ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

দেখে নিন আইপিএলে কে কোন দলে

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ২০ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৪:৩০ পিএম
ছবি- সংগৃহীত

১৯ ডিসেম্বর বিকেলে কলকাতার একটি পাঁচ তারকা হোটেলে নির্ধারণ হয়ে গেল ২০২০ সালের আইপিএলের দলগুলোর চূড়ান্ত খেলোয়াড় তালিকা। আটটি ফ্র্যাঞ্চাইজি তাদের দলগুলো সাজিয়েছে শতভাগ শক্তিশালী করে। সবারই উদ্দেশ্য ট্রফি জয়।

যেখানে সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার পেসার প্যাট কামিন্স। যার বাংলাদেশি টাকায় মূল্য ১৮ কোটি টাকা। দল পাননি বাংলাদেশের মুশফিকুর রহিম।

দেখে নেয়া যাক কেমন হলো দলগুলো:

মুম্বাই ইন্ডিয়ানস

ব্যাটসম্যান

বোলার

অলরাউন্ডার

উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান

রোহিত শর্মা (ভারত), সূর্যকুমার যাদব (ভারত), ক্রিস লিন (অস্ট্রেলিয়া), সৌরভ তিওয়ারি (ভারত)

স্পিনার

রাহুল চাহার (ভারত)

হার্দিক পান্ডিয়া (ভারত), ক্রুনাল পান্ডিয়া (ভারত), কিয়েরন পোলার্ড (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), শেরফানে রাদারফোর্ড (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)

কুইন্টন ডে কক (দক্ষিণ আফ্রিকা), ঈশান কিষান (ভারত), আদিত্য টারে (ভারত)

পেসার

যশপ্রীত বুমরা (ভারত), মিচেল ম্যাকক্লেনাহান (নিউজিল্যান্ড), লাসিথ মালিঙ্গা (শ্রীলঙ্কা), ট্রেন্ট বোল্ড (নিউজিল্যান্ড), ধবল কুলকার্নি (ভারত), নাথান কোল্টার-নাইল (অস্ট্রেলিয়া)

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু

ব্যাটসম্যান

বোলার

অলরাউন্ডার

উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান

বিরাট কোহলি (ভারত), এবি ডি ভিলিয়ার্স (দক্ষিণ আফ্রিকা), অ্যারন ফিঞ্চ

স্পিনার

যুজবেন্দ্র চাহাল (ভারত), ওয়াশিংটন সুন্দর (ভারত), পবন নেগি (ভারত)

মঈন আলী (ইংল্যান্ড), ক্রিস মরিস (দক্ষিণ আফ্রিকা), শিভাম দুবে (ভারত)

পার্থিব প্যাটেল (ভারত), জশ ফিলিপে (অস্ট্রেলিয়া)

পেসার

ইসুরু উদানা (শ্রীলঙ্কা), উমেশ যাদব (ভারত), মোহাম্মদ সিরাজ (ভারত), নবদ্বীপ সাইনি (ভারত), ডেল স্টেইন (দক্ষিণ আফ্রিকা), কেইন রিচার্ডসন (অস্ট্রেলিয়া)

কলকাতা নাইট রাইডার্স

ব্যাটসম্যান

বোলার

অলরাউন্ডার

উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান

এওইন মরগান (ইংল্যান্ড), শুভমন গিল (ভারত)

স্পিনার

বরুণ চক্রবর্তী (ভারত), কূলদীপ যাদব (ভারত)

আন্দ্রে রাসেল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), সুনীল নারাইন (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), নীতিশ রানা (ভারত), ক্রিস গ্রিন (দক্ষিণ আফ্রিকা)

দীনেশ কার্তিক (ভারত), টম ব্যান্টন (ইংল্যান্ড)

পেসার

প্যাট কামিন্স (অস্ট্রেলিয়া), লকি ফার্গুসন (নিউজিল্যান্ড), হ্যারি গার্নি (ইংল্যান্ড), প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ (ভারত), কমলেশ নাগরকোটি (ভারত), শিভাম মাভি (ভারত)

