ঢাকা রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মহাসড়কে ফিটনেস গাড়ি ও লাইসেন্সের বড় সংকট

রাফিয়া চৌধুরী, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০১৮, ০৫:৩৪ পিএম

আজ(১৬ আগস্ট) বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে ঈদযাত্রা। কিন্তু শুরুতেই দেখা দিয়েছে বিপত্তি। নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর ফিটনেসবিহীন গাড়ি এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স ধরতে প্রশাসন জোরালো পদক্ষেপ নেয়ায় এবার মহাসড়কে দেখা দিয়েছে চালক সংকট। ফলে এবারের ঈদযাত্রায় পর্যাপ্ত সংখ্যক সঠিক লাইসেন্সধারী চালক পাওয়া যাচ্ছে না। আর এ কারণে বাসের শিডিউল নিয়েও বিপাকে পড়েছেন বাস মালিকরা।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী আরটিভি অনলাইনকে বলেন, ফিটনেসবিহীন গাড়ি এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সের নানা জটিলতার কারণে এবারের ঈদে দূরপাল্লার যানবাহন সংকট থাকবে। এটা শুধু যাত্রীদের ভোগান্তির কারণ হবে না। বরং এটা দুর্যোগে পরিণত হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ঈদের ছয়দিন আগ থেকে পরিবারের লোকজন নিজ নিজ বাড়িতে যাওয়া শুরু করে। যারা চাকরিজীবী তারা ঈদের দুদিন আগ থেকে যাওয়া শুরু করেন। প্রতি ঈদে প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ মানুষ ঢাকা ছাড়েন। এর মধ্যে সড়ক পথে ৬০ লাখ যাতায়াত করেন। এসব যাত্রীর জন্য ২৪ হাজার নিবন্ধিত বাস রয়েছে। যার মধ্যে ৪ হাজার যান্ত্রিক ত্রুটি এবং যানজটে আটকা থাকে। এসব বাস চালানোর জন্য ১২ হাজার চালক রয়েছে। যারা দূরপাল্লার বাস চালানোর জন্য প্রস্তুত থাকে, তাদের মধ্যে আনুমানিক ৫০০ এর মতো চালকের ভারী যানের লাইসেন্স নেই। এছাড়া চালকের অসুস্থতাসহ বিভিন্ন কারণে বাস অচল থাকে।

------------------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : ঈদযাত্রার আগেই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ২০ কিলোমিটারের যানজট
------------------------------------------------------------------

তিনি বলেন, ২৪ হাজার নিবন্ধিত বাসের মধ্যে যাত্রী পারাপারের কাজে নিয়োজিত থাকে ২০ হাজার বাস। এর মধ্যে দৈনিক ১০ হাজার বাস ঢাকা থেকে ছেড়ে যায় আর বাকি ১০ হাজার বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকায় প্রবেশ করে। বিভিন্ন রুটে একেকটি বাস দৈনিক গড়ে দুটি করে ট্রিপ দিতে পারে। একটি বাসে গড়ে ৪০টি করে আসন ধরা হলে মোট আসন সংখ্যা দাঁড়ায় আট লাখ। অর্থাৎ দৈনিক আট লাখ যাত্রী এবার ঢাকা ছাড়বেন। এই হিসাবে ঈদযাত্রার ছয় দিনে ৪৮ লাখ যাত্রী বাসযোগে ঢাকা ছাড়বেন।

তিনি বলেন, ঈদের আগের দিন ও রাতে পরিবহন মালিকরা আরও অতিরিক্ত কিছু গাড়ি সড়কে নামাবেন। এসব গাড়িতে অতিরিক্ত আরও সাত লাখ যাত্রী বাড়ি ফিরতেন। যেসব অতিরিক্ত গাড়ি প্রতিদিন হাইরুটে চলতো সেগুলো আইনের জোরালো পদক্ষেপে এখন চলতে পারছে না। তাহলে বোঝাই যাচ্ছে এবার ঈদযাত্রায় কী ভোগান্তিতে পড়বে সাধারণ মানুষকে।

