ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

প্লাবিত হতে পারে ৫ জেলার নিম্নাঞ্চল

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০২৫, ০৬:৫৫ পিএম
ফাইল ছবি

দেশের পাঁচ জেলার নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চল আগামী কয়েক দিনের মধ্যে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে আগামী ৭২ ঘণ্টায় (৩ দিন) দেশে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে সতর্ক করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

শুক্রবার (৩ অক্টোবর) প্রকাশিত এক পূর্বাভাসে জানানো হয়, আগামী ৩ দিন (৬ অক্টোবর সকাল ৯টা পর্যন্ত) দেশের অভ্যন্তরে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট জেলায় এবং সংলগ্ন উজানে ভারতের প্রদেশসমূহে বিচ্ছিন্নভাবে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ইতোমধ্যে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের তিস্তা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ধরলা নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে এবং দুধকুমার নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল আছে।

আগামী ৩ দিন এসব নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে এই সময়ে তিস্তা নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলার নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলো সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ বিভাগের সোমেশ্বরী ও ভুগাই নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরদিকে কংস নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল আছে। আগামী ৩ দিন এসব নদীর পানি সমতলও বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে এই সময়ে সোমেশ্বরী, ভুগাই-কংস নদীর শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা জেলা অংশে পানি সমতল সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলো সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

আরও পড়ুন

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের করতোয়া, যমুনেশ্বরি, পুনর্ভবা ও টাঙ্গন নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে আত্রাই, আপার-আত্রাই, মহানন্দা ও ঘাঘট নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে। আগামী ৩ দিন এসব নদীর পানি সমতলও দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। অন্যদিকে বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় নদীগুলোয় বর্তমানে স্বাভাবিকের থেকে উচ্চতর জোয়ার বিরাজমান আছে। আগামী একদিনও নদীগুলোয় এমন জোয়ার অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

