ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্বকাপে বিদেশি কোচের আধিপত্যে শীর্ষে আর্জেন্টিনা, দ্বিতীয় ফ্রান্স

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ মে ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপে খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে জাতীয়তার বাধ্যবাধকতা থাকলেও কোচ নির্বাচনে নেই কোনো সীমাবদ্ধতা। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে সেই সুযোগ ৪৮টি দলের মধ্যে ২৬টিই দায়িত্ব দিয়েছে বিদেশি কোচদের হাতে।

পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে দেখা যায়, বিদেশি কোচদের তালিকায় সবচেয়ে বেশি প্রতিনিধিত্ব আর্জেন্টিনার। অর্থাৎ, এবারের বিশ্বকাপে জাতীয়তা বিবেচনায় সর্বাধিক কোচ আর্জেন্টাইন। এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ফ্রান্স। তবে ব্রাজিলের কোনো কোচ এবার বিশ্বকাপে নেই। বরং দলটি বিশ্বমঞ্চে নামছে এক ইতালিয়ান কোচের নেতৃত্বে।

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি কোচ এসেছে আর্জেন্টিনা থেকে। মোট ছয়জন আর্জেন্টাইন কোচের মধ্যে রয়েছেন- লিওনেল স্ক্যালোনি, যিনি আর্জেন্টিনার দায়িত্বে রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের কোচ মরিসিও পচেত্তিনো, উরুগুয়ের মার্সেলো বিয়েলসা, প্যারাগুয়ের গুস্তাভো আলভারো, ইকুয়েডরের সেবাস্তিয়ান বেকাসেস এবং কলম্বিয়ার নেস্তর লরেঞ্জো।

আরও পড়ুন



এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ফ্রান্স, যাদের পাঁচজন কোচ এবারের বিশ্বকাপে বিভিন্ন দলের দায়িত্বে থাকবেন। দেশটির কোচ হিসেবে দায়িত্বে আছেন দিদিয়ের দেশম, বেলজিয়ামের রুডি গার্সিয়া, তিউনিসিয়ার সাব্রি লামুশি, ডিআর কঙ্গোর সেবাস্তিয়ান দেসাব্রে এবং হাইতির সেবাস্তিয়ান মিনিও।

সবচেয়ে বেশি কোচ দেওয়া দেশের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে স্পেন। চারজন স্প্যানিশ কোচ এবার বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছেন। এদের মধ্যে আছেন স্পেনের লুইস দে লা ফুয়েন্তে, পর্তুগালের রবার্তো মার্তিনেজ, কাতারের হুলেন লোপেতেগি এবং পানামার ক্রিস্টিয়ানসেন।

এ ছাড়া তিনজন করে বিশ্বকাপ কোচ আছে ইতালি ও জার্মানির। টানা তৃতীয়বার বিশ্বকাপ খেলতে না পারা ইতালি থেকে এবার কোচ হিসেবে বিশ্বকাপে যাচ্ছেন কার্লো আনচেলত্তি (ব্রাজিল), ফ্যাবিও ক্যানাভারো (উজবেকিস্তান) এবং ভিনসেঞ্জো মন্তেলা (তুরস্ক)। আর জার্মানদের মধ্যে কোচ হিসেবে আছেন ইউলিয়ান নাগেলসমান (জার্মানি), টমাস টুখেল (ইংল্যান্ড) ও রালফ রাংনিক (অস্ট্রিয়া)।

এবারের বিশ্বকাপে মোট ২২টি দেশ নিজেদের স্থানীয় কোচের ওপরই আস্থা রেখেছে। অর্থাৎ, এই দলগুলো বিদেশি নয়, নিজেদের দেশের মানুষকেই জাতীয় দলের দায়িত্ব দিয়েছে। তালিকায় সবচেয়ে বড় নামগুলোর মধ্যে আছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল স্ক্যালোনি, ফ্রান্সের দিদিয়ের দেশম ও জার্মানির ইউলিয়ান নাগেলসমান।