সায়েদাবাদ বাস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম আরটিভি অনলাইনকে বলেন, দূরপাল্লার গাড়ির ক্ষেত্রে ফিটনেসবিহীন গাড়ির সংখ্যা কম। কিন্তু দূরপাল্লার যাতায়াতের ক্ষেত্রে সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে ড্রাইভিং লাইসেন্স। প্রতিদিন সায়েদাবাদ থেকে বিভিন্ন জেলায় ১২ হাজার বাস ছেড়ে যায়। এর মধ্যে ৩শ’ থেকে ৪শ’ বাসের কোনও ফিটনেস নাই। এসব বাসের জন্য মোট চালকের সংখ্যা ৭ হাজার, যাদের মধ্যে ২ হাজার চালকের ভারী যানবাহন চালানোর লাইসেন্স আছে।

তিনি বলেন, বাস চালকরা সবাই ২০ থেকে ২৫ বছর গাড়ি চালানোর পরও বিআরটিএ থেকে তাদের ভারী যানবাহন চালানোর কোনও লাইসেন্স দিচ্ছে না। দূরপাল্লার বাসের বেশির ভাগ চালকরা লাইট বা মিডিয়াম গাড়ির লাইসেন্স দিয়ে গাড়ি চালাচ্ছিল। কিন্তু এখন ভারী যানের লাইসেন্স না থাকায় সার্জেন্ট তাদের মামলা দিচ্ছে। এই জটিলতায় গাড়ির চালকরা এখন আর দূরপাল্লায় গাড়ি চালাতে চাচ্ছে না।

মহাখালী বাস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম আরটিভি অনলাইনকে বলেন, দূরপাল্লার গাড়ির ফিটনেস নিয়ে তেমন কোনও সমস্যা নেই তবে বর্তমানে চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে ঝামেলা হচ্ছে। তাই তারা ট্রিপ দিতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না।

আরও পড়ুন :

