ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩

হোয়াটসঅ্যাপে এই ৭ ভুল করলেই ডেকে আনবেন বিপদ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৬:১৮ পিএম
প্রতীকী ছবি

হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ হওয়ার ঘটনা এখন শুধু ব্যবসায়িক অ্যাকাউন্ট ব্যবহারকারীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। সাধারণ ব্যবহারকারীরাও বিভিন্ন কারণে হঠাৎ নিজেদের অ্যাকাউন্টে প্রবেশের সুযোগ হারাতে পারেন।

নিজেদের নীতিমালাবহির্ভূত বিভিন্ন কাজ করলেই মূলত অ্যাকাউন্টগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে হোয়াটসঅ্যাপ। হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ হতে পারে যেসব কারণে, সেগুলো জেনে নেওয়া যাক।

১. অ্যাকাউন্টের সন্দেহজনক কার্যক্রম

কোনো হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে একাধিক বিষয় বিবেচনা করে থাকে হোয়াটসঅ্যাপ। অ্যাকাউন্ট চালুর ইতিহাস, কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, অন্য ব্যবহারকারীরা অ্যাকাউন্টটি কতবার ব্লক বা অভিযোগ করেছেন এবং কী ধরনের বার্তা পাঠানো হচ্ছে তা নিয়মিত পর্যালোচনা করেই মূলত হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ করা হয়। ফলে অনেক ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট বার্তার জন্য নয়, ধারাবাহিক কিছু আচরণের কারণে অ্যাকাউন্টটি সন্দেহজনক হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে। তাই অন্য ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্য স্প্যাম ছড়ানো না হলেও সন্দেহজনক বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ হতে পারে।

২. অননুমোদিত অ্যাপ ব্যবহার

জিবি হোয়াটসঅ্যাপ ও এফএম হোয়াটসঅ্যাপের মতো মোডিফায়েড সংস্করণের অ্যাপ ব্যবহার মেটা অনুমোদন করে না। এসব অ্যাপ ব্যবহার করলে অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিও তৈরি হয়। ব্যবহারকারী এসব অ্যাপের মাধ্যমে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা না পাঠালেও শুধু অননুমোদিত সংস্করণ ব্যবহারের কারণে অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ হতে পারে।

৩. অল্প সময়ে অনেক ব্যক্তিকে একই বার্তা পাঠানো

একই বার্তা অল্প সময়ে অনেক ব্যক্তিকে পাঠানো হলে সেটি স্প্যাম হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তাই কোনো অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র, শুভেচ্ছাবার্তা বা প্রচারণামূলক তথ্য যদি দ্রুত অনেকের নম্বরে পাঠানো হয়, তাহলেও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ হতে পারে।

৪. অপরিচিত নম্বরে অতিরিক্ত বার্তা পাঠানো

যারা আপনার ফোন নম্বর সংরক্ষণ করেননি বা আপনাকে চেনেন না, তাদের কাছে নিয়মিত একসঙ্গে বেশি বার্তা পাঠালে প্রাপক বিরক্ত হয়ে নম্বরটি ব্লক বা রিপোর্ট করতে পারেন। কোনো অ্যাকাউন্টের পাঠানো বার্তার তুলনায় ব্লক বা রিপোর্টের সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেশি হলে সেটি সন্দেহজনক বিবেচনা করে নিষিদ্ধ করতে পারে হোয়াটসঅ্যাপ।

৫. একসঙ্গে অনেক অপরিচিত ব্যক্তিকে গ্রুপে যুক্ত করা

একসঙ্গে অনেক অপরিচিত ব্যক্তিকে কোনো গ্রুপে যুক্ত করা বা একই ব্যক্তিদের বারবার নতুন গ্রুপে যোগ করলে সেটিও স্প্যাম আচরণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। গ্রুপে যুক্ত হওয়ার পর অনেক সদস্য দ্রুত গ্রুপ ছেড়ে গেলে বা গ্রুপটির বিষয়ে অভিযোগ করলে অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ করা হতে পারে।

৬. স্বয়ংক্রিয়ভাবে বার্তা পাঠানো

তৃতীয় পক্ষের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তৈরি সফটওয়্যার বা অন্য কোনো অননুমোদিত সেবা ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বার্তা পাঠালে বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে উত্তর দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করলে অ্যাকাউন্টের কার্যক্রম সীমিত বা নিষিদ্ধ করা হতে পারে।