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ

ব্যাটসম্যান

বোলার

অলরাউন্ডার

উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান

ডেভিড ওয়ার্নার (অস্ট্রেলিয়া), কেইন উইলিয়ামসন (নিউজিল্যান্ড), মনীশ পাণ্ডে (ভারত), প্রিয়ম গর্গ (ভারত), বিরাট সিং (ভারত)

স্পিনার

রশিদ খান (আফগানিস্তান), শাহবাজ নাদিম (ভারত)

ফাবিয়ান অ্যালেন (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), মিচেল মার্শ (অস্ট্রেলিয়া), বিজয় শংকর (ভারত), মোহাম্মদ নবী (আফগানিস্তান)

জনি বেয়ারস্টো (ইংল্যান্ড), ঋদ্ধিমান সাহা (ভারত), শ্রীবৎস গোস্বামী (ভারত)

পেসার

ভুবনেশ্বর কুমার (ভারত), খলিল আহমেদ (ভারত), সিদ্ধার্থ কল (ভারত), বিলি স্ট্যানলেক (অস্ট্রেলিয়া)

দিল্লি ক্যাপিটালস

ব্যাটসম্যান

বোলার

অলরাউন্ডার

উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান

শিখর ধাওয়ান (ভারত), শ্রেয়াস আইয়ার (ভারত), অজিঙ্কা রাহানে (ভারত), পৃথ্বী শ (ভারত), জেসন রয় (ইংল্যান্ড), শিমরন হেটমায়ার (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)

স্পিনার

রবিচন্দ্রন অশ্বিন (ভারত), অমিত মিশ্র (ভারত), সন্দ্বীপ লামিচ্ছানে (নেপাল)

ক্রিস ওকস (ইংল্যান্ড), অক্ষর প্যাটেল (ভারত), মার্কাস স্টয়নিস (অস্ট্রেলিয়া)

ঋষভ পন্ত (ভারত), অ্যালেক্স ক্যারি (অস্ট্রেলিয়া)

পেসার

কেমো পল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), কাগিসো রাবাদা (দক্ষিণ আফ্রিকা), ইশান্ত শর্মা (ভারত), মোহিত শর্মা (ভারত)

চেন্নাই সুপার কিংস

ব্যাটসম্যান

বোলার

অলরাউন্ডার

উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান

ফাফ ডু প্লেসিস (দক্ষিণ আফ্রিকা), মুরলি বিজয় (ভারত), সুরেশ রায়না (ভারত), অম্বাতি রাইড়ু (ভারত)

স্পিনার

হরভজন সিং (ভারত), ইমরান তাহির (দক্ষিণ আফ্রিকা), পীযুষ চাওলা (ভারত), করণ শর্মা (ভারত)

শেন ওয়াটসন (অস্ট্রেলিয়া), রবীন্দ্র জাদেজা (ভারত), কেদার যাদব (ভারত), স্যাম কুরান (ইংল্যান্ড), মিচেল স্যান্টনার (নিউজিল্যান্ড), ডোয়াইন ব্রাভো (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)

মহেন্দ্র সিং ধোনি (ভারত)

পেসার

লুঙ্গি এনগিদি (দক্ষিণ আফ্রিকা), দীপক চাহার (ভারত), শার্দুল ঠাকুর (ভারত), জশ হ্যাজলউড (অস্ট্রেলিয়া)

রাজস্থান রয়্যালস

ব্যাটসম্যান

বোলার

অলরাউন্ডার

উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান

স্টিভেন স্মিথ (অস্ট্রেলিয়া), রবিন উথাপ্পা (ভারত), যশস্বী জয়সওয়াল (ভারত), ডেভিড মিলার (দক্ষিণ আফ্রিকা)

স্পিনার:

ময়ঙ্ক মারখান্ডে (ভারত)

রিয়ান পরাগ (ভারত), বেন স্টোকস (ইংল্যান্ড)

জস বাটলার (ইংল্যান্ড), সঞ্জু স্যামসন (ভারত), আনুজ রাওয়াত (ভারত)

পেসার:

জোফরা আর্চার (ইংল্যান্ড), বরুণ অ্যারন (ভারত), অঙ্কিত রাজপুত (ভারত), জয়দেব উনাদকাট (ভারত), ওশানে টমাস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), অ্যান্ড্রু টাই (অস্ট্রেলিয়া), টম কুরান (ইংল্যান্ড)

কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব

ব্যাটসম্যান

বোলার

অলরাউন্ডার

উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান

ক্রিস গেইল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), ময়ঙ্ক আগারওয়াল (ভারত), করুণ নায়ার (ভারত)

স্পিনার

মুজিব উর রহমান (আফগানিস্তান), মুরুগান অশ্বিন (ভারত)

গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (অস্ট্রেলিয়া), জিমি নিশাম (নিউজিল্যান্ড), দীপক হুদা (ভারত), ক্রিস জর্ডান (ইংল্যান্ড)

লোকেশ রাহুল (ভারত), নিকোলাস পুরান (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)

পেসার

মোহাম্মদ শামি (ভারত), শেলডন কটরেল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), হার্ডাস ভিলোয়েন (দক্ষিণ আফ্রিকা)

এমআর/ এমকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শক্তিশালী রাজশাহীকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় রংপুরের
এ নিয়ে টানা দুই হার রাজশাহী রয়ালসের। অন্যদিকে টানা দ্বিতীয় জয় রংপুর রেঞ্জার্সের। আন্দ্রে রাসেলের নেতৃত্বে টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই দুর্দান্ত খেলে আসছে দলটা। কিন্তু নিজেদের সপ্তম ম্যাচে ঢাকা প্লাটুনের বিপক্ষে ৭৪ রানে হারের পর আজ হেরেছে রংপুর রেঞ্জার্সের কাছে। প্রথম দুই ম্যাচ খেলার পর তৃতীয় ম্যাচে জায়গা হারান, চতুর্থ ম্যাচে আবারও ফেরেন একাদশে। তিন ম্যাচে উইকেট শূন্য থাকায় পঞ্চম, ষষ্ঠ আর সপ্তম ম্যাচেও দলে জায়গা হয়নি তাসকিন আহমেদের। অথচ এই তাসকিন গত বিপিএলে ১২ ম্যাচে ২২ উইকেট নিয়ে হয়েছিলেন টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি! টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না রংপুর রেঞ্জার্সের। তাসকিন দলে ফিরেই হারিয়ে দিলেন শক্তিশালী রাজশাহী রয়ালসকে। টস জিতে ফিল্ডিং করাটা যেন নিয়ম করে ফেলেছে রাজশাহী। আজও ঘটেনি ব্যতিক্রম। ঢাকায় তৃতীয় পর্বে শেষ দিনের শেষ ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে পাঠায় রংপুর রেঞ্জার্সকে। ব্যাট করতে নেমে রংপুরের ওপেনার শেন ওয়াটসন হতাশ করলেন এই ম্যাচেও। তার ব্যাটে রান যেন সোনার হরিণ। আজ মাত্র ৭ রানেই সাজঘরে ফেরেন আফিফ হোসেনের বলে ক্যাচ দিয়ে। আরেক ওপেনার নাঈম শেখ ধরে রেখেছেন ধারাবাহিকতা। ৪৭ বলে ৫৫ রানের ইনিংস খেলে ক্যাচ এন্ড বোল্ড হয়ে বিদায় নেন কামরুল ইসলাম রাব্বির বলে। চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ক্যামেরুন ডেলপোর্টের ১৭ বলে ৩১, লুইস গ্রেগরির ১৭ বলে ২৮ আর শেষদিকে জহুরুল ইসলাম অমির ৮ বলে ১৯ রানে ভর করে ৬ উইকেটে ১৮২ রান তুলে ফেলে রংপুর। রাজশাহীর হয়ে ২টি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ ইরফান ও আফিফ। ১টি করে উইকেট নেন রাব্বি ও ফরহাদ রেজা। পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থাকা রংপুর আজ যেন ফুলকির মতো জ্বলে উঠলেন। বল হাতে দুর্দান্ত তাসকিন, সঙ্গে মোস্তাফিজের আঁটসাঁট বোলিং কাবু করে ফেলে রাজশাহীর ব্যাটারদের। রাজশাহীর হয়ে অলোক কাপালির ব্যাটে আসে সর্বোচ্চ ৩১ (২৮) রান। এছাড়া রাবি বোপারার ২৮, নাহিদুল ইসলামের ১৯ রানের সঙ্গে বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হোন আন্দ্রে রাসেল। ৭ বলে ১৭ রানের ইনিংস খেলে রান আউটে কাটা পড়েন রয়ালস অধিনায়ক। ততোক্ষণে রাজশাহীর জয়ের স্বপ্ন ফিকে হয়ে যায়। ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৫ রান পর্যন্ত তুলতে পারে রয়ালসরা। ৪৭ রানের জয়ে মাঠ ছাড়ে রংপুর। তাসকিন নেন ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট। মোস্তাফিজ ৪ ওভারে ১ মেডেন নিয়ে দেন মাত্র ১৬ রান। লুইস গ্রেগরি নেন ২ উইকেট, মোহাম্মদ নাবী নেন ১ উইকেট। এমআর/ এমকে
শক্তিশালী রাজশাহীকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় রংপুরের
আত্মবিশ্বাসই ম্যাচ জিতিয়েছে: আবু হায়দার
ডেভিড মালানের ৫১ বলে ৭৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংসকেও ছাপিয়ে গেছে আবু হায়দার রনির ৮ বলে ১২ রান। রনির এই ১২ রানের জাদুকরি ইনিংসে ভর করেই আসরের তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু বিপিএলের ২৭তম ম্যাচে টস হেরে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স আগে ব্যাট করে ১৬০ রানের লক্ষ্য দাঁড় করায় ওয়ারিয়র্সদের সামনে। ব্যাটিংয়ে নেমে ৫১ বলে ৭৪ রানের ইনিংস খেলেন কুমিল্লার অধিনায়ক ডেভিড মালান। টিকে থাকেন শেষ ওভারের পঞ্চম বল পর্যন্ত। মূলত মালানের ব্যাটে ভর করেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় কুমিল্লা। লিয়াম প্লাঙ্কেটের করা ইনিংসের শেষ ওভারে কুমিল্লার প্রয়োজন ১৬ রান। প্রথম বলে ১ রান নিয়ে স্ট্রাইকে গিয়েই বাউন্ডারি হাঁকান আবু হায়দার রনি। পরের বলে আর বাউন্ডারি নয়, লং-অনে ওভার বাউন্ডারি আসে রনির ব্যাটে। চার নম্বর বলে প্রান্ত বদল করে স্ট্রাইকে যান মালান। পঞ্চম বলে দুই রান নিতে গিয়েই ঝামেলা বাঁধান অধিনায়ক। দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে রান আউট হয়ে ফেরেন সাজঘরে। তার ব্যাটে আসে ৫১ বলে ৭৪ রান। শেষ বলে ৩ রান লাগে। নতুন ব্যাটসম্যান মুজিব উর রহমানের বাউন্ডারিতে ২ উইকেটের (সানজামুলের রিটায়ার্ড হার্ট) জয় নিশ্চিত করে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স।  এতে নায়ক বনে যান আবু হায়দার রনি। উপস্থিত হোন সংবাদ সম্মেলনেও। এমন ব্যাটিংয়ের রহস্যটাও জানালেন তিনি। তার মতে, আত্নবিশ্বাসই এমন ব্যাটিং করার রহস্য। ৮ বলে ১২ রানের ম্যাচ জয়ী ইনিংসটাকে অবিশ্বাস্য মনে করছেন না এই বোলার। ‘হ্যাঁ, আমার আত্মবিশ্বাস ছিল কারণ আমি পাওয়ার ব্যাটিং নিয়ে বেশ কিছুদিন যাবত কাজ করছি। এইরকম অবস্থায় কিভাবে কাজ করা যায় সেটা জেনেছি। আর মালান ছিল। একটা সাহস ছিল যে পারব আমরা।’ তবে রনির পরিকল্পনায় ছিল মালানকে কিভাবে স্ট্রাইক দেয়া যায়। কেন না, সেট ব্যাটসম্যান হিসেবে মালানের পক্ষে কাজটা যত সহজ ছিল রনির পক্ষে ততোটা না। ‘আমার পরিকল্পনা ছিল মালানকে কিভাবে স্ট্রাইক দেওয়া যায়। শেষ ওভারে যখন খেলা চলে এসেছে এক দেয়ার অবস্থা ছিল না। কারণ রান ছিল ১৬। আমিও চেষ্টা করেছি মেরে রান নেয়ার।’ এমআর/ওয়াই                                                                                                       
আত্মবিশ্বাসই ম্যাচ জিতিয়েছে: আবু হায়দার
