
গত ডিসেম্বরে লিটন দাসের নেতৃত্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজে ক্যারিবিয়ানদের হোয়াইটওয়াশ করেছিল বাংলাদেশ দল। বছর না পেরোতেই সেই হারের প্রতিশোধ তুলে নিয়েছে ক্যারিবিয়ানরা। চট্টগ্রামে টি-টোয়েন্টিতে টাইগারদের হোয়াইটওয়াশ করেছে সফরকারীরা। তবে লিটন মতে, এরকম ফলাফল মাঝে মাঝে আসতেই পারে। সেই সঙ্গে ব্যস্ত সূচির চ্যালেঞ্জকে সামনে এনেছেনি তিনি।
শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে লিটন বলেন, সিরিজ শুরুর আগে আমি বলেছিলাম, আমরা কঠিন চ্যালেঞ্জ চাই এবং আমরা সেটা পেয়েছি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দারুণ বোলিং করেছে, আর আমাদের ব্যাটিং প্রত্যাশামতো হয়নি। তবে এমন খারাপ সিরিজ মাঝে মাঝে আসতেই পারে। এটা তেমন উদ্বেগ নয়।
‘দলের ক্রিকেটাররা পরীক্ষিত ও অভিজ্ঞ। কখনও কখনও সবকিছু পরিকল্পনা মতো হয় না। তবে তারা জাতীয় দলে ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করেছে। একটা বিরতি তাদের মানসিক ও শারীরিকভাবে পুনরুজ্জীবিত করবে।’
দলের ব্যস্ত সূচি নিয়ে টাইগার অধিনায়ক বলেন, এই দলটা টানা খেলছে- ফিটনেস ক্যাম্প, একের পর এক সিরিজ, এশিয়া কাপ, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি। ক্লান্তি আসবেই। আয়ারল্যান্ড সিরিজের আগে যে বিরতি আসছে, সেটি খেলোয়াড়দের অন্তত ১০ দিন সময় দেবে নিজেদের রিচার্জ করার।
তিনি বলেন, ঘুরে দাঁড়ানোর একটাই পথ- ইতিবাচক থাকা ও মনোবল উঁচু রাখা। অতিরিক্ত চিন্তা করলে নেতিবাচক ভাবনা আসে। খেলোয়াড়দের নিজেদের ওপর আস্থা রাখতে হবে, উন্নতির দিকে মনোযোগ দিতে হবে, আশেপাশে ইতিবাচক মানুষদের রাখতে হবে। আমি বিশ্বাস করি, তারা আরও ভালোভাবে ফিরবে।
সিরিজের মানসিক চাপ অনুভব করেছে টাইগাররা। লিটনের ভাষ্য, তিন ম্যাচেই আমরা চাপের মধ্যে ভুগেছি। পিচ, শিশির আর আবহাওয়া সবসময় আমাদের পক্ষে ছিল না। কিছু উইকেটে ১৫০-১৬০ রান করাই কঠিন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শিশির তাদের ব্যাটিংয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে। আমাদের বোলাররা চেষ্টা করেছে। অনেক সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকে।
বাংলাদেশের পরবর্তী মিশন আয়ারল্যান্ড সিরিজ। সিলেটে আগামী ১১ নভেম্বর শুরু হবে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। এরপর পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে দুই দল।
আরটিভি/এসআর




