ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

অধ্যাপক অজয় রায়ের মরদেহ দেওয়া হবে বারডেমে

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, ১২:৪৭ পিএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক অজয় রায়ের শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তার মরদেহ গবেষণার জন্য রাজধানীর বারডেম হাসপাতালকে দান করা হবে।

অজয় রায়ের ছোট ছেলে অনুজিৎ রায় বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বাবার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী, চিকিৎসাবিজ্ঞানে গবেষণার জন্য তার মরদেহ বারডেম হাসপাতালে দান করা হবে। আনুষ্ঠানিকতা শেষে মঙ্গলবার বিকেলে মরদেহটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

রাজধানীর বারডেম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দুপুরে মারা যান অজয় রায়। শিক্ষা আন্দোলনের অগ্রপথিক অজয় রায়ের বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। জ্বর, শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন অসুস্থতায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৫ নভেম্বর বারডেম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি।

অধ্যাপক অজয় রায়ের জন্ম ১৯৩৫ সালের ১ মার্চ দিনাজপুরে। ১৯৫৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসসি পাস করে যোগ দেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে। এরপর কলেজের চাকরি বাদ দিয়ে ১৯৫৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যা বিভাগে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডের লিডস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৬৭ সালে সেখানেই করেন পোস্ট ডক্টরেট। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে তিনি পালিয়ে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানেও তিনি ছিলেন সামনের কাতারে। ২০০০ সালে অবসর নেওয়ার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েই ইউজিসি অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তার দুটি গবেষণা প্রবন্ধ নোবেল কমিটিতে ব্যাপক আলোচিত হয়।

পদার্থবিজ্ঞানে অধ্যাপক অজয় রায় ২০১২ সালে একুশে পদক পান। দেশি-বিদেশি বহু জার্নালে তার নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। স্বাধীনতার পর তিনি বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির জেনারেল সেক্রেটারি, সম্প্র্রীতি মঞ্চের সভাপতি, বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট, এশিয়াটিক সোসাইটির বিজ্ঞান বিভাগের সম্পাদক, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যের দায়িত্ব পালন করেন।

অজয় রায়ের বড় ছেলে বিজ্ঞান লেখক অভিজিৎ রায়কে ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি কুপিয়ে হত্যা করে উগ্রবাদীরা। অমর একুশে গ্রন্থমেলা থেকে ফেরার পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সামনে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। সেদিন হামলার শিকার হয়ে হাতের আঙুল হারান অভিজিতের স্ত্রী ব্লগার রাফিদা আহমেদ বন্যাও।

পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখল বাংলাদেশ
১৭২ বছর পর আবার আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) সকালে ৯টা ৪ মিনিটে ঢাকা থেকে বছরের শেষ বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখল বাংলাদেশ। বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন ‘রিং অব ফায়ার’। বছরের শেষ সূর্যগ্রহণ সকাল ৯টা ৪ মিনিট থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১২টা ৬ মিনিটে পর্যন্ত আড়াই ঘণ্টা ধরে চলে। বিশ্ববাসীরা এমন এক সূর্যগ্রহণ শেষবার মানুষ দেখেছিল ১৭২ বছর আগে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঢাকার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ আংশিক দেখা গেলেও ভারতের দক্ষিণাংশ ছাড়াও শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, সৌদি আরব, ইউএই, ওমান থেকেও এই সূর্যগ্রহণ দেখা যাওয়ার কথা রয়েছে।  মহাকাশ বিজ্ঞানীরা জানান, আড়াই ঘণ্টা ধরে চলা এ মহাজাগতিক দৃশ্যকে খালি চোখে সূর্যের দিকে তাকাতে নিষেধ করেছিলেন। যা স্বাস্থ্যের ভালো নয়।  জ্যোতির্বিজ্ঞানী এফ আর সরকার বলেছেন, ২০২০ সালের ২১ জুন আবার এ ধরনের সূর্যগ্রহণ হবে। প্রতিবছর না হলে এক বছর পর পর এই গ্রহণ হয়। তবে সূর্যগ্রহণ দেখার ক্ষেত্রে সরাসরি খালি চোখে না তাকানোর পরামর্শ দেন তিনি। এদিকে এই সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করতে ক্যাম্পের আয়োজন করেছে আগারগাঁওয়ের জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর কর্তৃপক্ষ।  বাংলাদেশ বিজ্ঞান জাদুঘরের মহাপরিচালক মুনীর চৌধুরী বলেন, সূর্য পৃথিবীর সব শক্তির আঁধার। সূর্যগ্রহণের সময় সূর্য ও পৃথিবীর মাঝামাঝি চলে আসে চাঁদ। যে কারণে সূর্য ঢেকে যায়। এটি একটি বিরল ঘটনা। সূর্যগ্রহণের সময় বিভিন্ন কুসংস্কার সম্বন্ধে তিনি বলেন, সূর্যগ্রহণের সময় কিছু খাওয়া যাবেনাসহ আরও অনেক কুসংস্কার আমাদের সমাজে প্রচলিত রয়েছে। এসব কুসংস্কারের কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তবে সূর্যগ্রহণের সময় খালি চোখে সূর্য দেখা যাবে না, এটাই সবচেয়ে বড় কথা। বিজ্ঞান জাদুঘর বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ ক্যাম্পের আয়োজন করেছে। টেলিস্কোপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করতে দেখা যায়। এস/এসএস
বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখল বাংলাদেশ
পেঁয়াজের বিকল্প মসলা আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের (ভিডিও)
সারা দেশে যখন পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধিতে মানুষের নাভিশ্বাস, তখন পেঁয়াজের বিকল্প হিসেবে চিভ নামের মসলার জাত চাষে সাফল্য পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। গাজীপুরের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটের মসলা গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা এ সাফল্য পান। সারা বছরই সহজে চাষ করার সুবিধা, উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় ইতোমধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে নতুন উদ্ভাবিত এই মসলা জাতীয় ফসল। দীর্ঘদিন গবেষণা শেষে নর্থ চায়না, সাইবেরিয়ান ও মঙ্গোলিয়া অঞ্চলের মসলাজাতীয় বহুবর্ষজীবী চিভ নিয়ে সাফল্য পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। বছরজুড়েই চাষ ও ফলনের উপযোগী বারি চিভ-১ নামের এই জাত ইতোমধ্যেই অবমুক্ত করেছেন তারা। গাজীপুরের কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা জানান, এর স্বাদ অনেকটা পেঁয়াজের মতো। তবে এটিতে পেঁয়াজের মতো গুটি বা দানা হয় না, এর পাতা ও কাঁচা ফুল মসলা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর চারা লাগানোর ৬৫-৭০ দিনের মধ্যে ফসল সংগ্রহ শুরু হয় বলেও জানান বিজ্ঞানীরা। খুবই সহজে ও তুলনামূলক কম খরচে এটি চাষাবাদের যোগ্য। একবার পাতা কেটে নিলে আবার গজায়। বাড়ির আঙিনায় বা টবেও চাষ করা যায়। দেশের সব অঞ্চলের উঁচু জায়গায় এটি চাষাবাদ সম্ভব বলে জানান প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক ড. আবুল কালাম আজাদ। চিভ বিভিন্ন রোগ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। বর্তমানে এই মসলাটি সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট। পি
