ঢাকা সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩

স্মার্টফোন হারালে যেভাবে পুনরুদ্ধার করবেন হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

প্রকাশ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৯ এএম
ছবি: সংগৃহীত

স্মার্টফোন হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন ব্যবহারকারীরা। বিশেষ করে ফোনে থাকা হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টের অপব্যবহার এবং ব্যক্তিগত কথোপকথন ফাঁস হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। তবে দ্রুত কিছু পদক্ষেপ নিলে হারানো ফোনের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার ও সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।

সিম কার্ড বন্ধ করে নতুন সিম সংগ্রহ

ফোন হারিয়ে গেলে প্রথমেই মোবাইল অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করে হারানো সিম কার্ডটি বন্ধ করতে হবে। এরপর একই ফোন নম্বরের নতুন সিম সংগ্রহ করে সচল করতে হবে। কারণ, হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট পুনরায় চালু করতে সংশ্লিষ্ট নম্বরে পাঠানো ভেরিফিকেশন কোড প্রয়োজন হয়।

নতুন ফোনে অ্যাকাউন্ট চালু করার নিয়ম

নতুন সিম অন্য একটি স্মার্টফোনে প্রবেশ করিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ ইনস্টল করতে হবে। এরপর আগের ফোন নম্বর দিয়ে অ্যাকাউন্ট নিবন্ধনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। ভেরিফিকেশন কোড দিয়ে নিবন্ধন শেষ হলে হারানো ফোনের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লগআউট হয়ে যাবে।

পুরোনো বার্তা ফিরে পাওয়ার উপায়

নতুন ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ চালু করলেই আগের সব কথোপকথন ফিরে আসবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। আগে থেকে গুগল অ্যাকাউন্টে চ্যাটের ব্যাকআপ রাখা থাকলে তা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব। এ জন্য নতুন ফোনে একই গুগল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে হবে এবং ব্যাকআপ পুনরুদ্ধারের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

হোয়াটসঅ্যাপ দিয়ে ফোনের অবস্থান শনাক্ত করা যায় না

হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে হারানো ফোনের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব নয়। একইভাবে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষের কাছে সরাসরি অনুরোধ করেই সাধারণত অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করার সুযোগ নেই। তাই ফোন হারানোর পর দ্রুত সিম বন্ধ করে একই নম্বরের নতুন সিম সংগ্রহ এবং অন্য ফোনে অ্যাকাউন্ট পুনরায় নিবন্ধন করাই কার্যকর পদক্ষেপ।

এ ছাড়া হারানো ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড হলে গুগলের ‘ফাইন্ড হাব’ এবং আইফোন হলে অ্যাপলের ‘ফাইন্ড মাই’ সুবিধা ব্যবহার করে ফোনের অবস্থান শনাক্ত, লক বা প্রয়োজন অনুযায়ী ডেটা মুছে ফেলার চেষ্টা করা যেতে পারে।

পুরোনো সিম ব্যবহার করতে না পারলে করণীয়

পুরোনো সিম ব্যবহার করতে না পারলে প্রথমে একই নম্বরের প্রতিস্থাপন সিম সংগ্রহের চেষ্টা করতে হবে। আর নতুন ফোন নম্বরে অ্যাকাউন্ট স্থানান্তর করতে চাইলে হোয়াটসঅ্যাপের ‘চেঞ্জ নম্বর’ সুবিধা ব্যবহার করা যায়। তবে এ প্রক্রিয়ায় সাধারণত পুরোনো অ্যাকাউন্টে প্রবেশের সুযোগ এবং নতুন নম্বরটি সচল থাকা প্রয়োজন।

ফোন হারানোর পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপে টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু রাখা এবং নিয়মিত চ্যাটের ব্যাকআপ নেওয়া ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
অভিযোগ থেকে সমাধান, সব এক অ্যাপেই!
রাস্তার পাশে জমে থাকা ময়লা, নির্ধারিত সময়ে বর্জ্য অপসারণ না হওয়া কিংবা কোনো এলাকায় পরিচ্ছন্নতা সংক্রান্ত সমস্যা- নগরজীবনে এমন অভিজ্ঞতা নতুন নয়। এসব সমস্যা জানাতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যাওয়া, অভিযোগ জানিয়ে প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষা করা কিংবা কোন বিভাগ ব্যবস্থা নেবে, তা খুঁজে বের করাও অনেক সময় নাগরিকদের জন্য বাড়তি ভোগান্তির কারণ হয়। এই বাস্তবতায় পরিচ্ছন্নতাসংক্রান্ত অভিযোগ সরাসরি কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দিতে ডিজিটাল উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। 
অভিযোগ থেকে সমাধান, সব এক অ্যাপেই!
ফেসবুকের ফ্রি ভেরিফায়েড ব্যাজ পাবেন না যারা
অনলাইনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত ভুয়া আইডি, ছবি ও সাইবার প্রতারণা রুখতে পদক্ষেপ নিয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক। এবার সাধারণ ব্যবহারকারীদের পরিচয় নিশ্চিত করতে বিনামূল্যে ‘ভেরিফায়েড ব্যাজ’ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে মেটা। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সহজে চিহ্নিত করতে পারবেন অ্যাকাউন্টটি কোনো বাস্তব মানুষের নাকি এআই দিয়ে তৈরি ভুয়া আইডি। তবে মেটার পেইড সার্ভিস ‘মেটা ভেরিফায়েড’-এর মতো টাকা দিয়ে এই ব্যাজ কিনতে হবে না। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই ব্যাজটি পাবেন সাধারণ ব্যবহারকারীরা। নতুন এই ব্যাজ পেতে ব্যবহারকারীকে একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজের সেলফি ভিডিও ধারণ করে জমা দিতে হবে। ফেসবুক উক্ত ভিডিওটি অ্যাকাউন্টের মূল ছবি ও তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে পরিচয় শতভাগ নিশ্চিত করবে। তবে এই সুবিধা সবার জন্য নয়। ব্যাজটি পেতে হলে অ্যাকাউন্টধারীকে বেশ কিছু প্রাথমিক শর্ত পূরণ করতে হবে। শর্তগুলো হলো— ব্যবহারকারীর বয়স অবশ্যই ন্যূনতম ১৮ বছর হতে হবে। এর কম বয়সীরা এই সুবিধা পাবেন না। ফেসবুকের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড মেনে অ্যাকাউন্টটি সচল অবস্থায় না থাকলে পাওয়া যাবে না এই ব্যাজ। অ্যাকাউন্টে পূর্বে কোনো প্রতারণা, ভুয়া পরিচয় উপস্থাপন বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের ইতিহাস থাকলে এই ব্যাজ পাওয়া যাবে না। ফেসবুক পেজ এবং প্রোফেশনাল মোড অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে বিনামূল্যের এই ব্যাজ সুবিধা পাওয়া যাবে না। মেটার সেলফি ভিডিওভিত্তিক পরিচয় যাচাই প্রক্রিয়ায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হতে হবে নতুবা ভেরিফায়েড ব্যাজ পাওয়া যাবে না। পরিচয় যাচাই সফল হলে এই ভেরিফায়েড ব্যাজটি ব্যবহারকারীর প্রোফাইল ছাড়াও মার্কেটপ্লেস, বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ এবং ফেসবুক ডেটিং প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শিত হবে। মেটা বলছে এই ব্যাজটি কেবল একজন ব্যবহারকারী বাস্তব মানুষ কি না সেই প্রমাণ বহন করে। এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সততা, বিশ্বাসযোগ্যতা বা ব্যক্তিগত আচরণের কোনো নিশ্চয়তা মেটা দেয় না। ফলে অনলাইনে যেকোনো লেনদেন, তথ্য আদান-প্রদান বা ব্যক্তিগত যোগাযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের নিজস্ব সচেতনতা বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এই ফিচারটি বিশ্বের নির্বাচিত কয়েকটি দেশে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য এই সুবিধা উন্মুক্ত করবে মেটা। আরটিভি/এসআর
ফেসবুকের ফ্রি ভেরিফায়েড ব্যাজ পাবেন না যারা
গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারে যেসব সতর্কতা মানা খুবই জরুরি
রান্নার কাজে বাসাবাড়িতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডার বহুল ব্যবহৃত। তবে সিলিন্ডার সংরক্ষণ, সংযোগ স্থাপন কিংবা ব্যবহারে অসতর্কতা থেকে গ্যাস লিকেজ, অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের মতো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এসব ঝুঁকি এড়াতে সিলিন্ডার ব্যবহারে কয়েকটি নিরাপত্তাবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে গ্যাস সিলিন্ডার নিরাপদে ব্যবহার ও সংরক্ষণের বিভিন্ন নিয়ম তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, অনুমোদিত সরবরাহকারীর কাছ থেকে গ্যাস নেওয়া এবং সিলিন্ডার ও সংযোগের নিয়মিত পরীক্ষা দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।  ১. গ্যাস সিলিন্ডার সব সময় সমতল ও স্থিতিশীল জায়গায় খাড়াভাবে রাখতে হবে। এটি কাত করে বা শুইয়ে রাখা উচিত নয়। সিলিন্ডার এমন স্থানে রাখতে হবে, যেখানে সহজে বাতাস চলাচল করতে পারে। ২. সিলিন্ডার সরাসরি সূর্যের আলো, চুলার আগুন, অতিরিক্ত তাপ ও স্ফুলিঙ্গের উৎস থেকে দূরে রাখতে হবে। বদ্ধ আলমারি, বেসমেন্ট কিংবা বাতাস চলাচল করে না এমন জায়গায় সিলিন্ডার রাখা ঝুঁকিপূর্ণ। ৩. অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান ও সরবরাহকারীর কাছ থেকে সিলিন্ডার সংগ্রহ করা জরুরি। অননুমোদিতভাবে গ্যাস ভরা বা ত্রুটিপূর্ণ সিলিন্ডার ব্যবহার করলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়তে পারে। ৪. সিলিন্ডারের পাইপ, রেগুলেটর ও সংযোগস্থলে ফাটল, ক্ষয় কিংবা অন্য কোনো ত্রুটি রয়েছে কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পাইপ বা রেগুলেটর ব্যবহার না করে অনুমোদিত যন্ত্রাংশ দিয়ে পরিবর্তন করা উচিত। ৫. গ্যাসের চুলা জ্বালিয়ে রান্না করার সময় তা অযত্নে ফেলে রাখা যাবে না। রান্নাঘরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে। রান্না শেষে চুলার নব ও সিলিন্ডারের ভালভ বন্ধ করতে হবে। বিশেষ করে ঘর থেকে বের হওয়ার আগে বা ঘুমাতে যাওয়ার সময় গ্যাসের সংযোগ বন্ধ আছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি। ৬. ঘরে গ্যাসের গন্ধ পেলে বৈদ্যুতিক বাতি, পাখা বা অন্য কোনো যন্ত্রের সুইচ চালু কিংবা বন্ধ করা যাবে না। এতে স্ফুলিঙ্গ তৈরি হয়ে আগুন ধরে যেতে পারে। নিরাপদ হলে সিলিন্ডারের ভালভ বন্ধ করে দরজা-জানালা খুলে দিতে হবে এবং দ্রুত ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে হবে। ৭. গ্যাস লিক করছে কি না, তা পরীক্ষা করতে কখনো দিয়াশলাই, লাইটার বা খোলা আগুন ব্যবহার করা যাবে না। সন্দেহ হলে নিজে মেরামতের চেষ্টা না করে গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বা সংশ্লিষ্ট জরুরি সেবার সহায়তা নিতে হবে। ৮. জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে গ্যাসের সরবরাহ বন্ধ করতে হয়, পরিবারের সদস্যদের তা জানা থাকা প্রয়োজন। সিলিন্ডার ও চুলার নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। প্রয়োজনে উপযুক্ত অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রও হাতের কাছে রাখা যেতে পারে। গ্যাসের সিলিন্ডার ব্যবহারে এসব সতর্কতা মেনে চললে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো সম্ভব। তবে গ্যাস লিকেজের সন্দেহ হলে আগুন জ্বালানো বা বৈদ্যুতিক সুইচ ব্যবহার না করে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আরটিভি/এসআর
গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারে যেসব সতর্কতা মানা খুবই জরুরি
লিংকডইনের সদস্যরা এবার একে অপরকে দিতে পারবেন টাকা
পেশাজীবীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম লিংকডইনে এবার অর্থের বিনিময়ে পরামর্শ নেওয়া, কনটেন্টের দর্শক বিশ্লেষণ এবং ব্র্যান্ডের সঙ্গে অংশীদারত্বের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
লিংকডইনের সদস্যরা এবার একে অপরকে দিতে পারবেন টাকা
উড়ন্ত স্পোর্টস কার উন্মোচন করলেন ইলন মাস্ক