আরটিভি/একে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শীত নিয়ে আরও বড় দুঃসংবাদ
হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে দেশ। আগামী পাঁচ দিনের শুরুর দিকে শীত আরও তীব্র হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) এই তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির। তিনি জানিয়েছেন, আগামীকাল (বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি) সকাল ৯টার মধ্যে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। তবে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশের বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং দুপুর পর্যন্ত তা কোথাও কোথাও অব্যাহত থাকতে পারে।  আরও পড়ুন সূর্যের দেখা কবে মিলবে, জানাল আবহাওয়া অফিস ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দেশের মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলাসহ খুলনা ও বরিশাল বিভাগের উপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে, দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি আরও প্রবল থাকতে পারে। পরবর্তী কয়েক দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২ জানুয়ারি) থেকে রোববার (৪ জানুয়ারি) পর্যন্ত সারা দেশে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে এবং কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা অব্যাহত থাকবে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হাড় কাঁপানো শীতে সাধারণ মানুষ শীতের তীব্রতা অনুভব করছেন। বিশেষ করে ঘন কুয়াশা এবং তীব্র শৈত্যপ্রবাহে যাতায়াত ও দৈনন্দিন কাজকর্মে অসুবিধা দেখা দিতে পারে। আরটিভি/এসআর
শীত নিয়ে আরও বড় দুঃসংবাদ
যেসব জেলায় রাতেই ‘কনকন’ সক্রিয় হতে পারে
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ ‘কনকন’ সক্রিয় হয়েছে। রাতে আরও ৩০-এর বেশি জেলায় সক্রিয় হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে বিডব্লিউওটি জানায়, দেশে সক্রিয় হয়েছে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ ‘কনকন’। আজ রাতে আরও অনেক জেলায় এটি সক্রিয় হতে পারে। যেসব জেলায় ‘কনকন’ সক্রিয় হতে পারে  চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নওগাঁ, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, নাটোর, পাবনা, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, কুষ্টিয়া, যশোর, নড়াইল, খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, মানিকগঞ্জ, মাদারীপুর, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও এর আশপাশের কিছু স্থানে আজ (বুধবার) রাতেই মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ সক্রিয় হতে পারে। বিডব্লিউওটি আরও জানায়, রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টার মধ্যে এসব জেলা ও এর আশপাশের কিছু স্থানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি নেমে আসতে পারে। এমনকি দু-একটি স্থানে কিছু সময়ের জন্য তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও নামতে পারে।  আরটিভি/আরএ
যেসব জেলায় রাতেই ‘কনকন’ সক্রিয় হতে পারে
নতুন বছরের প্রথমদিনে যেমন থাকবে আবহাওয়া
আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই শুরু হতে যাচ্ছে নতুন বছর ২০২৬ সাল। ইতোমধ্যে হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে দেশ। বর্তমানে দেশের ২১ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ। নতুন বছরের শুরুতেও তীব্র শীত অনুভূত করবে সাধারণ মানুষ। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  আবহাওয়া অফিস জানায়, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ৯টার মধ্যে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকতে পারে।  আরও পড়ুন ঢাকায় সূর্য উঠবে কবে, জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। সংস্থাটি জানায়, দেশের মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলাসহ খুলনা ও বরিশাল বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধানের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং কোথাও কোথাও তা অব্যাহত থাকতে পারে।  এ ছাড়া সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। সারাদেশে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি বিরাজমান থাকতে পারে। আরও জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা দুপুর পর্যন্ত কোথাও কোথাও অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে।  এ ছাড়া সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। সারাদেশে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি বিরাজমান থাকতে পারে। আরটিভি/এসআর
নতুন বছরের প্রথমদিনে যেমন থাকবে আবহাওয়া
দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা গোপালগঞ্জে
হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে দেশ। গোপালগঞ্জে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এই মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।  বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ এবং কুয়াশায় দৃষ্টিসীমা ২০০ মিটার। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবু সুফিয়ান। তিনি বলেন, গোপালগঞ্জে বুধবার সকাল ৬টায় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৭.৫°সেলসিয়াস। বাতাসে আর্দ্রতা ৯৭%! কুয়াশাচ্ছন্ন আকাশ, দৃষ্টিসীমা ২০০ মিটার। আরও দুই থেকে তিন দিনের মতো জেলায় এমন আবহাওয়া থাকতে পারে। আরও পড়ুন ঢাকায় তীব্র শীতের কারণ জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর এদিন জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, জেলাজুড়ে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে জনপদ। বিভিন্ন স্থানে আগুন জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছে অনেকেই। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নদী তীরবর্তী মানুষেরাসহ নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষ।  তারপরেও জীবিকার তাগিদে হাড়কাঁপানো শীতকে উপেক্ষা করে খুব সকালে কাজের সন্ধানে রাস্তায় বের হচ্ছেন খেটে খাওয়া অনেকেই। হাসপাতালে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা। গোপালগঞ্জ শহরের রিকশাচালক আব্দুল মজিদ বলেন, হিমেল হাওয়ায় রিকশা চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। তীব্র শিতের কারণে অনেকেই বাসা থেকে বের হচ্ছে না। এজন্য আমাদের আয় অনেকটা কমে গেছে। সদরের রঘুনাথপুর ইউনিয়নের কৃষক অবনি মন্ডল বলেন, তীব্র শিতের কারণে আমরা জমিতে যেতে পারছি না। বর্তমানে ইরি ধানের সময়, কাজেরও অনেকচাপ। তারপরেও আমরা শিতের কারণে জমিতে যেতে চাচ্ছি না। এদিকে শিতের কানে শ্রমিক ও পাচ্ছি না। আরটিভি/এসআর
দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা গোপালগঞ্জে
শীত নিয়ে সারাদেশের জন্য বড় দুঃসংবাদ
রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে আগামী পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। যেখানে সারাদেশে রাতের এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি বিরাজমান থাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু করে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার জন্য এই পূর্বাভাসের তথ্য জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান। পূর্বাভাস অনুযায়ী, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঘন কুয়াশার কারণে দেশের কোথাও কোথাও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকতে পারে।  আরও পড়ুন ঢাকায় তীব্র শীতের কারণ জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর এতে আরও বলা হয়, ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। এ ছাড়া সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা দুপুর পর্যন্ত কোথাও কোথাও অব্যাহত থাকতে পারে।  এতে বলা হয়, ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, আগামী ১, ২ ও ৩ জানুয়ারি অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশের মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা দুপুর পর্যন্ত কোথাও কোথাও অব্যাহত থাকতে পারে। সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। তবে ২ ও ৩ জানুয়ারি সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্ধিত ৫ দিনের শেষের দিকে রাত ও দিনের তাপমাত্রা কমতে পারে। আরটিভি/এসআর
শীত নিয়ে সারাদেশের জন্য বড় দুঃসংবাদ
আরও পড়ুন
বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে তিস্তার পানি, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল
তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাত নিয়ে আবহাওয়া অফিসের সতর্কতা
৪৮ ঘণ্টায় বন্যায় ডুবতে পারে ৭ জেলার নিম্নাঞ্চল
কুড়িগ্রামে বাড়ছে নদ-নদীর পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত