ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

হোয়াটসঅ্যাপে বড় রদবদল

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ জুন ২০২৬, ০২:৫০ এএম
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপের শীর্ষ নেতৃত্বে বড় ধরনের রদবদল করেছে এর মূল প্রতিষ্ঠান মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকরপোরেটেড। হোয়াটসঅ্যাপের প্রধান পদে উইল ক্যাথকার্টের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন ভারতের খ্যাতনামা ফিনটেক স্টার্টআপ ক্রেডের প্রতিষ্ঠাতা কুনাল শাহ।

সোমবার (২২ জুন) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় মেটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মার্ক জাকারবার্গ তার অফিশিয়াল ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে এই ঐতিহাসিক পরিবর্তনের ঘোষণা দেন।

একই সঙ্গে মেটা ক্রেডে ৯০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ২০ শতাংশ অংশীদারত্ব কিনে নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

মার্ক জাকারবার্গ লিখেছেন, ‘উইল ক্যাথকার্ট ঘোষণা করেছেন, দীর্ঘ ৭ বছর অ্যাপটির নেতৃত্ব দেওয়ার পর হোয়াটসঅ্যাপের প্রধানের পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। উইল মেটার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং কার্যকর নেতা হিসেবে ভূমিকা রেখেছেন। তিনি হোয়াটসঅ্যাপকে ৩০০ কোটির বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সাহায্য করেছেন এবং আমাদের কমিউনিটির জন্য ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তার বিষয়টিকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করেছেন। অনেক বছর ধরে তাঁর অংশীদারত্ব এবং অবদানের জন্য আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।

আরও পড়ুন

‘উইল মেটার অভ্যন্তরেই একটি নতুন ভূমিকায় স্থানান্তরিত হচ্ছেন, যেখানে তিনি একদম শূন্য থেকে নতুন প্রোডাক্ট তৈরি করবেন। আমি তাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য বেশ উচ্ছ্বসিত। অন্যদিকে কুনাল শাহ হোয়াটসঅ্যাপের পরবর্তী নেতা হিসেবে মেটাতে যোগ দেবেন। কুনাল ক্রেডকে ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি কোম্পানি হিসেবে গড়ে তুলেছেন।’

জাকারবার্গ আরও লিখেছেন, তিনি এমন একজন নির্মাতা-সুলভ মানসিকতা ও বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আসছেন, যা তাঁকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মেসেজিং অ্যাপ পরিচালনায় দারুণভাবে সাহায্য করবে। বিলিয়ন বিলিয়ন মানুষ এবং লাখ লাখ ব্যবসায়ের জন্য হোয়াটসঅ্যাপকে সেরা সেবা হিসেবে বজায় রাখতে আমি কুনালের সঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় আছি।’

এদিকে উইল ক্যাথকার্ট এক্সে লিখেছেন, ব্যক্তিগত কিছু খবর লিখছি। দীর্ঘ প্রায় ৭ বছর হোয়াটসঅ্যাপের নেতৃত্ব দেওয়ার পর, বিশ্বের মানুষের কাছে সহজ, নির্ভরযোগ্য এবং নিরাপদ মেসেজিং সেবা পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব কে নিতে যাচ্ছেন, তা শেয়ার করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। হোয়াটসঅ্যাপ বর্তমানে ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। আমার মনে হয়েছে, সরে দাঁড়ানোর জন্য এটাই উপযুক্ত সময়। আমরা যা তৈরি করেছি, তার জন্য আমি অত্যন্ত গর্বিত।

‘আমরা ৩০০ কোটির বেশি মানুষের কাছে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপ্টেড মেসেজিং সুবিধা পৌঁছে দিয়েছি। আমরা একে গ্রুপ চ্যাট, কম্প্যানিয়ন ডিভাইস ও নতুন নতুন মাধ্যমে নিয়ে এসেছি। বিশ্বজুড়ে মানুষের ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগের অধিকারকে রক্ষা করেছি। কুনাল শাহ হবেন হোয়াটসঅ্যাপের পরবর্তী প্রধান। তিনি ক্রেডকে ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি কোম্পানিতে রূপান্তর করেছেন।’

