ঢাকা সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩

সালমান আগার সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানের জয়

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫১ এএম

ইংল্যান্ডকে নিয়ে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৩৭ রানে হারিয়েছে পাকিস্তান। দলের জয়ে ব্যাট হাতে বড় অবদান রেখেছেন সালমান আগা। ৯০ বলে ১০৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি। তার সেঞ্চুরিতে ভর করে ৩০৫ রানের পুঁজি গড়ে পাকিস্তান। জবাবে ২৬৮ রানেই অলআউট হয়ে যায় শ্রীলঙ্কা।

পাকিস্তানের দেওয়া ৩০৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে শ্রীলঙ্কা। ৯১ রানের মধ্যে চার উইকেট হারিয়ে বসে দলটি। কামিন্দু মেন্ডিসের ৪৪ রানের পর পঞ্চম উইকেটে পাভান রত্নায়েকে ও জানিথ লিয়ানাগে ১১৯ রানের জুটি গড়ে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেন।

পাভান ৭৯ রান করে ফিরলেও লড়াই চালিয়ে যান জানিথ। দাসুন শানাকাকে সঙ্গে নিয়ে জয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখেন তিনি। শেষ সাত ওভারে শ্রীলঙ্কার প্রয়োজন ছিল ৫৫ রান। তবে ৪৪তম ওভারে জানিথ ৬০ রান করে আউট হওয়ার পরই ভেঙে পড়ে লঙ্কানদের প্রতিরোধ। শেষ পাঁচ উইকেট মাত্র ১৫ রানের ব্যবধানে হারিয়ে ২৬৮ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা।

পাকিস্তানের হয়ে শাহীন শাহ আফ্রিদি সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন। নাসিম শাহ, হারিস রউফ ও ফাহিম আশরাফ দুটি করে উইকেট শিকার করেন।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে পাকিস্তান। ষষ্ঠ ওভারের মধ্যেই ৩২ রানে দুই উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। এরপর দলের হাল ধরেন সালমান আগা। পাকিস্তান দলে প্রত্যাবর্তনের ম্যাচেই নিজের চতুর্থ ওয়ানডে সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি।

২২তম ওভার শেষে চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান। তবে হাসান নওয়াজ ও আরাফাত মিনহাসের সঙ্গে কার্যকর জুটি গড়ে দলকে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে নেন সালমান। তার ৯০ বলে ১০৭ রানের ইনিংসে ছিল পাকিস্তানের ইনিংসের মূল শক্তি।

৪৭তম ওভারে সালমানের বিদায়ের পর শাহীন শাহ আফ্রিদির ১৩ রানের অবদানে ৩০৫ রানে পৌঁছায় পাকিস্তান। ইনিংসের এক বল বাকি থাকতে অলআউট হয় দলটি। শ্রীলঙ্কার হয়ে ইশান মালিঙ্গা চারটি এবং আসিথা ফার্নান্ডো তিনটি উইকেট নেন।