আরসি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সারাদেশের সঙ্গে খুলনার ট্রেন চলাচল বন্ধ
ঝিনাইদহে ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে খুলনার সঙ্গে সারাদেশের ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। পার্বতীপুর থেকে খুলনাগামী রকেট ট্রেন শনিবার রাত ১২টার দিকে ঝিনাইদহের বারো বাজার স্টেশনে পৌঁছালে ইঞ্জিন লাইনচ্যুত হয়। তবে ট্রেনের অন্য কোনো বগি লাইনচ্যুত হয়নি এবং যাত্রীদের কারও কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। রেলের পশ্চিমাঞ্চলের চিফ অপারেটিং সুপার এ এন এম শাহনেওয়াজ জানান, লাইনচ্যুত ইঞ্জিন উদ্ধারে খুলনা থেকে রিলিফ ট্রেন যাত্রা করেছে। তবে কতক্ষণে সেটি পৌঁছাবে এবং লাইন ঠিক হবে সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি রেলের এই কর্মকর্তা। আরও পড়ুন : ভোটের আগের রাতে দুই যুবক খুন জেবি
সারাদেশের সঙ্গে খুলনার ট্রেন চলাচল বন্ধ
মিরপুরের বৃহস্পতিবার ৮ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে
আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর মিরপুর এলাকায় ৮ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। তিতাস গ্যাস কোম্পানির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, মেট্রো রেলের নির্মাণ কাজের জন্য গ্যাসের পাইপলাইন স্থানান্তর করতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টা হতে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত মিরপুর- ১, ২, ৬, ৭, ১০, ১১ ও ১২ এর রাস্তার উভয় পাশ, ইস্টার্ন হাউজিং, রূপনগর, আরামবাগ, আলুবদি, মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট, ডিওএইচএস ও এর আশে পাশের এলাকায় আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প ও সিএনজি গ্রাহকদের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। জেএইচ
মিরপুরের বৃহস্পতিবার ৮ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে
হঠাৎ শীতে ভোগান্তিতে মানুষ, বৃষ্টি হতে পারে আজও
গেল দু’দিনের বৃষ্টির কারণে সারাদেশে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। হঠাৎ শীতের ভোগান্তিতে আছে মানুষ। গ্রামীণ ও শহুরে মানুষের জীবনে এসেছে নতুন পরিবর্তন। গত দু’দিন ধরে  রোদের দেখা মেলেনি। ফলে বেড়ে যায় শীতের তীব্রতাও। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, কনকনে ঠাণ্ডা বাতাসে সব থেকে অসুবিধায় পড়েছে রাস্তায় থাকা অসহায় মানুষগুলো। হঠাৎ শীতের আগমনে বেড়ে গেছে শীতের কাপড়ের বিক্রি। ভিড় বেড়েছে মার্কেটগুলোতে। আবহাওয়া অফিস জানায়, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘ফেথাই’-এর প্রভাবে আজ বুধবারও সারাদেশে বৃষ্টিপাত এবং কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। বৃষ্টিপাত এবং কুয়াশা বৃদ্ধির সঙ্গে রাতের তাপমাত্রাও কিছুটা কমবে। ফলে শীতের প্রকোপ বাড়বে।  মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ফেথাই ভারতের অন্ধ্র উপকূল (কাকিনাদার নিকট দিয়ে) অতিক্রম করে উত্তর/উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে ক্রমান্বয়ে গভীর নিম্নচাপ, নিম্নচাপ, সুস্পষ্ট লঘুচাপ এবং সর্বশেষে লঘুচাপে পরিণত হয়। বর্তমানে এটি উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উড়িষ্যা উপকূলে অবস্থান করছে। উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এছাড়া আজ বুধবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আকাশ মেঘলা থাকতে পারে, আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে, উত্তর/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ০৮-১২ কিলোমিটার/ঘণ্টায় বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে এবং  দিনের তাপমাত্রা ২-৩ ডিগ্রি বৃদ্ধি পেতে পারে। জিএ/এসএস
হঠাৎ শীতে ভোগান্তিতে মানুষ, বৃষ্টি হতে পারে আজও
পৌষের প্রথম বৃষ্টি, ডিসেম্বরের শেষ দিকে শৈত্যপ্রবাহ
গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি তার সঙ্গে মৃদুমন্দ হাওয়া। পৌষ মাসের এ সময়ে শীতের আবহ না থাকলেও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শীতের অনুভূতি বাড়িছে আজকের পৌষের প্রথম বৃষ্টি। আজ (সোমবার) ভোর থেকে ঝির ঝির বৃষ্টি। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার পরিমাণ বাড়তে থাকে। তবে অঝোরে বৃষ্টি হয়নি। ছাতা বা রেনকোট ছাড়া যারা বের হয়েছে তারাই পড়েছেন বিড়ম্বনায়। বিশেষ করে মোটরসাইকেল যাত্রীরা। কাউকে ছাতা নিয়ে আবার কাউকে মাথায় পলিথিন দিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। কেউ কেউ আবার ভেজা কাপড়ে দাঁড়িয়ে আছে যাত্রী ছাউনিতে। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় পেথাইয়ের প্রভাবে রোববার মধ্যরাত থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল। এদিকে আগামী ২০ ডিসেম্বর থেকে দেশব্যাপী মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্য প্রবাহ হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ। সোমবার সকালে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে একথা বলেন তিনি। এসময় ভারতে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় পেথাইয়ের প্রভাবে সারাদেশে ১৮ থেকে ২০ ডিসেম্বর তারিখ পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান তিনি। আরএস/জেএইচ
পৌষের প্রথম বৃষ্টি, ডিসেম্বরের শেষ দিকে শৈত্যপ্রবাহ
খাল ভরাটে জলাবদ্ধতায় তিন হাজার পরিবার
শরীয়তপুর শহরের পানি নিষ্কাশনের একমাত্র খালটি প্রভাবশালীরা অবৈধভাবে দখল করে ভরাট করেছে। ফলে প্রায় ১০ বছর যাবত পৌর এলাকার তিন নম্বর ওয়ার্ডের চর পালং এলাকার প্রায় চারশ বিঘা ফসলি জমি পানির নিচে ডুবে আছে। এতে কমপক্ষে তিন হাজার পরিবার জলাবদ্ধতার শিকার হয়েছে। চরপালং এলাকার ইদ্রিস মাদবর ও মোসলেম মিয়া বলেন, শরীয়তপুর পৌরসভা প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত হলেও তৃতীয় শ্রেণির কোনও সুযোগ-সুবিধা পায়নি এই এলাকার মানুষ। বিশেষ করে শরীয়তপুর পৌর শহরের পানি নিষ্কাশনের জন্য ঢাকা-শরীয়তপুর মহাসড়কের পাশ দিয়ে প্রবাহিত একমাত্র শরীয়তপুর-কোটাপাড়া খালটি প্রভাবশালীরা অবৈধভাবে দখল করে বড় বড় ইমারত তৈরি করেছে। ফলে পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ড এলাকার পানি নামতে পারছে না। কোটাপাড়া থেকে রাজগঞ্জ পর্যন্ত চরপালং এলাকায় প্রায় চারশ’ বিঘা ফসলি জমি প্রায় ১০ বছর ধরে পানির নিচে ডুবে আছে। ১২ মাস পানির নিচে ডুবে থাকার কারণে কৃষকেরা চাষাবাদ করতে পারছেন না। ওই এলাকার প্রায় তিন হাজার পরিবার জলাবদ্ধতার শিকার হয়ে যেকোনো ধরনের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তারা মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। শুকনো মৌসুমেও তাদের নৌকা দিয়ে বাড়ি থেকে শহরে আসতে হচ্ছে। এলকাবাসীর অভিযোগ প্রতি বছর দফায় দফায় পৌরকর বাড়লেও পৌরসভার কোনও সুযোগ-সুবিধা বাড়ছে না। পৌর কর্তৃপক্ষকে বারবার তাগিদ দেয়ার পরেও তারা কার্যকরী কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে না। তাদের দাবি এ এলাকার জলাবদ্ধতা দূর করতে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি ড্রেন নির্মাণের ব্যবস্থা করা হোক। অন্যতায় কৃষকের দুরবস্থা শেষ হবে না। শরীয়তপুর পৌরসভার চরপালং এলাকার তিন নম্বর ওয়ার্ডের ভুক্তভোগী আমেনা বেগম বলেন, ১০-১২ বছর ধরে চর পালং এলাকায় জলাবদ্ধাতা সৃষ্টি হয়েছে। শুকনো মৌসুমেও আমাদের পানি দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। পৌরসভা নির্বাচনের আগে প্রার্থীরা বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচনের পরে তা আর রাখে না। আমরা এখন অসহায়। চরপালং এলাকার ইসহাক মাদবর বলেন, আমাদের এলাকায় জলাবদ্ধতা দীর্ঘদিনের। এ জলাবদ্ধতা দূর করতে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি কর্তৃপক্ষ। ফলে এ এলাকার বাসিন্দারা চরম কষ্টের মধ্যে বসবাস করছে। জরুরি ভিত্তিতে একটি ড্রেন নির্মাণ করার জন্য পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি। শরীয়তপুর পৌরসভার মেয়র মো. রফিকুল ইসলাম কোতোয়াল আরটিভি অনলাইনকে বলেন, তিন নম্বর ওয়ার্ডে দীর্ঘদিনের সমস্যা জলাবদ্ধতা। এ কারণে কৃষকেরা জমিতে ফসল করতে পারে না। এ জলবদ্ধতা দূর করার জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে ছোট ড্রেন করে পালং খালে পানি নামানো ব্যবস্থা করব। এরপরে স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা দূরীকরণের জন্য পদক্ষেপ নেব। জেবি
খাল ভরাটে জলাবদ্ধতায় তিন হাজার পরিবার
আরও পড়ুন
ভোটের দিন গাড়ি ও তিনদিন চলবে না মোটরসাইকেল
ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক চার লেন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী
গুজরাটে উল্টো পথে গাড়ি চালালে লাইসেন্স বাতিল
রেজা কিবরিয়ার গাড়িবহরে হামলার অভিযোগে পাল্টা হামলা