ঢাকা বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

মেসির বিদায়ে আবেগঘন বার্তা নেইমারের 

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩০ এএম
মেসি ও নেইমার। ছবি: সংগৃহীত

আর্জেন্টাইন ফুটবলে শেষ হলো মেসি অধ্যায়। তার বিদায়ে চুপ থাকতে পারেনি বন্ধু নেইমার জুনিয়র। ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন।

ক্যাপশনে নেইমার লিখেছেন, ‌যারা ফুটবল ভালোবাসেন, তারা এ বছরগুলোতে আপনাকে উপভোগ করেছেন…আজ দেশের ও আপনার জাতীয় দলের জার্সি গায়ে আপনার শেষ ম্যাচ। আশা করি, আপনি প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ করবেন এবং আজকের সব সম্মাননা আপনাকে আনন্দিত করবে।

‘শুধু আর্জেন্টিনা নয়, ফুটবলের জন্য আপনি যা করেছেন তার জন্য পুরো বিশ্ব আপনার কাছে কৃতজ্ঞ। ফুটবলকে আরও গভীরভাবে ভালোবাসতে শেখানোর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।’

তিনি আরও লেখেন, আপনার বিপক্ষে খেলাটা ছিল একটা সম্মানের বিষয়, আর আপনার পাশে খেলে ইতিহাস গড়াটা তার চেয়েও বড় প্রাপ্তি। ধন্যবাদ লিও মেসি।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আর্সেনালকে বিদায় করে শেষ আটে চতুর্থ স্তরের দল ফ্লিটউড টাউন
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্সেনালকে স্তব্ধ করেছে ইংলিশ ফুটবলের চতুর্থ স্তরের দল ফ্লিটউড টাউন। কারাবাও কাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে ফ্লিটউড টাউনের কাছে পেনাল্টি শুটআউটে হেরে বিদায় নিয়েছে গানাররা। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে ফ্লিটউডের হাইবারি স্টেডিয়ামে নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ গোলে ড্র হওয়ার পর টাইব্রেকারে ৫-৩ ব্যবধানে জয় পায় স্বাগতিকরা। এই জয়ে টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে লিগ টুতে খেলা দলটি। ম্যাচের ২১ মিনিটে অ্যারন লুপালো-বির গোলে এগিয়ে যায় ফ্লিটউড। প্রথমার্ধে আর কোনও গোল না হওয়ায় পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় আর্সেনাল। বিরতির পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে সফরকারীরা।  ৫০ মিনিটে ভিক্টর ইয়োকেরেসের গোলে সমতায় ফেরে গানাররা। এরপর একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও নির্ধারিত সময়ে জয়সূচক গোলের দেখা পায়নি তারা। ম্যাচের শেষ দিকে আরও চাপে পড়ে আর্সেনাল। ৮৫ মিনিটের দিকে ফ্লিটউডের হ্যারিসন নিলের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন আর্সেনালের ১৬ বছর বয়সী ফুটবলার ম্যাক্স ডাউম্যান। ফলে বাকি সময় ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় দলটিকে। নির্ধারিত সময়ে সমতা না ভাঙায় ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টি শুটআউটে। সেখানে ফ্লিটউডের পাঁচটি শটই জালে পাঠান খেলোয়াড়েরা। অন্যদিকে আর্সেনালের হয়ে ব্রুনো গিমারায়েসের নেওয়া চতুর্থ শটটি ঠেকিয়ে দেন ফ্লিটউড গোলরক্ষক জে লিঞ্চ।  এরপর পঞ্চম শটে গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন কনর হগি। ৫-৩ ব্যবধানের এই জয়ে আনন্দে মেতে ওঠেন ফ্লিটউডের সমর্থকেরা। আরটিভি/এসআর
আর্সেনালকে বিদায় করে শেষ আটে চতুর্থ স্তরের দল ফ্লিটউড টাউন
সাফে এক টিকিটে দুই ম্যাচ দেখার সুযোগ, কাটবেন যেভাবে