তিনি আরও লেখেন, আমাদের অ্যাপগুলোর ওপর যাঁরা ভরসা করেন, সেই মানুষদের প্রতি তাঁর গভীর আন্তরিকতা রয়েছে। কুনাল এবং আমাদের অসাধারণ টিম ভবিষ্যতে আর কী কী তৈরি করে, তা দেখার জন্য আমি অত্যন্ত উন্মুখ ও উচ্ছ্বসিত। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যারা হোয়াটসঅ্যাপের ওপর ভরসা করেন, সেই সাধারণ মানুষের সেবা করার এই অনন্য সুযোগ পাওয়ার জন্য আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকরপোরেটেড ভারতীয় ফিনটেক স্টার্টআপ ক্রেডে ৯০ কোটি ডলারের বিশাল বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে। এই বিনিয়োগের অংশ হিসেবেই প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা কুনাল শাহকে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন গ্লোবাল লিডার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।

এই ৯০ কোটি ডলার বিনিয়োগের ফলে মেটা ক্রেডের আনুমানিক ২০ শতাংশ শেয়ারের মালিক হবে। এই বিনিয়োগের পর ক্রেডের বাজার মূল্যায়ন দাঁড়িয়েছে সাড় ৪০০ কোটি ডলারে।

হোয়াটসঅ্যাপ বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মেসেজিং অ্যাপ হলেও এর আয়ের একটি বড় অংশ আসছে হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেস এবং ডিজিটাল লেনদেন সেবা থেকে। কুনাল শাহ ভারতে ক্রেডিট কার্ড বিল লেনদেন অ্যাপ ক্রেড তৈরি করে ব্যাপক সফল হয়েছেন।

দক্ষিণ এশিয়া, বিশেষ করে ভারত ও বাংলাদেশের মতো বিশাল বাজারে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ডিজিটাল কমার্স এবং পেমেন্ট ইকোসিস্টেমকে আরও শক্তিশালী করতেই মেটা একজন ফিনটেক বিশেষজ্ঞকে হোয়াটসঅ্যাপের শীর্ষ পদে বসিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

