
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে এক কলেজছাত্রকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিহত আশরাফুল ইসলাম (১৭) শাহজাদপুর উপজেলার পার্শ্ববর্তী নরিনা হানিফ নগর গ্রামের আজাদ আলীর ছেলে এবং সাতবাড়িয়া আব্দুস ছামাদ আজাদ টেকনিক্যাল কলেজেরে প্রথম বর্ষের ছাত্র।
স্থানীয়রা খবর দিলে শনিবার দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আশরাফুল শুক্রবার রাতে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি।
শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আতাউর রহমান জানান, শনিবার সকালে চরনরিনা ফাকা সরিষা ক্ষেতের মধ্যে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। মরদেহটি নাকে-মুখে রক্ত ছিল। এ ব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে।
এদিকে সিরাজগঞ্জ পৌর শহরের গয়লা বটতলা এলাকায় এক যুবককে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত সুমন খান (৩৬) পৌর শহরের গয়লা বটতলা মহল্লার ট্রাকচালক আমজাদ খানের ছেলে।
পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জ পৌর শহরের গয়লা বটতলা এলাকায় গত শুক্রবার রাতে একটি ধর্মীয় জলসা হয়। জলসা উপলক্ষে সুমন তার নিজ বাড়িতে ঘরের মধ্যে শহরের বিভিন্ন মহল্লা থেকে আসা বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলে এবং একসঙ্গে রাতের খাবার খেয়ে রাতভর সেখানেই অড্ডা দেয়। শনিবার সকালে তার এক বন্ধু সুমনকে ডাকতে বাড়িতে এলে দেখে সুমনের ঘরের দরজার সিটকানি বাইরে থেকে আটকানো। দরজা সিটকানিটি খুলতেই বিছানার ওপর তাকে পরে থাকতে দেখে চিৎকার করলে বাড়ির অন্যান্য সদস্যরা এসে সুমনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। ছেলেটি সম্প্রতি হিজরার দলে দলভুক্ত হয়েছে। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আবু দাউদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার উপপরিদর্শক(এসআই) রফিকুল ইসলাম জানায়, নিহত সুমনের বাড়ির লোকদের থেকে খবর পেয়ে শনিবার দুপুরে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠান হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। নিহতের গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
জেবি/পি