পেঁয়াজের বিকল্প মসলা আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের (ভিডিও)
চট্টগ্রামের মৎস্য জাদুঘরে ৩২৫ প্রজাতির মাছ (ভিডিও)
মৎস্য জাদুঘর নামটা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে হরেকরকম মাছের ছবি। বিলুপ্ত প্রায় ৩২৫ প্রজাতির মৎস্য সংরক্ষণ করা হয়েছে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সায়েন্স ইউনিভার্সিটির ফিশারিজ মিউজিয়াম বা মৎস্য জাদুঘরে। যেখানে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত সংরক্ষিত মাছের নমুনা নিয়ে পড়াশুনা ও গবেষণার পাশাপাশি দর্শনার্থীরাও মাছের বিভিন্ন প্রজাতির সাথে পরিচিতি হতে পারেন। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় ফিশারিজ অনুষদের উদ্যোগে প্রায় আড়াই হাজার বর্গফুট জায়গার ওপর গড়ে তোলা হয়েছে ‘ফিশারিজ মিউজিয়াম’ বা মৎস্য জাদুঘর। কর্ণফুলী, হালদা, রাঙামাটির কাপ্তাই লেক, সিলেটের হাওরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার পুকুর, বিল ও নদী থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে দেশীয় প্রজাতির স্বাদু পানির ২০০ মাছ। এসব মাছের মধ্য কাজলি, রানি, গুতুম, খলিশা, ঢেলা, রিঠা, মধুপাবদা, ফলি, বাইম, মহাশোলের মতো বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির মাছ যেমন আছে, তেমনি রয়েছে রুই, কাতলা, মৃগেল ও ইলিশ মাছ।  তারা, ডেভিল রে, হাতুড়ি হাঙর, শাপলাপাতা, রেমুরাসহ দেড়শ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ ও দেড়শ প্রজাতির শোল সংগ্রহ করা হয়েছে এখানে। এছাড়াও জাদুঘরটিতে দেশের ঐতিহ্যবাহী মাছ ধরার যন্ত্রপাতি রাখা আছে যা হারিয়ে যেতে বসেছে। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন প্রফেসর এম নুরুল আবসার খান বলেন, ২০১৪ সালে দেশের স্বাদু পানি ও সামুদ্রিক সম্পদের অন্তর্ভুক্ত সকল জলজ প্রাণিকে সংরক্ষণ এবং শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীদের মাঝে পরিচিত করার লক্ষেই এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত করা হয়। প্রায় প্রতিদিনই সমৃদ্ধ হওয়া এই জাদুঘরটিতে পর্যায়ক্রমে ৪৭৫ প্রজাতির প্রতিটি মাছই সংগ্রহ করে রাখার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। পি
চট্টগ্রামের মৎস্য জাদুঘরে ৩২৫ প্রজাতির মাছ (ভিডিও)
বাংলাদেশের ডা. আরিফ হোসেন জাপানের সেরা তরুণ বিজ্ঞানী
বাংলাদেশের ডা. আরিফ হোসেন জাপানের সেরা তরুণ বিজ্ঞানী নির্বাচিত হয়েছেন। খবর ইউএনবির। প্রতিবছর জাপানের সেরা তরুণ বিজ্ঞানী নির্বাচন করে থাকে জাপানিজ সোসাইটি ফর ইনহেরিটেড মেটাবলিক ডিজিজেস (জেএসআইএমডি)। আরিফ হোসেন লাইসোসোমাল রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা উদ্ভাবনের জন্য চলতি বছর জাপানের সেরা তরুণ বিজ্ঞানী নির্বাচিত হন। গত ২৪ অক্টোবর এই ঘোষণা প্রদান করে সোসাইটি। জাপানের ৬১ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও বিদেশিকে এই পুরস্কারের জন্য নির্বাচন করা হলো। বাংলাদেশের এই বিজ্ঞানী পুরস্কার পাওয়ার পর গণমাধ্যমকে বলেন, আমি অনেক আনন্দিত। এটি আমার ও বাংলাদেশের জন্য একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা। --------------------------------------------------------------- আরো