নিজ দেশের কোচদের তালিকায় আরও আছেন অস্ট্রেলিয়ার টনি পপোভিচ, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার সের্গেই বারবারেজ, কেপ ভার্দের বুবিস্তা, ক্রোয়েশিয়ার জ্লাৎকো দালিচ, চেক প্রজাতন্ত্রের মিরোস্লাভ কুবেক, মিসরের হোসাম হাসান এবং ঘানার অটো আডো— যিনি জন্মসূত্রে জার্মান হলেও এখন ঘানার নাগরিক হিসেবে দলের দায়িত্বে আছেন।

এছাড়া ইরানের আমির ঘালেনোয়ি, আইভরি কোস্টের এমার্সে ফায়ে, জাপানের হাজিমে মোরিয়াসু, দক্ষিণ কোরিয়ার হং মিউং-বো, মেক্সিকোর হাভিয়ের আগুইরে, মরক্কোর মোহামেদ ওয়াহাবি (জন্ম বেলজিয়ামে, নাগরিক মরক্কোর), নেদারল্যান্ডসের রোনাল্ড কোম্যান, নরওয়ের স্টোলে সোলবাকেন, স্কটল্যান্ডের স্টিভ ক্লার্ক, সেনেগালের পাপে থিয়াউ, স্পেনের লুইস দে লা ফুয়েন্তে এবং সুইজারল্যান্ডের মুরাত ইয়াকিনও নিজ দেশের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের ইমরানুর
এশিয়ান গেমসে ১০০ মিটার স্প্রিন্টে ১০.৪৯ সেকেন্ড টাইমিং করে সেরা ২৪ এর মধ্যে ২২তম হয়ে সেমিফাইনালে উঠেছেন বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর রহমান।  ১০০ মিটার স্প্রিন্টে ছয়টি হিট অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর রহমান ছিলেন পাঁচ নম্বর হিটে। সেখানে ছিলেন মোট সাত জন দৌঁড়বিদ।  দক্ষিণ এশিয়ার দ্রুততম মানব মালদ্বীপের হাসান সাঈদও ছিলেন পঞ্চম হিটে। আর সেখানে ইমরান ছিলেন পাঁচ নম্বর লেনে। প্রতি হিটের প্রথম তিন জন সেমিফাইনালে উঠেছেন। এরা বাদে ছয় হিটের শীর্ষ ছয় টাইমিংধারী সেমিফাইনালের টিকিট পেয়েছেন।  বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরান ১০.৪৯ সেকেন্ড টাইমিং করে তার হিটে ছয় জনের মধ্যে চতুর্থ হন। এই হিটে তৃতীয় হওয়া তাইপের অ্যাথলেট ১০.৩৮ সেকেন্ড টাইমিং করেন। ইমরানের ক্যারিয়ার সেরা টাইমিং ১০.১১ সেকেন্ড। আর মৌসুমের সেরা ১০.২৪ সেকেন্ড। এর কোনোটিই করতে পারেননি। ইমরান তার সেরা টাইমিং করতে না পারলেও এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে উঠেছেন। প্রতি হিটের সেরা তিনের বাইরে ছয় জন সেরা টাইমিংধারীদের মধ্যে রয়েছেন ইমরান। ১০.২২ সেকেন্ডে তার অবস্থান ২২ তম। আরটিভি/এসআর
এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের ইমরানুর
উড়ন্ত রাফিনিয়ার জন্য টাকার বস্তা প্রস্তুত করছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড!
ইনজুরির কারণে বিশ্বকাপে নিজের সেরাটা দিতে না পারলেও চলতি মৌসুমে রীতিমতো উড়ছেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রাফিনিয়া। ইতোমধ্যে ৮ ম্যাচ খেলে ১৪টি গোল করে ফেলেছেন তিনি। এই পারফর‌ম্যান্সের জেরে রাফিনিয়ার দিকে নজর পড়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। তাই আসন্ন জানুয়ারির দলবদলের বাজারে ওল্ড ট্রাফোর্ডে এই ব্রাজিলিয়ান তারকাকে দলে টানার প্রস্তুতি শুরু করেছে ইংলিশ ক্লাবটি। এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ফিচাহেসে।  প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাইকেল ক্যারিকের ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড রাফিনিয়াকে তাদের আক্রমণভাগের মূল অস্ত্র বানাতে মরিয়া। তাকে রাজি করাতে ইউনাইটেড একটি অবিশ্বাস্য রেকর্ড-ব্রেকিং প্রস্তাবের পরিকল্পনা করছে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড রাফিনিয়া জন্য প্রায় ১২০ মিলিয়ন ইউরোর এক বিশাল বিড প্রস্তুত করছে, যা তাদের ইতিহাসের অন্যতম রেকর্ড দলবদল হতে পারে। ওল্ড ট্রাফোর্ডের ক্লাবটি রাফিনিকে প্রিমিয়ার লিগের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া খেলোয়াড় বানাতে চায়। এমনকি ম্যানচেস্টার সিটির আর্লিং হালান্ডের চেয়েও তাকে বেশি সাপ্তাহিক বেতন দেওয়ার প্রস্তাব ভাবা হচ্ছে।  তবে বার্সেলোনা এই তরুণ ফুটবলারকে ছাড়বে কিনা সেটা একটা বড় প্রশ্ন? কারণ, বর্তমানে স্ট্রাইকার পজিশনে রাফিনিয়ার থেকে ভালো অপশন নেই হান্সি ফ্লিকের সামনে। যদিও স্ট্রাইকার হিসেবে হুলিয়ান আলভারেজকে দলে নিতে চেষ্টা চালাচ্ছে কাতালান ক্লাবটি। কিন্তু রাফিনিয়া বর্তমানে দলের নেতৃত্ব পাওয়ার পর অবিশ্বাস্য ফর্মে আছেন রাফিনিয়া। লা লিগায় তার টানা হ্যাটট্রিকসহ গোল বন্যা করেছে ক্লাবটি। তবে এই ঐতিহাসিক মেগা চুক্তিটি সম্পন্ন হওয়া অনেকটাই নির্ভর করছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের আগামী মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কোয়ালিফাই করার ওপর। এখনও পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় সেটাই দেখার বিষয়। আরটিভি/এসআর
উড়ন্ত রাফিনিয়ার জন্য টাকার বস্তা প্রস্তুত করছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড!
হাকিমিকে নিয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিলেন ফ্রান্সের আদালত
ফ্রান্সের সর্বোচ্চ আদালত আপিল খারিজ করে দেওয়ায় প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) ও মরক্কোর তারকা ডিফেন্ডার আশরাফ হাকিমিকে ধর্ষণের মামলায় বিচারের মুখোমুখি হতেই হচ্ছে।  সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এই খবর নিশ্চিত করেছে ক্রীড়াবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ‘দি অ্যাথলেটিক’। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্যারিসের পশ্চিমে ও-দে-সেন বিভাগের একটি অপরাধ আদালতে এই মামলার বিচারকাজ পরিচালিত হবে। এখনো কোনো নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা না হলেও আগামী বছরই মামলাটির বিচারকাজ শুরু হতে পারে। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বুলোন-বিলঁকুরে হাকিমির নিজ বাসভবনে ঘটে যাওয়া এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই মামলার সূত্রপাত। হাকিমির সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে যোগাযোগের পর ওই তরুণী তার বাড়িতে যান।  