
বরুশিয়া ডর্টমুন্ড থেকে রীতিমতো একটা গোলমেশিন কিনে নিয়ে এসেছে ম্যানচেস্টার সিটি। আকাশী নীল জার্সি পরে মাঠে নামতেই যেন হিংস্র শিকারীর মতো কেবল গোলের নেশায় মত্ত থাকেন ম্যানসিটির নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার এরলিং হালান্ড। চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত আকাশী নীল জার্সিতে ১২ বার মাঠে নেমে ১৯ গোল আদায় করে নিয়েছেন এই বিধ্বংসী স্ট্রাইকার।
বুধবার (৫ অক্টোবর) রাতে কোপেনহেগেনের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে মাঠে নেমেও জোড়া গোল করেছেন হালান্ড। এই নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকারের জোড়া গোলে কোপেনহেগেনের বিপক্ষে ৫-০ গোলের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে ম্যানসিটি। দলটির পক্ষে অন্য তিন গোল আসে রিয়াদ মাহরেজ,জুলিয়ান আলভারেজ এবং কোপেনহেগেনের ডেভিট কোচলাভার আত্মঘাতীতে।
ইতিহাদে এদিন কোপেনহেগেনকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করেছে সিটিজেনরা। ম্যাচের একটি পরিসংখ্যানে বিষয়টি তুলে ধরা যাক। পুরো ম্যাচে ম্যানসিটির ৭৬ শতাংশ বল দখলের বিপরীতে কোপেনহেগেন বল পায়ে রাখতে পেরেছে মাত্র ২৪ শতাংশ। আর আক্রমণ বিবেচনায় ম্যানসিটির করা ৩০ আক্রমণের বিপরীতে কোপেনহেগেন দুইয়ের ঘরেই আটকে ছিল।
ম্যাচে এদিন ম্যানসিটির পক্ষে গোলের সূচনা করেন গোলমেশিন হালান্ডই। ম্যাচের ৭ম ও ৩২তম মিনিটে গোল করে দলকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন এই নরওয়েজিয়ান। এই দুই গোলে চলতি মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগের ৩ ম্যাচ থেকে ৫ গোল পেয়ে গেলেন হালান্ড। এদিকে এই টুর্নামেন্টে ছোট্ট ক্যারিয়ারে ছাড়িয়ে গেলেন লুইস সুয়ারেজ এবং কাফুকেও। এই দুই ফুটবলারের ২৭ গোলের বিপরীতে হালান্ডের চ্যাম্পিয়নস লিগ গোলসংখ্যা এখন ২৮।
হালান্ডের জোড়া গোলের পর কোপেনহেগেনের ডিফেন্ডার কোচোলাভার আত্মঘাতী গোলে প্রথমার্ধে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সিটিজেনরা। বিরতির পর মাঠে নেমে পেনাল্টি থেকে গোল করে অতিথিদের জালে গোলের হালি পূর্ণ করে ম্যানসিটির মাহরেজ। খেলার ৭৬তম মিনিটে আলভারেজের গোলে বড় জয় নিশ্চিত করে পেপ গার্দিওলার দল। এই জয়ে ‘জি’ গ্রুপে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকলো সিটিজেনরা।




