ঢাকা রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

চোরের মায়ের বড় গলা, আসিফের অবস্থাও সে রকম: রাশেদ খান

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৯ এএম
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও রাশেদ খান : ছবি সংগৃহীত

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাবেক এমপিদের ‘প্রটেকশন’ ও পুনর্বাসনের অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খান।

একইসঙ্গে আসিফের বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের অর্থ দেওয়ারও অভিযোগ করেছেন তিনি। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব দাবি করেন রাশেদ।

পোস্টে তিনি লেখেন, আসিফ মাহমুদ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আওয়ামী ব্যবসায়ী ও ডামি এমপিদের প্রটেকশন দিয়েছে! অন্তত একজন আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা ও ব্যবসায়ীকে সে পুনর্বাসন করেছে, সেটা আমি জানি। এই বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আসিফ মাহমুদকে আমি সরাসরি কয়েকবার সতর্ক করেছি। কিন্তু সে তোয়াক্কা করেনি!

এই বিষয়টা এনসিপির প্রত্যেক নেতা জানে। আমি তখন আসিফ মাহমুদের এই বিষয়টা তাদের জানালে তারা বলতো, ভাই, আসিফ তো আমাদের কেউ না! তার সঙ্গে এনসিপির কোনো যোগাযোগ ও সম্পর্ক নাই! দুর্নীতি ও বিতর্কের দায় না নিতে নাহিদ ইসলাম তো বহুবার গণমাধ্যম বলেছে, দুজন ছাত্র উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির কোন সম্পর্ক নাই!

তিনি আরও লেখেন, আসিফ মাহমুদ একজনকে বড় অঙ্কের অর্থ দিয়েছিল। যে তথ্য আমি নিজে জানি। এছাড়া সে সময় আসিফের এপিএস মোয়াজ্জেম বেশকিছু তথ্য আমার কাছে আসে। এই দুজনের বিষয়ে আমি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আরেকজন উপদেষ্টাকে অবহিত করেছিলাম।

তিনি আমার দেওয়া তথ্য পেয়ে উত্তরে বলেছিলেন, আমরা যে বেতন পায়, সেটা দিয়ে চলতে পারি না, আর ওরা মানুষকে লাখ লাখ টাকা দেয়! স্বাভাবিক বেতন থেকে এটা দেওয়া যায়?

রাশেদ খান পোস্টে লেখেন, দেখেন, নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেনসহ সিনিয়র নেতারা কেন আসিফ মাহমুদের পাশে শক্তভাবে দাঁড়ায় না? কারণ তারা সবাই এসব তথ্য জানে! চোরের মায়ের বড় গলা, আসিফ মাহমুদের অবস্থাও সে রকম হয়েছে!

