ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

বিটিআরসির নতুন পরিকল্পনায় ঝুঁকিতে বাটনফোন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৩ পিএম
টুজি নেটয়ার্কের বাটনফোনে সন্তানের সঙ্গে কথা বলছেন এক মা। কাল্পনিক ছবি

দেশের টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা ঘিরে নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে টুজি সেবা বন্ধের পথে হাঁটছে সংস্থাটি।

পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে সরাসরি ফোরজি নেটওয়ার্কে স্থানান্তরিত হতে হবে দেশের প্রায় ছয় কোটি টুজি ফোন ব্যবহারকারীদেরকে। তবে, বিটিআরসির এই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে এত বিপুল সংখ্যক মানুষ কীভাবে একসঙ্গে বাড়তি খরচ ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়াবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেছে।

বিটিআরসির রোডম্যাপ অনুযায়ী, চলতি বছরের পর আর নতুন কোনো টুজি ফোনের মডেল অনুমোদন দেওয়া হবে না। ২০২৭ সালের ৩১ মার্চের পর এ ধরনের ফোন উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হবে দেশে। একই বছরের জুনের পর নিষিদ্ধ করে দেওয়া হবে টুজি ফোনের বিক্রিও। আর সবশেষে ২০২৯ সালের ডিসেম্বরে গ্রাহক পর্যায়ে বন্ধ করে দেওয়া হবে টুজি সেবা।

মূলত, টুজি থেকে ফোরজি নেটওয়ার্কে স্থানান্তরের মাধ্যমে মোবাইল নেটওয়ার্কের সক্ষমতা বাড়ানো এবং তরঙ্গের ব্যবহার আরও কার্যকর করাই এই উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য। টুজি নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত তরঙ্গ ফোরজি সেবায় কাজে লাগানো গেলে অপারেটররা আরও কার্যকরভাবে ডেটা সেবা দিতে পারবে। পাশাপাশি পুরোনো নেটওয়ার্ক রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয় কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বাংলালিংক ও রবির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও টুজি থেকে ফোরজিতে স্থানান্তরের পক্ষে মত দিয়েছেন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ফোরজি নেটওয়ার্কের জন্য তরঙ্গের দক্ষ ব্যবহার বাড়ানো গেলে ডেটা সেবার সক্ষমতা উন্নত হবে।

এ ব্যাপারে বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তৈমুর রহমান বলেন, টুজি থেকে ফোরজি হলে আমরা স্পেকট্রাম এফিশিয়েন্সিটা বাড়াতে পারব। যত তাড়াতাড়ি সানসেটটা করতে পারব, আমাদের জন্য তত ভালো হবে। নেটওয়ার্কটা আমরা সাজিয়েছি আমাদের ডেটা নেটওয়ার্কের জন্য। ভয়েস নেটওয়ার্কটা এখন আসলে অপশনাল।

এদিকে বিটিআরসির নতুন এই পরিকল্পনায় বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়ে গেছেন বাটনফোনের বিশাল গ্রাহকশ্রেণি। দেশ ৫জি প্রযুক্তির দিকে এগিয়ে চললেও ৬ কোটির বেশি গ্রাহক এখনও ২জি নেটওয়ার্কে যুক্ত। আধুনিক স্মার্টফোন আছে, এমন অনেক গ্রাহকও বিকল্প সহজ ব্যবহারের জন্য ২জি নেটওয়ার্কের বাটনফোন ব্যবহার করেন।

জটিল কোনো ফিচার নেই, দামও হাজার টাকার নিচে— কথা বলা আর ছোট্ট বার্তা পাঠাতে তাই বয়স্ক, স্বল্প শিক্ষিত ও স্বল্প আয়ের অনেক মানুষের কাছে ২জি নেটওয়ার্কের বাটনফোন এক বড় ভরসা। এমনকি সহজ ব্যবহার আর লম্বা সময় কথা বলার জন্যও এই ধরনের ফোন এখনও অনেক জনপ্রিয়। ফলে, বিটিআরসির নতুন পরিকল্পনা বড় একটা ধাক্কা বলেই বিবেচিত হচ্ছে ২জি নেটওয়ার্ক নির্ভর ৬ কোটির বেশি গ্রাহকশ্রেণির জন্য।