সাম্প্রতিক সময়ে ইংল্যান্ডের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি দল থেকে বাদ পড়া এবং টি-টোয়েন্টি নেতৃত্ব হারানোর পর ওয়ানডেতে দারুণ পারফরম্যান্স করে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিলেন সালমান আগা। তার সেঞ্চুরিতে পাওয়া জয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভসূচনা করল পাকিস্তান।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিবাহবিচ্ছেদের পর মদে আসক্ত হয়ে পড়েন চাহাল
বিবাহবিচ্ছেদের ধাক্কা, মানসিক অস্থিরতা ও উদ্বেগ ব্যক্তিগত জীবনের কঠিন সময় সামলাতে গিয়ে মদ্যপানে আসক্ত হয়ে পড়েছিলেন ভারতের লেগ স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহাল।
বিবাহবিচ্ছেদের পর মদে আসক্ত হয়ে পড়েন চাহাল
নতুন অধিনায়ক নাহিদাকে সাবেক ক্যাপ্টেনের বার্তা
দায়িত্ব বদলালেও দলের প্রতি ভালোবাসা ও অঙ্গীকারে কোনো পরিবর্তন আসেনি বলে জানিয়েছেন জ্যোতি। নতুন অধিনায়ককে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।
নতুন অধিনায়ক নাহিদাকে সাবেক ক্যাপ্টেনের বার্তা
টেস্ট সিরিজ খেলতে ঢাকায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল
সফরে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে সফরকারীরা। বাংলাদেশে ষষ্ঠবারের মতো টেস্ট সিরিজ খেলতে এসেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
টেস্ট সিরিজ খেলতে ঢাকায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল
নারী টি-টোয়েন্টি দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা
বাংলাদেশ নারী টি-টোয়েন্টি দলের নতুন অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নাহিদা আক্তার। 
নারী টি-টোয়েন্টি দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা
যে কারণে ফাঁসিতে ঝুলতে হয়েছিল কিংবদন্তি ক্রিকেটার হিলটনকে
আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেটারদের জীবনের গল্পে কতশত অর্জন আর রেকর্ডের ছড়াছড়ি থাকে। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক ফাস্ট বোলার লেসলি হিলটনের জীবনের শেষ অধ্যায়টি লেখা রয়েছে এক চরম ট্র্যাজেডি আর অন্ধকারের ইতিহাসে। প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে নিজ স্ত্রীকে হত্যার দায়ে ফাঁসিতে ঝুলতে হয়েছিল হিলটনেকে। ১৯৩৪ থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন জ্যামাইকান এই ডানহাতি পেসার। বল হাতে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের সামনে ভয় ধরাতে পারতেন তিনি। দেশের হয়ে ৬টি টেস্ট ম্যাচ খেলে তার শিকার ছিল ১৬টি উইকেট।  খেলোয়াড়ি জীবন শেষে ১৯৪২ সালে লুরলাইন রোজ নামের এক নারীকে বিয়ে করেন হিলটন। ১৯৪৭ সালে তাদের সংসারে আলো ফুটিয়ে জন্ম নেয় এক কন্যাসন্তান (পুত্রসন্তান)। সংসার জীবনের কয়েক বছর পর ফ্যাশন ডিজাইনিং নিয়ে উচ্চতর পড়াশোনা ও কাজের জন্য নিউইয়র্কে পাড়ি জমান লুরলাইন। সেখানেই রয় ফ্রান্সিস নামের এক বিত্তশালী ব্যক্তির সঙ্গে প্রেমে জড়িয়ে পড়েন তিনি। দূরত্বের কারণে স্ত্রীর চালচলনে সন্দেহ জাগলে হিলটন খোঁজ নেওয়া শুরু করেন।  পরবর্তীতে স্ত্রীর পরকীয়ার বিষয়টি হাতেনাতে ধরা পড়ে এবং স্ত্রীর মুখোমুখি হন হিলটন। হিলটনের প্রশ্নের মুখে লুরলাইনও তার সম্পর্কের কথা স্বীকার করে নেন। স্ত্রীর মুখে এমন কথা শুনে ক্ষোভে-দুঃখে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন হিলটন। ঘরে থাকা রিভলবার দিয়ে স্ত্রীকে লক্ষ্য করে পরপর সাতটি গুলি ছুড়েন তিনি। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান লুরলাইন। ঘটনার পর গ্রেপ্তার করা হয় লেসলি হিলটনকে। আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে হিলটনের আইনজীবী যুক্তি দেখান— স্ত্রীর প্রতারণা ও আকস্মিক উত্তেজিত পরিস্থিতিতে আত্মনিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এ কাণ্ড ঘটিয়েছেন তিনি। কিন্তু আদালত সেই যুক্তি গ্রহণ করেনি।  জ্যামাইকার আদালত তাকে লুরলাইনকে নৃশংসভাবে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয়। পরবর্তী সময়ে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল এবং তৎকালীন সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের কাছে প্রাণভিক্ষার আকুল আবেদন জানানো হলেও তা প্রত্যাখ্যান করা হয়। অবশেষে ১৯৫৫ সালের ১৭ মে জ্যামাইকার জেলের চারদেয়ালের মাঝে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে লেসলি হিলটনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। ক্রিকেট ইতিহাসের ১২০ বছরেরও বেশি সময়ের যাত্রায় লেসলি হিলটনই একমাত্র আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার, যার জীবনের গল্প শেষ হয়েছিল আদালতের রায়ে ফাঁসির কাষ্ঠে। আরটিভি/এসআর
যে কারণে ফাঁসিতে ঝুলতে হয়েছিল কিংবদন্তি ক্রিকেটার হিলটনকে
আরও পড়ুন
পাকিস্তানে ঐতিহাসিক রামলীলা মন্দির বন্ধ ঘোষণা
পাকিস্তানের এক-তৃতীয়াংশ প্রাপ্তবয়স্কেরই আছে মানসিক সমস্যা, বলছে গবেষণা
ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল পাকিস্তান 
ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে কড়া জবাব দিলো পাকিস্তান