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘তারেক রহমানকে অবৈধ বলার আগে নাহিদের উচিত ছিলো পদত্যাগ করা’
শেখ হাসিনার সাথে তুলনা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অবৈধ বলার আগে নাহিদ ইসলামের উচিত ছিলো জাতীয় সংসদ থেকে পদত্যাগ করা বলে মন্তব্য করেছেন রাশেদ খাঁন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন তিনি। পোস্টে রাশেদ খাঁন লিখেন, শেখ হাসিনার মতো তারেক রহমানও অবৈধভাবে ক্ষমতায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছে জামায়াতের প্রক্সি সংগঠনের সভাপতি নাহিদ ইসলাম। যে জাতীয় সংসদে সরকারি দল হিসেবে বিএনপি অবৈধ হয়, সেই সংসদে বিরোধীদলের চিফ হুইপ হিসেবে নাহিদ ইসলাম কিভাবে বৈধ হন? তিনি লেখেন, শেখ হাসিনার সঙ্গে তুলনা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অবৈধ বলার আগে নাহিদ ইসলামের উচিত ছিল জাতীয় সংসদ থেকে পদত্যাগ করা। তবুও যেহেতু পদত্যাগ করার আগে বিএনপি সরকারকে অবৈধ বলে তিনি বক্তব্য দিয়ে ফেলেছেন, সুতরাং এই বক্তব্যের পরে নাহিদ ইসলাম পদত্যাগ না করলে তার কোনও নৈতিক ভিত্তি থাকবে না। আশা করি, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নাহিদ ইসলাম পদত্যাগ করে নৈতিকতার প্রমাণ দেবেন এবং রাজপথে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলে এনসিপির জনভিত্তির প্রমাণ দেবেন। আরটিভি/টিআর
‘তারেক রহমানকে অবৈধ বলার আগে নাহিদের উচিত ছিলো পদত্যাগ করা’
মাদরাসা শিক্ষকদের অনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে যা বললেন আহমাদুল্লাহ
মাদরাসাগুলোতে ঘটে যাওয়া নানা অনৈতিক ও জঘন্য কর্মকাণ্ডের জন্য মূলত অনুমোদনহীন ও মানহীন ভুঁইফোঁড় কিছু প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করেছেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।  তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এসব প্রতিষ্ঠানের অপরাধের কারণে গোটা মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়ছে। তাই অপরাধী শিক্ষকদের বাঁচাতে কোনো প্রতিষ্ঠান যদি সত্য আড়াল করে, তবে তা পুরো মাদরাসা ব্যবস্থার জন্য চরম ও অপূরণীয় ক্ষতি ডেকে আনবে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) শায়খ আহমাদুল্লাহর ভেরিফায়েড ইউটিউব চ্যানেলে এ কথা বলেন তিনি। একই সঙ্গে টঙ্গীর সাম্প্রতিক ঘটনার উদাহরণ টেনে তিনি কোনো অবস্থাতেই আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার এবং বিচারহীন বা তদন্তহীন ক্ষোভ প্রদর্শন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।  শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, মাদরাসাগুলোতে জঘন্য অনাচারের যত ঘটনা শোনা যায়, তার অধিকাংশই ভুঁইফোঁড়, মানহীন প্রাইভেট মাদরাসা। তারপরও এগুলো যেহেতু মাদরাসাই, এবং তাদের অপকর্মের কারণে যেহেতু পুরো মাদরাসা-ব্যবস্থা আজ হুমকির সম্মুখীন, তাই এগুলো দমনে মাদরাসা পরিচালনার সাথে যুক্ত কর্তৃপক্ষকেই জোরালো পদক্ষেপ নিতে হবে।’  তিনি জানান, মাদরাসার অপকর্ম রোধে করণীয় নিয়ে তিনি আগেই ৩০ জনেরও বেশি শীর্ষ আলেমের কাছে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা পাঠিয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে তা জনসচেতনতার জন্য প্রকাশ্যে তুলে ধরেন। বোর্ড বা প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বে না থাকায় লেখা ও সচেতনতা তৈরির বাইরে তার কোনো দাপ্তরিক ক্ষমতা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আবাসিক মাদরাসাগুলো লাখ লাখ এতিম-অসহায় শিক্ষার্থীর আশ্রয়স্থল ও দ্বীনি শিক্ষার মূল কেন্দ্র। এই কেন্দ্রগুলোর মর্যাদা ও জনআস্থা ধরে রাখতে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং শীর্ষস্থানীয় আলেমদের সর্বশক্তি নিয়োগ করে পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় ইতিহাসের দায় তাদেরকেই নিতে হবে। অপরাধীদের রক্ষার চেষ্টার কড়া সমালোচনা করে তিনি লেখেন, এত কিছুর পরও যদি কোনো প্রতিষ্ঠান শিক্ষক নামের কতিপয় অপরাধীকে বাঁচানোর চেষ্টা করে, সমাধানের পথে না গিয়ে সত্য আড়াল করে, তবে এই লুকোচুরি মাদরাসার জন্য চূড়ান্ত ক্ষতি ডেকে আনবে, তখন আফসোস ছাড়া আর কিছু করার থাকবে না। টঙ্গীতে ঘটে যাওয়া এক ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বিচারহীন ক্ষোভ ও আইন নিজের হাতে নেওয়ার প্রবণতা সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, অপরাধ প্রমাণের আগেই যদি শিক্ষকের ওপর চড়াও হওয়া হয় এবং পরবর্তীতে তদন্তে তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়, তবে ওই শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের যে সম্মানহানি ও অপূরণীয় ক্ষতি হয়, তা কীভাবে পূরণ হবে? তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ধর্ম অবমাননাসহ কোনো ইস্যুতেই ইসলাম আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অনুমতি দেয় না। তাই মাদরাসা বা যে কোনো জায়গায় সংঘটিত অনাচারের বিরুদ্ধে সরব থাকার পাশাপাশি আমাদের ক্ষণিকের ক্রোধ যেন অন্যের অপূরণীয় ক্ষতির কারণ না হয়, সে বিষয়েও সজাগ থাকি। আরটিভি/এসআর
মাদরাসা শিক্ষকদের অনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে যা বললেন আহমাদুল্লাহ
ভ্রমণ প্যাকেজের নামে ভয়াবহ প্রতারণা জলফড়িং এজেন্সির
জলফড়িং এজেন্সি নামে একটি অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির বিরুদ্ধে ভ্রমণ প্যাকেজ ও টিকিট বুকিংয়ের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক ব্যক্তি ও ভ্রমণসংশ্লিষ্ট সংগঠন এ অভিযোগ তুলে সতর্কবার্তা দিয়েছে।
ভ্রমণ প্যাকেজের নামে ভয়াবহ প্রতারণা জলফড়িং এজেন্সির
শাহজালাল রুমিকে নিয়ে সোহেল তাজের পোস্ট
গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদরাসাপড়ুয়া শিশুকন্যাকে চুমু খেতে চাওয়ার অভিযোগে শিক্ষককে চড় মারা শাহজালাল রুমির পাশে দাঁড়ালেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ।
শাহজালাল রুমিকে নিয়ে সোহেল তাজের পোস্ট
আবারও প্রমাণ হলো আ.লীগ সন্ত্রাসী সংগঠন: আবু হানিফ 
গোপালগঞ্জে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় আবারও প্রমাণ হয় আওয়ামীলীগ সন্ত্রাসী সংগঠন বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ। 
আবারও প্রমাণ হলো আ.লীগ সন্ত্রাসী সংগঠন: আবু হানিফ 
আরও পড়ুন
চীনা গুপ্তচর সন্দেহভাজন ঝাংয়ের লস অ্যাঞ্জেলেসের আদালতে অভিযোগ অস্বীকার
নোয়াখালীর চাটখিলে সাংবাদিক এস কে সৌরভের ওপর হামলার অভিযোগ
এনসিপি ল্যাপটপ-ছাগল চোরদের দল, জামায়াত অপরাধীদের পুনর্বাসন কেন্দ্র: রাশেদ খান
জামায়াত মানুষকে যে পথ দেখাতে চায়, সেটা দাজ্জালের জান্নাত: রাশেদ খাঁন