ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

তাইজুলকে বিশ্বের সেরা তিনে রাখলেন মুশতাক

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৪ পিএম
মুশতাকের সঙ্গে অনুশীলনে তাইজুল ইসলাম। ছবি: বিসিবি

দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশ ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি মুশতাক আহমেদ। ফলে তাইজুল ইসলামকে খুব কাছ থেকেই দেখছেন তিনি। এবার বিশ্বসেরা তিন স্পিনারের মধ্যে নিজের শিষ্যকে রেখেছেন এই স্পিন কোচ।

উইজডেনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের পছন্দের তিন স্পিনারের নাম জানান মুশতাক। যেখানে তিনি বেছে নিয়েছেন— তাইজুল ইসলাম, কেশব মহারাজ ও আদিল রশিদকে।

টেস্ট দলে বাংলাদেশের অন্যতম নির্ভরযোগ্য বোলার তাইজুল ইসলাম। অন্যদিকে মহারাজ ও আদিল রশিদ সাদা বলের ক্রিকেটে নিজেদের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন। তাদের পাশাপাশি লায়নের নামও গুরুত্ব দিয়ে উল্লেখ করেছেন মুশতাক।

তিনি বলেন, তাইজুলের ২৭০ এরও বেশি উইকেট আছে, বাহাতি স্পিনার কেশব মহারাজ, ইংল্যান্ডের আদিল রশিদ। অনেকেই আছে যারা সাদা বলেও নিজেদের সেরাটা ঢেলে দিচ্ছে। লায়নের সময় হয়ত পেরিয়ে গেছে।

লায়নের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার অবশ্য এখন পড়তির দিকে। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১৪৩ টেস্ট খেলা এই অফ স্পিনার ওয়ানডে খেলেছেন মাত্র ২৯টি। ৩৮ বছর বয়সী লায়ন সর্বশেষ ওয়ানডে খেলেছেন ২০১৯ বিশ্বকাপে। এরপর আর অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে দলে নিয়মিত দেখা যায়নি তাকে।

লায়নের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের এমন পরিণতিতে বিস্ময় প্রকাশ করে মুশতাক বলেন, নাথান লায়ন ওয়ানডে খেলে না- এতে আমি শকড। সে এখনও চাইলে ওয়ানডে খেলতে পারত। জানি না অস্ট্রেলিয়া কেন কখনও ওকে বিবেচনা করেনি।

তাইজুল, মহারাজ ও আদিলকে বেছে নেওয়ার পেছনের কারণও ব্যাখ্যা করেছেন পাকিস্তানের সাবেক এই লেগ স্পিনার। তার মতে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ধারাবাহিকভাবে ভালো ওভার করার সামর্থ্যই একজন স্পিনারের বড় শক্তি।

মুশতাক বলেন, ধারাবাহিকভাবে ভালো ওভার করতে পারে এমন বাঁহাতি স্পিনার যদি আপনি দেখেন, আবারও বলি, ধারাবাহিকভাবে ভালো ওভার… এখন তো অন্যদের টেকনিক ধরে ফেলা যায়, চ্যালেঞ্জ করা যায়। যে তিনজনের কথা বললাম, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তারা খুবই ভালো।

মুশতাকের তালিকায় তাইজুলের নাম থাকাটা বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্যও দারুণ ব্যাপার। বিশেষ করে ভারত, পাকিস্তান কিংবা শ্রীলঙ্কার কোনো স্পিনারকে না রেখেই এশিয়া থেকে শুধু বাংলাদেশের এই বাঁহাতি স্পিনারকে বেছে নিয়েছেন তিনি।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সমালোচিত সেই ভিডিও নিয়ে এবার মুখ খুললেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ
‘পঞ্চপাণ্ডব’ হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশের সাবেক তারকা ক্রিকেটার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে। ক্যারিয়ারের দীর্ঘ সময়ে বিতর্ক এড়িয়ে চলা এই ক্রিকেটার সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান জমজম ব্রাদার্সের অফিসে একটি মিটিংয়ে অংশ নেওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়েন। তবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা বাড়তে থাকায় এবার নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। জমজম ব্রাদার্সের অফিসে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করার পাশাপাশি বিতর্কের জন্ম দেওয়া পোস্টটিও ইতোমধ্যে মুছে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। সমালোচনার সূত্রপাত সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়েরের একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে। ওই পোস্টের পর মাহমুদউল্লাহর জমজম ব্রাদার্সের অফিসে যাওয়া এবং সেখানে অনুষ্ঠিত বৈঠক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়। ঘটনাটি ঘিরে নানা প্রশ্ন ও সমালোচনা তৈরি হলেও, নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছেন এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম পরিচিত মুখ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ দীর্ঘদিন জাতীয় দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও সাধারণত বিতর্কের বাইরে থাকা এই ক্রিকেটারকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাটি তাই ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ তৈরি করেছে। পোস্টে জুরকারনাইন দাবি করেন, বাংলাদেশের জাতীয় দলের এক সাবেক ক্রিকেটার ভানুয়াতুর নাগরিকত্বে বিনিয়োগের বিষয়টি প্রচার করছেন। পোস্টে এ ধরনের বিনিয়োগের অর্থ বিদেশে পাঠানোর বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। একইসঙ্গে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মতো পরিচিত একজন ক্রিকেটারের এমন প্রচারে যুক্ত থাকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। সায়েরের পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোড়ন যখন তুঙ্গে ওঠার উপক্রম, তখনই বিষয়টি স্পষ্ট করেন রিয়াদ। ততক্ষণে তিনি বুঝতে পারেন, বিনা স্বার্থে তিনি যে ভিডিওতে অংশ নিয়েছেন সেখানে দেশের স্বার্থের প্রশ্ন জড়িত। তাই জমজম ব্রাদার্সকে বলে পোস্টগুলোই মুছে ফেলেন। এরপর নিজেই ভেরিফাইড ফেসবুকে বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়ে মাহমুদউল্লাহ লেখেন, ‘সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে, সে বিষয়ে আমি আমার অবস্থান পরিষ্কার করতে চাই।’ ‘কিছুদিন আগে শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জমজম ব্রাদার্সের সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় হয়। তাদের আমন্ত্রণে একদিন তাদের অফিসে গেলে, তারা তাদের একটি নতুন ব্যবসায়িক প্রকল্পের বিষয়ে ভিডিও করার অনুরোধ জানান। তবে প্রকল্পটি সম্পর্কে আমার আগে থেকে কোনো ধারণা ছিল না এবং এর সঙ্গে আমার কোনো ধরনের ব্যাবসায়িক এবং অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততাও নেই।’ রিয়াদ লেখেন, ‘আমার অনুরোধে তারা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাদের সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে ভিডিওটি সরিয়ে নেন।’  পোস্টে তিনি বলেন, ‘আমার পুরো ক্যারিয়ারে ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে সব সময় বিতর্ক এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছি। অনিচ্ছাকৃত এই ঘটনায় কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে কিংবা কোনো ধরনের বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়ে থাকলে, আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী’ বলে যোগ করেন লেখায়। পোস্টের শেষে ‘ভবিষ্যতে এ ধরনের বিষয়ে আরও সতর্ক থাকবেন জানিয়ে, সবার প্রতি ভালোবাসা, সমর্থন ও বোঝাপড়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান সাবেক এই তারকা ক্রিকেটার। আরটিভি/এসকে
সমালোচিত সেই ভিডিও নিয়ে এবার মুখ খুললেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ
আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে তাসকিন, শরিফুল ও তানজিদের উন্নতি
ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টের প্রথম ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। তবে দল হারলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের সুবাদে আইসিসির সর্বশেষ ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের তিন ক্রিকেটারের।
আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে তাসকিন, শরিফুল ও তানজিদের উন্নতি
আফগানিস্তানকে ১১৯ রানে থামাতে হবে বাংলাদেশের
২৮ রানে ছিল ৪ উইকেট। সেখান থেকে সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমন লড়াই করলেন। কিন্তু সেই লড়াই শেষ পর্যন্ত বৃথা গেল বাকি ব্যাটারদের ব্যর্থতায়। ফলে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাত্র ১৬০ রানে গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশের ইনিংস। এই মামুলি স্কোর নিয়ে বাংলাদেশ কি পারবে ৪১ রানে জিততে? তা না হলে শুক্রবার ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে দর্শকের ভূমিকায় থাকতে হবে টাইগারদের। বুধবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ত্রিদেশীয় সিরিজের কঠিন সমীকরণের ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমেই বিপদে পড়েন তানজিদ হাসান তামিম, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত ও তাওহীদ হৃদয়রা। সিরিজের ফাইনালে খেলতে হলে বাংলাদেশকে জিততে হবে ৪১ রানের ব্যবধানে। ব্যাটিংয়ে নামার আগেই যখন এমন সমীকরণ, তখন দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের পরিবর্তে আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দেন প্রথম সারির চার ব্যাটার। ৭ ওভারে মাত্র ২৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়া দলকে খেলায় ফেরাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন ওপেনার সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমন। পঞ্চম উইকেটে তারা ১৪৭ বল মোকাবিলা করে ৯৩ রানের জুটি গড়েন। দলকে খেলায় ফেরাতে টেস্টের আদলে ব্যাটিং করেন সাইফ ও ইমন। তবে তাদের ধীরগতির ব্যাটিংয়ের কারণে স্কোর প্রত্যাশিত মাত্রায় বাড়েনি। ৩১ ওভার বা ১৮৬ বল খেলা শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪ উইকেটে মাত্র ১২০ রান। ওয়ানডে ক্রিকেটে যেখানে প্রতি বলে গড়ে রান তোলার প্রত্যাশা থাকে, সেখানে প্রয়োজনীয় গতির তুলনায় অনেক পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। ৪৯ ও ৪১ রানে ব্যাটিংয়ে থাকা পারভেজ হোসেন ইমন ও সাইফ হাসানের কাছে প্রত্যাশা ছিল, দলকে এগিয়ে নিতে তারা হাত খুলে ব্যাট চালাবেন। কিন্তু ৩২তম ওভারের তৃতীয় বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন সাইফ। ওপেনিংয়ে ব্যাট করতে নেমে ৩১.৩ ওভারে ক্যাচ তুলে বিদায় নেওয়ার আগে ৮২ বলে ৪১ রান করেন তিনি। অর্থাৎ, প্রতি রান করতে তার গড়ে দুই বল লেগেছে। সাইফ আউট হওয়ার পর ব্যাটিংয়ে নেমে ৬ বলে মাত্র ২ রান করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। হাত খুলে খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন তিনিও। মিরাজ আউট হওয়ার পর কার্যত একাই লড়াই চালিয়ে যান পারভেজ হোসেন ইমন। পুরো ৫০ ওভার পর্যন্ত দলকে টেনে নিতে হলে তাকে হিসাব করে খেলতে হচ্ছিল। বড় শট খেলার সামর্থ্য থাকলেও উইকেট ধরে রেখে দলকে এগিয়ে নেওয়াই হয়ে ওঠে তার প্রধান লক্ষ্য। ৩৭.৩ ওভারে দলীয় ১৪৭ রানে সপ্তম ব্যাটার হিসেবে ফেরেন পেসার শরীফুল ইসলাম। ইমনকে সঙ্গ দিতে ক্রিজে আসেন অফ স্পিনার আলিস আল ইসলাম। বোলারদের নিয়ে ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলার লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে থাকা ইমন বিপদে পড়েন ৪০তম ওভারের দ্বিতীয় বলে। রশিদ খানের গুগলিতে বিভ্রান্ত হয়ে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন তিনি। দলীয় ১৫৬ রানে আউট হওয়ার আগে ইমন ৯৬ বলে সর্বোচ্চ ৭০ রান করেন। তার ইনিংসটি সাজানো ছিল পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কায়। অষ্টম ব্যাটার হিসেবে ইমন আউট হওয়ার পর মাত্র ১২ বলের ব্যবধানে স্কোরবোর্ডে ৬ রান যোগ করতেই সাজঘরে ফেরেন আলিস আল ইসলাম ও মোস্তাফিজুর রহমান। তাদের বিদায়ের মধ্য দিয়ে ৪১.২ ওভারে ১৬০ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। আরটিভি/টিআর
আফগানিস্তানকে ১১৯ রানে থামাতে হবে বাংলাদেশের
বাংলাদেশের একাদশে তিন পরিবর্তন
ত্রিদেশীয় সিরিজের বাঁচা-মরার লড়াইয়ে বাংলাদেশ আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিং নিয়েছে। আবুধাবিতে তাওহীদ হৃদয় টস জেতেন এবং আফগানদের রান তাড়া করার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন। টাইগারদের বুধবার (২১ অক্টোবর) জিততেই হবে ফাইনাল খেলতে হলে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আগের ম্যাচে ৯৯ রানে হেরেছিল বাংলাদেশ। অন্যদিকে আফগানিস্তানের কাছে ১৫৮ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে জিম্বাবুয়ে। তাতে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে রান রেটের হিসাব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে শুধু জয় নয়, জয়ের ব্যবধানও বড় ভূমিকা রাখবে বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণে। বাংলাদেশ দলে তিনটি পরিবর্তন। দলে জায়গা পেয়েছেন পারভেজ  ইমন, মেহেদী হাসান মিরাজ ও আলিস আল ইসলাম। রিশাদ হোসেন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও নুরুল হাসান সোহান একাদশ থেকে বাদ পড়েছেন। আলিসের জন্য ম্যাচটি বিশেষ। গত মাসে এশিয়ান গেমসে টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয়েছিল তার। এবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক হচ্ছে এই ক্রিকেটারের। বাংলাদেশ একাদশ তাওহিদ হৃদয় (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন, সাইফ হাসান, পারভেজ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, শরীফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও আলিস আল ইসলাম। আফগানিস্তান একাদশ রহমানউল্লাহ গুরবাজ (উইকেটকিপার), ইব্রাহিম জাদরান, সেদিকুল্লাহ আতাল, রহমত শাহ (অধিনায়ক), হাশমতউল্লাহ শহিদি, আজমতউল্লাহ ওমরজাই, মোহাম্মদ নবী, রশিদ খান, এএম গজনফর, ইয়ামিন আহমদজাই, বিলাল সামি। আরটিভি/টিআর