পরবর্তীতে তিনি হাকিমির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তোলেন। ঘটনার পাঁচ দিন পর হাকিমির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠিত হয়। তবে শুরু থেকেই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন এই তারকা ফুটবলার। আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে হাকিমির আইনজীবী দল প্রথমে মামলাটি খারিজের আবেদন জানিয়েছিল।  তবে গত বছরের ১৯ জুন ভার্সাইয়ের আপিল আদালত সেই আবেদনটি খারিজ করে দেন। এরপর হাকিমি উচ্চ আদালত ‘কোর্ট অব ক্যাসেশন’-এ যান, যা সম্প্রতি চূড়ান্তভাবে বাতিল ঘোষণা করা হলো। আরটিভি/এসআর
হাকিমিকে নিয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিলেন ফ্রান্সের আদালত
নেইমারের সেই কঠিন দায়িত্ব কাঁধে নিতে যাচ্ছেন রাফিনিয়া!
চলতি বছর শেষ হওয়া ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের বিপক্ষে পেনাল্টি পেয়েও কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন ব্রুনো গ্রিমারায়েস। সেই ম্যাচ হারের পর অবসর নিয়েছেন নেইমারও। ফলে নতুন করে একজন দক্ষ পেনাল্টি টেকার খুঁজছেন আনচেলত্তি। যেখানে সবার থেকে এগিয়ে রয়েছে রাফিনিয়া। পরিসংখ্যান বলছে, পেনাল্টিতে ব্রাজিলের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও সফল ফুটবলার রাফিনিয়া। পেশাদার ক্যারিয়ারে ২৪টি স্পট কিক নিয়ে ২৩টিই গোলে পরিণত করেছেন তারকা এই ফরোয়ার্ড। প্রায় এক দশক তিনি কোনো পেনাল্টি মিস করেননি।  ২০২৫-২৬ মৌসুমে বার্সেলোনার হয়েও রাফিনিয়া ছিলেন শতভাগ সফল। ৫ পেনাল্টি নিয়ে ৫টিই গোল করেছেন। এই মৌসুমেও এখন পর্যন্ত ৩টি পেনাল্টি নিয়ে সবকটি গোলে রূপান্তর করেছেন। বিশ্বকাপ পরবর্তী ব্রাজিল দলে তাই রাফিনিয়াকেই পেনাল্টি নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রথম পছন্দ ভাবা হচ্ছে।  গত জুলাইয়ে বিশ্বকাপ শেষে এবারই প্রথম আন্তর্জাতিক বিরতিতে মাঠে নামতে যাচ্ছে ব্রাজিল। রেকর্ড পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা প্রীতি ম্যাচ খেলবে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে। তাতে স্বাভাবিকভাবে পেনাল্টি শট নেওয়ার প্রসঙ্গ উঠছে। আনচেলত্তি বলেন, আমরা খেলোয়াড়দের এবং প্রতিপক্ষের গত এক বছরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করেছি। জাতীয় দলে সবচেয়ে ভালো ছিল রাফিনিয়া। ওই মুহূর্তে পেনাল্টি নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রথমে নেইমার, এরপর ইগোর থিয়াগো, তারপর রাফিনিয়া, এরপর ব্রুনো গিমারায়েস এবং তারপর মার্তিনেল্লি। অর্থাৎ, গিমারায়েসের আগে রাফিনিয়াকেই রেখেছিলেন আনচেলত্তি। কিন্তু চোটের কারণে নরওয়ের বিপক্ষে তিনি খেলতে পারেননি। তবে রাফিনিয়া এখন যেহেতু শতভাগ ফিট, তাই আনচেলত্তি তাকেই পেনাল্টি নেওয়ার দায়িত্ব দিতে পারেন। রাফিনিয়া পেনাল্টি নেওয়ায় কতটা দক্ষ, সেটা তুলে ধরেছে কাতালান সংবাদমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভো।  গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, রাফিনিয়া সবশেষ ১৬ পেনাল্টির (বার্সেলোনার হয়ে ১৩টি ও ব্রাজিলের হয়ে ৩টি) মধ্যে ৯টি শট গোলকিপারের ডান দিকে, ৬টি বাঁ দিক দিয়ে চিপ করে এবং ১টি পোস্টের মাঝ বরাবর দিয়ে। ফলে, স্পট কিকে রাফিনিয়া কোন দিক দিয়ে শট নেবেন, তা প্রতিপক্ষ গোলকিপারের জন্য অনুমান করা খুব কঠিন।তাই নেইমারের পর পেনাল্টি নেওয়ার দায়িত্বটা রাফিনিয়ার কাঁধেই উঠতে পারে। আরটিভি/এসআর
