
আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে প্রথমদিনের শুরুটা দুর্দান্ত ভালো করলেও শেষ বিকেলে খেই হারিয়েছে বাংলাদেশ দল। ২২১ রাতে ৩ উইকেট হারানোর পর শেষ ৯৬ রান তুলতে ৫ উইকেট হারিয়েছে টাইগাররা। এতে নিজেদের খেলায় ফিরিয়ে আফগানরা।
প্রথম দিন শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩১৭ রান। এতে তাইজুল ৪ রান ও ১১ রানে অপরাজিত রয়েছেন নাঈম হাসান।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। এটি নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ।
যেখানে স্পিনার নাঈম হাসানের পাশাপাশি অভিজ্ঞ তাইজুল ইসলাম ও মেহেদি হাসান মিরাজ এবং দুই পেসার হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেনকে নিয়ে শান্ত’র দল একাদশ সাজিয়েছে।
শুরু থেকেই তানজিদের আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিংয়ের সামনে তটস্থ ছিল আফগানিস্তানের বোলিং লাইনআপ। শুরুতে সাদমানের কিছু অনিয়ন্ত্রিত শট ছাড়া তাদের স্বস্তির বলতে কিছু ছিল না। তানজিদ আউট হলেও বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির সেশন উপহার দিয়েছেন।
দ্বিতীয় সেশনেও দুর্দান্ত ব্যাট করতে থাকেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে সাদমান ও মুমিনুল মিলে তোলেন ৬০ রান। ব্যক্তিগত ফিফটি পূরণের পর ৬৭ আউট হন সাদমান। ব্যাট হাতে ইতিবাচক ক্রিকেট খেলছিলেন মুমিনুল হক ও দলনেতা নামজুল হোসেন শান্ত। কিন্তু দুজনের কেউই ফিফটি পূরণ করতে পারেননি।
ইয়ামিন আহমেদজাইয়ের বলে আউট হওয়ার আগে ৩৯ রান করেন মুমিনুল। আর কায়েস আহমেদের করা বলে রহমানুল্লাহর হাতে ক্যাচ তুলে দেন শান্ত। আউট হওয়ার আগে ২৯ রান করেন তিনি। এরপর দ্রুত সাজঘরে ফেরেন মুশফিকুর রহিমও। ৭ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি এই অভিজ্ঞ ব্যাটার।
এরপর মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন লিটন। মিরাজ ২৪ রানে বোল্ড আউট হলেও ৮৭ বলে ফিফটি তুলে নেন লিটন। ফিফটির পর মাত্র ৩ রান যোগ করতেই সাজঘরে ফেরেন তিনি।
আর লিটনের বিদায়ের পর মাত্র ২ রান করে হাসান মাহমুদ আউট হন। এতে ৮ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। তবে শেষ দিকে তাইজুলের ৪ ও নাঈমের অপরাজিত ১১ রানে ভর করে ৩১৭ রান তুলে প্রথম দিন শেষ করেছে বাংলাদেশ দল।
আফগানিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট শিকার করেন মোহাম্মদ সালিম। এ ছাড়াও ইয়ামিন আহমাদজাই- ইসমাত আলম দুটি করে এবং ১ উইকেট শিকার করেন কাইস আহমেদ।
আরটিভি/এসআর