সরকার অবশ্য কম আয়ের মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়ে ইতোমধ্যেই বিকল্প হিসেবে ৫ হাজার টাকা দামের স্মার্টফোন বাজারে আনার উদ্যোগ নিয়েছে। শিগগিরই এ ধরনের ফোন বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে, প্রয়োজনীয় যোগাযোগ রক্ষার জন্য এই ৫ হাজার টাকা মূল্যও অনেক প্রান্তিক পর্যায়ের গ্রাহকের জন্য খুব বেশি।

টুজি নেটওয়ার্ক বন্ধের পরিকল্পনা শুধু যে গ্রাহকদের জন্যই সমস্যা তা নয়; বরং এর প্রভাবে বড় ধরনের ধাক্কা খাওয়ার পথে দেশীয় হ্যান্ডসেট উৎপাদকরাও। বর্তমানে বাজারে যেখানে প্রায় ৯৫০ টাকায় ফিচার ফোন পাওয়া যায়, সেখানে সস্তা স্মার্টফোনের দামও সাড়ে ৯ হাজার টাকা। ২০২৫ সালে দেশে উৎপাদিত মোট হ্যান্ডসেটের প্রায় ৬৫ শতাংশই ছিল টুজি ফোন। চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত হিসাবে এ হার আগের বছরের তুলনায় ১ শতাংশ বেড়েছে।

অর্থাৎ, প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের মধ্যেও দেশে টুজি ফোনের গ্রাহক কোনোভাবে কমছে না, বরং চাহিদা বেড়ে চলেছে। তাই এই বাজার হঠাৎ সংকুচিত হলে স্থানীয় উৎপাদকদের ব্যবসায়িক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হতে পারে।

এ অবস্থায় নিম্নআয়ের মানুষের স্বার্থ বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি জাকারিয়া শহীদ। তার মতে, টুজি থেকে ফোরজিতে স্থানান্তরের ক্ষেত্রে দরিদ্র গ্রাহকদের সক্ষমতা ও স্বার্থ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
তরুণদের ক্ষতির অভিযোগে চ্যাটজিপিটির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ৮ অঙ্গরাজ্যের মামলা
কিশোরসহ ব্যবহারকারীদের আত্মহানি ও অন্যের ক্ষতি করার মতো বিপজ্জনক কাজে উৎসাহ দেওয়ার অভিযোগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবট চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আটটি অঙ্গরাজ্য।
তরুণদের ক্ষতির অভিযোগে চ্যাটজিপিটির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ৮ অঙ্গরাজ্যের মামলা
তিন মাসে আয় লাফিয়ে ১ হাজার ৬৮০ কোটি ডলার, শেয়ারবাজারে আসছে অ্যানথ্রোপিক
এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজ করা মার্কিন প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রোপিকের আয় দ্রুত বাড়ছে।
তিন মাসে আয় লাফিয়ে ১ হাজার ৬৮০ কোটি ডলার, শেয়ারবাজারে আসছে অ্যানথ্রোপিক
গুগলে পুরুষরা সবচেয়ে বেশি সার্চ করেন যেসব বিষয়
কোনো প্রশ্নের উত্তর জানা কিংবা অজানা বিষয় সম্পর্কে ধারণা পেতে গুগলে সার্চ করেন অনেকেই। স্বাস্থ্য, রূপচর্চা, শরীরচর্চা থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবনের নানা কৌতূহল মেটাতে সার্চ ইঞ্জিনটির ওপর নির্ভর করেন ব্যবহারকারীরা। বিশেষ করে রাতের অবসর সময়ে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অনুসন্ধান করেন অনেকে।
গুগলে পুরুষরা সবচেয়ে বেশি সার্চ করেন যেসব বিষয়
এআই কনটেন্ট শনাক্তের উদ্যোগ জোরদার করছে টিকটক
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি কনটেন্ট চেনা, বোঝা এবং দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহারের জন্য বিশেষ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ‘টিকটক’।
এআই কনটেন্ট শনাক্তের উদ্যোগ জোরদার করছে টিকটক
স্টারলিংকের প্রথম মাসের ফ্রি মোবাইল সেবা, চালু করবেন যেভাবে
মোবাইল টাওয়ারের নেটওয়ার্কের বাইরে থেকেও যোগাযোগের সুযোগ দিতে আসছে স্যাটেলাইটভিত্তিক মোবাইল সেবা। বাংলালিংক গ্রাহকদের জন্য স্টারলিংক প্রযুক্তির এ সুবিধা দুর্গম পাহাড়, উপকূল, সমুদ্র ও নেটওয়ার্কবিহীন এলাকায় যোগাযোগের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। এ সেবার প্রথম মাসে নির্দিষ্ট ইন্টারনেট ও মিশ্র বান্ডেল প্যাকের সঙ্গে বিনা মূল্যে স্যাটেলাইট সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। যেভাবে চালু করবেন সেবা এ সেবা ব্যবহারের জন্য আলাদা স্যাটেলাইট ফোন, ডিশ, অ্যান্টেনা কিংবা বিশেষ কোনো যন্ত্র কেনার প্রয়োজন নেই। তবে শুধু ফোরজি ফোন ও বাংলালিংক সিম থাকলেই সেবাটি ব্যবহার করা যাবে না। এ জন্য ফোনের সামঞ্জস্য, স্যাটেলাইট কাভারেজ এবং সংশ্লিষ্ট নম্বরে সেবাটির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে। সেবাটি নিজের নম্বরে চালু আছে কি না, তা জানতে বাংলালিংকের মাইবিএল (MyBL) অ্যাপ ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রয়োজনে যোগাযোগ করা যাবে অপারেটরের গ্রাহকসেবায়। পাশাপাশি ফোনের সফটওয়্যার হালনাগাদ রাখা এবং ফোরজি সুবিধা সক্রিয় আছে কি না, তা পরীক্ষা করতে হবে। আলাদা অ্যাপ ইনস্টল করতে হবে? স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য আলাদা অ্যাপ ইনস্টল করে জটিল সেটআপ করার প্রয়োজন নেই। তবে ফোনটি এ প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে এবং অপারেটরের নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে। কখন স্যাটেলাইটের সঙ্গে যুক্ত হবে ফোন? প্রচলিত মোবাইল টাওয়ারের কাভারেজের বাইরে চলে গেলে উপযুক্ত ফোন স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে খোলা আকাশের নিচে থাকা সুবিধাজনক। ভবন, পাহাড় বা অন্য