সূত্র: এক্স ডটকম, ব্লুমবার্গ, ফেসবুক

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিপদের মুখে পৃথিবী, বিজ্ঞানীদের কঠোর সতর্কতা
মানব সভ্যতার টিকে থাকার উপযোগী পরিবেশ বজায় রাখতে সহায়ক পৃথিবীর ৯টি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক ব্যবস্থার মধ্যে ৭টিই ইতোমধ্যে নিরাপদ সীমা অতিক্রম করেছে।
বিপদের মুখে পৃথিবী, বিজ্ঞানীদের কঠোর সতর্কতা
জেমিনি ব্যবহার নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত গুগলের
বিনামূল্যে ব্যবহারকারীদের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সেবায় বড় পরিবর্তন আনছে গুগল। আগামী ৯ অক্টোবর থেকে বিনামূল্যের অ্যাকাউন্টে জেমিনি ফ্ল্যাশ ও জেমিনি প্রো মডেল ব্যবহারের সুযোগ থাকছে না। এ ক্ষেত্রে বিনামূল্যের ব্যবহারকারীরা শুধু জেমিনি ফ্ল্যাশ-লাইট মডেল ব্যবহার করতে পারবেন। গুগলের সাপোর্ট পেজে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে জেমিনি অ্যাপ বা ডেস্কটপ সংস্করণে একাধিক মডেল বেছে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে ৯ অক্টোবর থেকে বিনামূল্যের অ্যাকাউন্টে করা সব প্রশ্নের উত্তর দেবে জেমিনি ফ্ল্যাশ-লাইট। জেমিনি ফ্ল্যাশ-লাইটকে তুলনামূলকভাবে কম খরচের মডেল হিসেবে বিবেচনা করে গুগল। এর চেয়ে বেশি সক্ষম ফ্ল্যাশ মডেল। আর জটিল কাজ ও উন্নত যুক্তি বিশ্লেষণের জন্য তৈরি করা হয়েছে প্রো মডেল।  শুধু বিনামূল্যের ব্যবহারকারীরাই নয়, পরিবর্তনের প্রভাব পড়বে গুগলের এআই প্লাস গ্রাহকদের ওপরও। যুক্তরাষ্ট্রে মাসে ৫ ডলারের এই সাবস্ক্রিপশন ব্যবহারকারীরা জেমিনি ৩.১ প্রো মডেলের সুবিধা হারাবেন। গুগলের দাবি, জেমিনি ৩.১ প্রো জটিল গণিত ও কোডিংয়ের কাজে বেশি সক্ষম। পাশাপাশি টেক্সট, ফাইল, ছবি ও ভিডিও বিশ্লেষণে এর বোঝার ক্ষমতাও অন্য মডেলের তুলনায় বেশি। ফলে কোডিং, পড়াশোনা কিংবা বিপুল পরিমাণ নথি বিশ্লেষণের কাজে জেমিনি ব্যবহারকারীদের আরও ব্যয়বহুল সাবস্ক্রিপশন নিতে হতে পারে। গুগল এআই প্রোর মাসিক খরচ ২০ ডলার। আর আরও বেশি ব্যবহারের সীমা থাকা এআই আল্ট্রা প্ল্যানের জন্য মাসে অন্তত ১০০ ডলার খরচ করতে হবে। এদিকে মডেল ব্যবহারে নতুন ‘এফোর্ট লেভেল’ সুবিধাও যুক্ত করছে গুগল। ব্যবহারকারীরা লো, মিডিয়াম ও হাই-এই তিনটি স্তর থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী বেছে নিতে পারবেন। স্তর যত বাড়বে, মডেল তত বেশি বিশদ ও গভীরভাবে কাজ করবে। তবে বেশি এফোর্ট লেভেল ব্যবহারে নির্ধারিত ব্যবহারের সীমাও দ্রুত শেষ হবে। এআই আল্ট্রা গ্রাহকদের জন্য থাকছে আরও উন্নত সুবিধা। তারা জেমিনির সর্বোচ্চ সক্ষমতা ব্যবহারের জন্য ‘ডিপ থিংক’ অপশন পাবেন। এছাড়া সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য জেমিনি ৪ আর্গন উন্মুক্ত হলে এআই আল্ট্রা গ্রাহকরাও সেটি ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। বর্তমানে মডেলটি শুধু গুগলের ‘ফেয়ারউইন্ড প্রোগ্রাম’-এর সরকার ও বিশ্বস্ত অংশীদারদের জন্য সীমিতভাবে উন্মুক্ত রয়েছে। জেমিনি ফ্ল্যাশ সাধারণত দ্রুত ও দৈনন্দিন কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়। এতে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর পাওয়া, লেখা তৈরি ও সম্পাদনা, অনুবাদ, ছবি বিশ্লেষণ, তথ্য সংক্ষেপ করা এবং সাধারণ কোড লেখা বা বিশ্লেষণের মতো কাজ করা যায়।  অন্যদিকে, জেমিনি প্রো তুলনামূলক জটিল ও বিশ্লেষণধর্মী কাজের জন্য তৈরি। জটিল গণিত ও যুক্তিভিত্তিক সমস্যা সমাধান, কোডিং, বড় নথি বিশ্লেষণ এবং টেক্সট, ছবি, ফাইল ও ভিডিও থেকে তথ্য বিশ্লেষণে এটি বেশি সক্ষম। শিক্ষার্থী ও গবেষকেরা বড় নথি বিশ্লেষণ, বিভিন্ন বিষয়ের ব্যাখ্যা এবং পড়াশোনার সহায়তায় জেমিনি প্রো ব্যবহার করতে পারেন। একইভাবে, সফটওয়্যার নির্মাতারা কোড তৈরি, ভুল শনাক্ত ও কোড বিশ্লেষণের কাজেও এটি ব্যবহার করতে পারেন। অন্যদিকে, দ্রুত উত্তর, সাধারণ লেখালেখি, অনুবাদ কিংবা দৈনন্দিন তথ্যভিত্তিক কাজের জন্য জেমিনি ফ্ল্যাশ বেশি উপযোগী। সূত্র: এনগ্যাজেট আরটিভি/এসআর
