ঢাকা শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

‘সিভিয়ার সাইক্লোনে’ রূপ নিতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘মন্থা’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ অক্টোবর ২০২৫, ০৮:৩৬ এএম
সংগৃহীত ছবি

বঙ্গোপসাগর এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে ইতোমধ্যে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। আবহাওয়া অফিসের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই নিম্নচাপটি আগামী ২৭ অক্টোবর সকালে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

আরও পড়ুন

নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে এর নাম হবে ‘মন্থা’। এটি থাইল্যান্ডের দেয়া নাম। স্থানীয় ভাষায় যার অর্থ ‘সুগন্ধি ফুল’ বা ‘সুন্দর ফুল’। আবহাওয়াবিদদের মতে, ঘূর্ণিঝড় মন্থা ‘সিভিয়ার সাইক্লোন’ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিম্নচাপটি শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১৩৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১২৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৩০৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১২৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, মন্থা শক্তিশালী হয়ে ‘সিভিয়ার সাইক্লোন’ অর্থাৎ প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। বর্তমানে নিম্নচাপটি চট্টগ্রাম থেকে প্রায় ১ হাজার ৩৩০ কিলোমিটার, কক্সবাজার থেকে ১ হাজার ২৫৫ কিলোমিটার, মোংলা থেকে ১ হাজার ৩০৫ কিলোমিটার এবং পায়রা থেকে প্রায় ১ হাজার ২৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছে।

নিম্নচাপটি এখন পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এর কেন্দ্রে ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় ৪০ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়ায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বেগে পৌঁছাতে পারে।

পরিস্থিতি বিবেচনায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে এক নম্বর দূরবর্তী সতর্কসংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক বলেন, বর্তমান তথ্য অনুযায়ী ২৭ অক্টোবর সকালে নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে তখনই নিশ্চিতভাবে এর গতিপথ বলা সম্ভব হবে। বিভিন্ন গাণিতিক মডেল ইঙ্গিত দিচ্ছে, ২৮ বা ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

তবে এর প্রভাবে বাংলাদেশের আবহাওয়ায়ও পরিবর্তন আসবে বলে জানান তিনি। নাজমুল হক বলেন, ২৮ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। খুলনা, বরিশাল ও ঢাকা বিভাগে তুলনামূলক কম বৃষ্টি হতে পারে। চট্টগ্রাম ও সিলেটেও বৃষ্টির পরিমাণ কম থাকবে। তবে রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।

আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক গণমাধ্যমকে জানান, বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি শনিবার মধ্যরাত নাগাদ গভীর নিম্নচাপ ও রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুরের দিকে ঘূর্ণিঝড় মন্থায় রূপ নিতে পারে। তবে নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলেও বাংলাদেশে এর তেমন প্রভাব পড়বে না।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সাল থেকে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের প্রথা চালু করে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও)। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো নিয়ে গঠিত ডব্লিউএমও/এসকাপ প্যানেল অন ট্রপিক্যাল সাইক্লোনস নামের এই আঞ্চলিক কমিটি ঘূর্ণিঝড়ের নামের তালিকা তৈরি ও অনুমোদন করে।

ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ইরান, কাতার, সৌদি আরব, ইয়েমেন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত নিয়ে গঠিত হয়েছে এই প্যানেলে।

আরটিভি/এফএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শীত নিয়ে আরও বড় দুঃসংবাদ
হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে দেশ। আগামী পাঁচ দিনের শুরুর দিকে শীত আরও তীব্র হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) এই তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির। তিনি জানিয়েছেন, আগামীকাল (বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি) সকাল ৯টার মধ্যে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। তবে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশের বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং দুপুর পর্যন্ত তা কোথাও কোথাও অব্যাহত থাকতে পারে।  আরও পড়ুন সূর্যের দেখা কবে মিলবে, জানাল আবহাওয়া অফিস ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দেশের মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলাসহ খুলনা ও বরিশাল বিভাগের উপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে, দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি আরও প্রবল থাকতে পারে। পরবর্তী কয়েক দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২ জানুয়ারি) থেকে রোববার (৪ জানুয়ারি) পর্যন্ত সারা দেশে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে এবং কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা অব্যাহত থাকবে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হাড় কাঁপানো শীতে সাধারণ মানুষ শীতের তীব্রতা অনুভব করছেন। বিশেষ করে ঘন কুয়াশা এবং তীব্র শৈত্যপ্রবাহে যাতায়াত ও দৈনন্দিন কাজকর্মে অসুবিধা দেখা দিতে পারে। আরটিভি/এসআর
শীত নিয়ে আরও বড় দুঃসংবাদ
যেসব জেলায় রাতেই ‘কনকন’ সক্রিয় হতে পারে
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ ‘কনকন’ সক্রিয় হয়েছে। রাতে আরও ৩০-এর বেশি জেলায় সক্রিয় হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে বিডব্লিউওটি জানায়, দেশে সক্রিয় হয়েছে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ ‘কনকন’। আজ রাতে আরও অনেক জেলায় এটি সক্রিয় হতে পারে। যেসব জেলায় ‘কনকন’ সক্রিয় হতে পারে  চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নওগাঁ, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, নাটোর, পাবনা, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, কুষ্টিয়া, যশোর, নড়াইল, খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, মানিকগঞ্জ, মাদারীপুর, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও এর আশপাশের কিছু স্থানে আজ (বুধবার) রাতেই মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ সক্রিয় হতে পারে। বিডব্লিউওটি আরও জানায়, রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টার মধ্যে এসব জেলা ও এর আশপাশের কিছু স্থানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি নেমে আসতে পারে। এমনকি দু-একটি স্থানে কিছু সময়ের জন্য তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও নামতে পারে।  আরটিভি/আরএ
যেসব জেলায় রাতেই ‘কনকন’ সক্রিয় হতে পারে
নতুন বছরের প্রথমদিনে যেমন থাকবে আবহাওয়া
আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই শুরু হতে যাচ্ছে নতুন বছর ২০২৬ সাল। ইতোমধ্যে হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে দেশ। বর্তমানে দেশের ২১ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ। নতুন বছরের শুরুতেও তীব্র শীত অনুভূত করবে সাধারণ মানুষ। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  আবহাওয়া অফিস জানায়, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ৯টার মধ্যে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকতে পারে।  আরও পড়ুন ঢাকায় সূর্য উঠবে কবে, জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। সংস্থাটি জানায়, দেশের মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলাসহ খুলনা ও বরিশাল বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধানের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং কোথাও কোথাও তা অব্যাহত থাকতে পারে।  এ ছাড়া সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। সারাদেশে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি বিরাজমান থাকতে পারে। আরও জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা দুপুর পর্যন্ত কোথাও কোথাও অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে।  এ ছাড়া সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। সারাদেশে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি বিরাজমান থাকতে পারে। আরটিভি/এসআর
নতুন বছরের প্রথমদিনে যেমন থাকবে আবহাওয়া
দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা গোপালগঞ্জে
হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে দেশ। গোপালগঞ্জে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এই মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।  বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ এবং কুয়াশায় দৃষ্টিসীমা ২০০ মিটার। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবু সুফিয়ান। তিনি বলেন, গোপালগঞ্জে বুধবার সকাল ৬টায় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৭.৫°সেলসিয়াস। বাতাসে আর্দ্রতা ৯৭%! কুয়াশাচ্ছন্ন আকাশ, দৃষ্টিসীমা ২০০ মিটার। আরও দুই থেকে তিন দিনের মতো জেলায় এমন আবহাওয়া থাকতে পারে। আরও পড়ুন ঢাকায় তীব্র শীতের কারণ জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর এদিন জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, জেলাজুড়ে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে জনপদ। বিভিন্ন স্থানে আগুন জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছে অনেকেই। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নদী তীরবর্তী মানুষেরাসহ নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষ।  তারপরেও জীবিকার তাগিদে হাড়কাঁপানো শীতকে উপেক্ষা করে খুব সকালে কাজের সন্ধানে রাস্তায় বের হচ্ছেন খেটে খাওয়া অনেকেই। হাসপাতালে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা। গোপালগঞ্জ শহরের রিকশাচালক আব্দুল মজিদ বলেন, হিমেল হাওয়ায় রিকশা চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। তীব্র শিতের কারণে অনেকেই বাসা থেকে বের হচ্ছে না। এজন্য আমাদের আয় অনেকটা কমে গেছে। সদরের রঘুনাথপুর ইউনিয়নের কৃষক অবনি মন্ডল বলেন, তীব্র শিতের কারণে আমরা জমিতে যেতে পারছি না। বর্তমানে ইরি ধানের সময়, কাজেরও অনেকচাপ। তারপরেও আমরা শিতের কারণে জমিতে যেতে চাচ্ছি না। এদিকে শিতের কানে শ্রমিক ও পাচ্ছি না। আরটিভি/এসআর
দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা গোপালগঞ্জে
শীত নিয়ে সারাদেশের জন্য বড় দুঃসংবাদ
রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে আগামী পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। যেখানে সারাদেশে রাতের এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি বিরাজমান থাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু করে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার জন্য এই পূর্বাভাসের তথ্য জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান। পূর্বাভাস অনুযায়ী, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঘন কুয়াশার কারণে দেশের কোথাও কোথাও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকতে পারে।  আরও পড়ুন ঢাকায় তীব্র শীতের কারণ জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর এতে আরও বলা হয়, ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। এ ছাড়া সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা দুপুর পর্যন্ত কোথাও কোথাও অব্যাহত থাকতে পারে।  এতে বলা হয়, ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, আগামী ১, ২ ও ৩ জানুয়ারি অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশের মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা দুপুর পর্যন্ত কোথাও কোথাও অব্যাহত থাকতে পারে। সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। তবে ২ ও ৩ জানুয়ারি সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্ধিত ৫ দিনের শেষের দিকে রাত ও দিনের তাপমাত্রা কমতে পারে। আরটিভি/এসআর
শীত নিয়ে সারাদেশের জন্য বড় দুঃসংবাদ
আরও পড়ুন
এমন শীত-কুয়াশা কদিন থাকবে জানাল আবহাওয়া অফিস
তাপমাত্রা নিয়ে দুঃসংবাদ দিলো আবহাওয়া অফিস
শীত-কুয়াশা নিয়ে যে বার্তা দিলো আবহাওয়া অফিস
রাতের তাপমাত্রা নিয়ে যে তথ্য দিলো আবহাওয়া অফিস