কোনো বড় বাধা সংযোগে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে নেটওয়ার্কের বাইরে গেলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্যাটেলাইট সংযোগ পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। ফোনের মডেল, ব্যবহারকারীর অবস্থান, স্যাটেলাইট কাভারেজ ও অপারেটরের নির্ধারিত শর্তের ওপর সেবাটি নির্ভর করবে। প্রথম মাসে ফ্রি, এরপর কী? বাংলালিংকের ঘোষিত অফার অনুযায়ী, সেবা চালুর প্রথম মাসে নির্দিষ্ট ইন্টারনেট বা মিশ্র বান্ডেল প্যাকের সঙ্গে অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই স্যাটেলাইট সুবিধা ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। দ্বিতীয় মাস থেকে নির্দিষ্ট মাসিক ইন্টারনেট ও মিশ্র বান্ডেল প্যাকের সঙ্গেও এ সুবিধা পাওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কে ব্যবহারের জন্য প্রতি মাসে পাঁচটি বিনা মূল্যের এসএমএস দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে। তবে কোন কোন প্যাকে এ সুবিধা পাওয়া যাবে, অফারটি পেতে অতিরিক্ত শর্ত রয়েছে কি না এবং সুবিধা গণনার তারিখ কী এসব তথ্য বাংলালিংকের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা থেকে যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন। স্যাটেলাইট সংযোগে কী করা যাবে? প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের বাইরে সীমিত যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করাই এ সেবার মূল উদ্দেশ্য। দুর্গম এলাকা, সমুদ্র, উপকূল কিংবা দুর্যোগের সময় প্রচলিত নেটওয়ার্ক অকার্যকর হয়ে পড়লে এ প্রযুক্তি কাজে আসতে পারে। স্যাটেলাইট সংযোগের মাধ্যমে মেসেজিং, অবস্থানভিত্তিক কিছু সুবিধা এবং নির্দিষ্ট অ্যাপ ব্যবহারের সুযোগ থাকতে পারে। তবে সব অ্যাপ বা অনলাইন সেবা এতে কাজ করবে না। প্রচলিত ফোরজি বা ফাইভজি ইন্টারনেটের মতো উচ্চগতির সংযোগও আশা করা ঠিক হবে না। ডিশ বা অ্যান্টেনা বসানোর প্রয়োজন নেই প্রচলিত স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের সঙ্গে ডাইরেক্ট-টু-সেল প্রযুক্তির পার্থক্য রয়েছে। সাধারণ স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য অনেক ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট স্থানে ডিশ বা অ্যান্টেনা বসাতে হয়। কিন্তু ডাইরেক্ট-টু-সেল প্রযুক্তিতে সামঞ্জস্যপূর্ণ মোবাইল ফোন সরাসরি স্যাটেলাইটের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে। ফলে বাড়ি বা অফিসে আলাদা ডিশ বসানোর প্রয়োজন হয় না। তবে ফোনের সামঞ্জস্য এবং অপারেটরের সেবার আওতাভুক্ত হওয়া জরুরি। অন্য অপারেটরের গ্রাহকেরা কি পাবেন? বাংলাদেশে সেবাটি বাংলালিংক গ্রাহকদের জন্য চালুর কথা বলা হয়েছে। অন্য অপারেটরের গ্রাহকেরা একই সুবিধা পাবেন কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য ছাড়া সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না। অর্থাৎ, শুধু ফোরজি ফোন থাকলেই স্টারলিংকভিত্তিক এ সেবা ব্যবহার করা যাবে না। প্রয়োজন হবে সামঞ্জস্যপূর্ণ ফোন, উপযুক্ত সিম এবং সংশ্লিষ্ট নম্বরে সেবাটির প্রাপ্যতা। সংযোগ না পেলে করণীয় ফোনে ফোরজি সুবিধা থাকা সত্ত্বেও স্যাটেলাইট সংযোগ না পেলে প্রথমে ফোনের সফটওয়্যার ও নেটওয়ার্ক সেটিংস পরীক্ষা করতে হবে। এরপর মাইবিএল অ্যাপে সেবাটি নম্বরে চালু আছে কি না, তা দেখতে হবে। এসব পরীক্ষা করার পরও সংযোগ না পেলে বাংলালিংকের গ্রাহকসেবায় যোগাযোগ করে ফোনের সামঞ্জস্য, নম্বরের যোগ্যতা, কাভারেজ এবং অফারের শর্ত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়াই ভালো। আরটিভি/এসকে
স্টারলিংকের প্রথম মাসের ফ্রি মোবাইল সেবা, চালু করবেন যেভাবে
আরও পড়ুন
কর-জিডিপি নিয়ে এনবিআরের নতুন পরিকল্পনা
নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে এবার নতুন পরিকল্পনা
দেশের বাজারে বাড়তে পারে মোবাইল ফোনের দাম
আজ বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবস