
কাতার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল নেদারল্যান্ডস। ফলে এই ম্যাচকে লিওনেল মেসি বনাম ভার্জিল ফন ডাইকের ম্যাচ বলেও অভিহিত করেছিল অনেকে। মাঠের লড়াইয়ে মেসি যেমন গোল করতে ও করাতে পারদর্শী, ঠিক তেমনি রক্ষণভাগ সামলানোর সব কৌশলই জানা ফন ডাইকের।
কিন্তু মাঠের দ্বৈরথে আর্জেন্টাইন মহাতারকার কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছিল ডাচরা। মেসি জাদুতে ম্যাচের ৮০ মিনিট পর্যন্ত ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। তবে নেদারল্যান্ডস ২ গোল দিয়ে ম্যাচে ফিরেছিল। অতিরিক্ত সময়ে আর গোল না হলে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।
কিন্তু টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে হেরে বিদায় নেয় নেদারল্যান্ডস। এই সময়ে পেনাল্টি মিস করে বসেন লিভারপুলের এই ডিফেন্ডার। ফলে পরে ডাচদের ছন্দ নষ্ট হয় ফন ডাইকের কারণেই। আর্জেন্টাইন গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেজের কাছে পরাস্ত হয়ে ঘুম হারাম হয়ে গিয়েছিল এই তারকার।
বিশ্বকাপ শেষে ক্লাব ফুটবলের মৌসুম আবারও শুরু হচ্ছে। ফন ডাইক এরই মধ্যে তার ক্লাব লিভারপুলের হয়ে মাঠেও নেমেছেন। তবে বিশ্বকাপে পেনাল্টি মিসের কষ্ট এখনও তাতিয়ে বেড়াচ্ছে এই সেন্টার ব্যাককে।
এক সাক্ষাৎকারে ফন ডাইক বলেছেন, ‘পেনাল্টি মিস করে দুই দিন ঘুমাতে পারিনি। ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পরও একটু কাছে চলে গিয়েছিলাম। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এমন এক ম্যাচে পেনাল্টি মিস করেছি, এটা আসলে খুবই কষ্ট দেয়।’
এমন পরিস্থিতিতে পড়ে ফুটবল থেকেই অনেক দিন দূরে থাকার চেষ্টা করেছেন নেদারল্যান্ডসের এই ডিফেন্ডার। এই বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ওই দিন বিকেল আর সন্ধ্যাটা আমার খুবই বাজে কেটেছে। ফুটবলের সঙ্গে কিছুদিন কোনো সম্পর্কই রাখিনি। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি, জীবনে যারা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’
প্রসঙ্গত, নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে জয়ের পর সেমিফাইনালে ক্রোয়েশিয়াকে পরাজিত করে লে আলবিসেলেস্তেরা। এরপর শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালে টাইব্রেকারে ফ্রান্সকে ৪-২ গোলে হারিয়ে ৩৬ বছর পর শিরোপা জেতে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা।