কাউকে অনুকরণ করার ইচ্ছা নেই: শান্ত
  অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ থেকেই নির্বাচকদের নজরে নাজমুল হোসেন শান্ত। এরইমধ্যে জাতীয় দলের হয়েও অভিষেক ঘটেছে ২১ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যানের। পুরাদস্তুর ব্যাটসম্যান হলেও দলের প্রয়োজনে করেন বোলিংও। দুটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে আর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলেছেন দুটি। এই কটা ম্যাচে কতই বা আর তুলে ধরতে পেরেছেন নিজেকে। তরুণ শান্ত তাই শেখার দিকেই দিয়েছেন পুরোপুরি মনোযোগ। এবারের বঙ্গবন্ধু বিপিএলে খেলছেন খুলনা টাইগার্সের হয়ে। দলের হয়ে সব ম্যাচেই খেলেছেন। যদিও আশানুরূপ ব্যাটিংটা করতে পারেননি এখনও। ছয় ম্যাচে নেই একটিও পঞ্চাশোর্ধ রানের ইনিংস। সবশেষ ম্যাচে সিলেট থান্ডারের বিপক্ষে মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে শতরানের ওপেনিং জুটি গড়লেও করতে পেরেছিলেন মাত্র ৪১ রান। এর আগের পাঁচ ম্যাচে করেছেন ৪, ০, ১, ০ আর ৩০ রান। তবে কি টি-টোয়েন্টির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে কষ্ট হচ্ছে শান্তর?  ‘না আমার কাছে ওইরকম মনে হচ্ছে না। এখন পর্যন্ত ৪০-৫০টা ম্যাচের মতো খেলেছি। এ বছরের শুরুর দিকের কয়েকটা ম্যাচ যদি দেখেন, প্রথম কয়েকটি ম্যাচে আমি দ্রুত আউট হয়ে গেছি। এক-দুই বলের মধ্যেই, তাই সেভাবে ইনিংসটা সাজানোর সুযোগই পাইনি। তো আমার কাছে ওইরকম কিছু মনেই হচ্ছে না। শেষ দুইটা ম্যাচে ভালো শুরু পেয়েছে, বাকি ম্যাচগুলোতে যদি এটা করতে পারি তাহলে বড় রান করার প্রত্যাশা করছি।’ বয়সভিত্তিক দল থেকে জাতীয় দল, এই সময়টায় সেভাবেই গড়ে তোলা হয়েছে তাকে। তাই প্রত্যাশাটাও বেশি। শান্ত বলছেন, প্রত্যাশা না থাকাটাই ভালো। ‘আসলে প্রত্যাশা না থাকা ভালো। সকলেরই প্রত্যাশা থাকে, নিজের থাকে, পরিবারের থাকে। এটা নিয়ে বেশি ঘাটাঘাটি না করে প্রক্রিয়াটা মেনে চললেই আমার মনে হয় ভালো করা সম্ভব। ভালো করলে এমনেই প্রত্যাশা পূরণ হবে।’ খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলছেন রিলে রুশো, রাবি ফ্রাইলিঙ্কের মতো ক্রিকেটাররা। শান্ত শিখছেন তাদের থেকেও। ‘আলাদাভাবে ওইরকম কোনও কথা হয়নি। তবে রুশো খুব ভালো টাচে আছে। শেষ দুই তিন বছর বিপিএলে খুব ভালো খেলছেন। তাকে দেখে অনেক কিছু শেখা যায়। অনেক সময় অনুশীলনে দেখা হয়, কথা হয়। অভিজ্ঞতা শেয়ার করে, যা আমার জন্য ভালো।’ জাতীয় দল কিংবা বিপিএল। বড় সব ক্রিকেটারদের সঙ্গে খেলে তাদের থেকে কিছু শেখার চেষ্টা করছেন বলেও জানান এই ওপেনার। তবে অনুকরণ করেন না বলেও জানান তিনি। ‘আমি সবার খেলা দেখেই কিছু না কিছু নেয়ার চেষ্টা করি। আমার নিজের একটা ধরন আছে খেলার, সেটার সঙ্গে মিল রেখেই কাজ করি। নির্দিষ্ট করে কাউকে অনুকরণ করার ইচ্ছা নেই।’ এমআর/ওয়াই
কাউকে অনুকরণ করার ইচ্ছা নেই: শান্ত
বিজয় দিবস কুস্তি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
