেশে যখন পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধিতে মানুষের নাভিশ্বাস, তখন পেঁয়াজের বিকল্প হিসেবে চিভ নামের মসলার জাত চাষে সাফল্য পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। গাজীপুরের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটের মসলা গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা এ সাফল্য পান। সারা বছরই সহজে চাষ করার সুবিধা, উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় ইতোমধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে নতুন উদ্ভাবিত এই মসলা জাতীয় ফসল। দীর্ঘদিন গবেষণা শেষে নর্থ চায়না, সাইবেরিয়ান ও মঙ্গোলিয়া অঞ্চলের মসলাজাতীয় বহুবর্ষজীবী চিভ নিয়ে সাফল্য পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। বছরজুড়েই চাষ ও ফলনের উপযোগী বারি চিভ-১ নামের এই জাত ইতোমধ্যেই অবমুক্ত করেছেন তারা। গাজীপুরের কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা জানান, এর স্বাদ অনেকটা পেঁয়াজের মতো। তবে এটিতে পেঁয়াজের মতো গুটি বা দানা হয় না, এর পাতা ও কাঁচা ফুল মসলা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর চারা লাগানোর ৬৫-৭০ দিনের মধ্যে ফসল সংগ্রহ শুরু হয় বলেও জানান বিজ্ঞানীরা। খুবই সহজে ও তুলনামূলক কম খরচে এটি চাষাবাদের যোগ্য। একবার পাতা কেটে নিলে আবার গজায়। বাড়ির আঙিনায় বা টবেও চাষ করা যায়। দেশের সব অঞ্চলের উঁচু জায়গায় এটি চাষাবাদ সম্ভব বলে জানান প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক ড. আবুল কালাম আজাদ। চিভ বিভিন্ন রোগ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। বর্তমানে এই মসলাটি সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট। পি
পেঁয়াজের বিকল্প মসলা আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের (ভিডিও)
চট্টগ্রামের মৎস্য জাদুঘরে ৩২৫ প্রজাতির মাছ (ভিডিও)
মৎস্য জাদুঘর নামটা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে হরেকরকম মাছের ছবি। বিলুপ্ত প্রায় ৩২৫ প্রজাতির মৎস্য সংরক্ষণ করা হয়েছে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সায়েন্স ইউনিভার্সিটির ফিশারিজ মিউজিয়াম বা মৎস্য জাদুঘরে। যেখানে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত সংরক্ষিত মাছের নমুনা নিয়ে পড়াশুনা ও গবেষণার পাশাপাশি দর্শনার্থীরাও মাছের বিভিন্ন প্রজাতির সাথে পরিচিতি হতে পারেন। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় ফিশারিজ অনুষদের উদ্যোগে প্রায় আড়াই হাজার বর্গফুট জায়গার ওপর গড়ে তোলা হয়েছে ‘ফিশারিজ মিউজিয়াম’ বা মৎস্য জাদুঘর। কর্ণফুলী, হালদা, রাঙামাটির কাপ্তাই লেক, সিলেটের হাওরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার পুকুর, বিল ও নদী থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে দেশীয় প্রজাতির স্বাদু পানির ২০০ মাছ। এসব মাছের মধ্য কাজলি, রানি, গুতুম, খলিশা, ঢেলা, রিঠা, মধুপাবদা, ফলি, বাইম, মহাশোলের মতো বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির মাছ যেমন আছে, তেমনি রয়েছে রুই, কাতলা, মৃগেল ও ইলিশ মাছ।  তারা, ডেভিল রে, হাতুড়ি হাঙর, শাপলাপাতা, রেমুরাসহ দেড়শ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ ও দেড়শ প্রজাতির শোল সংগ্রহ করা হয়েছে এখানে। এছাড়াও জাদুঘরটিতে দেশের ঐতিহ্যবাহী মাছ ধরার যন্ত্রপাতি রাখা আছে যা হারিয়ে যেতে বসেছে। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন প্রফেসর এম নুরুল আবসার খান বলেন, ২০১৪ সালে দেশের স্বাদু পানি ও সামুদ্রিক সম্পদের অন্তর্ভুক্ত সকল জলজ প্রাণিকে সংরক্ষণ এবং শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীদের মাঝে পরিচিত করার লক্ষেই এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত করা হয়। প্রায় প্রতিদিনই সমৃদ্ধ হওয়া এই জাদুঘরটিতে পর্যায়ক্রমে ৪৭৫ প্রজাতির প্রতিটি মাছই সংগ্রহ করে রাখার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। পি
চট্টগ্রামের মৎস্য জাদুঘরে ৩২৫ প্রজাতির মাছ (ভিডিও)
বাংলাদেশের ডা. আরিফ হোসেন জাপানের সেরা তরুণ বিজ্ঞানী
বাংলাদেশের ডা. আরিফ হোসেন জাপানের সেরা তরুণ বিজ্ঞানী নির্বাচিত হয়েছেন। খবর ইউএনবির। প্রতিবছর জাপানের সেরা তরুণ বিজ্ঞানী নির্বাচন করে থাকে জাপানিজ সোসাইটি ফর ইনহেরিটেড মেটাবলিক ডিজিজেস (জেএসআইএমডি)। আরিফ হোসেন লাইসোসোমাল রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা উদ্ভাবনের জন্য চলতি বছর জাপানের সেরা তরুণ বিজ্ঞানী নির্বাচিত হন। গত ২৪ অক্টোবর এই ঘোষণা প্রদান করে সোসাইটি। জাপানের ৬১ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও বিদেশিকে এই পুরস্কারের জন্য নির্বাচন করা হলো। বাংলাদেশের এই বিজ্ঞানী পুরস্কার পাওয়ার পর গণমাধ্যমকে বলেন, আমি অনেক আনন্দিত। এটি আমার ও বাংলাদেশের জন্য একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা। --------------------------------------------------------------- আরো পড়ুন: স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফ্রিজের ইলিশ গেল জেলখানায়, গুনলেন জরিমানা --------------------------------------------------------------- জানা গেছে, আরিফ হোসেনের জন্ম গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর ভাটিয়াপাড়ার খুব সাধারণ পরিবারে। ১১ ভাইবোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট। তিনি গ্রামের স্কুলে এসএসসি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। এরপর ঢাকার মিরপুর বাঙ্গলা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। এখান থেকে প্রথমে এমবিবিএস পাস করে এখানকার শিশু বিভাগে পোস্ট গ্রাজুয়েশন করেন। পরে তিনি জাপানের ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি শিশু নিউরো-মেটাবলিক রোগে ক্লিনিক্যাল ফেলোশিপও করেন। আরিফ হোসেন নিউরো-মেটাবলিক রোগের ওপর উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে এই রোগের বিশেষজ্ঞ হিসেবে জাপানে সিনিয়র গবেষক হিসেবে কর্মরত আছেন। কে/এমকে
বাংলাদেশের ডা. আরিফ হোসেন জাপানের সেরা তরুণ বিজ্ঞানী
আরও পড়ুন
জ্বলন্ত উত্তর-পূর্ব ভারত ভ্রমণে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য-কানাডার সতর্কতা জারি
ফের কানাডার প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন জাস্টিন ট্রুডো
কানাডার নির্বাচনে লড়বেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আফরোজা
নিরাপদ অভিবাসনের উপায় না জানায় প্রতারিত হাজারো মানুষ (ভিডিও)