আগামী ৫ নভেম্বর ঢাকায় পর্দা উঠতে যাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। এই টুর্নামেন্টের এক টিকিটে দুটি করে ম্যাচ দেখার সুযোগ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেভারেশন (বাফুফে)। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ভবনে সাফের কর্মকর্তা ও বাফুফের কম্পিটিশন কমিটির সমন্বয় সভায় টিকিটের মূল্য, বিক্রির সময় ও পদ্ধতি চূড়ান্ত করা হয়। আগামী বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত ৮টা থেকে অনলাইনে টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। অনলাইন টিকিটিং প্ল্যাটফর্ম টিকিফাইয়ের মাধ্যমে টিকিট কিনতে পারবেন দর্শকেরা। এবারের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের টিকিট পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। সাধারণ গ্যালারির টিকিটের দাম ১ হাজার টাকা। ক্লাব হাউসে বসে খেলা দেখতে খরচ হবে ৪ হাজার টাকা। ভিআইপি গ্যালারির টিকিট ৭ হাজার, রেড বক্সের ৮ হাজার এবং করপোরেট বক্সের টিকিট ১০ হাজার টাকা। তবে দর্শকদের জন্য একটি সুবিধাও থাকছে। গ্রুপ পর্ব ও সেমিফাইনালে প্রতিটি ম্যাচ-ডেতে দুটি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। একটি টিকিট কিনলেই সেদিনের দুটি ম্যাচ দেখার সুযোগ পাবেন দর্শকেরা। অর্থাৎ আলাদা দুটি ম্যাচের জন্য পৃথক টিকিট কিনতে হবে না। টিকিটিং প্ল্যাটফর্ম টিকিফাই জানিয়েছে, একটি টিকিটে একজন দর্শক নির্দিষ্ট দিনের সব ম্যাচ দেখতে পারবেন। প্রতিদিন প্রথম ম্যাচ শুরুর দেড় ঘণ্টা আগে স্টেডিয়ামের গেট খুলে দেওয়া হবে। তবে ১৭ নভেম্বরের ফাইনালের টিকিটের দাম পরিবর্তন হতে পারে। টিকিট কিনতে দর্শকদের টিকিফাইয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য আলাদা ইভেন্ট পেজ তৈরি করা হয়েছে। নির্ধারিত দিনে পছন্দের গ্যালারি ও আসনের শ্রেণি বেছে টিকিট কেনা যাবে। টিকিটের কিউআর কোড গোপন রাখার পরামর্শও দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। কারণ একই টিকিটের কোড প্রথম যিনি ব্যবহার করবেন, তিনিই স্টেডিয়ামে প্রবেশের অনুমতি পাবেন। উল্লেখ্য, খেলা দেখতে দর্শকদের সর্বনিম্ন ১ হাজার টাকা খরচ করতে হবে। আর সবচেয়ে দামি করপোরেট বক্সের টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ হাজার টাকা।  আরটিভি/এসআর
সাফে এক টিকিটে দুই ম্যাচ দেখার সুযোগ, কাটবেন যেভাবে
সাফের টিকিটের সর্বোচ্চ দাম ১০ হাজার, সর্বনিম্ন কত?
আগামী ৫ নভেম্বর ঢাকায় পর্দা উঠতে যাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। এই টুর্নামেন্টের টিকিটের দাম ও বিক্রির সময় চূড়ান্ত করা হয়েছে। খেলা দেখতে দর্শকদের সর্বনিম্ন ১ হাজার টাকা খরচ করতে হবে। আর সবচেয়ে দামি করপোরেট বক্সের টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ হাজার টাকা।  মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ভবনে সাফের কর্মকর্তা ও বাফুফের কম্পিটিশন কমিটির সমন্বয় সভায় টিকিটের মূল্য, বিক্রির সময় ও পদ্ধতি চূড়ান্ত করা হয়। আগামী বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত ৮টা থেকে অনলাইনে টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। অনলাইন টিকিটিং প্ল্যাটফর্ম টিকিফাইয়ের মাধ্যমে টিকিট কিনতে পারবেন দর্শকেরা। এবারের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের টিকিট পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। সাধারণ গ্যালারির টিকিটের দাম ১ হাজার টাকা। ক্লাব হাউসে বসে খেলা দেখতে খরচ হবে ৪ হাজার টাকা। ভিআইপি গ্যালারির টিকিট ৭ হাজার, রেড বক্সের ৮ হাজার এবং করপোরেট বক্সের টিকিট ১০ হাজার টাকা। তবে দর্শকদের জন্য একটি সুবিধাও থাকছে। গ্রুপ পর্ব ও সেমিফাইনালে প্রতিটি ম্যাচ-ডেতে দুটি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। একটি টিকিট কিনলেই সেদিনের দুটি ম্যাচ দেখার সুযোগ পাবেন