পড়ুন: স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফ্রিজের ইলিশ গেল জেলখানায়, গুনলেন জরিমানা --------------------------------------------------------------- জানা গেছে, আরিফ হোসেনের জন্ম গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর ভাটিয়াপাড়ার খুব সাধারণ পরিবারে। ১১ ভাইবোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট। তিনি গ্রামের স্কুলে এসএসসি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। এরপর ঢাকার মিরপুর বাঙ্গলা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। এখান থেকে প্রথমে এমবিবিএস পাস করে এখানকার শিশু বিভাগে পোস্ট গ্রাজুয়েশন করেন। পরে তিনি জাপানের ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি শিশু নিউরো-মেটাবলিক রোগে ক্লিনিক্যাল ফেলোশিপও করেন। আরিফ হোসেন নিউরো-মেটাবলিক রোগের ওপর উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে এই রোগের বিশেষজ্ঞ হিসেবে জাপানে সিনিয়র গবেষক হিসেবে কর্মরত আছেন। কে/এমকে
বাংলাদেশের ডা. আরিফ হোসেন জাপানের সেরা তরুণ বিজ্ঞানী
ব্যথামুক্ত ইঞ্জেকশনের সূচ আবিষ্কার
শরীরে সূচ ফোটাতে কার না ভয় লাগে? শিশুরা তো চিৎকার জুড়ে দেয়। কিন্তু জন্মের পর অন্তত দুই তিন বছর ধরে প্রায় নিয়মিতই বিভিন্ন রকমের টিকা দিতে সূচ ফোটাতেই হয় শিশুর শরীরে। আর যারা ইনস্যুলিন নেন, তাদেরও বিশেষভাবে তৈরি একটি সূচ (নিড্‌ল) নিয়মিত শরীরে ঢোকাতে হয়। তাই চিকিত্সকরাও খুব প্রয়োজন না হলে শরীরে সূচ ফোটাতে চান না। যদি এমন সূচ বা ইঞ্জেকশন ব্যবস্থা তৈরি করা যায়, যা একটুও কষ্ট দেবে না বা আপনি বুঝতেই পারবেন না কখন শরীরে ঢুকেছে সূচটি, তা হলে কেমন হয়? ইঞ্জেকশনে ভয় পাওয়ার সময় আপনি কিন্তু খেয়ালও করেননি, আমাদের বুঝতে না দিয়ে কেউ কেউ হামেশাই ‘সূচ’ ফোটাচ্ছে আমার, আপনার শরীরে। তারা আর কেউ নয়, মশা। আমাদের শরীরে যখন মশা হুল ফোটায়, প্রথমে আমরা তা বুঝতেই পারি না। মশা রক্ত খেয়ে উড়ে যাওয়ার পর বুঝতে পারি। তা হলে কি মশা কোনও বিশেষ কৌশল জানে? যা হুল ফোটানোর সময় আমাদের টের পেতে দেয় না। মশার কাছ থেকে শেখা! মশার সেই কৌশলকে সামনে রেখেই যন্ত্রণাহীন নতুন ইঞ্জেকশন ব্যবস্থা তৈরির পথে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছেন কয়েকজন বাঙালি বিজ্ঞানী। আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, ভারতের কানপুর আইআইটি-র কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক অনিমাংশু ঘটক ও খড়গপুর আইআইটি-র মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক সুমন চক্রবর্তী আলাদা আলাদা ভাবে গবেষণা চালিয়েছেন মশার সেই কৌশল বুঝতে। অনিমাংশুর সঙ্গে রয়েছেন তার দুই সহকর্মী কৃষ্ণকান্ত কুন্দন ও সুকুমার লাহা। অনিমাংশু ও তার সহযোগীদের গবেষণাপত্রটি বেরিয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান-জার্নাল ‘এক্সট্রিম মেকানিক্স লেটার্স’-এ। আর সুমন তার কাজটি শুরু করেছিলেন জাপানে কানাগাওয়ার তোকাই বিশ্ববিদ্যালের অধ্যাপক কাজুওশি সুচিয়া-র সঙ্গে। এখন সুমন খড়গপুর আইআইটি-তে যন্ত্রণাহীন সূচ তৈরির গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান-জার্নাল ‘জার্নাল অফ অ্যাপ্লায়েড ফিজিক্স’-এ ছাপা হয়েছে সুমনদের গবেষণাপত্র। দু’জনের লক্ষ্য এক হলেও অনিমাংশু ও সুমন আলাদা আলাদা পদ্ধতিতে ইঞ্জেকশনের যন্ত্রণা কমানোর বা নির্মূল করার চেষ্টা করছেন। এমকে
ব্যথামুক্ত ইঞ্জেকশনের সূচ আবিষ্কার
আরও পড়ুন
কলেজ ছাত্রসহ দুইজনের মরদেহ উদ্ধার
গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
মেঘনা নদীতে ছবি তুলতে গিয়ে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
পদ্মায় ট্রলারডুবি, আরও এক শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার