ঢাকা রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মোটরসাইকেলের হেলমেট মাথায় তুলে ক্রিকেট বদলে দেন যে কিংবদন্তি

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০০ এএম
ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি ডেনিস অ্যামিস। ছবি: সংগৃহীত

ক্রিকেটে ব্যাটারদের মাথার সুরক্ষায় আধুনিক হেলমেট ব্যবহারের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ এক নাম ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি ডেনিস অ্যামিস। ভয়ংকর গতির ফাস্ট বোলারদের মোকাবিলায় মোটরসাইকেলের হেলমেট মাথায় তুলে ব্যাট করতে নেমে একসময় কটাক্ষের শিকার হলেও, তার সেই সাহসী উদ্যোগই পরবর্তী সময়ে ক্রিকেটে সুরক্ষার নতুন দিগন্ত উন্মোচনে ভূমিকা রাখে।

১৯৭০-এর দশকে ক্রিকেটে ব্যাটারদের জন্য আধুনিক হেলমেটের প্রচলন ছিল না। ডেনিস লিলি, জেফ থম্পসন, মাইকেল হোল্ডিং, অ্যান্ডি রবার্টস, জোয়েল গার্নার ও ইমরান খানের মতো গতিদানবদের সামনে ব্যাটারদের নির্ভর করতে হতো সাহস, দক্ষতা ও প্রতিক্রিয়ার ওপর।

এমন পরিস্থিতিতে ১৯৭৭ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড সিরিজ ক্রিকেটে মোটরসাইকেলের ভারী হেলমেট ও পলিকার্বনেটের ভাইজর পরে ব্যাটিং করেন অ্যামিস। তার এই উদ্যোগ ক্রিকেটে মাথার সুরক্ষার বিষয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে সবাইকে।

৫০টি টেস্ট খেলা অ্যামিস ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম সেঞ্চুরিয়ান হিসেবেও পরিচিত। তবে হেলমেট ব্যবহারের শুরুটা তার জন্য খুব একটা সহজ ছিল না। সতীর্থ ও প্রতিপক্ষের কাছ থেকে তাকে শুনতে হয়েছিল নানা ধরনের কটাক্ষ।

এক সাক্ষাৎকারে নিজের সেই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে অ্যামিস বলেন, ওয়ার্ল্ড সিরিজ ক্রিকেটে ঘণ্টায় ৯০ মাইল বা প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার গতিতে বল করতে সক্ষম এমন ১৯ জন ফাস্ট বোলার ছিলেন। এর আগে লিলি ও থম্পসনের মুখোমুখি হওয়ার অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি বুঝেছিলেন, মাথার সুরক্ষা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

অ্যামিসের ভাষায়, মাথায় আঘাতের পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে। ক্রিকেটার ফিলিপ হিউজের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনাও সেই ঝুঁকির নির্মম উদাহরণ। এসব বিবেচনা করেই তিনি মোটরসাইকেলের হেলমেটের সঙ্গে পলিকার্বনেটের ভাইজর ব্যবহার শুরু করেন।

শুরুর দিকে তাকে শুনতে হতো, ‘এই অ্যামিস, তোমার মোটরসাইকেল কোথায়?’ কিন্তু সময়ের সঙ্গে বদলে যায় পরিস্থিতি। একসময় হেলমেটের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন অন্য ব্যাটাররাও।

অ্যামিস জানান, অস্ট্রেলীয় ব্যাটার ডেভিড হুকসের চোয়াল ভেঙে যাওয়ার পর তাকে ছয় সপ্তাহ স্ট্র দিয়ে তরল খাবার খেতে হয়েছিল। এরপর অ্যান্ডি রবার্টসের বিপক্ষে খেলতে নামার আগে হুকস অ্যামিসের কাছে হেলমেট ধার চান।

এরপর ঘটে যায় স্মরণীয় এক ঘটনা। হেলমেট পরে রবার্টসের করা প্রথম বলটি মাথার দিকে উঠে এলে হুকস সেটিকে হুক করে ছক্কা হাঁকান। অ্যামিসের চোখের সামনেই ঘটে ঘটনাটি।

সেই মুহূর্তের স্মৃতিচারণ করে অ্যামিস বলেন, ধারাভাষ্যকার রিচি বেনো ঘটনাটিকে ক্রিকেটের সংজ্ঞা নির্ধারণ করে দেওয়া মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন।