দর্শকেরা। অর্থাৎ আলাদা দুটি ম্যাচের জন্য পৃথক টিকিট কিনতে হবে না। টিকিটিং প্ল্যাটফর্ম টিকিফাই জানিয়েছে, একটি টিকিটে একজন দর্শক নির্দিষ্ট দিনের সব ম্যাচ দেখতে পারবেন। প্রতিদিন প্রথম ম্যাচ শুরুর দেড় ঘণ্টা আগে স্টেডিয়ামের গেট খুলে দেওয়া হবে। তবে ১৭ নভেম্বরের ফাইনালের টিকিটের দাম পরিবর্তন হতে পারে। টিকিট কিনতে দর্শকদের টিকিফাইয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য আলাদা ইভেন্ট পেজ তৈরি করা হয়েছে। নির্ধারিত দিনে পছন্দের গ্যালারি ও আসনের শ্রেণি বেছে টিকিট কেনা যাবে। টিকিটের কিউআর কোড গোপন রাখার পরামর্শও দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। কারণ একই টিকিটের কোড প্রথম যিনি ব্যবহার করবেন, তিনিই স্টেডিয়ামে প্রবেশের অনুমতি পাবেন। এদিকে টিকিটের মূল্য নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে দাম নির্ধারণের দায়িত্ব বাফুফের নয় বলে জানিয়েছেন ফেডারেশনের কম্পিটিশন কমিটির চেয়ারম্যান গোলাম গাউস। তার ভাষ্য, টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করেছে সাফ কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবারের সমন্বয় সভায় টিকিটের পাশাপাশি স্টেডিয়ামের প্রস্তুতি, নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং দর্শকদের প্রবেশপথ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সাফের সাধারণ সম্পাদক পুরুষোত্তম কার্টেল জানিয়েছেন, দর্শক ও অতিথিদের নির্বিঘ্নে স্টেডিয়ামে প্রবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আরটিভি/এসআর
সাফের টিকিটের সর্বোচ্চ দাম ১০ হাজার, সর্বনিম্ন কত?
এস্তেভাওকে পেতে ছক কষছে পিএসজি, কঠিন শর্ত চেলসির
গত দুই মৌসুমে দুর্দান্ত ফুটবল খেলে চ্যাম্পিয়নস লিগের জোড়া শিরোপা ঘরে তুলেছে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)। তবে চলতি মৌসুমে আক্রমণ বিভাগে বেশিকিছু দুর্বলতা দেখা দিয়েছে তাদের। তাই জানুয়ারির দলবদলে চেলসির ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড এস্তেভাও উইলিয়ানকে দলে আনতে ছক কষছে ফরাসি ক্লাবটি। ১৯ বছর বয়সী উদীয়মান তারকাকে পিএসজিতে নিয়ে আসতে মূল ভূমিকা রাখছেন স্বয়ং কোচ লুইস এনরিকে। পুরোপুরি না পেলেও এস্তেভাওকে ধারে (লোন) দলে নিতে চান তিনি।  সামনে রয়েছে দীর্ঘ ও কঠিন মৌসুম। তার ওপর খাভিচা কভারাৎসখেলিয়া ও উসমান দেম্বেলের মতো গুরুত্বপূর্ণ তারকাদের চোটে পড়ার কারণে এনরিকের হাতে ফরোয়ার্ড অপশন একপ্রকার শেষ বললেই চলে।  চলতি মৌসুমে বড় কিছু করার লক্ষ্য নিয়ে এগোনো পিএসজি কোনোভাবেই ঝুঁকিতে থাকতে চায় না। তাই জানুয়ারিতেই আক্রমণভাগ শক্তিশালী করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে ক্লাবটি। মধ্যবর্তী এই দলবদলে চেলসির রত্ন খ্যাত ব্রাজিলিয়ান তরুণ এস্তেভাওকেই সবচেয়ে কার্যকর লক্ষ্য হিসেবে বেছে নিয়েছে পিএসজি। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে পালমেইরাস থেকে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে যোগ দেওয়ার পর থেকেই প্রথম একাদশে নিয়মিত জায়গা করতে লড়াই করছেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। এমনকি প্রিমিয়ার লিগে এখন পর্যন্ত কোনো ম্যাচে শুরু থেকে (স্টার্টার হিসেবে) খেলার সুযোগ পাননি তিনি। ফরাসি ক্রীড়ামাধ্যম ফুট০১-এর মতে, লুইস এনরিকে এই তরুণের খেলার ধরনে ভীষণ মুগ্ধ। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, স্প্যানিশ এই কৌশলবিদ ও পিএসজির স্পোর্টিং অ্যাডভাইজর লুইস কাম্পোস দুজনেই এস্তেভাওকে নিয়ে আগ্রহী।  