নেইমারের সেই কঠিন দায়িত্ব কাঁধে নিতে যাচ্ছেন রাফিনিয়া!
আসিয়ান কাপে মাঠে নামার আগে অবসর নিয়ে মুখ খুললেন জামাল
বাংলাদেশের একাদশে নিয়মিত জায়গা না পেলেও অধিনায়কত্বের দায়িত্ব কাঁধে বয়ে বেড়াচ্ছেন জামাল ভূঁইয়া। গুঞ্জন উঠেছে, নতুন নেতৃত্বের খোঁজে রয়েছে বাফুফে। এসবের মাঝেই ফিফাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের অবসর নিয়ে কথা বলেছেন এই তারকা ফুটবলার। জামাল বলেন, অবশ্যই সবকিছুরই একটা শেষ আছে। তবে এই মুহূর্তে আমার মনে হচ্ছে, শরীর ভালো অবস্থায় আছে। জাতীয় দল ও বাংলাদেশের প্রতি আমার অনেক টান। অবসর নেওয়া অনেক খেলোয়াড়ের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা সবাই বলে, খেলার সময়ের মুহূর্তগুলো আরও বেশি উপভোগ করতে পারলে ভালো হতো। প্রায় ১৮ কোটি মানুষের দেশ বাংলাদেশ থেকে ২৩ জনের দলে জায়গা পাওয়াকে বড় সম্মানের বিষয় মনে করেন তিনি। এই ফুটবলারের ভাষ্য, প্রতিবার মাঠে নামা কিংবা জাতীয় দলের সঙ্গে থাকা আমার কাছে বিশেষ কিছু। বছরের পর বছর অনেক খেলোয়াড়কে আসতে ও চলে যেতে দেখেছি। যত বেশি সময় দলের সঙ্গে থাকছি, তত বেশি উপভোগ করছি। কারণ আমি ফুটবল ভালোবাসি, আমার দল ও দেশকে ভালোবাসি। আসিয়ান কাপে ভক্তদের প্রত্যাশা নিয়ে তিনি বলেন, এই টুর্নামেন্ট নিয়ে আমাদের নিজেদের এবং দেশের মানুষের বিশাল প্রত্যাশা রয়েছে। আমরা জানি গ্রুপে আমরাই সবচেয়ে পিছিয়ে আছি। তবে আমরা এই টুর্নামেন্ট থেকে তিন-চার পয়েন্ট পাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছি। আর ফুটবলে কখন কী হয়, সেটা তো কেউ আগে থেকে বলতে পারে না! জাতীয় দলের হয়ে শততম ম্যাচের দ্বারপ্রান্তে থাকা ৩৬ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডারের জন্য আজকের এই অবস্থানে আসাটা মোটেও সহজ ছিল না। দুই দশক আগে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে ৪টি গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছিলেন তিনি।  সেই মৃত্যুঞ্জয়ী জামালই এখন বাংলাদেশ দলের সবচেয়ে বড় ভরসা। যতদিন শরীর সায় দেবে, দেশের হয়ে এই দায়িত্ব তিনি চালিয়ে যেতে চান। আরটিভি/এসআর
আসিয়ান কাপে মাঠে নামার আগে অবসর নিয়ে মুখ খুললেন জামাল
আরও পড়ুন
স্কালোনিকে নিয়ে বড় সিদ্ধান্তের পথে আর্জেন্টিনা
ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ম্যাচ কবে, কখন, কোথায়?
মেসির বিদায়ী ম্যাচের আগে আর্জেন্টিনা দলে বড় দুঃসংবাদ
সান ফ্রান্সিসকোতে বিরল ভাসমান বাড়ি বিক্রি হচ্ছে ১৭ লাখ ৫০ হাজার ডলারে