উড়তে সক্ষম নতুন টেসলা রোডস্টার উন্মোচন করেছেন মার্কিন ধনকুবের ও টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। স্পেসএক্সের প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি এই বৈদ্যুতিক স্পোর্টস কারটি যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক প্রদর্শনীতে বাতাসে উঠে উল্টে যাওয়া এবং একাধিক গাড়ি টপকে অবতরণের কৌশল দেখিয়েছে। তবে গাড়িটির নিরাপত্তা, ব্যবহারিক সক্ষমতা ও বাজারে আসার সময় নিয়ে এখনো রয়েছে নানা প্রশ্ন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) টেক্সাসের ম্যাকগ্রেগরে স্পেসএক্সের একটি স্থাপনায় গাড়িটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘদিন ধরে বিলম্বিত নতুন রোডস্টারকে এবার এমন প্রযুক্তির গাড়ি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে, যা প্রচলিত স্পোর্টস কারের ধারণাকে নতুন মাত্রা দিতে পারে। প্রদর্শনীতে দেখা যায়, গাড়িটি একটি র‌্যাম্প বেয়ে ওপরে উঠে বাতাসে উল্টে যায়। পরে বিশেষ থ্রাস্টার বা বায়ু নির্গমন ব্যবস্থার সাহায্যে মাটিতে অবতরণ করে। এ ছাড়া ‘কিকফ্লিপ’ নামের একটি কৌশলে গাড়িটি বাতাসে উঠে পার্ক করে রাখা পাঁচটি গাড়ির ওপর দিয়ে উল্টে যায় এবং নিরাপদে অবতরণ করে। মাস্কের দাবি, নতুন রোডস্টার শূন্য থেকে ঘণ্টায় ৬০ মাইল (প্রায় ৯৭ কিলোমিটার) গতিতে পৌঁছাতে এক সেকেন্ডেরও কম সময় নেবে। গাড়িটির সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৩০ মাইলের বেশি হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। চালকবিহীন প্রদর্শনী, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন প্রদর্শনীর সময় গাড়িটির ভেতরে কোনো চালক ছিলেন না। মাস্ক জানান, দুর্ঘটনায় কেউ আহত হওয়ার ঝুঁকি এড়াতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘সাফল্য নিশ্চিত নয়। আমি সত্যিই বলছি। এটি সম্ভবত কাজ করবে, কিন্তু যদি কাজ না করে, তাহলে আমরা নিরাপদ দূরত্বে থাকব।’ এরপর তিনি যোগ করেন, ‘উত্তেজনা শতভাগ নিশ্চিত।’ গাড়িটির প্রযুক্তিগত সক্ষমতা তুলে ধরলেও মাস্ক স্বীকার করেন, এটি সব দিক থেকে নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তৈরি করা হয়নি। ফলে গাড়িটির উড়ন্ত কৌশল বাস্তবে কতটা নিরাপদ এবং সাধারণ সড়কে এমন প্রযুক্তি ব্যবহারের অনুমতি মিলবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। প্রায় এক দশকের বিলম্বের পর অনুষ্ঠিত প্রদর্শনীতে গাড়িটি সফলভাবে বাতাসে উঠে উল্টে অবতরণ করলে উপস্থিত দর্শকেরা উল্লাসে ফেটে পড়েন। মাস্ক তখন বলেন, ‘বেশ, এটা কাজ করেছে। উফ! উড়ন্ত গাড়ি সত্যিই বাস্তব।’ গাড়িটিতে ১০টি বিশেষ নোজল বা বায়ু নির্গমনের মুখ রয়েছে বলে জানান মাস্ক। তাঁর ভাষ্য, টেসলা ও স্পেসএক্সের প্রকৌশলীদের যৌথ কাজের ফল এই প্রযুক্তি। উৎপাদন শুরু ২০২৮ সালে, দাম অজানা টেসলার নতুন রোডস্টারটি ২০২৮ সালে উৎপাদনে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০১৭ সালে প্রথমবার গাড়িটির প্রোটোটাইপ উন্মোচন করা হয়েছিল। তখন ২০২০ সালে উৎপাদন শুরুর পরিকল্পনা থাকলেও নানা কারণে তা বারবার পিছিয়েছে। গাড়িটির দাম এখনো ঘোষণা করা হয়নি। ২০১৭ সালে বুকিং চালুর সময় মূল সংস্করণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল দুই লাখ ডলার। সীমিত সংস্করণের ‘ফাউন্ডার্স সিরিজ’-এর দাম ছিল আড়াই লাখ ডলার। নতুন সংস্করণে স্পেসএক্সের প্রযুক্তি যুক্ত হওয়ায় দাম কত হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এ ছাড়া গাড়িটির উড়তে সক্ষম সংস্করণটি সাধারণ সড়কে চলাচলের অনুমতি পাবে কি না, সে বিষয়েও বিস্তারিত জানায়নি টেসলা। মাস্কের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রদর্শনীর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যবহারকারীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। কেউ গাড়িটির প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন, আবার কেউ এর নিরাপত্তা ও বাস্তব ব্যবহার নিয়ে সংশয় জানিয়েছেন। নতুন রোডস্টারের প্রদর্শনী ভবিষ্যতের পরিবহন প্রযুক্তি নিয়ে আগ্রহ তৈরি করলেও এর নিরাপত্তা, ব্যবহারিক সক্ষমতা, মূল্য এবং নিয়ন্ত্রক অনুমোদন এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো বাকি। আরটিভি/এসকে
উড়ন্ত স্পোর্টস কার উন্মোচন করলেন ইলন মাস্ক
আরও পড়ুন
হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচারে বিপাকে পড়তে পারেন পুরোনো ফোনের ব্যবহারকারীরা
নিজের ছবি দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে স্টিকার তৈরি করবেন যেভাবে
হোয়াটসঅ্যাপে নতুন ৫ ফিচার, অ্যাপ ছাড়াই করা যাবে ভিডিও কল
রূপপুরে পৌঁছেছে ইউরেনিয়াম