পিএসজির প্রভাবশালী এই দুই কর্তাব্যক্তির সম্মতিতেই সম্ভাব্য এই লোন চুক্তির সম্ভাবনা অনেক বেড়ে গেছে। ফ্রান্সে স্বল্পমেয়াদি এই সময়ের মধ্যে এস্তেভাওয়ের সেরাটা বের করে আনার ব্যাপারে শতভাগ আত্মবিশ্বাসী এনরিকে। উভয় পক্ষের আগ্রহ থাকলেও, এই চুক্তির ব্যাপারে কিছু কঠোর শর্ত জুড়ে দিয়েছে চেলসি।  স্পোর্টস পোর্টাল টিমটক-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই ক্লাবের মধ্যে ইতোমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ব্রাজিলের তরুণ উইঙ্গারের চুক্তি, বেতন এবং মাঠে খেলার সময় নিয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু বাধ্যবাধকতা চেয়েছে লন্ডনের দলটি। চেলসি তাকে কেবল শর্তহীন লোন (সোজা ধারে) দিতে চায়, কারণ তারা বিশ্বাস করে যে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে এই ব্রাজিলিয়ানের দীর্ঘমেয়াদি ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে। এছাড়া পিএসজিকে খেলোয়াড়ের পুরো বেতন বহন করার দাবি জানিয়েছে তারা।  সেই সঙ্গে এস্তেভাও যেন প্যারিসে গিয়েও বেঞ্চে বসে না থাকেন, সে জন্য তিনি নির্দিষ্ট সংখ্যক মিনিট না খেললে পিএসজির ওপর আর্থিক জরিমানা আরোপের মতো কড়া ধারাও যুক্ত করতে চাইছে চেলসি। শর্তগুলো নিয়ে এখনো দরকষাকষি চলছে, তবে চেলসি মূলত এই শীতেই এস্তেভাওকে প্যারিসে পাঠানোর ব্যাপারে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে বলে জানা গেছে। চুক্তিটি চূড়ান্ত হলে উভয় দলের জন্যই লাভজনক হবে। এস্তেভাও পাবেন সর্বোচ্চ স্তরে খেলার অভিজ্ঞতা, আর পিএসজিও শিরোপা লড়াইয়ের জন্য দলের গভীরতা বাড়িয়ে নিতে পারবে। আরটিভি/এসআর
এস্তেভাওকে পেতে ছক কষছে পিএসজি, কঠিন শর্ত চেলসির
ব্যালন ডি’অর পেলে কত টাকা পান ফুটবলাররা?
বিশ্বসেরা ফুটবলারের স্বীকৃতি ব্যালন ডি’অর। সোনালি ট্রফিটি হাতে তোলার স্বপ্ন দেখেন বিশ্বের প্রায় সব ফুটবলার। তবে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জিতলেই আয়োজকদের কাছ থেকে সরাসরি কোনো অর্থ পুরস্কার পান না বিজয়ী। যদিও ক্লাব ও স্পনসরদের সঙ্গে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী লাখ লাখ ইউরো বোনাস পাওয়ার সুযোগ থাকে। পাশাপাশি বাড়ে বিজ্ঞাপনমূল্য ও বাণিজ্যিক চুক্তি থেকে আয়ের সম্ভাবনাও। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএসের আন্তর্জাতিক ফুটবল বিভাগের প্রধান আরিৎস গাবিলন্দোর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ব্যালন ডি’অর এখন কেবল ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি নয়। এটি ফুটবলারদের বাণিজ্যিক মূল্য বাড়ানোরও বড় মাধ্যম। মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি এই পুরস্কার একজন খেলোয়াড়ের আর্থিক ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে।  এএসের তথ্য অনুযায়ী, ব্যালন ডি’অরের সোনালি ট্রফিটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩ হাজার ৫০০ ইউরো। তবে ট্রফিটির প্রকৃত গুরুত্ব এর আর্থিক মূল্যে নয়, বরং এটি জয়ের মাধ্যমে একজন ফুটবলারের সামনে তৈরি হওয়া সম্ভাবনাময় বাণিজ্যিক সুযোগে। ফুটবলারদের ক্লাব চুক্তিতে ব্যক্তিগত অর্জনের জন্য বিশেষ বোনাসের শর্ত থাকতে পারে। ব্যালন ডি’অর জিতলে এসব শর্ত অনুযায়ী কোনো কোনো খেলোয়াড়ের বোনাসের পরিমাণ ৩০ লাখ ইউরো পর্যন্ত হতে পারে। এর উল্লেখযোগ্য উদাহরণ নেইমার। ২০১৭ সালে বার্সেলোনা ছেড়ে প্যারিস সেন্ট জার্মেইতে (পিএসজি) যোগ দেওয়ার পর ব্রাজিলিয়ান তারকার চুক্তিতে ব্যালন ডি’অর জয়ের জন্য প্রায় ৩০ লাখ ইউরো বোনাসের শর্ত থাকার খবর প্রকাশ করেছিল ফরাসি সংবাদমাধ্যম লে প্যারিসিয়েন। পরে লেকিপও এ তথ্য জানায়। তবে পিএসজির হয়ে কখনো ব্যালন ডি’অর জিততে পারেননি নেইমার। ফলে ওই বোনাস পাওয়ার সুযোগও তৈরি হয়নি। ক্লাবের পাশাপাশি স্পনসরদের সঙ্গেও চুক্তিতে এমন বোনাসের শর্ত থাকতে পারে। ২০১৮ সালে ব্যালন ডি’অর জয়ের পর ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান নাইকির সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী প্রায় আট লাখ ইউরো বোনাস পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছিল লুকা মদ্রিচের। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এল কনফিদেনসিয়াল সে সময় এ তথ্য জানিয়েছিল। মদ্রিচের অর্জনকে কাজে লাগিয়ে বিশেষ সংস্করণের ফুটবল বুটও বাজারে এনেছিল নাইকি। অর্থাৎ, ব্যালন ডি’অর জয় শুধু ফুটবলারের জন্যই নয়, স্পনসর প্রতিষ্ঠানের জন্যও বাড়তি ব্যবসার সুযোগ তৈরি করে। তবে আর্থিক সুবিধা কেবল এককালীন বোনাসেই সীমাবদ্ধ নয়। ব্যালন ডি’অর জয়ের ফলে একজন ফুটবলারের আন্তর্জাতিক পরিচিতি ও বিজ্ঞাপনমূল্য বেড়ে যেতে পারে। নতুন স্পনসর পাওয়া, পুরোনো চুক্তি নবায়নের সময় বেশি অর্থ দাবি করা এবং বৈশ্বিক বাজারে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি হয়। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। মেসি আটবার এবং রোনালদো পাঁচবার ব্যালন ডি’অর জিতেছেন। মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি বিজ্ঞাপন ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমেও বিপুল আয় করেছেন এই দুই তারকা। তাদের জনপ্রিয়তা এখন ফুটবল মাঠের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। এএসের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মেসি-রোনালদোর পরবর্তী প্রজন্মের তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লামিনে ইয়ামালের সামনেও একই ধরনের বাণিজ্যিক অবস্থান তৈরির সুযোগ রয়েছে। ব্যক্তিগত অর্জন ও মাঠের সাফল্য কাজে লাগিয়ে বিশ্ব ফুটবলের বাণিজ্যিক বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে পারেন তারা। অবশ্য ব্যক্তিগত পুরস্কারকেন্দ্রিক এই প্রতিযোগিতা নিয়ে সমালোচনাও রয়েছে। পিএসজির কোচ লুইস এনরিকের মতো অনেকে ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে দলীয় সাফল্যকে বেশি গুরুত্ব দেন। তাদের মতে, ফুটবল দলীয় খেলা; তাই একজন খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত স্বীকৃতির চেয়ে পুরো দলের অর্জনই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তারপরও ব্যালন ডি’অরের জনপ্রিয়তা ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব ক্রমেই বেড়েছে। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের অনুষ্ঠান বিশ্বের ১০৫টি দেশে সম্প্রচারিত হয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও পুরস্কারটি ঘিরে তৈরি হয়েছিল ব্যাপক আগ্রহ। সব মিলিয়ে, ব্যালন ডি’অর জিতলে আয়োজকদের কাছ থেকে সরাসরি নগদ অর্থ না পেলেও একজন ফুটবলারের সামনে বড় অঙ্কের বোনাস ও বাণিজ্যিক আয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়। সেই আয় নির্ভর করে ক্লাব ও স্পনসরদের সঙ্গে চুক্তির শর্ত, খেলোয়াড়ের জনপ্রিয়তা এবং ভবিষ্যতে তৈরি হওয়া নতুন সুযোগের ওপর। তাই সোনালি ট্রফিটির চেয়েও সেটি জয়ের আর্থিক মূল্য অনেক বেশি হতে পারে।   আরটিভি/এসকে
ব্যালন ডি’অর পেলে কত টাকা পান ফুটবলাররা?
আরও পড়ুন
মেসিকে ‘সর্বকালের সবচেয়ে সফল ফুটবলারের’ স্বীকৃতি দিলো স্পেন
এবার স্প্যানিশ ‘নোবেল’ জিতলেন মেসি
মেসিকে এক নজর দেখার জন্য হাত কাটলেন তরুণ
অবসর নিয়ে যে পরিকল্পনার কথা জানালেন নেইমার