ঢাকা রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

অ্যাম্বুলেন্স সেবা ঘিরে সিন্ডিকেট বাণিজ্য, জিম্মি রোগী-স্বজনরা! (ভিডিও)

জাহিদ রহমান

প্রকাশ : ১০ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:১৮ এএম

অ্যাম্বুলেন্সের মতো অতি জরুরি সেবা ঘিরে গড়ে উঠেছে সিন্ডিকেট বাণিজ্য। কঠিন মুহূর্তে রোগী ও স্বজনদের জিম্মি করে ইচ্ছে মতো ভাড়া আদায়ের অভিযোগ বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের বিরুদ্ধে। তাদের বেঁধে দেওয়া ভাড়ার বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই কারও।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। গুরুতর অসুস্থ বাবাকে নিয়ে এসেছে সাখাওয়াত। নারায়ণগঞ্জের আড়াই হাজার থেকে আসতে অ্যাম্বুলেন্সের জন্য গুনতে হয়েছে পনেরশ' টাকা। এখন কর্তৃপক্ষ অন্য হাসপাতালে রেফার করায় অ্যাম্বুলেন্স জোগাড় করতে ছুটতে হচ্ছে। এমন বিপদের মুহূর্তে তাকে জেঁকে ধরেন চালকরা। সাত কিলোমিটার দূরত্বে যেতে চাওয়া হচ্ছে দেড় হাজার থেকে দুই হাজার টাকা।

সাখাওয়াত বলেন, ১৫শ' টাকা বলে। আড়াইহাজার থেকে আসছি পনেরশ' টাকায় হয়? ঘোরাঘুরি করতে করতে রোগীর অবস্থা খারাপ।

উপায় না থাকায় অস্বাভাবিক ভাড়াতেই রাজী হতে হয়। শুধু সাখাওয়াত না চরম বিপদের মুহূর্তে এমন অভিজ্ঞতা আরও অনেকের। আপন ভাতিজাকে অন্য হাসপাতালে নিতে ভাড়ার আবদার শুনে মেজাজ রাখতে পারেননি এই ভুক্তভোগী। তিনি বলেন, আপনারা এমন করলে কীভাবে হবে? রোগীর দিকে না তাকিয়ে আপনাদের দিকে তাকান, ধ্যাত! এটা কোনও কথা হলো?

রাজধানীর মধ্যে যাতায়াতে দেড় হাজার থেকে চার হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সগুলো। অথচ সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া তিনশ' থেকে পাঁচশ' টাকা।

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, পার্কিংয়ের কাউন্টার ছাড়া অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করার সুযোগ নেই। চাঁদপুরে মরদেহ নিতে হাঁকা হচ্ছে পাঁচ হাজার টাকা, দূরত্ব ৯০ কিলোমিটার। দূরের জেলার ভাড়া আরও বেশি। দূরত্ব ভেদে দিতে হয় ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা।

রাজধানীর প্রতিটি হাসপাতালে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স চোখে পড়লেও সরকারিগুলোর দেখা পাওয়া ভার। তাই রোগী ও স্বজনদের জিম্মিদশা কাটে না। সামর্থ না থাকলে বাধ্য হয়ে বিকল্প বাহনে রোগী নিতে হয়।

এনএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
২০২১ সালে মারা গেছেন যেসব গুণিজন (ভিডিও)
বছরটি মহামারির, তাই মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ। এ বছর দেশ হারিয়েছে অনেক গুণিজন। জাতী হারিয়েছে তার অকৃত্রিম অভিভাবকদের। বিশিষ্ট নাগরিকদের অনেকেই করোনায় কাছে হার মেনেছেন। অল্প সময়ে এত বড় শূন্যতা কোনোভাবেই পূরণ হওয়ার নয়। তথ্যমতে, চলতি বছরের শেষে ২৭ ডিসেম্বর মারা যান আওয়ামী লীগের আলোচিত-সমালোচিত সংসদ সদস্য জয়নাল হাজারী। একইমাসের ২৫ তারিখ করোনা পরবর্তী জটিলতায় প্রাণ হারান একুশে পদকপ্রাপ্ত সিনিয়র সাংবাদিক জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রিয়াজউদ্দিন আহমেদ।  গত ১৫ নভেম্বর নিউমোনিয়া ও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সুতোর ওপাড়ে চলে যান আগুনপাখির শ্রষ্টা, উপমহাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক।  হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ১১ অক্টোবর ইহলোকের মায়া ত্যাগ করেন নাট্যজন ইনামুল হক।  ৪ জুলাই করোনা কেড়ে নেয় ‌‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ গানের গীতিকার ফজল-এ খোদাকে। একই মাসের ২৩ তারিখ করোনায় মারা যান গণসংগীতশিল্পী মুক্তিযোদ্ধা ফকির আলমগীর।  ২৫ মে মানুষ হতে চেয়ে করোনা আকাশের তারা হয়ে গেলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী। জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক হাসান শাহরিয়ার করোনায় মারা যান ১০ এপ্রিল। একই মাসের ১১ তারিখ অকালে থেমে যায় রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী মিতা হকের কণ্ঠ।  সাবেক সংসদ সদস্য ও জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা সারাহ বেগম কবরী করোনায় অনন্ত লোকের পথ ধরেন ১৭ এপ্রিল।  ১৬ মার্চ জগতের মায়া ছেড়ে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও উপরাষ্ট্রপতি ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। শক্তিশালী অভিনেতা, পরিচালক ও লেখক এ টি এম শামসুজ্জামান না ফেরার দেশে পাড়ি জমান ২০ ফেব্রুয়ারি।  এ ছাড়া বছরের শুরুতে ৩ জানুয়ারি করোনা কেড়ে নেয় একুশে পদকজয়ী লেখিকা রাবেয়া খাতুনকে।  এত অল্প সময়ে তৈরি হওয়া এই বিশাল শূন্যতা কোনোভাবেই পূরণ হওয়ার নয়। আরএ/টিআই
২০২১ সালে মারা গেছেন যেসব গুণিজন (ভিডিও)
নিবন্ধিত সব দল অংশ না নেয়ায় সংলাপের সফলতা নিয়ে প্রশ্ন (ভিডিও)
নিবন্ধিত সব দল অংশ না নেওয়ায় সংলাপের সফলতা নিয়ে মাঝপথেই প্রশ্ন উঠেছে। আনুষ্ঠানিক চিঠি না পেলেও বিএনপি নেতারা সংলাপে না যাওয়ার পক্ষে। আগের প্রস্তাব বাস্তবায়ন না হওয়ায় এবার আলোচনায় না বাসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিপিবি ও বাসদ। তবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মনে করে সংলাপে যেয়েই সবার প্রস্তাব তুলে ধরা উচিত। কারণ এই আলোচনার ভিত্তিতেই নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন হবে।   আইন না থাকায় রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে সার্চ কমিটির মাধ্যমে গত দুটি নির্বাচন কমিশন গঠন করেন রাষ্ট্রপতি। এবারও কমিশন গঠনে নিবন্ধিত দলগুলোর সাথে সংলাপে বসছেন তিনি। ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৯টি দলকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) সংলাপে অংশ নেয়নি। দাওয়াত পাওয়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টিও (সিপিবি) না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাসদের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান রতন বলেন, কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সেটা যেমন দেশবাসী দেখে নাই, আমাদের কাছেও পরিষ্কার হয় নাই। আমাদের দাবিটা কেন গ্রহণযোগ্য হলো না, সে বিষয় নিয়েও কিন্তু কোনও কথা আমরা শুনতে পাইনি। সেই কারণে আমরা এবার বলেছি, একই কথা বলার জন্য আমাদের যাওয়াটা আমরা ঠিক মনে করি না। সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি আমাদেরকে তথাকথিত পরামর্শের জন্য না ডেকে তিনি যদি সংসদ বরাবর চিঠি পাঠিয়ে নির্দেশ দিতেন যে, আগামী এক মাসের মধ্যে তোমরা আইন প্রণয়ন করে আমার কাছে পাঠাও সাক্ষর করার জন্য। তাহলে এক মাসের ভেতরে আইন হয়ে যেত। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নেতারা জানান, তারা এখনও সংলাপের আমন্ত্রণ পাননি। তবে এই আলোচনায় না যাওয়ার পক্ষে বেশিরভাগ নেতা। বিএনপির সহ-সভাপতি শামসুজ্জামান দুদু বলেন, এই প্রক্রিয়ায় যদি নির্বাচন কমিশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়, তাহলে এটা স্পষ্ট করে বলা যায় যে, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের চেয়ে ভালো কিছু হবে না। সেজন্য আমরা বলেছি- আমরা এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে থাকব না। অর্থাৎ এই আলোচনায় বিএনপি যাবে না। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতারা মনে করেন, আগের সংলাপের সঙ্গে এবারেরটা মেলানো ঠিক হবে না। কারণ আলোচনার টেবিলে যে কোনও সমস্যারই সমাধান হতে পারে। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, এখনতো রাষ্ট্রপতি ডেকেছেন আমাদের আগামী যে নির্বাচন কমিশন গঠন হবে সেই বিষয়ে। এ ব্যাপারে তো এখনও ফয়সালা হয় নাই। সেটা তো আলোচনার মাধ্যমে হবে। তার জন্যই তো ডাকা। এর জন্য আট বছর আগে সুপারিশ কে দিয়েছিল, আমার মনে হয় এটা কোনও যৌক্তিক কথা না।    নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সংলাপ শেষে নতুন কমিশন গঠনের উদ্যোগ নেবেন রাষ্ট্রপতি। যে নির্বাচন কমিশনের অধীনে পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।  এনএইচ/এসএস
নিবন্ধিত সব দল অংশ না নেয়ায় সংলাপের সফলতা নিয়ে প্রশ্ন (ভিডিও)
কার্গো চালু না থাকায় বেশি ব্যয়ে পণ্য আনছে ব্যবসায়ীরা (ভিডিও)
ভারত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র মালদ্বীপের সঙ্গে বাংলাদেশের সরাসরি কার্গো জাহাজ চালু না থাকায় বেশি ব্যয়ে পণ্য আনতে হচ্ছে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের। দ্রুতই দেশটির সঙ্গে সরাসরি জাহাজ চালুর জোর দাবি জানিয়েছেন তারা। তবে এ বিষয়ে সরকারের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি নেই বলে জানান দেশটিতে নিযুক্ত হাইকমিশনার রিয়ার এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। তথ্যমতে, মালদ্বীপের চাহিদার শতভাগ পণ্যই আমদামি করে চলতে হয়। সে ক্ষেত্রে দেশটিতে বাংলাদেশের সবজি, মাছ-মাংসসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্যের চাহিদা রয়েছে। পাশিপাশি গার্মেন্ট ও বিভিন্ন শুকনো খাবারেরও চাহিদা বাড়ছে দিন দিন। কিন্তু মালদ্বীপের সঙ্গে সরাসরি কার্গো জাহাজ না থাকায় খুব একটা সুবিধা করতে পারছেন না দেশটিতে ব্যবসা করা বাংলাদেশিরা।  তাই বাধ্য হয়ে ভারত ও শ্রীলংকার সমুদ্র বন্দর থেকে অধিকাংশ কার্গো জাহাজে করে আনতে হয় পণ্য। এতে কয়েকগুণ বেশি অর্থ গুনতে হয় আমদানিকারকদের। দেশটিতে নিযুক্ত হাইকমিশনার রিয়ার এডমিরাল এম নাজমুল হাসান জানান, মালদ্বীপ সরকারের পতাকাবাহী জাহাজ মাত্র একটি। তাদের পক্ষে এই জাহাজ বাংলাদেশে পাঠানো সম্ভাব না। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশকেই এগিয়ে আসতে হবে।  তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে মালদ্বীপ যে খাদ্যদ্রব্য আবদানি করে তা পাশ্ববর্তি দেশের তুলনায় অনেক কম। তাই আমদানি বাড়াতে চাই তাহলে আমাদেরকে জাহাজ চালুর চেষ্টা করতে হবে।  এ ব্যাপারে বাংলাদেশের কয়েকটি জাহাজ কোম্পানীর সঙ্গে কথা চলছে বলেও জানান তিনি। আরএ/টিআই
কার্গো চালু না থাকায় বেশি ব্যয়ে পণ্য আনছে ব্যবসায়ীরা (ভিডিও)
ঢাকা নগর পরিবহন : প্রতিযোগিতায় একই রুটের অন্য বাস (ভিডিও)
বাস রুট রেশনালাইজেশনের ‘ঢাকা নগর পরিবহনের’ নতুন বাধা একই রুটে চলাচলকারী অন্য পরিবহনের বাসগুলো। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঘাটারচর থেকে কাঁচপুর পর্যন্ত একই রুটে যাত্রী পেতে মালঞ্চ ও প্রজাপতি পরিবহনের বাসগুলো আগের মতোই অসুস্থ প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। পরিবহন বিশেষজ্ঞের মতে, শক্তিশালী আলাদা মনিটরিং প্রতিষ্ঠান গড়ে না তুললে সুফল আসবে না।  রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় বেশি যাত্রী পেতে ঢাকা নগর পরিবহনের বাসকে চাপ দিয়ে আগে চলে যায় মালঞ্চ পরিবহনের একটি বাস।  ফাঁকা নগর পরিবহনের চালক-হেলপাররা জানান, বাসগুলোর আগে যাওয়ার এবং যাত্রীদের যেখানে-সেখানে নামানোর প্রবণতা নানা সমস্যার কারণ।  এমনই একজন বলেন, যাত্রীরা কাউন্টারে না নেমে স্টপেজেই নামতে চান। এখানেই তাদের নামতে হবে। এই সমস্যাটা আমাদের সবচেয়ে বেশি।  অপর একজন বলেন, রজনীগন্ধা সার্ভিস, মালঞ্চ সার্ভিস-এরকম লোকাল কিছু সার্ভিস আমাদের সমস্যা করছে। অভিযুক্ত বাসের কর্মীরা জানান, রুট পারমিট ঠিক করে তাদেরকেও ঢাকা পরিবহনে যুক্ত করলে গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরবে। ঝামেলা ছাড়াই গন্তব্যে যেতে পারায় ঢাকা পরিবহনকে স্বাগত জানিয়েছে যাত্রীদের অনেকে।  এক যাত্রী বলেন, এই সিস্টেমটা আমার কাছে অবশ্যই ভালো মনে হয়। কাউন্টারে কাউন্টারে শুধু থামানো হয়। সবাই টিকিট কেটে ওঠে। বসার কোনো ঝামেলা নেই। অপর এক যাত্রী বলেন, দুই মেয়রকে ধন্যবাদ জানাই যে তারা আমাদের এমন একটা সার্ভিস দিয়েছে। পরিবহন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শামসুল হক বলেন, উদ্যোগ ভালো, তবে টেকসই করতে আলাদা ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে হবে। এখানে আমি সবচেয়ে বড় ঘাটতি দেখি, এটাকে নিবিড়ভাবে মনিটরিং ও পরিচর্যা করার প্রতিষ্ঠান নেই। আরম্ভটা হয়েছে ঠিক আছে। কিন্তু টেকসইয়ের জন্য যথেষ্ট আয়োজন করতে হবে। রাজধানীর ঘাটারচর থেকে কাঁচপুর পর্যন্ত নতুন এই ঢাকা নগর পরিবহন শুরু হয়েছে ২৬ ডিসেম্বর থেকে। যাত্রী এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ধীরে ধীরে যদি অন্য পরিবহনগুলোকেও এর আওতায় নিয়ে আসা যায় তাহলে গণপরিবহন ও রাস্তায় শৃঙ্খলা ফিরবে। এনএইচ/ এসএস
ঢাকা নগর পরিবহন : প্রতিযোগিতায় একই রুটের অন্য বাস (ভিডিও)
বছরজুড়ে সামাজিক মাধ্যম কাজে লাগিয়ে অপতৎপরতা (ভিডিও)
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। ব্যস্ত নাগরিক জীবনকে যেমনটা দিয়েছে গতি, তেমনি দিয়েছে স্বস্তিও। তবে স্বস্তির বাইরে অস্বস্তির ঘটনাও ঘটছে হরহামেশা। হোক সেটি বড় বা ছোট কোনও ঘটনা, তাতেই অশান্তি সৃষ্টি হচ্ছে ঘর থেকে শুরু করে দেশ কিংবা দেশের বাইরেও। তৈরি হচ্ছে জাতি-ধর্ম আর মানুষে মানুষে ভেদাভেদ, নষ্ট হচ্ছে দেশের ভাবমূর্তি। শেষ হতে যাওয়া চলতি বছরের আলোচিত এমন কিছু ঘটনাই তুলে ধরা হলো।  প্রযুক্তির আশীর্বাদে ব্যস্ত জীবনের প্রয়োজনীয় সবকিছুই এখন হাতের মুঠোয়! কর্মজীবন থেকে শুরু করে পারিবারিক সম্পর্ক, বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ, সামাজিক মাধ্যমে সবকিছুই যেন দেখে ফেলা যায় এক নিমেষেই। তবে সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিগত যোগাযোগের এই মাধ্যম কিংবা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হুমকির কারণও হয়ে উঠছে বেশ। গেল অক্টোবরে শারদীয় দুর্গাপূজায় কুমিল্লায় মন্দিরে হামলার ঘটনা বছরের শেষ দিকটাতে আলোচনার ঝড় ওঠে দেশ ও দেশের বাইরে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কিছু মানুষ নানা ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করলে মুহূর্তে সেটি ছড়িয়ে পড়ে দেশের অন্যান্য স্থানেও। পরবর্তী সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় ধরা পড়ে ঘটনার মূলহোতা। এদিকে, চলতি বছরের মার্চে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করে কিছু মহল। এরপর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুজব ছড়িয়ে সারাদেশে তাণ্ডব চালায় হেফাজতে ইসলাম। বিভিন্নভাবে ফেসবুক ও ইউটিউব ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়ায় কথিত শিশুবক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানীকে চলতি বছরের ৭ মার্চ আটক করে র‌্যাব। এর আগে ২৫ মার্চ মতিঝিল থেকে, নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরবিরোধী মিছিল ও ভাঙচুরের ঘটনায় তাকে আটক করে পুলিশ। মাদানির রেশ কাটতে না কাটতেই হেফাজত ইসলামের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে ঘিরে নানা কাণ্ড। গেল ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের এক হোটেল থেকে নারীসহ আটক করা হয় মামনুনুলকে। পরে সেটি ভিন্নভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে বিভিন্ন স্থানে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে হেফাজত কর্মীরা। ঘটনার প্রায় মাসখানেক পর ৩০ এপ্রিল মামুনুলের বিরুদ্ধে ওই নারী ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে এভাবে কাজে লাগিয়ে দিনের পর দিন নানা ফায়দা আদায় করে যাচ্ছে এক শ্রেণির মানুষ। প্রশাসন এসব বিষয়ে কঠোর থাকার কথা জানালেও সাধারণ মানুষের দাবি স্থায়ী কোনও সমাধানের। এনএইচ/এসএস 
বছরজুড়ে সামাজিক মাধ্যম কাজে লাগিয়ে অপতৎপরতা (ভিডিও)
আরও পড়ুন
২০২১ সালে ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ১০৫ জন, আক্রান্ত ২৮৪২৯
ভারত থেকে সনদ নিয়ে ফেরা যাত্রীর করোনা শনাক্ত
ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও ৩১ জন হাসপাতালে, মৃত্যু ১ 
ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও ১১ জন হাসপাতালে