আরও পড়ুন

৭. নতুন ফোন নম্বর দিয়ে হঠাৎ অতিরিক্ত কার্যক্রম

নতুন নিবন্ধিত কোনো নম্বর থেকে অল্প সময়ের মধ্যে অনেক মানুষকে বার্তা পাঠানো, একসঙ্গে অনেক গ্রুপে যোগ দেওয়া বা বিভিন্ন গ্রুপে দ্রুত বার্তা পাঠালে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ করা হতে পারে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
অভিযোগ থেকে সমাধান, সব এক অ্যাপেই!
রাস্তার পাশে জমে থাকা ময়লা, নির্ধারিত সময়ে বর্জ্য অপসারণ না হওয়া কিংবা কোনো এলাকায় পরিচ্ছন্নতা সংক্রান্ত সমস্যা- নগরজীবনে এমন অভিজ্ঞতা নতুন নয়। এসব সমস্যা জানাতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যাওয়া, অভিযোগ জানিয়ে প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষা করা কিংবা কোন বিভাগ ব্যবস্থা নেবে, তা খুঁজে বের করাও অনেক সময় নাগরিকদের জন্য বাড়তি ভোগান্তির কারণ হয়। এই বাস্তবতায় পরিচ্ছন্নতাসংক্রান্ত অভিযোগ সরাসরি কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দিতে ডিজিটাল উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। 
অভিযোগ থেকে সমাধান, সব এক অ্যাপেই!
স্মার্টফোন হারালে যেভাবে পুনরুদ্ধার করবেন হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট
স্মার্টফোন হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন ব্যবহারকারীরা। বিশেষ করে ফোনে থাকা হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টের অপব্যবহার এবং ব্যক্তিগত কথোপকথন ফাঁস হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
স্মার্টফোন হারালে যেভাবে পুনরুদ্ধার করবেন হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট
ফেসবুকের ফ্রি ভেরিফায়েড ব্যাজ পাবেন না যারা
অনলাইনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত ভুয়া আইডি, ছবি ও সাইবার প্রতারণা রুখতে পদক্ষেপ নিয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক। এবার সাধারণ ব্যবহারকারীদের পরিচয় নিশ্চিত করতে বিনামূল্যে ‘ভেরিফায়েড ব্যাজ’ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে মেটা। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সহজে চিহ্নিত করতে পারবেন অ্যাকাউন্টটি কোনো বাস্তব মানুষের নাকি এআই দিয়ে তৈরি ভুয়া আইডি। তবে মেটার পেইড সার্ভিস ‘মেটা ভেরিফায়েড’-এর মতো টাকা দিয়ে এই ব্যাজ কিনতে হবে না। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই ব্যাজটি পাবেন সাধারণ ব্যবহারকারীরা। নতুন এই ব্যাজ পেতে ব্যবহারকারীকে একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজের সেলফি ভিডিও ধারণ করে জমা দিতে হবে। ফেসবুক উক্ত ভিডিওটি অ্যাকাউন্টের মূল ছবি ও তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে পরিচয় শতভাগ নিশ্চিত করবে। তবে এই সুবিধা সবার জন্য নয়। ব্যাজটি পেতে হলে অ্যাকাউন্টধারীকে বেশ কিছু প্রাথমিক শর্ত পূরণ করতে হবে। শর্তগুলো হলো— ব্যবহারকারীর বয়স অবশ্যই ন্যূনতম ১৮ বছর হতে হবে। এর কম বয়সীরা এই সুবিধা পাবেন না। ফেসবুকের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড মেনে অ্যাকাউন্টটি সচল অবস্থায় না থাকলে পাওয়া যাবে না এই ব্যাজ। অ্যাকাউন্টে পূর্বে কোনো প্রতারণা, ভুয়া পরিচয় উপস্থাপন বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের ইতিহাস থাকলে এই ব্যাজ পাওয়া যাবে না। ফেসবুক পেজ এবং প্রোফেশনাল মোড অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে বিনামূল্যের এই ব্যাজ সুবিধা পাওয়া যাবে না। মেটার সেলফি ভিডিওভিত্তিক পরিচয় যাচাই প্রক্রিয়ায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হতে হবে নতুবা ভেরিফায়েড ব্যাজ পাওয়া যাবে না। পরিচয় যাচাই সফল হলে এই ভেরিফায়েড ব্যাজটি ব্যবহারকারীর প্রোফাইল ছাড়াও মার্কেটপ্লেস, বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ এবং ফেসবুক ডেটিং প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শিত হবে। মেটা বলছে এই ব্যাজটি কেবল একজন ব্যবহারকারী বাস্তব মানুষ কি না সেই প্রমাণ বহন করে। এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সততা, বিশ্বাসযোগ্যতা বা ব্যক্তিগত আচরণের কোনো নিশ্চয়তা মেটা দেয় না। ফলে অনলাইনে যেকোনো লেনদেন, তথ্য আদান-প্রদান বা ব্যক্তিগত যোগাযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের নিজস্ব সচেতনতা বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এই ফিচারটি বিশ্বের নির্বাচিত কয়েকটি দেশে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য এই সুবিধা উন্মুক্ত করবে মেটা। আরটিভি/এসআর