বাংলাদেশ অ্যামেচার রেসলিং ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী রুপান্তর ও বাজার২৪ ডটকম মহান বিজয় দিবস কুস্তি প্রতিযোগিতার পুরুষ বিভাগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও নারী বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ আনসার।  মঙ্গলবার শেখ রাসেল রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে প্রতিযোগিতায় পুরুষ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দল পেয়েছে ৪টি স্বর্ণ, ৪টি রৌপ্য ও ২টি ব্রোঞ্জসহ মোট ১০টি পদক।  প্রথম রানার আপ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)  পেয়েছে ৪টি স্বর্ণ, ২টি রৌপ্য ও ৩টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৯টি পদক।  দ্বিতীয় রানার আপ দল আনসার পেয়েছে ১টি স্বর্ণ, ৩টি রৌপ্য ও ৩টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৭টি পদক।  এদিকে নারী বিভাগে চ্যাম্পিয়ন দল বাংলাদেশ আনসার পেয়েছে ৬টি স্বর্ণ ও ৪টি ব্রোঞ্জসহ মোট ১০টি পদক। প্রথম রানার আপ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীপেয়েছে ৪টি স্বর্ণ, ৪টি রৌপ্যসহ মোট ৮টি পদক। দ্বিতীয় রানার আপ বাংলাদেশ পুলিশ পেয়েছে ৬টি রৌপ্য ও ২টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৮টি পদক।  প্রতিযোগিতা শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে পুরস্কার বিতরণ করেন পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ড. কাজী এরতেজা হাসান।  এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমান পালোয়ান ও যুগ্ম সম্পাদক মেসবাহ উদ্দিন আজাদসহ অন্যান্যরা।  ওয়াই
বিজয় দিবস কুস্তি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
রাজশাহীর বিপক্ষে টস হেরে ব্যাট করছে রংপুর
দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে রয়্যালসের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে রংপুর রেঞ্জার্স। মঙ্গলবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস জেতার পর রংপুরকে ব্যাট করতে পাঠায় রাজশাহীর অধিনায়ক আন্দ্রে রাসেল। ৭ খেলায় ১০ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার চার নম্বরে অবস্থান করছে রয়্যালসরা। বলতে গেলে সুবিধাজনক স্থানেই রয়েছে লিটন দাস-আফিফ হোসেনরা। সমান ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে রেঞ্জার্সদের অবস্থান ষষ্ঠ। তাই জয়ের বিকল্প নেই শেট ওয়াটসন নেতৃত্বাধীন দলটির সামনে। দিনের প্রথম ম্যাচে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে হাড্ডা-হাড্ডি লড়াইয়ে তিন উইকেটের জয় পেয়েছে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। রংপুর রেঞ্জার্স শেন ওয়াটসন (অধিনায়ক), মোহাম্মদ নাঈম, ক্যামেরন ডেলপোর্ট, লুইস গ্রেগরি, ফজলে মাহমুদ, মোহাম্মদ নবী, জহুরুল ইসলাম অমি, আল আমিন হোসেন জুনিয়র, আরাফাত সানি, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ। রাজশাহী রয়্যালস  লিটন দাস, আফিফ হোসেন ধ্রুব, শোয়েব মালিক, অলক কাপালি, রবি বোপারা, আন্দ্রে রাসেল (অধিনায়ক), নাহিদুল ইসলাম, ফরহাদ রেজা, তাইজুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম রাব্বি ও মোহাম্মদ ইরফান।  ওয়াই
রাজশাহীর বিপক্ষে টস হেরে ব্যাট করছে রংপুর
আরও পড়ুন
আইপিএলে দল পাননি যারা
আইপিএল বলে দিবে ধোনি কবে থামছেন
ঘুরে ফিরে আইপিএলেই হেসন
ম্যাককালামেই আস্থা কেকেআরের