জেমিনি ব্যবহার নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত গুগলের
দেশের সব মানুষকে ডিজিটাল ঠিকানার আওতায় আনতে সরকারের নতুন উদ্যোগ
দেশের সব মানুষকে ডিজিটাল ঠিকানার আওতায় আনতে চায় সরকার। প্রত্যেক নাগরিকেরই থাকবে ই-মেইল ও হোয়াটসঅ্যাপ। ডিজিটাল পরিচয় যাচাই শেষে প্রত্যেকে পাবেন একটি নম্বর (ডিজিটাল পরিচিতি)। ডাক অধিদপ্তরের ‘নাগরিক প্রান্তে বিদ্যমান ডাকসেবার সম্প্রসারণ ও সহজলভ্যকরণ’ প্রকল্পের আওতায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।  চলতি বছরের মার্চে শুরু হওয়া প্রায় ৪০ কোটি টাকার প্রকল্পটি ২০২৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে শেষ হওয়ার কথা। এর মধ্যে ডিজিটাল ঠিকানা ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে দুই কোটি টাকার বেশি। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রথমে দেশের পোস্টম্যানদের বিট এলাকা চিহ্নিত করে ডিজিটাল মানচিত্র তৈরি করা হবে। এরপর প্রতিটি বিটের আওতায় থাকা পরিবার বা ডাক পৌঁছানোর স্থানগুলো শনাক্ত করে যুক্ত করা হবে তথ্যভান্ডারে। ধাপে ধাপে দেশের প্রায় চার কোটি পরিবারের ঠিকানা এ ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা সরকারের। যুক্ত করা হবে ই-মেইল ও হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরও। এর মূল লক্ষ্য দেশের কোনো মানুষ যেন ঠিকানার বাইরে না থাকেন। কোনো ব্যক্তির কাছে কোনো বার্তা পাঠাতে হলে তা যেন ডিজিটাল মাধ্যমে পাঠানো যায় সেটিও এ প্রকল্পের লক্ষ্য। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পোস্টম্যানদের নির্দিষ্ট বিট রয়েছে। একজন পোস্টম্যানের আওতায় কয়েকশ পরিবার থাকতে পারে। অনেক এলাকায় বাড়ি বা ভবনের নির্দিষ্ট নম্বর থাকলেও বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে ব্যক্তির নাম, বাড়ির নাম বা স্থানীয় পরিচিতির মাধ্যমে ঠিকানা শনাক্ত করা হয়।  ফলে একই ধরনের বা অসম্পূর্ণ ঠিকানার কারণে অনেক সময় ডাক ও অন্য সেবা পৌঁছাতে তৈরি হয় জটিলতা। প্রকল্পের আওতায় প্রথমে এসব বিটকে ডিজিটালভাবে চিহ্নিত করা হবে। এরপর যুক্ত করা হবে প্রতিটি বিটের আওতায় থাকা পরিবার ও ডেলিভারি পয়েন্টের তথ্য। এভাবে ধাপে ধাপে একটি সমন্বিত ডিজিটাল ঠিকানা কাঠামো তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। আরটিভি/এসআর
দেশের সব মানুষকে ডিজিটাল ঠিকানার আওতায় আনতে সরকারের নতুন উদ্যোগ
অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট পেতে যেসব ডকুমেন্ট লাগে
বাংলাদেশে আয়কর-সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে টিআইএন বা টিন নম্বর গুরুত্বপূর্ণ একটি পরিচয়পত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট পেতে যেসব ডকুমেন্ট লাগে
হ্যাকারদের নিশানায় আইফোন, সতর্কবার্তা অ্যাপলের
আইফোন ও আইপ্যাড ব্যবহারকারীদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা দিয়েছে অ্যাপল। পুরোনো সংস্করণের সফটওয়্যারে গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত হওয়ায় দ্রুত ডিভাইস হালনাগাদ করার পরামর্শ দিয়েছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি।
হ্যাকারদের নিশানায় আইফোন, সতর্কবার্তা অ্যাপলের
আরও পড়ুন
হোয়াটসঅ্যাপে এই ৭ ভুল করলেই ডেকে আনবেন বিপদ
মেটা মামলায় হারলে বদলে যেতে পারে ইনস্টাগ্রাম-ফেসবুক!
মেটার নতুন শক্তিশালী এআই মডেলে থাকছে যেসব ফিচার
যেভাবে অন্য প্রতিষ্ঠানের সিস্টেম হ্যাক করল মেটার এআই মডেল