
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কারণে দেরিতে শুরু হয়েছে ইউএস ওপেন পুরুষ এককের ফাইনাল। নিরাপত্তাজনিত কড়াকড়ির কারণে দর্শকদের মাঠে প্রবেশে সময় লাগে বেশি, ফলে খেলা শুরুর আগে অনেক আসন ফাঁকা ছিল।
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় ফাইনাল শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে খেলা পিছিয়ে যায় প্রায় আধা ঘণ্টা। দর্শকদের প্রবেশের জন্য খোলা ছিল মাত্র একটি প্রবেশদ্বার, যেখানে বিমানবন্দরের মতো স্ক্যানিং প্রক্রিয়ায় বাইরে দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়।
দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে পৌঁছান ট্রাম্প। গ্যালারির দর্শকদের উদ্দেশে হাত নাড়লেও সাড়া মেলে মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় কেউ উল্লাস, আবার কেউ দুয়ো দেন। জাতীয় সংগীত চলাকালে প্রথমে করতালি শোনা গেলেও দ্রুত তা ঢেকে যায় দুয়ো ধ্বনিতে। এমনকি প্রথম গেম শেষে বড় পর্দায় ট্রাম্পকে দেখানো হলে আবারও দুয়োর ঝড় ওঠে গ্যালারিতে।
আয়োজকেরা সম্প্রচারকদের আগেই সতর্ক করেছিলেন ট্রাম্পকে নিয়ে যেন কোনো নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখানো না হয়, তবে দর্শকদের প্রতিক্রিয়া আড়াল করা সম্ভব হয়নি।
ফাইনালে ইয়ানিক সিনারকে ৬-২, ৩-৬, ৬-১, ৬-৪ গেমে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ইউএস ওপেন শিরোপা জিতেছেন কার্লোস আলকারাজ। তার জয়ের মুহূর্তে গ্যালারিতে উঠে দাঁড়িয়ে করতালি দেন সবাই, ট্রাম্পও দাঁড়ালেন, তবে তার মুখে ধরা পড়ল বিমর্ষ অভিব্যক্তি।
আলকারাজের জয় উদযাপনের সেই মুহূর্তে ট্রাম্পের মুখভঙ্গি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গেছে। অনেকে মজা করে লিখেছেন,“মিস্টার ট্রাম্প, আলকারাজ মেক্সিকান নন।” কেউ আবার দৈনন্দিন জীবনের নানা ঘটনার সঙ্গে মিলিয়ে তার সেই অভিব্যক্তিকে মিমে পরিণত করেছেন।
ইউএস ওপেনের এই ফাইনাল কেবল আলকারাজের সাফল্যের জন্যই নয়, ট্রাম্পকে ঘিরে ঘটে যাওয়া বিতর্কের কারণেও আলোচনায় রয়ে গেছে।
আরটিভি/এসকে