বাংলাদেশের একাদশে তিন পরিবর্তন
অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ
২০২৭ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে বাংলাদেশ ও নেপাল। ১৬টি দলকে নিয়ে আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে অনুষ্ঠিতব্য এই টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে ৬ ফেব্রুয়ারি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বুধবার (২১ অক্টোবর) টুর্নামেন্টের সূচি ঘোষণা করেছে। চট্টগ্রাম, সিলেট ও কাঠমান্ডুর চারটি ভেন্যুতে (কাঠমান্ডুতে দুটি স্টেডিয়াম) ১৬টি দল মোট ৪১টি ম্যাচে অংশ নেবে। টুর্নামেন্টের আগের দুটি আসরেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। ২০২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত আসরে শেফালি ভার্মার নেতৃত্বে এবং ২০২৫ সালে মালয়েশিয়ায় নিকি প্রসাদের নেতৃত্বে শিরোপা জেতে দলটি। এবার ভারত রয়েছে ‘এ’ গ্রুপে। এই গ্রুপের অন্য দলগুলো হলো আয়ারল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও সহ-আয়োজক নেপাল। ২২ জানুয়ারি কাঠমান্ডুর টিইউ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে আয়ারল্যান্ড ও নেপাল। ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান ও সামোয়া। অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, নাইজেরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত রয়েছে ‘সি’ গ্রুপে। আর ‘ডি’ গ্রুপে রয়েছে ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র ও স্কটল্যান্ড। আগামী ২১ জানুয়ারি উদ্বোধনী দিনে চারটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজক দেশ বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের। সকালে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। একই ভেন্যুতে বিকেলে অস্ট্রেলিয়া খেলবে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে। এছাড়া কাঠমান্ডুর আপার মুলপানি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট গ্রাউন্ডে শ্রীলঙ্কা খেলবে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে। এরপর মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র। গ্রুপ পর্ব চলবে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত। এরপর প্রতিটি গ্রুপ থেকে তিনটি করে দল সুপার সিক্স পর্বে উঠবে। সুপার সিক্সে নয়টি দল দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে অংশ নিবে। সেখান থেকে প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুটি দল সেমিফাইনালে জায়গা করে নেবে। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৪ ফেব্রুয়ারি সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। একই মাঠে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৬ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে। সেমিফাইনাল ও ফাইনালের পরের দিন রিজার্ভ ডে রাখা হয়েছে। আইসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্জোগ গুপ্তা বলেছেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার জন্য তরুণ খেলোয়াড়দের একটি মঞ্চ তৈরি করে দেবে এই টুর্নামেন্ট। তিনি বলেন, আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ আমাদের খেলার ভবিষ্যৎ প্রতিভাদের তুলে ধরার মঞ্চ। নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করে তরুণ খেলোয়াড়দের শীর্ষ পর্যায়ে ক্যারিয়ার গড়ার পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য এটি সর্বোচ্চ পর্যায়ের সুযোগ। ১৬টি দলের খেলোয়াড়রা বিশ্ববাসীর মনোযোগ আকর্ষণ করবে। একই সঙ্গে তারা অন্যান্য ক্রিকেটারদের কাছে পরিচিত ও অনুকরণীয় আদর্শ হয়ে উঠবে এবং তাদের ক্রিকেটযাত্রা অব্যাহত রাখতে অনুপ্রেরণা জোগাবে। গুপ্তা আরও বলেন, আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশ ও নেপালকে বেছে নেওয়ার উদ্দেশ্য হচ্ছে ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ বিকাশে আইসিসির আস্থা ও বিনিয়োগের প্রতিফলন এতে প্রমানিত হয়। ক্রিকেটের প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং দুই দেশের জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশের বয়স ২০ বছরের নিচে হওয়ায় বিশ্বের অন্যতম বড় যুব ক্রীড়া আসর আয়োজনের জন্য দেশ দুটি আদর্শ। আরটিভি/টিআর
অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ
আরও পড়ুন
যে কারণে নিজ দেশের কোচ হতে ভয় পান মুশতাক আহমেদ
লাবুশানেকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের ব্রেকথ্রু আনলেন তাইজুল