ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

আবহাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ, নৌযান চলাচলে সতর্কবার্তা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:০৫ এএম
ছবি: সংগৃহীত

দেশের নদী অববাহিকায় ঘন কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা ২০০ মিটার বা কখনো কখনো এর থেকেও কম থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য এই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হকের তথ্যে জানা যায়, নদী অঞ্চলে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশার কারণে নৌযানগুলোকে সাবধানে চলাচল করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে এই পরিস্থিতিতে কোনো সংকেত প্রদানের প্রয়োজন নেই।

১২০ ঘণ্টার সর্বশেষ আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ সারাদেশে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকলেও আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত অনেক জায়গায় ঘন কুয়াশা পড়তে পারে যা দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে। রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে, তবে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

এছাড়া, আবহাওয়া অধিদপ্তর জানাচ্ছে যে চলতি মাসের মধ্যে আরও একাধিক শৈত্যপ্রবাহ দেশের ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে, যার ফলে কিছু জায়গায় তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, সোমবার রাত থেকে তাপমাত্রা ক্রমাগত কমতে থাকবে এবং এই মাসে এক থেকে দুইটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন

সুতরাং, ঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে পরিবহন ব্যবস্থায় সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। বিশেষ করে নদী অববাহিকায় নৌযান চলাচলে সাবধানতা জরুরি।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে ৬ শৈত্যপ্রবাহের আভাস
আগামী ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে দেশের ওপর দিয়ে ছয়টি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ তীব্র আকার ধারণ করতে পারে।
ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে ৬ শৈত্যপ্রবাহের আভাস
আবহাওয়ায় আসছে বড় পরিবর্তন, যা জানা গেল
দেশের তিন বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে অন্ধ্রপ্রদেশ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় স্থল নিম্নচাপ আকারে অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
আবহাওয়ায় আসছে বড় পরিবর্তন, যা জানা গেল
ঢাকাসহ ৩ বিভাগের জন্য দুঃসংবাদ
ঢাকাসহ দেশের তিন বিভাগে আগামী ২৪ ঘণ্টায় বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাস থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার মধ্যে রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। পাশাপাশি সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে ও দিনে সামান্য কমতে পারে। আবহাওয়া অফিস জানায়, দক্ষিণ অন্ধ্র প্রদেশ ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ উত্তর/উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে অন্ধ্র প্রদেশ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় স্থল নিম্নচাপ আকারে অবস্থান করছে। এটি আরো উত্তর-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে। আরটিভি/এসআর
ঢাকাসহ ৩ বিভাগের জন্য দুঃসংবাদ
আঘাত হানার দ্বারপ্রান্তে বঙ্গোপসাগরের নতুন ঘূর্ণিঝড়, চার সমুদ্রবন্দরে সতর্কতা
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নতুন ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ প্রবল আকার ধারণ করে উত্তর-পশ্চিমে উপকূলের দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে ক্রমশ।
আঘাত হানার দ্বারপ্রান্তে বঙ্গোপসাগরের নতুন ঘূর্ণিঝড়, চার সমুদ্রবন্দরে সতর্কতা
শক্তি বেড়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিল ‘মুরাসু’, আঘাত হানতে পারে যেসব এলাকায়
বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ আরও শক্তিশালী হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে থাকা ঘূর্ণিঝড়টি সোমবার (২ নভেম্বর) রাত নাগাদ ভারতের অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাংলাদেশের চার সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার (২ নভেম্বর) আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমানের স্বাক্ষরিত আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৭ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। সোমবার ভোররাত ৩টায় এটি ১৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮২ দশমিক ৬ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থান করছিল। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার। দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে এ গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচলের পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে থাকলে সোমবার রাত নাগাদ প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবেই ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে। আরটিভি/এসকে
শক্তি বেড়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিল ‘মুরাসু’, আঘাত হানতে পারে যেসব এলাকায়
আরও পড়ুন
চট্টগ্রাম বন্দরসীমায় নিরাপদ নৌ-চলাচল নিশ্চিতে ৩ নির্দেশনা কর্তৃপক্ষের
টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউসবোট ও পর্যটকবাহী নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ!
গরমের মাঝেও ঢাকায় হঠাৎ কুয়াশা নিয়ে যা জানা গেলো 
নৌযান চলাচল নিয়ে আবহাওয়া অফিসের সতর্কবার্তা