ফেসবুকের ফ্রি ভেরিফায়েড ব্যাজ পাবেন না যারা
গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারে যেসব সতর্কতা মানা খুবই জরুরি
রান্নার কাজে বাসাবাড়িতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডার বহুল ব্যবহৃত। তবে সিলিন্ডার সংরক্ষণ, সংযোগ স্থাপন কিংবা ব্যবহারে অসতর্কতা থেকে গ্যাস লিকেজ, অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের মতো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এসব ঝুঁকি এড়াতে সিলিন্ডার ব্যবহারে কয়েকটি নিরাপত্তাবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে গ্যাস সিলিন্ডার নিরাপদে ব্যবহার ও সংরক্ষণের বিভিন্ন নিয়ম তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, অনুমোদিত সরবরাহকারীর কাছ থেকে গ্যাস নেওয়া এবং সিলিন্ডার ও সংযোগের নিয়মিত পরীক্ষা দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।  ১. গ্যাস সিলিন্ডার সব সময় সমতল ও স্থিতিশীল জায়গায় খাড়াভাবে রাখতে হবে। এটি কাত করে বা শুইয়ে রাখা উচিত নয়। সিলিন্ডার এমন স্থানে রাখতে হবে, যেখানে সহজে বাতাস চলাচল করতে পারে। ২. সিলিন্ডার সরাসরি সূর্যের আলো, চুলার আগুন, অতিরিক্ত তাপ ও স্ফুলিঙ্গের উৎস থেকে দূরে রাখতে হবে। বদ্ধ আলমারি, বেসমেন্ট কিংবা বাতাস চলাচল করে না এমন জায়গায় সিলিন্ডার রাখা ঝুঁকিপূর্ণ। ৩. অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান ও সরবরাহকারীর কাছ থেকে সিলিন্ডার সংগ্রহ করা জরুরি। অননুমোদিতভাবে গ্যাস ভরা বা ত্রুটিপূর্ণ সিলিন্ডার ব্যবহার করলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়তে পারে। ৪. সিলিন্ডারের পাইপ, রেগুলেটর ও সংযোগস্থলে ফাটল, ক্ষয় কিংবা অন্য কোনো ত্রুটি রয়েছে কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পাইপ বা রেগুলেটর ব্যবহার না করে অনুমোদিত যন্ত্রাংশ দিয়ে পরিবর্তন করা উচিত। ৫. গ্যাসের চুলা জ্বালিয়ে রান্না করার সময় তা অযত্নে ফেলে রাখা যাবে না। রান্নাঘরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে। রান্না শেষে চুলার নব ও সিলিন্ডারের ভালভ বন্ধ করতে হবে। বিশেষ করে ঘর থেকে বের হওয়ার আগে বা ঘুমাতে যাওয়ার সময় গ্যাসের সংযোগ বন্ধ আছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি। ৬. ঘরে গ্যাসের গন্ধ পেলে বৈদ্যুতিক বাতি, পাখা বা অন্য কোনো যন্ত্রের সুইচ চালু কিংবা বন্ধ করা যাবে না। এতে স্ফুলিঙ্গ তৈরি হয়ে আগুন ধরে যেতে পারে। নিরাপদ হলে সিলিন্ডারের ভালভ বন্ধ করে দরজা-জানালা খুলে দিতে হবে এবং দ্রুত ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে হবে। ৭. গ্যাস লিক করছে কি না, তা পরীক্ষা করতে কখনো দিয়াশলাই, লাইটার বা খোলা আগুন ব্যবহার করা যাবে না। সন্দেহ হলে নিজে মেরামতের চেষ্টা না করে গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বা সংশ্লিষ্ট জরুরি সেবার সহায়তা নিতে হবে। ৮. জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে গ্যাসের সরবরাহ বন্ধ করতে হয়, পরিবারের সদস্যদের তা জানা থাকা প্রয়োজন। সিলিন্ডার ও চুলার নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। প্রয়োজনে উপযুক্ত অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রও হাতের কাছে রাখা যেতে পারে। গ্যাসের সিলিন্ডার ব্যবহারে এসব সতর্কতা মেনে চললে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো সম্ভব। তবে গ্যাস লিকেজের সন্দেহ হলে আগুন জ্বালানো বা বৈদ্যুতিক সুইচ ব্যবহার না করে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আরটিভি/এসআর
গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারে যেসব সতর্কতা মানা খুবই জরুরি
লিংকডইনের সদস্যরা এবার একে অপরকে দিতে পারবেন টাকা
পেশাজীবীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম লিংকডইনে এবার অর্থের বিনিময়ে পরামর্শ নেওয়া, কনটেন্টের দর্শক বিশ্লেষণ এবং ব্র্যান্ডের সঙ্গে অংশীদারত্বের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
লিংকডইনের সদস্যরা এবার একে অপরকে দিতে পারবেন টাকা
আরও পড়ুন
ডিসেম্বরে ঘনিয়ে আসছে মহাবিপদ!
বিপদে এক ফোন, পাশে ৯৯৯
ঘুরতে গিয়ে বিপদে পড়তে না চাইলে মানুন এই নিয়ম
বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ে বড় বিপদে ভারত!