ঢাকা সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

চোরের মায়ের বড় গলা, আসিফের অবস্থাও সে রকম: রাশেদ খান

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৯ এএম
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও রাশেদ খান : ছবি সংগৃহীত

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাবেক এমপিদের ‘প্রটেকশন’ ও পুনর্বাসনের অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খান।

একইসঙ্গে আসিফের বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের অর্থ দেওয়ারও অভিযোগ করেছেন তিনি। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব দাবি করেন রাশেদ।

পোস্টে তিনি লেখেন, আসিফ মাহমুদ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আওয়ামী ব্যবসায়ী ও ডামি এমপিদের প্রটেকশন দিয়েছে! অন্তত একজন আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা ও ব্যবসায়ীকে সে পুনর্বাসন করেছে, সেটা আমি জানি। এই বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আসিফ মাহমুদকে আমি সরাসরি কয়েকবার সতর্ক করেছি। কিন্তু সে তোয়াক্কা করেনি!

এই বিষয়টা এনসিপির প্রত্যেক নেতা জানে। আমি তখন আসিফ মাহমুদের এই বিষয়টা তাদের জানালে তারা বলতো, ভাই, আসিফ তো আমাদের কেউ না! তার সঙ্গে এনসিপির কোনো যোগাযোগ ও সম্পর্ক নাই! দুর্নীতি ও বিতর্কের দায় না নিতে নাহিদ ইসলাম তো বহুবার গণমাধ্যম বলেছে, দুজন ছাত্র উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির কোন সম্পর্ক নাই!

তিনি আরও লেখেন, আসিফ মাহমুদ একজনকে বড় অঙ্কের অর্থ দিয়েছিল। যে তথ্য আমি নিজে জানি। এছাড়া সে সময় আসিফের এপিএস মোয়াজ্জেম বেশকিছু তথ্য আমার কাছে আসে। এই দুজনের বিষয়ে আমি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আরেকজন উপদেষ্টাকে অবহিত করেছিলাম।

তিনি আমার দেওয়া তথ্য পেয়ে উত্তরে বলেছিলেন, আমরা যে বেতন পায়, সেটা দিয়ে চলতে পারি না, আর ওরা মানুষকে লাখ লাখ টাকা দেয়! স্বাভাবিক বেতন থেকে এটা দেওয়া যায়?

রাশেদ খান পোস্টে লেখেন, দেখেন, নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেনসহ সিনিয়র নেতারা কেন আসিফ মাহমুদের পাশে শক্তভাবে দাঁড়ায় না? কারণ তারা সবাই এসব তথ্য জানে! চোরের মায়ের বড় গলা, আসিফ মাহমুদের অবস্থাও সে রকম হয়েছে!

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
একাধিক দেশের নেতার সাথে ট্রাম্পের ছবি প্রায় একইরকম কেন?
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ছবি প্রকাশের পর সেটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি- স্যোশাল মিডিয়ায় এমন দাবি ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিতে ট্রাম্পের দাঁড়ানোর ভঙ্গি ও ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি উঁচিয়ে রাখার ধরন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অনেকে।  তবে বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের একই ধরনের ছবিগুলো যাচাই করে ভিন্ন চিত্র পেয়েছে দ্য ডিসেন্ট। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, একাধিক এআই শনাক্তকারী টুলে এসব ছবিতে কৃত্রিমভাবে তৈরি বা সম্পাদনার নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। একই অনুষ্ঠানে নির্দিষ্ট জায়গায় দাঁড়িয়ে ছবি তোলার কারণেই ট্রাম্পের ছবিগুলোতে এতটা মিল দেখা যেতে পারে বলে উঠে এসেছে তাদের বিশ্লেষণে। দ্য ডিসেন্ট এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার (৩ অক্টোবর) নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ট্রাম্পের সঙ্গে ছবিটি প্রকাশ করেন। পোস্টের বিবরণে তিনি জানান, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে আসা বিশ্বনেতা ও তাদের সহধর্মিণীদের সম্মানে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দেওয়া সংবর্ধনায় তিনি ও ডা. জুবাইদা রহমান অংশ নিয়েছেন। ছবিটির উৎস হিসেবে হোয়াইট হাউসের নামও উল্লেখ করা হয়। ছবিটি প্রকাশের পর স্যোশাল মিডিয়ায় এর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ‘ইনফো বাংলা’ নামের একটি ফেসবুক পেজ ছবিটি প্রকাশ করে দাবি করে, প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পের ‘ফটো কাটআউটের’ সঙ্গে ছবি তুলেছেন। একই ধরনের দাবি করা হয় আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্ট ও পেজ থেকে। অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াও বিষয়টি নিয়ে পোস্ট করেন। স্যোশাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তির কথা উল্লেখ করে তিনি ছবিটি কেউ যাচাই করেছেন কি না এবং ফ্যাক্টচেকারদের অবস্থান কী- তা জানতে চান। অন্যদিকে, মীর জাহান নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটিকে সম্পূর্ণ এআই দিয়ে তৈরি বলে দাবি করা হয়। ছবিটি অনুষ্ঠান হওয়ার কয়েকদিন পর প্রকাশের বিষয়টিকেও সন্দেহের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। একই রকম পোজ কেন? শুধু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তোলা ছবিতেই নয়, কসোভো, আলবেনিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া ও রোমানিয়ার নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের ছবিতেও প্রায় একই ধরনের ভঙ্গি দেখা যায়। কোথাও ট্রাম্পকে হাসিমুখে দাঁড়িয়ে ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি উঁচিয়ে রাখতে দেখা গেছে। কসোভোর ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান হিব্রিড ডট ইনফোর পর্যবেক্ষণেও এসব ছবিতে ট্রাম্পের অবস্থান ও অঙ্গভঙ্গিতে উল্লেখযোগ্য মিলের কথা উঠে এসেছে। কসোভোর সংবাদমাধ্যম কোহার এক প্রতিবেদনে এর ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ট্রাম্প নির্দিষ্ট একটি জায়গায় দাঁড়িয়ে ছিলেন এবং বিভিন্ন দেশের নেতারা একে একে তার পাশে এসে আনুষ্ঠানিক ছবি তোলেন। একই পটভূমি, ক্যামেরার অবস্থান এবং ট্রাম্পের নির্দিষ্ট জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকার কারণে ছবিগুলোতে তার পোজ প্রায় একই রকম দেখা যায়। কোহা আরও জানিয়েছে, অনুষ্ঠানে হোয়াইট হাউসের নির্দিষ্ট আলোকচিত্র ছাড়া অন্য কারও ছবি তোলার অনুমতি ছিল না। ফলে একই ফটোগ্রাফি প্রক্রিয়ায় একাধিক নেতার ছবি তোলা হয়। তবে ছবিগুলোতে ট্রাম্পের অবস্থান পুরোপুরি অভিন্ন নয়। বিভিন্ন ছবিতে তার বাঁ হাতের অবস্থান, মুখের অভিব্যক্তি ও হাসিতে ছোটখাটো পার্থক্য রয়েছে। সব ছবিতে কি একই পোজ? অনুষ্ঠানের অন্য ছবিগুলোতেও ট্রাম্পকে ভিন্ন ভঙ্গিতে দেখা গেছে। কসোভোর ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান হিব্রিড ডট ইনফো জর্জিয়ার প্রধানমন্ত্রী ইরাকলি কোবাখিদজে এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে তোলা ছবির উদাহরণ দিয়েছে। শাহবাজ শরিফের সঙ্গে একটি ছবিতে ট্রাম্পকে বৃদ্ধাঙ্গুলি উঁচিয়ে রাখতে দেখা গেলেও অন্য একটি ছবিতে তাকে করমর্দন করতে দেখা যায়। অর্থাৎ অনুষ্ঠানজুড়ে ট্রাম্পের অঙ্গভঙ্গি একেবারে অপরিবর্তিত ছিল না। হিব্রিড ডট ইনফোর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, হাইভ মডারেশন ব্যবহার করে পরীক্ষায় আলোচিত বলকান নেতাদের ছবিগুলোকে এআই-নির্মিত হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। এ ছাড়া দ্য ডিসেন্ট বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম থেকে এসব নেতার ছবি সংগ্রহ করে একাধিক এআই যাচাইয়ের মাধ্যমে পরীক্ষা করে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, ছবিগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ট্রাম্পের সঙ্গে রোমানিয়ার প্রেসিডেন্ট নিকুশোর দানের একটি ছবিকে ঘিরেও একই ধরনের সন্দেহ তৈরি হয়েছিল। ২ অক্টোবর ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের ও তার সঙ্গী মিরাবেলা গ্রাদিনারুর ছবি প্রকাশ করার পর ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি—এমন দাবি ছড়িয়ে পড়ে। পরে রোমানিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানায়, ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি নয়। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানে শুধু হোয়াইট হাউসের অফিসিয়াল আলোকচিত্রীর প্রবেশাধিকার ছিল এবং ছবি প্রক্রিয়াকরণের পর অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর প্রতিনিধিদলের কাছে একসঙ্গে পাঠানো হয়। এ কারণে অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার কয়েক দিন পর বিভিন্ন দেশের নেতাদের ছবি প্রায় একই সময়ে প্রকাশিত হয়েছে বলে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। একই ধরনের ছবি তোলার নজির আগেও বিশ্বনেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের আনুষ্ঠানিক ছবিতে একই ধরনের ভঙ্গি নতুন নয়। ২০১৯ সালেও ট্রাম্পের আয়োজিত বিশ্বনেতাদের একটি সংবর্ধনায় তাকে একই ধরনের ভঙ্গিতে ছবি তুলতে দেখা গিয়েছিল। ট্রাম্পের কূটনৈতিক অনুষ্ঠানের ছবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ও ব্যঙ্গের ঘটনাও নতুন নয়। ২০১৭ সালে পোপ ফ্রান্সিসের সঙ্গে ট্রাম্পের একটি ছবি প্রকাশের পর পোপের গম্ভীর মুখভঙ্গি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা মন্তব্য ও তুলনা ছড়িয়ে পড়েছিল। তাহলে বাংলাদেশের আলোচিত ছবিটি? বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়া ট্রাম্পের ‘কার্ডবোর্ড কাটআউট’-এর ছবিটি অবশ্য আলাদা বিষয়। ফেসবুকে ওই ছবি শেয়ার করে দাবি করা হয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ট্রাম্পের প্রতিকৃতির সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছেন। আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াও ছবিটি শেয়ার করে এর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তবে যাচাইয়ে দেখা যায়, ছবিটি মূল ছবি নয়; এটি ওপেনএআই ব্যবহার করে তৈরি করা একটি কৃত্রিম ছবি। অর্থাৎ, ট্রাম্পের সঙ্গে তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের আসল ছবিতে ট্রাম্পের পোজ অন্য কয়েকটি দেশের নেতার সঙ্গে তোলা ছবির সঙ্গে মিল থাকলেও, শুধু এই মিলকে ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি হওয়ার প্রমাণ হিসেবে দেখানো যায় না। বরং একই অনুষ্ঠানে নির্দিষ্ট জায়গায় দাঁড়িয়ে একই ফটোগ্রাফারের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ছবি তোলার কারণেই একাধিক ছবিতে ট্রাম্পকে প্রায় একই ভঙ্গিতে দেখা যাওয়ার ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে। আরটিভি/এসআর
একাধিক দেশের নেতার সাথে ট্রাম্পের ছবি প্রায় একইরকম কেন?
মমতাজ আওয়ামী লীগেও একটা ছিল, এখন জামায়াতেও একটা আসছে: রফিকুল ইসলাম
জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান কার্যক্রম ও পশ্চিমের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টার তীব্র সমালোচনা করে ফেসবুকে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন ইসলামিক বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী।
মমতাজ আওয়ামী লীগেও একটা ছিল, এখন জামায়াতেও একটা আসছে: রফিকুল ইসলাম
‘জুলাইকে যারা শিবিরের হাতে বন্দি করেছে, তাদের ওপর গজব পড়ুক’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক এই নেত্রী সবশেষে লিখেন, এখন তো জামায়াতের কারণে হিস্ট্রি ব্রিটিশ পিরিয়ড থেকে শুরু করতে হয়। একদল মোনাফেকের হাতে পড়ছে দেশের রাজনীতি।
‘জুলাইকে যারা শিবিরের হাতে বন্দি করেছে, তাদের ওপর গজব পড়ুক’
রাড্ডা ভাঙচুরের ঘটনায় সরকারকে জামায়াত আমিরের বার্তা
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ বার্তা দেন তিনি।
রাড্ডা ভাঙচুরের ঘটনায় সরকারকে জামায়াত আমিরের বার্তা
৩ মাস পর নিখোঁজ স্ত্রীকে খুঁজে পেলেন স্বামী, ভিডিও দেখে আবেগাপ্লুত জনতা
দীর্ঘ তিন মাসের অবর্ণনীয় মানসিক যন্ত্রণা, অপেক্ষা আর প্রতিটি মুহূর্তের শঙ্কার অবসান ঘটল অবশেষে। ঘর থেকে হারিয়ে যাওয়া মানসিকভাবে অসুস্থ স্ত্রীকে ফিরে পেয়েছেন এক স্বামী। কোনো অলৌকিক ঘটনা নয়, বরং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার এবং এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরের একটি ভিডিওর মাধ্যমে নিখোঁজ ওই নারীকে খুঁজে পেয়েছেন তার স্বামী।
৩ মাস পর নিখোঁজ স্ত্রীকে খুঁজে পেলেন স্বামী, ভিডিও দেখে আবেগাপ্লুত জনতা
আরও পড়ুন
মুক্তিযোদ্ধার দুই ছেলেকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ
যবিপ্রবির সাবেক উপাচার্য আনোয়ারসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করবে দুদক
সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি
আ.লীগ ফিরলে আবারও জামায়াত নেতাদের ফাঁসিতে ঝুলতে হবে: রাশেদ খান