অ্যামিসের কাছে ঘটনাটি ছিল বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। যে ব্যাটার কয়েক সপ্তাহ আগেও চোয়াল ভাঙার কারণে স্বাভাবিকভাবে খেতে পারছিলেন না, সেই তিনিই একই বোলারের বিপক্ষে একই মাঠে দ্রুতগতির বল হুক করে সীমানার বাইরে পাঠিয়েছিলেন।

ক্রিকেটে হেলমেটের ব্যবহার এক দিনে সর্বজনীন হয়ে ওঠেনি। তবে ডেনিস অ্যামিসের সেই সাহসী পদক্ষেপ ব্যাটারদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একসময় যে হেলমেট নিয়ে তাকে বিদ্রূপ সহ্য করতে হয়েছিল, পরবর্তী সময়ে সেটিই হয়ে ওঠে আধুনিক ক্রিকেটে ব্যাটারদের অপরিহার্য সুরক্ষাসামগ্রীর একটি।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দ্বিতীয় কন্যাসন্তানের বাবা হলেন সাইফউদ্দিন
দ্বিতীয়বারের মতো কন্যাসন্তানের বাবা হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। গতকাল রাত সাড়ে ৯টায় তার ঘর আলো করে এসেছে দ্বিতীয় কন্যাসন্তান। রোববার (৪ অক্টোবর) নিজের ফেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এই সুখবর শেয়ার করেছেন টাইগার অলরাউন্ডার। পোস্টের ক্যাপশনে সাইফউদ্দিন লিখেছেন, আলহামদুলিল্লাহ দ্বিতীয় কন্যা সন্তানের বাবা হলাম। মহান আল্লাহর দরবারে লাখ লাখ শুকরিয়া। নিশ্চয়ই উনি আমার ওপর খুশি আছেন, এজন্য আবারও কন্যাসন্তান দিয়েছেন। এর আগে ২০২৪ সালের ১৮ জুন প্রথম কন্যাসন্তানের বাবা হন সাইফউদ্দিন। ২০২৩ সালের মার্চে ফেনী শহরের গ্র্যান্ড সুলতান কনভেনশন হলে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন তিনি। পরিবারের পছন্দেই বিয়ের পিঁড়িতে বসেন এই ক্রিকেটার। তার স্ত্রী কাজী ফাতেমা তুজ জারা বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন। এদিকে চোটের কারণে আপাতত মাঠের বাইরে রয়েছেন সাইফউদ্দিন। অনুশীলনের সময় হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পাওয়ায় এশিয়ান গেমসেও খেলতে পারেননি তিনি। আরটিভি/এসআর
দ্বিতীয় কন্যাসন্তানের বাবা হলেন সাইফউদ্দিন
ভারতের বিপক্ষে ধবলধোলাই এড়াল ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশের স্বপ্ন পূরণ হলো না ভারতের। লোকেশ রাহুলের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ৩৫১ রানের বড় সংগ্রহ গড়েও হার এড়াতে পারেনি স্বাগতিকরা। শাই হোপের অপরাজিত ১৬২ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে ভর করে ১০ বল হাতে রেখেই ৫ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে ক্যারিবীয়রা। শনিবার নিউ চন্ডিগড়ে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয় দুই দল। প্রথম দুই ম্যাচে রান তাড়া করে জয় পাওয়া ভারত এবারও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বড় লক্ষ্য দিয়েছিল। তবে হোপের ব্যাটিং দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সফরকারীরা। ৩৫২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে পঞ্চম ওভারেই জন ক্যাম্পবেলকে হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এরপর আমির জাঙ্গুকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন হোপ। দ্বিতীয় উইকেটে দুজনের ১০৯ রানের জুটিতে ম্যাচে ফেরে ক্যারিবীয়রা। পাওয়ার প্লে শেষে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১ উইকেটে ৭৮ রান। ৬৭ রান করে রানআউট হন জাঙ্গু। শেরফানে রাদারফোর্ডের ব্যাট থেকে আসে ২৪ রান। অন্যদিকে, একপ্রান্ত আগলে রেখে রান তাড়া এগিয়ে নেন হোপ। পরবর্তী সময়ে ৫৬ রানের আরেকটি জুটি গড়ে জয়ের ভিত শক্ত করেন তিনি। কিমো পল ও ম্যাথু ফোর্ড ফিরে গেলেও হোপের ব্যাট থামানো যায়নি। গুডাকেশ মোটির ১৪ বলে ১৯ রানের কার্যকর ইনিংস জয়ের পথ আরও সহজ করে দেয়। শেষ পর্যন্ত ৪৯তম ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৪৩ বলে ১৭টি চার ও ৩টি ছক্কায় ১৬২ রানে অপরাজিত থাকেন ক্যারিবীয় অধিনায়ক। এই ইনিংসে ওয়ানডেতে প্রথম উইকেটকিপার-অধিনায়ক হিসেবে দেড়শ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন হোপ। এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ভারত। মাত্র ৪ রানের মধ্যে দুই উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন রোহিত শর্মা ও রুতুরাজ গায়কোয়াড়। দুজনের ১৩৭ রানের জুটি ভারতকে বড় সংগ্রহের পথে ফিরিয়ে আনে। সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়েও তিন অঙ্ক ছোঁয়া হয়নি রোহিতের। ৮৫ বলে ৯২ রান করে আউট হন তিনি। অন্যদিকে, অর্ধশতক তুলে নেন গায়কোয়াড়। জেইডেন সিলসের বলে আউট হওয়ার আগে দলের ইনিংসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন এই ব্যাটার। এরপর ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন লোকেশ রাহুল। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের নবম সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার পাশাপাশি শেষ দিকে রানের গতি বাড়ান তিনি। ইনিংসের শেষ ১২ বলে ৪২ রান তুলে ভারতের সংগ্রহ সাড়ে তিনশ ছাড়িয়ে নিতে বড় ভূমিকা রাখেন রাহুল। ১২৯ রানে অপরাজিত থাকেন এই ব্যাটার। শেষ দিকে নামান ধীরের ২১ বলে ৩০ এবং আংশুল কামবোজের ৯ বলে ১৭ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ৭ উইকেটে ৩৫১ রান করে ভারত। তবে রাহুলের সেঞ্চুরি ও ভারতের বড় সংগ্রহ শেষ পর্যন্ত ম্লান হয়ে যায় হোপের অতিমানবীয় ইনিংসে। সিরিজের শেষ ম্যাচ জিতে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর পাশাপাশি সফর শেষ করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আরটিভি/এসকে
ভারতের বিপক্ষে ধবলধোলাই এড়াল ওয়েস্ট ইন্ডিজ
অনুমতি ছাড়া অন্য শহরে ভ্রমণ, শাস্তির মুখে বাংলাদেশের ৩ ক্রিকেটার
এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে ব্যর্থতার পর এবার শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে শাস্তির মুখে পড়ছেন বাংলাদেশের তিন ক্রিকেটার।
অনুমতি ছাড়া অন্য শহরে ভ্রমণ, শাস্তির মুখে বাংলাদেশের ৩ ক্রিকেটার
দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইলেন সালাউদ্দিন
এশিয়ান গেমসে ফাইনালে খেলার লক্ষ্য নিয়ে জাপানে গিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। তবে সেমিফাইনালে পাকিস্তান ও ব্রোঞ্জ পদকের লড়াইয়ে শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে পদক ছাড়াই ফিরতে হচ্ছে লিটন দাসের দলকে। দলের এমন ব্যর্থতায় দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন প্রধান কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। শনিবার নিশিনে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৭.৩ ওভারে মাত্র ১০২ রানেই অলআউট হয় বাংলাদেশ। ফলে ৬৩ রানের বড় ব্যবধানে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় টাইগারদের। ম্যাচ শেষে নিজেদের পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন সালাউদ্দিন। তিনি স্বীকার করেন, দলের কাছে দেশবাসীর যে প্রত্যাশা ছিল, তা পূরণ করতে পারেননি তারা। সালাউদ্দিন বলেন, সত্যিকার অর্থে আমরা দেশবাসীর কাছে লজ্জিত। কোচ হিসেবেও মনে করি আমরা ব্যর্থ হয়েছি। আমাদের কাছে দেশবাসীর যে প্রত্যাশা ছিল, সেটা পূরণ করতে পারিনি। খুবই হতাশাজনক এবং পুরো দেশবাসীর কাছে আমরা লজ্জিত ও ক্ষমাপ্রার্থী। এশিয়ান গেমসে যাওয়ার আগে ফাইনালে খেলার প্রত্যাশা জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। কিন্তু মাঠের পারফরম্যান্সে সেই লক্ষ্যের প্রতিফলন দেখা যায়নি। সেমিফাইনালে পাকিস্তানের কাছে হারের পর ব্রোঞ্জের ম্যাচেও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অসহায় আত্মসমর্পণ করে বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শুরুটা ভালোই করেছিল বাংলাদেশের বোলাররা। মাত্র ২১ রানে প্রতিপক্ষের চার উইকেট তুলে নেয় দল। তবে সেখান থেকে থারিন্দু রাত্নায়েকের ৩২ বলে ৬৫ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ঘুরে দাঁড়ায় শ্রীলঙ্কা। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ১৬৫ রান সংগ্রহ করে তারা। বাংলাদেশের হারের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সালাউদ্দিন দায়ী করেন বোলিংয়ের কয়েকটি খারাপ ওভার এবং পাওয়ার প্লেতে ব্যাটিং বিপর্যয়কে। তিনি বলেন, এই উইকেটে বোলাররা কয়েক ওভার খুব বাজে বল করেছে। যারা টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট তারাই বেশি রান দিয়েছে। ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লেতে বেশি উইকেট হারিয়েছি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মোস্তাফিজুর রহমানের বোলিংও আলোচনায় এসেছে। তিন ওভারে ৪৩ রান দিয়েছেন বাঁহাতি এই পেসার। আগের ম্যাচেও নিজের সেরা ছন্দে ছিলেন না তিনি। তবে মোস্তাফিজের ওপর আস্থা রাখার কথা জানিয়েছেন সালাউদ্দিন। বাংলাদেশ কোচ বলেন, আসলে মোস্তাফিজ অনেকদিন ধরে ইনজুরিতে ছিল এবং সে আমাদের গত ১০ বছরে সেরা খেলোয়াড়দের একজন। খেলার মধ্যে নতুন কোনো ইন্সট্রাকশন পাঠানো হয় না। বিশেষ করে সে ডেড ওভার স্পেশালিস্ট। ফলে তার ওপর আমাদের ভরসা রাখতেই হবে। অধিনায়ক লিটন দাসের পারফরম্যান্সও ছিল হতাশাজনক। পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ম্যাচ মিলিয়ে মাত্র ২ রান করেছেন তিনি। ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচে প্রথম বলেই বোল্ড হয়ে শূন্য রানে ফেরেন লিটন। অধিনায়কসহ দলের ব্যাটারদের ব্যর্থতা নিয়ে সালাউদ্দিন বলেন, আমি সব সময় বলব তারা দেশের জন্য লড়ে। তারা ফেইল করছে, সেটা নিয়ে আমরা অবশ্যই লজ্জিত। টু বি অনেস্ট আমরা টোটাল টিম হিসেবে ভালো পারফর্ম করিনি। শ্রীলঙ্কার রান তাড়ায় শুরুতেই ধসে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান ও লিটন দাস তিনজনই রানের খাতা খোলার আগেই ফিরে যান। মাত্র ৪ রানে তিন উইকেট হারানোর পর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দল। ক্রিকেটারদের শরীরী ভাষা ও মানসিকতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে খেলোয়াড়দের চেষ্টার ঘাটতি দেখছেন না প্রধান কোচ। তার মতে, পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে না পারা এবং দ্রুত উইকেট হারানোই পরাজয়ের অন্যতম কারণ। সালাউদ্দিন বলেন, প্লেয়াররা তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে, কিন্তু আমার মনে হয় আমরা গেমপ্ল্যান ঠিকমতো বাস্তবায়ন করতে পারিনি। ব্যাটিংয়ে দ্রুত উইকেট পড়ে যাওয়ায় ম্যাচটি বের করা সম্ভব হয়নি। এশিয়ান গেমসে পদক জয়ের প্রত্যাশা নিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের এমন বিদায় স্বাভাবিকভাবেই হতাশার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে জাতীয় দলের একাধিক নিয়মিত ক্রিকেটার নিয়েও প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ায় দলের প্রস্তুতি, পরিকল্পনা ও পারফরম্যান্স নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন। আরটিভি/এসকে
দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইলেন সালাউদ্দিন
খুলনায় ক্রিকেটের উন্মাদনা, পর্দা উঠলো জাতীয় ক্রিকেট লিগের
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে ঘরোয়া ক্রিকেটের ঐতিহ্যবাহী ও বড় আসর ঘিরে পুনরায় প্রাণচাঞ্চল্য ও নতুন উদ্দীপনা ফিরে এসেছে খুলনা বিভাগীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। আজ থেকে পর্দা উঠলো ২৮তম জাতীয় ক্রিকেট লিগের।
খুলনায় ক্রিকেটের উন্মাদনা, পর্দা উঠলো জাতীয় ক্রিকেট লিগের