
এশিয়ায় আরচ্যারি খেলার উন্নয়ন ও প্রসারে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সৌদি আরব ও বাংলাদেশের মধ্যে মতবিনিময় হয়েছে। সৌদি আরব আরচ্যারি ফেডারেশনের সভাপতি তুর্কি আল-দারবি এবং ওয়ার্ল্ড আরচ্যারি এশিয়া ও বাংলাদেশ আরচ্যারি ফেডারেশনের সভাপতি কাজী রাজীব উদ্দীন আহমেদ চপলের মধ্যে সৌদি আরবে এক সৌজন্য সাক্ষাতে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সৌদি আরবের আরচ্যারির বর্তমান অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা করেন দুই দেশের ক্রীড়া সংগঠকরা। পাশাপাশি এশীয় অঞ্চলে আরচ্যারি খেলাকে আরও জনপ্রিয় ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে যৌথভাবে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বৈঠকে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বিনিময়, কোচ ও জুডিসিয়ারি ডেভেলপমেন্ট এবং যৌথ প্রশিক্ষণ ক্যাম্প আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা হয়। দুই দেশের খেলোয়াড় ও কোচদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও তারা একমত হন।
আলোচনায় খেলোয়াড়দের দক্ষতা উন্নয়নে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও উচ্চতর প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এশিয়ার বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যেও আরচ্যারি খেলার প্রসারে ওয়ার্ল্ড আরচ্যারি এশিয়া কীভাবে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়েও সৌদি ফেডারেশন প্রধানের সঙ্গে আলোচনা করেন কাজী রাজীব উদ্দীন আহমেদ চপল।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের আরচ্যারদের নিয়ে যৌথ ট্রেনিং ক্যাম্প এবং ফ্রেন্ডলি টুর্নামেন্ট আয়োজনের সম্ভাব্যতা নিয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।
বাংলাদেশের আরচ্যারির সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্কের ক্ষেত্রে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্র বাংলাদেশের সাবেক আরচ্যার জিয়াউল হক। বর্তমানে তিনি সৌদি আরব জাতীয় আরচ্যারি দলের হেড কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সৌদি আরচ্যারির উন্নয়নে তার অভিজ্ঞতা ও অবদানের পাশাপাশি দুই দেশের ফেডারেশনের দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত সহযোগিতার পথ তৈরি করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
কাজী রাজীব উদ্দীন আহমেদ চপল এশিয়ান আরচ্যারি ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় সৌদি আরব ও বাংলাদেশের আরচ্যারি ফেডারেশনের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদার হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর মাধ্যমে এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে আরচ্যারি খেলার উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ নেওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।
আরটিভি/এসকে


