
বিজয় মানে বিশ্ব জুড়ে গৌরব, বিজয় মানে ফুল পাপিয়ার সৌরভ। বিজয় মানে স্নিগ্ধ মাখা চাঁদনী রাত,বিজয় মানে বাঙালিদের যোদ্ধা হাত।
এই বিজয়ের মাঝে লুকিয়ে আছে ত্রিশ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ, লাখো মা-বোনের সম্ভ্রমহানি। এতসব কিছুর বিনিময়ে আজ কোটি বাংলাদেশি মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে বিশ্ব দরবারে। ক্রিকেট অঙ্গনে আজ মাশরাফী-তামিমরা লড়ছে বীরের মতো।
আর এই দেশটার জন্য জীবন দিয়েছিলেন ক্রিকেটার আব্দুল হালিম চৌধুরী জুয়েল ও ক্রীড়া সংগঠক মুস্তাক আহমেদ। তাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে আসছে বাংলাদেশ ক্রিকেট।
দেশ স্বাধীন হইলে আমি ন্যাশনাল টিমের ক্যাপ্টেন হমু, ওপেনিং'এ নামমু। আঙ্গুল তিনটা রাইখেন স্যার। -শহীদ জুয়েল
প্রতি বছরের মতো এবারও শহীদ জুয়েল ও শহীদ মুস্তাক নামে দুই দলে ভাগ হয়ে মিরপুরে শের ই বাংলা স্টেডিয়ামে আয়োজন করা হয় প্রীতি ম্যাচ।
যে ম্যাচে অংশ নিয়েছেন দেশের সাবেক ক্রিকেটাররা। শহীদ জুয়েল একাদশের নেতৃত্বে ছিলেন সাবেক অধিনায়ক নাঈমুর রহমান দুর্জয় আর শহীদ মুস্তাক একাদশের নেতৃত্বে ছিলেন মেহরাব হোসেন অপি।
সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হওয়া ম্যাচটিতে টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন শহীদ জুয়েল একাদশের অধিনায়ক নাঈমুর রহমান।
২০ ওভারের এই ম্যাচে ব্যাট করতে নেমে ৫ রানে সাজঘরে ফেরেন দুর্জয়। এরপর ৫২ রানের ইনিংস খেলেন এহসানুল হক সুজন। এরপর শাহারিয়ার হোসেন বিদ্যুতের ৩২ ও সজল চৌধুরীর ৪৬ রানে ভর করে ৪ উইকেটে ১৬২ রান তুলে শহীদ জুয়েল একাদশ।
শহীদ মুস্তাক একাদশের হয়ে ২ উইকেট নেন শফিউদ্দিন আহমেদ ও ১টি উইকেট নেন মুশফিক বাবু।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৭ ওভারেই জয় তুলে নেয় শহীদ মুস্তাক একাদশ। মেহরাব হোসেন অপির অপরাজিত ৪৮ ও মোহাম্মদ রফিকের ৩৯ বলে ৮১ রানে ভর করে ১৮ ওভার ২ বলেই ম্যাচ শেষ করে শহীদ মুস্তাক একাদশ। জয় পেতে মাত্র ৪ উইকেটে হারাতে হয় শহীদ মুস্তাক একাদশের।
শহীদ জুয়েল একাদশের হয়ে ১উইকেট নেন খালেদ মাহমুদ সুজন। বাকি তিনটিই ছিল রান আউট।
এমআর/




