
এশিয়া কাপকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। এরই মাঝে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে লিটন-মিরাজরা। এশিয়া কাপ ও সিরিজকে সামনে রেখে মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর এক হোটেলে আয়োজন করা হয় বিসিবি সভাপতির বিশেষ বৈঠক।
এই সভায় অংশ নেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা, কোচিং স্টাফ, টিম ম্যানেজমেন্ট, বিসিবির পরিচালক এবং টিম অপারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা। তিন ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল দল ও বোর্ডের মধ্যে স্বচ্ছ যোগাযোগ স্থাপন, অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলো শক্তিশালী করা এবং সম্মিলিত মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটানো।
বৈঠক শেষে বিসিবি সভাপতি বলেন, আজকের আলোচনাটি বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খেলোয়াড় ও টিম ম্যানেজমেন্টের কাছ থেকে সরাসরি মতামত শোনা ছিল মূল্যবান। আমরা এই মতামতের ভিত্তিতে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। স্বচ্ছ যোগাযোগই বিশ্বাস ও ঐক্য শক্তিশালী করার মূল চাবিকাঠি।
তিনি আরও বলেন, এটি আমাদের একে অপরকে বোঝার এবং এক সাথে এগিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। যখন আমরা দল হিসাবে এক হই, তখন মাঠে ও মাঠের বাইরে সাফল্যের ভিত্তি তৈরি হয়।
লিটন দাস (টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক) বলেন, আমরা প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করি, যদিও সবাই তা দেখতে পায় না। আমাদের নিজেদের প্রতি সৎ থাকতে হবে এবং আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে হবে। প্রতিশ্রুতি ও মনোযোগ থাকলে এই পরিশ্রমই শিগগিরই ফল দেবে।
মেহেদি হাসান মিরাজ (ওয়ানডে অধিনায়ক) বলেন, খেলোয়াড়দের বিকাশের জন্য সারা বছর সমর্থন অপরিহার্য। এজন্য স্থানীয় স্টাফদের উন্নয়ন ও বিনিয়োগ জরুরি। এতে খেলোয়াড়রা সঠিক পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারবে এবং নিজেদের সেরাটা দিতে সক্ষম হবে।
ফিল সিমন্স (প্রধান কোচ) বলেন,বাংলাদেশ দলের তরুণদের সম্ভাবনা অনেক বেশি। তবে প্রতিভা ও পরিশ্রমকে একত্রিত করতে হবে ঐক্য ও সঠিক দিকনির্দেশনার মাধ্যমে। লক্ষ্য নির্ধারণ, পারস্পরিক সমর্থন এবং একসাথে কাজ করার মাধ্যমেই দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য আসবে।
আরটিভি/এসকে




